| বাংলার জন্য ক্লিক করুন

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সঠিক সেবার অভাব বিশ্বে প্রতি বছর মারা যায় ২৬ লাখ রোগী



মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের শুধুমাত্র নিম্ন ও মধ্যবিত্ত দেশগুলোতে প্রতি বছর প্রায় ২৬ লাখ মানুষ হাসপাতালে সঠিক সেবার অভাবে মারা যায়। এসব মৃত্যুর অবহেলিত বা হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে।
এছাড়া প্রতি বছর একই কারণে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রায় ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার সমপরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এসব অঞ্চলের মানুষেরা। সেই কারণে প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী পেশেন্ট সেফটি ক্যাম্পেইন শুরু করেছে ডব্লিউএইচও। গত ১৭ সেপ্টেম্বর পেশেন্ট সেফটি দিবস থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে বলে সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়। ডব্লিউএইচও বলছে, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জন রোগী প্রাথমিক ও অ্যাম্বুলেন্সে চিকিৎসা নেওয়ার সময় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ বা ভুলের শিকার হচ্ছে রোগ নির্ণয় থেকে ওষুধ গ্রহণ পর্যন্ত। ওষুধের কারণেই প্রতি বছর ৪২ বিলিয়ন ইউএস ডলার খরচ হচ্ছে। তাছাড়া অনিরাপদ অপারেশন প্রক্রিয়ার কারণে ২৫ শতাংশ অর্থাৎ এক মিলয়ন রোগীর প্রতি বছর মৃত্যুু হচ্ছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। রোগীর অনিরাপদ চিকিৎসা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলছে ডব্লিউএইচও। এক্ষেত্রে তারা জরুরিভিত্তিতে অভিযুক্ত দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। এক্ষেত্রে রোগীদেরকে এ সমস্যা নির্মূলে সংযুক্ত করতে বলেছে সংস্থাটি। তারা বলছে, রোগীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে ১৫ শতাংশ সমস্যা দূর করা সম্ভব। একইসঙ্গে চিকিৎসা খাতের খরচও অনেক কমানো সম্ভব। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. টেডরস আধানম বলেন, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে গিয়ে কেউ ক্ষতির সম্মুখীন হবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। বিশ্বে প্রতি মিনিটে পাঁচ জন হাসপাতালে সঠিকসেবার অভাবে মারা যাচ্ছে। আমরা রোগীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টায় আছি। তাদেরকে এ সংক্রান্ত ক্ষতি সম্পর্কে জানিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এছাড়া চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও রোগীদের সেফটি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিচ্ছি।

সঠিক সেবার অভাব বিশ্বে প্রতি বছর মারা যায় ২৬ লাখ রোগী
                                  



মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের শুধুমাত্র নিম্ন ও মধ্যবিত্ত দেশগুলোতে প্রতি বছর প্রায় ২৬ লাখ মানুষ হাসপাতালে সঠিক সেবার অভাবে মারা যায়। এসব মৃত্যুর অবহেলিত বা হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে।
এছাড়া প্রতি বছর একই কারণে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রায় ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার সমপরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এসব অঞ্চলের মানুষেরা। সেই কারণে প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী পেশেন্ট সেফটি ক্যাম্পেইন শুরু করেছে ডব্লিউএইচও। গত ১৭ সেপ্টেম্বর পেশেন্ট সেফটি দিবস থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে বলে সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়। ডব্লিউএইচও বলছে, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জন রোগী প্রাথমিক ও অ্যাম্বুলেন্সে চিকিৎসা নেওয়ার সময় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ বা ভুলের শিকার হচ্ছে রোগ নির্ণয় থেকে ওষুধ গ্রহণ পর্যন্ত। ওষুধের কারণেই প্রতি বছর ৪২ বিলিয়ন ইউএস ডলার খরচ হচ্ছে। তাছাড়া অনিরাপদ অপারেশন প্রক্রিয়ার কারণে ২৫ শতাংশ অর্থাৎ এক মিলয়ন রোগীর প্রতি বছর মৃত্যুু হচ্ছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। রোগীর অনিরাপদ চিকিৎসা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলছে ডব্লিউএইচও। এক্ষেত্রে তারা জরুরিভিত্তিতে অভিযুক্ত দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। এক্ষেত্রে রোগীদেরকে এ সমস্যা নির্মূলে সংযুক্ত করতে বলেছে সংস্থাটি। তারা বলছে, রোগীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে ১৫ শতাংশ সমস্যা দূর করা সম্ভব। একইসঙ্গে চিকিৎসা খাতের খরচও অনেক কমানো সম্ভব। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. টেডরস আধানম বলেন, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে গিয়ে কেউ ক্ষতির সম্মুখীন হবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। বিশ্বে প্রতি মিনিটে পাঁচ জন হাসপাতালে সঠিকসেবার অভাবে মারা যাচ্ছে। আমরা রোগীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টায় আছি। তাদেরকে এ সংক্রান্ত ক্ষতি সম্পর্কে জানিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এছাড়া চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও রোগীদের সেফটি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিচ্ছি।

ডেঙ্গুতে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৩
                                  

সরকারি হিসাবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) ডেথ রিভিউ কমিটির সর্বশেষ মোট ২৪২ জন সন্দেহভাজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের মধ্যে ১৩৬টি মৃত্যুর কারণ রিভিউ করে। তার মধ্যে ৮১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে জানায় ডেথ রিভিউ কমিটি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টারের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার জানান, সর্বশেষ রিভিউ কমিটি মোট ১৫১ জনের মৃত্যুর কারণ রিভিউ করে ৯৩টি মৃত্যু নিশ্চিত করে।

 

তবে সরকারি হিসাবে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৯৩ জন বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের হাসপাতালে মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৭৯৯ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীতে ৪৬ হাজার ৬৬৫ জন ও ঢাকার বাইরে ৩৯ হাজার ৮৭৮ জন।

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৯ হাজার ২১৮ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীর হাসপাতাল থেকে ৪৭ হাজার ১২৫ জন ও ঢাকার বাইরের হাসপাতাল থেকে ৪২ হাজার ৯৩ জন রিলিজ পেয়েছেন।

তথ্য প্রযুক্তি মনের কথা ‘শুনে’ অন্যকে জানাবে যে যš
                                  

নতুন এক ধরনের হেডসেট (হেডফোনের মতো পরিধেয়) উদ্ভাবিত হয়েছে, যার মাধ্যমে মনের কথা ‘শোনা’ যাবে। তবে এজন্য যারা হেডসেটটি পরে থাকবে তারাই কেবল পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারবে।
গবেষকরা বলছেন, অলটারইগো নামের এই হেডসেটটি পরে কেউ মনে মনে কথা বললেই হলো, উচ্চস্বরে কথা বলার প্রয়োজন নেই।
এই আবিষ্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্ণব কাপুর। তিনি বলেন, ‘আমাদের চিন্তা ছিল : আমরা এমন কোনো কম্পিউটিং প্ল্যাটফরম করতে পারি কি না, যা আরো বেশি অন্তর্মুখী, কোনো উপায়ে যা মানুষ ও মেশিনের মেলবন্ধন ঘটাবে এবং যা আমাদের নিজেদের বোধশক্তির অন্তর্গত বিস্তার মনে হতে পারে?’ যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটির মিডিয়া ল্যাবে এ সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করেন অর্ণব। অর্ণব এই হেডসেটটিকে ইনটেলিজেন্স-অগমেন্টেশন (জ্ঞান-উদ্দীপন) বা এআই যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি জাপানের টোকিওতে অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন। যন্ত্রটি চোয়াল ও থুতনি বরাবর পরতে হবে এবং এই সাদা প্লাস্টিক ডিভাইসটির নিচে চারটি ইলেকট্রোড (বিদ্যুৎ পরিবাহী সেল) থাকবে, যেগুলো ত্বক ও স্নায়ুবিকপেশির (নিউরোমাসকুলার) সংকেত পাবে। এর ফলে একজন ব্যক্তি মনে মনে কী বললেন তা বুঝতে পারবে যন্ত্রটি।
কেউ যখন বলে ওঠে তার মাথায় অনেক কথা আছে, এই যন্ত্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষ শব্দের সঙ্গে বিশেষ সংকেত মিল খুঁজে পাবে, এরপর সেসব কথা কম্পিউটারে বেরিয়ে আসবে। এমআইটির মিডিয়া আর্টস ও সায়েন্সেসের প্রফেসর প্যাটি মায়েস বলেন, ‘আমরা আসলে সেলফোন, ডিজিটাল যন্ত্রপাতি ছাড়া চলতে পারি না। একইসঙ্গে এসব যন্ত্রের ব্যবহার অত্যন্ত ঝামেলার। প্রয়োজনীয় কিছু খুঁজতে আমাকে ফোন বের করে পাসকোড দিতে হবে এবং একটি অ্যাপ খুলে সেটাতে কিওয়ার্ড টাইপ করতে হবে। পুরো বিষয়টা আমার মনোযোগ অন্য দিকে নিয়ে যায়।’
মায়েস, তাঁর ছাত্র অর্ণবসহ অন্যরা স্মার্টফোনের জ্ঞান ও সেবার কিছু ফ্যাক্টর, ইন্টারফেস নিয়ে কাজ করছেন, যাতে দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা আর থাকবে না।
অল্টারইগো যন্ত্রটি দিয়ে ১০ জনের ওপর নিরীক্ষা চালানো হয় এবং এর মধ্যে ৯২ শতাংশ নিখুঁত করে এটি।
আর প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝতে তার ১৫ মিনিট করে সময় লাগে। গুগলের কণ্ঠ রূপান্তর যন্ত্র ৯৫ শতাংশ সঠিক কাজ করে। তবে অর্ণব বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্রটির উন্নয়ন হবে।
(কথা) শনাক্ত প্রক্রিয়ার উন্নতির জন্য তথ্য সংগ্রহ এবং কত সংখ্যক শব্দ অল্টারইগো বুঝতে পারবে তা নিয়ে অর্ণব ও তাঁর দল বর্তমানে কাজ করছে।
কণ্ঠ রূপান্তরকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যন্ত্র যেমন গুগলের অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যামাজনের অ্যালেক্সা অথবা অ্যাপলের সিরির সঙ্গে সমন্বয় করাই অল্টারইগোর মূল লক্ষ্য। মানুষ এসব যন্ত্রের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই বা নিশ্চুপ থেকেই নতুন আবিষ্কৃত যন্ত্রটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে।
জর্জিয়া টেকের কম্পিউটিং প্রফেসর থাড স্টার্নার বলেন, ‘যেখানে সাধারণত পারতেন না এমন পরিবেশে কণ্ঠের মাধ্যমে যোগাযোগের ব্যাপারটা দুর্দান্ত, তাই না?’ তিনি বলেন, ‘যেখানে উচ্চস্বরে শব্দ হয় সেই পরিবেশের কথা ভাবতে পারেন, যেমন বিমানবাহী রণতরীর উড়োজাহাজ উড্ডয়নের ডেক, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা ছাপাখানা।’

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা জেনে নিন কিডনি সুস্থ রাখতে ১০ টিপস
                                  

দেহের দূষিত উপাদান বের করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কিডনি। রক্তের বর্জ্য এবং তরলের ভারসাম্য রক্ষায় এই দুটি প্রত্যঙ্গই ভরসা। কাজেই তাদের যতœ নেওয়া অতি জরুরি। অনেক সময়ই কিডনিতে ক্ষুদ্রাকৃতি পাথর গঠিত হয়। যখন খনিজ এবং লবণ ক্রিস্টাল আকারে জমা হতে থাকে তখনই কিডনিতে পাথরের মতো শক্ত হয়ে জমতে থাকে।
প্রাণীজ প্রোটিন, সোডিয়াম, পরিশোধিত চিনি, ফ্রুকটোজ, আঙ্গুগুরের রস, আপেলের রস এবং অক্সালেট বেশি পরিমাণে খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে। অক্সালেট বেশি থাকে পালং শাক, বাদাম, চকোলেট, কোকোয়া, স্ট্রবেরি ইত্যাদিতে। সুস্থ থাকতে কিডনির পাথর বের করতে হয়। এখানে বিশেষজ্ঞরা ১০টি খাবারের কথা বলেছেন। এদের খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
আনার
এ ফলের রস বানিয়ে খেলে উপকার পাবেন। এর রস কিংবা বিচি কিডনির পাথর বের করে নিতে সহায়ক। পাশাপাশি অন্যান্য বিষাক্ত উপাদানও দূর করবে।
লেবুর রস এবং অলিভ ওয়েল
এক কাপের চার ভাগের একভাগ লেবুর রসে মিশিয়ে নিন ৪ চা চামচ অলিভ ওয়েল। এবার এটা এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে নিন। প্রতিদিন খেলে কিডনির পাথর দূরীকরণের উপকার পাবেন।
লেমোনেড
এই পানীয় অনেকের কাছে খুবই প্রিয়। লেমোনেড কিন্তু ক্যালসিয়াম জমতে বাধা দেয়। কাজেই এটা খেলে কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকি অনেকটা কমে আসে। সেই সঙ্গে কিডনিতে পাথর থাকলেও তা দূর করতে কাজ করে।
শীমের বিচি
এক বাটি শীমের বিচি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। এবার প্রেসার কুকার বা পানিতে সেদ্ধ করুন। একটি সুতি বা মসলিন কাপড়ে বিচিগুলো নিয়ে পানি ঝরতে দিন। এ অবস্থায় ৭-৮ ঘণ্টা রেখে দিন। যে পানি ঝরবে তা পান করবেন। প্রতিদিন খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এতে কিডনির পাথর দূর হওয়ার কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। আবার শীমের বিচিও খেতে পারবেন।
সাইট্রাস ফল
কমলা, কলা, টমেটো কিংবা জাম্বারার মতো সাইট্রাস ফল ক্যালসিয়াম ভেঙে দেয়। এতে পাথর জমার সম্ভাবনা নষ্ট হয়।
পুদিনা পাতা
চা বানানো সময় তাতে পুদিনা পাতা দিতে পারেন। এককাপ চায়ে ৫-৬টি পুদিনা পাতা দিন। এবার তা ১০ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন। তাতে মেশাতে পারেন এক চা চামচ মধু। তা ছাড়া প্রতি সকালে পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেলেও কিডনির পাথর এবং দূষিত উপাদান দূর হয়।
বেকিং সোডা
এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এটা খেয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা কিডনির পাথর গলিয়ে দেয়। এটি ইউরিক এসিড গঠন করে এবং ব্যথা কমায়।
অ্যাপল সিডার ভিনেগার
এক চা চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগারে মিশিয়ে নিন ১ চা চামচ মধু। এক এককাপ হালকা উষ্ণ পানিতে মেশান এবং খেয়ে ফেলুন। দিনে দুই বার করে খেলে কিডনির পাথর নিয়ে চিন্তা নেই।

স্ট্রোকের কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয় মস্তিষ্কে
                                  


 রক্ত সরবরাহের ক্ষেত্রে কোন বাধার সৃষ্টি হলে অর্থাৎ মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় ক্ষতি হলে ব্রেইন স্ট্রোক হয়। ব্রেইন স্ট্রোক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এই রক্তক্ষরণ সাধারণত ইস্কিমিয়া ব্লকেজ অর্থাৎ রক্ত প্রবাহের অভাবের কারণে হয়ে থাকে। তবে, একজন সাধারণ ব্যাক্তি অবশ্যই জানে না, স্ট্রোক কি? স্ট্রোকের কারণে কি কি হতে পারে? স্ট্রোক করা রোগীদের কীভাবে পুনর্বাসন করতে হবে? ইত্যাদি। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, স্থুলতা, উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে কোন বাধার সৃষ্টি হলেই মূলত ব্রেইন স্ট্রোক হয়। তবে এর কিছু সতর্কতা সংকেত রয়েছে, যা নিম্নে দেয়া হল-
১. মুখ বেকে যাওয়া:
রোগীর মুখের এক পাশে যদি অসাড়তা অনুভব করে অথবা রোগীর মুখের এক পাশ যদি বেকে যায়, তাহলে তাকে দ্রুত ডাক্তারের নিকট নিয়ে যেতে হবে। সে সময় আপনি রোগীকে একবার হাসার জন্য অনুরোধ করুন। যদি সে হাসতে না পারে, তাহলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। ব্রেইন স্ট্রোক এর প্রধান লক্ষণ মুখ বেকে যাওয়া এবং হাসতে না পারা।
২. হাতে দুর্বলতা:
একজন স্ট্রোকের রোগী তার এক হাতে অথবা উভয় হাতে অবশতা বা দুর্বলতা অনুভব করে। যা স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। আপনি স্ট্রোকের রোগীকে হাত উপরে উঠানোর জন্য অনুরোধ করুন। সে তার হাত উপরে উঠাতে পারবেন না। উপর দিকে উঠাতে নিলে তার হাত নিচের দিকে নেমে আসবে।
৩. কথা বলতে অসুবিধা:
একজন স্ট্রোকের রোগী বক্তৃতা প্রদানের সময় ঠিকমত কথা বলতে পারবে না। তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য একই প্রশ্ন বারবার করুন। দেখবেন তারা সঠিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে না। তারা একই প্রশ্নের বিভিন্ন উত্তর প্রদান করবে।
৪. তাদের ভারসাম্য ঠিক থাকবে না:
একজন স্ট্রোকের রোগী তাদের শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন না। তারা চলাচলের সময় সমন্বয়ের অভাব অনুভব করে। তারা বিভিন্ন অসুবিধায় ভুগতে থাকে।
স্ট্রোক হলে যা জরুরি
স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া মানেই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ। রোগী একদিকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন আরেকদিকে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার প্রাণান্তকর চেষ্টা করতে থাকেন আত্মীয়-স্বজনেরা। এই অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে উপস্থিত হয়ে তাঁকে একনজর দেখার জন্যও ভিড় জমান রোগীর স্বজনেরা। যেন দ্রুত তাঁকে শেষবার একনজর জীবিত দেখে নেওয়ার তাগিদ অনুভব করেন। সবচেয়ে পরিচিত স্ট্রোকের মধ্যে  পড়ে মস্তিষ্কের শিরায় রক্ত জমে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়ার যাওয়ার ঘটনাটি। এতে মস্তিষ্কের ওই শিরার নিকটস্থ কোষগুলো দ্রুত মারা যেতে শুরু করে। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন যে, বর্তমানে এই রোগের কার্যকর চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। স্ট্রোকের মতো অবস্থা দেখা দিলে দ্রুত নিউরোলজিস্টকে দেখাতে হবে। সম্প্রতি স্ট্রোকের জরুরি চিকিৎসা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য ইকোনমিস্ট। মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধা স্ট্রোকের একটি চিকিৎসা হচ্ছে ‘থ্রম্বোলাইটিক থেরাপি’, যে চিকিৎসায় ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে দ্রুত মস্তিষ্কের জমাট বাঁধা রক্ত গলে যায় এবং রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক হয়। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটে গেলে ভিন্ন বিষয়) উভয় ক্ষেত্রেই এই থেরাপি বা ওষুধের মাধ্যমে জমাট বাঁধা রক্ত গলিয়ে ফেলা হয়। স্ট্রোক হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই থেরাপি দেওয়া হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি কম হয় এবং প্যারালাইসিস বা দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা তৈরির বিষয়গুলো কমে যায়। নিউরোলজিস্ট বা স্নায়ুুরোগ বিশেষজ্ঞরা স্ট্রোকের চিকিৎসার বিষয়টিকে বলেন, ‘টাইম ইজ ব্রেইন’।
স্ট্রোকের কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয়
অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের সবচেয়ে বড় কারণ। এছাড়া, ধূমপান, তামাক পাতা, জর্দা, মাদক সেবন, অতিরিক্ত টেনশন, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, রক্তে বেশি মাত্রায় চর্বি, অলস জীবনযাপন করা, স্থুলতা বা অতিরিক্ত মোটা হওয়া, অতিরিক্ত মাত্রায় কোমল পানীয় গ্রহণ, কিছু কিছু ওষুধ যা রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় যেমন অ্যাসপিরিন, ক্লোপিডগ্রিল প্র্রভৃতি ব্যবহারে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে। এমনকি ঘুমের সময় নাক ডাকা, ঘুমের সময় শ্বাসকষ্টজনিত উপসর্গ। যেকোনো ধরনের প্রদাহ অথবা ইনফেকশন ও জন্মগতভাবে ব্রেইনে কিংবা মস্তিষ্কে সরু রক্তনালী থাকা, অনেক সময় বংশানুক্রমে কিংবা পূর্বের স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও দূরবর্তী রক্তনালী বন্ধ হওয়ার কারণেও স্ট্রোক হতে পারে।
চিকিৎসা :
রোগী যদি খেতে না পারে তবে নাকে নল দিয়ে খাবার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রস্রাব ও পায়খানা যাতে নিয়মিত হয় সে ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রয়োজনে প্র¯্রাবের রাস্তায় ক্যাথেটার দিতে হবে। চোখ, মুখ ও ত্বকের যতœ নিতে হবে। বেডসোর প্রতিরোধ করার জন্য নিয়মিত পাশ ফেরাতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি অনেক স্ট্রোক রোগীর হার্টের রোগ থাকে। এসব ক্ষেত্রে কারডিওলজিস্টের পরামর্শের প্রয়োজন হয়। অন্যান্য চিকিত্সা স্ট্রোকের ধরন অনুযায়ী করা হয়। যেমন: ইশকেমিক স্ট্রোকের বেলায় এসপিরিন, ক্লোপিডগ্রিল জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। রক্তক্ষরণের কারণে স্ট্রোক হলে অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে। সকল হাসপাতালেই থাকা উচিত একটি স্ট্রোক কেয়ার ইউনিট, যেখানে ডাক্তার, নার্স, থেরাপিস্ট এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে স্ট্রোক রোগীর চিকিৎসা দেবেন। রোগীর অঙ্গ সঞ্চালন করে জড়তা কাটিয়ে তুলতে রিহ্যাবিলিটেশন বা পুনর্বাসনের জন্য ফিজিওথেরাপিস্ট প্রয়োজন হয়। রোগী কথা বলতে না পারলে প্রয়োজন স্পিচ থেরাপিস্টের। স্ট্রোক কেয়ার ইউনিট, সমন্বিত স্ট্রোক কেয়ার টিমের ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসায় আসবে সুফল, রোগী ও রোগীর স্বজন হবেন চিন্তামুক্ত, রোগী লাভ করবে আরোগ্য।
যেভাবে প্রতিরোধ সম্ভব :
নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ধূমপান, মদ্যপান, মাদকদ্রব্য, তামাক পাতা ও জর্দা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়া হৃদপিন্ডের রোগের চিকিৎসা, রক্তের চর্বি নিয়ন্ত্রণ, চর্বি ও শর্করাযুক্ত খাবার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ফাস্টফুড, বাদাম,
সন্দেশ-রসগোল্ল­া, দুধ-ঘি-পোলাও-বিরিয়ানি, পাঙ্গাশ-চিংড়ি-কাঁকড়া, গরু বা খাসির মাংস, নারকেল বা নারকেলযুক্ত খাবার ইত্যাদি কম খাওয়া উচিত। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। বাড়তি ওজন কমাতে হবে। স্ট্রোক অবশ্যই একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। একবার আক্রান্ত হয়ে গেলে চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল এবং কষ্টসাধ্য। আক্রান্ত রোগী নিজে মানসিক এবং শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন, পরিবারের জন্য অনেক সময় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রতিরোধ করাই সর্বোত্তম।





ঘুরে আসতে পারেন রাতারগুল স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা কিডনির রোগের লক্ষণ ও নির্ণয়
                                  


কিডনির নানান ধর নের রোগের লক্ষণ আলাদা আলাদা হয় , যার মধ্যে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি প্রধানত দেখা যায়:
* সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে চোখ ফুলে যাওয়া।
* মুখ এবং পা ফুলে যাওয়া।
* ক্ষুধামান্দ্য , বমি ভাব , দুর্বল ভাব।
* বার বার প্রস্রাবের বেগ , বিশেষ করে রাত্রে।
* কম বয়সে উচ্চ রক্তচাপ
* শারীরিক দুর্বল ভাব , রক্ত ফ্যাকাসে হওয়া
* অল্প হাঁটার পরে, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া। বা তাড়াতাড়ি ক্লান্তি অনুভব করা।
 * ৬ বছর বয়সের পরেও রাত্রে বিছানায় প্রস্রাব করা।
* প্রস্রাব কম আসা ।
* প্রস্রাব করার সময় জ্ব¡লন অনুভব করা এবং * প্রস্রাব রক্ত বা পুজ-এর উপস্থিতি।
* প্রস্রাব করার সময় কষ্ট হওয়া। ফোটা ফোটা করে প্রস্রাব হওয়া।
* পেটের মধ্যে গিট হওয়া , পা আর কোমরের যন্ত্রণা।
উপরোক্ত লক্ষণগুলির মধ্যে কোনও একটি লক্ষণের উপস্থিতি থাকলে কিডনির রোগের সম্ভাবনা থাকতে পারে , এবং তৎক্ষণাৎ ডাক্তারবাবুর কাছে গিয়ে চেক-আপ করানো দরকার।
কিডনির রোগের নির্ণয়
কিডনির অনেক রোগ-চিকিৎসা খুবই ব্যয় বহুল। জটিল কিন্তু সম্পূর্ণ নিরাময় হয় না। দুর্ভাগ্যবশত অনেক গভীর কিডনির রোগের লক্ষণ রুতে কম দেখা যায়। এইজন্য যখনই কিডনির রোগের আশঙ্কা হয়, তখনই বিনা বিলম্বে ডাক্তারবাবর সঙ্গে পরামর্শ করে নির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু করা দরকার।
কিডনির পরীক্ষা কাদের করানোর দরকার? কিডনির রোগের সম্ভাবনা অধিক কখন ?
১. যে ব্যক্তির কিডনির রোগের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
২. ডায়বিটিস (মধুমেহ) রোগগ্রস্ত ব্যক্তি।
৩. উচ্চ-রক্তচাপযুক্ত ব্যক্তি (ঐরময ইষড়ড়ফ চৎবংংঁৎব)
৪. পরিবারে বংশানুগতিক কিডনি রোগের ইতিহাস।
৫. অনেক দিন ধরে যন্ত্রণা নিবারক (চধরহ করষষবৎ ঞধনষবঃং) ঔষধের সেবন।
৬. রেচনতন্ত্রে জন্মগত রোগ
৭. ২-৫ বৎসর অন্তর নিয়মিত পরীক্ষা সাধারণের জন্য দরকার।
কিডনির রোগের নির্ণয়ের জন্য আবশ্যক পরীক্ষাগুলি হল
প্রস্রাবের পরীক্ষা
কিডনি রোগের নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রস্রাব পরীক্ষা অতি প্রয়োজনীয়।
* প্রস্রাবের পুজের উপস্থিতি মূত্রনালিতে সংক্রমণের নিদর্শন।
* প্রস্রাবের প্রোটিন বা রক্তকণিকার উপস্থিতি গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস এর নিদর্শন।
মাইক্রোঅ্যালবুমিনেবিয়া
প্রস্রাবের এই পরীক্ষাটি ডায়াবিটিসের কারণে কিডনি খারাপ হবার সম্ভাবনা থেকে সর্বপ্রথম এবং সব থেকে তাড়াতাড়ি নির্ণয়ের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রস্রাবের অন্য পরীক্ষাগুলি হল
(১) প্রস্রাবের টি.বি.র জীবাণুর (ইধপঃবৎরধ) পরীক্ষা টি.বি. নির্ণয়ের জন্য।
(২) ২৪ ঘণ্টার মূত্রে প্রোটিনের মাত্রা (কিডনির ফোলাভাব আর তার চিকিৎসার প্রভাব জানার জন্য)
(৩) প্রস্রাব কালচার আর সেনসিটিভিটি পরীক্ষা (প্রস্রাব সংক্রমণের জন্য দায়ী ব্যাকটিরিয়া বিষয়ে জানতে আর তার চিকিৎসার জন্য প্রর্য়েজনীয় ওষুধের ব্যাপারে জানতে)
প্রস্রাবের পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির বিভিন্ন রোগের ব্যাপার জানা যায় কিন্তু প্রস্রাবের পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক (ঘড়ৎসধষ) হওয়া সত্ত্বেও কিডনিতে কোনও রোগ নেই সেটা বলা যায় না।
রক্তের পরীক্ষা নিরীক্ষা
রক্তে হিমোগ্লেøাবিনের মাত্রা
রক্তে হিমোগ্লেøাবিনের ঘাটতি (রক্তাল্পতা অ্যানিমিয়া) কিডনি ফেল হবার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। রক্তাল্পতা শরীরের অন্য কোনও রোগের নিদর্শনও হতে পারে সেজন্য এই পরীক্ষা সর্বদা কিডনির রোগের জন্যই করা হয় এমন নয়।
রক্তে




সুস্থ রাখবে যেসব খাবার!
                                  

আমরা দৈহিক শক্তি বৃদ্ধির জন্যে কতকিছুই না খাই। তবে দৈহিক শক্তি বৃদ্ধির জন্যে সব খাবারে পরিমিত পুষ্টিগুন থাকে না। বিবাহিত জীবনে মিলনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে  দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। অথচ প্রায়ই দেখা যায়, দৈহিক দুর্বলতার কারণে সংসারে অশান্তি হয়, এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাই আগে থেকে সতর্ক থাকলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি নাও হতে পারেন আপনি। আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই, তার জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবার দাবারই যথেষ্ট। আপনার খাবার  মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং ম ধু রাখুন আর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করুন, তাহলে  দৈহিক ( যৌন) দুর্বলতায় ভুগবেন না।
১. ডিম: দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে ও উত্তেজনা বাড়াতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার যৌন দুর্বলতার সমাধান হবে।
২. দুধ: যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এডিয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
৩. মধু: দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই  দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লøাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।
৪. রসুন: দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয় মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই  দৈহিক উদ্দীপনা বাড়াতে এবং জননাঙ্গকে পূর্ণ সক্রিয় রাখতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়েড দেয়।
৫. কফি: কফি আপনার মিলনের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে।
৬. জয়ফল: গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।
৭. চকলেট: ভালোবাসা ও মিলনের সঙ্গে সবসময়ই চকলেটের একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।
৮. কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও আপনার ক্লান্তি আসবে না।
৯. ভিটামিন সি জাতীয় ফল: দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি। অনেকে মিলনের উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।
১০. গরুর মাংস: গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি মিলনকে আরও আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।
১১. চা ঃ দিনে একবার মাত্র চা খেলেই শরীর এবং চোখের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে গ্লকোমার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৭৪ শতাংশ কমে যায়।
প্রসঙ্গত, গ্লকোমা রোগে আক্রান্ত হলে চোখের অন্দরে চাপ বাড়তে শুরু করে। ফলে অপটিক নার্ভ এত মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্থ হয় যে দৃষ্টিশক্তি কমতে শুরু করে। আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হল গত কয়েক বছরে ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বে অন্ধত্বের সবথেকে বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্লকোমা। এমন পরিস্থিতিতে এই আবিষ্কার যে অনেকাংশেই আশার আলো জ্বালাবে, তা বলাই বাহুল্য! কিন্তু চা পানের সঙ্গে দৃষ্টিশক্তির উন্নতির সম্পর্কটা ঠিক  কোথায়? আসলে চায়ের মধ্যে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এংব নিউরো প্রোটেকটিভ কেমিক্যাল এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতিদিন কয়েক কাপ লাল চা আপনাকে এই মারণ রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। আসলে এই পানীয়তে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ সহ এমন কিছু উপাদান, যা লাং, প্রস্টেট, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

শীতের শুরুতে চুলের যত্ন নিবেন কিভাবে?
                                  

ডা. এম.এ. সাত্তার

শীতের কারণে প্রকৃতিতেতো পরিবর্তন আসেই, পারিবর্তন আসে আমাদের ত্বকেও। এর প্রভাব পড়ে আমাদের চুলেও। এসময় চুল হয়ে পড়ে চিটচিটে। খুশকির কারণে মাথার ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ। চুলের আগা ফেটে যাওয়াসহ নানারকম সমস্যা হতে পারে। তাই এসময় চুলের জন্য প্রয়োজন হয় একটু বাড়তি যতেœর। চুলে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে পারেন

এছাড়াও একটি ডিমের সঙ্গে এক চামচ মধু আর কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলে লাগান। বিশ মিনিট রেখে কোনো মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। দুটি এলোভেরা মেশানো শেষে অল্প মধু নিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার চুলে লাগান। কিছু সময় পরে ধুয়ে ফেলুন। চায়ের ঠান্ডা লিকার কন্ডিশনার হিসেবে খুবই ভালো। চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ করতেও এর জুড়ি নেই। একটি পাত্রে চায়ের লিকার নিয়ে চুলের আগা তাতে ডুবিয়ে রাখুন পনের মিনিট। কিছু সময় পর চুল ধয়ে ফেলুন। নিয়মিত চায়ের লিকার ব্যবহার করলে চুলের আগা ফাটা প্রতিরোধ অনেকটাই সম্ভব। চুলের আগা ফাটা রোধ করার পাশাপাশি চুলের কোমলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে হট টাওয়েল পদ্ধতি। প্রথমে চুলে ভালো করে তেল লাগান। এবার গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে চিপে নিন। এই তোয়ালে গরম থাকা অবস্থায় পুরো মাথায় জড়িয়ে ফেলুন। কিছু সময় পর খুলে ফেলুন। এভাবে তিন থেকে চার বার করুন। এরপর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

লেখক : B.U.M.S (Dhaka University)
PGD (Ultrasound) Northern University, Ex-Lecturer (Hon.) Govt. Unani Ayurvedic Medical College & Hospital, Dhaka.
Managing Director Unidrug Unani Laboratories.

 

কিডনি রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
                                  



আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ কিডনি। কিডনির প্রতি অযতœ বা অনিয়মের ফলে জীবন হুমকির মুখে পরতে পারে যে কোন বয়সে। কিডনি ভালো থাকলে শরীর ভালো থাকবে। আমরা সবাই কম বেশি কিডনি রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানি। কিন্তু কিডনির রোগ সম্পর্কে হয়ত অনেকেই সঠিকভাবে জানি না। যেহেতু সুস্থ জীবনের জন্য কিডনির সুস্থতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সেহেতু বিভিন্ন ধরনের কিডনি রোগের কারণ, ঝুঁকি এবং কিডনি রোগ থেকে দূরে থাকার উপায়, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জানা জরুরী। আজকে আমরা এ সম্পর্কেই জানব-

কিডনির কাজ এবং ভূমিকা:

আমাদের শরীরে যে দুটো কিডনি আছে তাদের কাজ হচ্ছে প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে শরীরকে সুস্থ রাখা। দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরত রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে। কিডনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে এবং দেহের অস্থিগুলোকে শক্তিশালী করে থাকে।

কিডনি রোগের কারণ : ১. কিডনি রোগের অন্যতম প্রধাণ কারণ কিডনির প্রদাহ। কিডনির প্রদাহকে নেফ্রাইটিস বলে, যা কিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমর্বেনকে ক্ষতবিক্ষত করে। এই রোগের কারণে শরীর থেকে অত্যাবশ্যক চৎড়ঃবরহ বেরিয়ে যায়। ২. উচ্চ রক্তচাপও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও হতে পারে কিডনি রোগ। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ নয়, তবু কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করে। ৩. যাদের রক্তচাপ অতিরিক্ত কম থাকে, তাদেরও হঠাৎ করে কিডনি খারাপ হতে পারে।

কিডনি রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ : কিডনির রোগে আক্রান্তরা শুরুর দিকে সমস্যা টের পান না। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শুরুর দিকে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের শারীরিক দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমি বা বমি ভাব, পায়ে পানি আসা-এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। রোগনির্ণয় : কিডনির পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে রয়েছে প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তে ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ নির্ণয় করা। শুধু রক্তচাপ, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও সুগার পরীক্ষা করেই জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি না।

চিকিৎসা : ১. যারা কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে চান, তাদের জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ইধষধহপবফ উরবঃ গ্রহণ, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং জীবনাচার মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। ২. কিডনি ৯০ শতাংর্শ অকেজো হয়ে গেলে ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজনই হলো বেঁচে থাকার একমাত্র উপায়। ৩. গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগে ভোগে থাকে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ রোগীর কিডনি অকেজো হতে পারে। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখলে কিডনি রোগ থেকে রেহাই পাবার সম্ভাবনা আছে।

৪. শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিলাইটিস, প্রস্রাবে প্রদাহ ও চর্মরোগের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা করতে হবে।

কিডনি সুরক্ষার জন্য বিশেষ কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। চলুন খাবারগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক- ১. ক্যাপসিকাম: কিডনি সুস্থ রাখতে ক্যাপসিকাম হতে পারে প্রথম পছন্দ। সালাদ কিংবা যেকোন রান্নাকে সুস্বাদু করতে এর জুড়ি নেই। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, ফলিক এসিড এবং ফাইবার বা আঁশ। এছাড়াও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপিন, যা কিনা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। ২. বাঁধাকপি ও ফুলকপি: বাঁধাকপি ও ফুলকপিকে বলা যায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-এর খনি। এরা শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি রেডিকেলস এর বিরুদ্ধে কাজ করে কিডনিকে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি ক্যান্সার এবং হৃদরোগ প্রতিরোধেও এরা কাজ করে। দামে সস্তা হলেও এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি-৬ ও ফলিক এসিড। ফুলকপির একটি বিশেষ গুণ হচ্ছে, এটি শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সহায়তা করে।৩. রসুন: রসুনের গুণের কথা আমাদের সবারই জানা। এটি কিডনি প্রদাহ উপশম করার পাশাপাশি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনি রোগীদের জন্য রসুন বেশ উপকারী। ৪. পেঁয়াজ: পেঁয়াজের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ফ্লাভোনয়েড। এটি রক্তনালীতে চর্বি জমা প্রতিহত করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিডনিরোগজনিত উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধেও এর ভূমিকা রয়েছে। ৫. আপেল: বলা হয়ে থাকে প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে ডাক্তার থেকে দূরে থাকা যায়। নিয়মিত আপেল খাওয়ার অভ্যাস করলে তা কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে, হৃদরোগ এবং ক্যানসার প্রতিরোধেও এর ভূমিকা অনন্য। ৬. ডিমের সাদা অংশ: অনেকেই সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে ডিমকে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু ডিমের সাদা অংশে যে প্রোটিন রয়েছে তা কিডনির জন্য খুবই দরকারি। ৭. মাছ: মাছকে বলা হয়ে থাকে নিরাপদ প্রোটিনের উৎস। দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মাংসের চেয়ে মাছের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি মাছে রয়েছে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড। এটি কিডনি, হার্ট ও লিভারের বিভিন রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়া কোলেস্টেরল কমাতেও এর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। ৮. অলিভ ওয়েল: যেসব দেশে রান্নায় অলিভ ওয়েল বা জলপাই তেল ব্যবহার করা হয় সেসব দেশে কিডনি রোগ, হৃদরোগ, ক্যান্সার ইত্যাদির হার তুলনামূলকভাবে কম হয়। অলিভ ওয়েলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পলিফেনল, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে চমৎকার কাজ করে। রান্নায় অথবা সালাদে অলিভ ওয়েল যোগ করলে বাড়তি স্বাদ ও পুষ্টির যোগান বাড়ে।

কিডনি নষ্ট হলে ডায়ালাইসিস করে চিকিৎসা করার সামর্থ্য বাংলাদেশে ১০ শতাংশেরও নেই। সচেতন হলে স্বল্প ব্যয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধ করা সম্ভব। বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটি লোক কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। এভাবে কিডনি রোগী বৃদ্ধি পেতে থাকলে ২০২০ সালে বাংলাদেশে তিন কোটি ৮০ লাখ মানুষ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত হবে বলে জরিপে জানা গেছে। জেনে রাখা দরকার, প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় ৪০ হাজার রোগী কিডনি অকেজো হওয়ার কারনে অকালে মৃত্যুবরণ করে। তাই কিডনি রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যাবশ্যক।

 

সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) জিয়াউদ্দিন গুরুতর অসুস্থ রাষ্ট্রীয়ভাবে চিকিৎসার দাবি
                                  

মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন গুরুতর অসুস্থ। তিনি লিভার সিরোসিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এস আরেফিনের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
ডা. এম এস আরেফিন মানবাধিকার খবরকে জানান, জিয়াউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি এত দিন সচল ছিলেন। তার লিভার প্রায় ৭৫ শতাংশ অকেজো হয়ে পড়েছে। গত দুই মাসে তিনি কয়েকবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি কিডনি, রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। তার লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া তার পুরোপুরি সুস্থ হওয়া কঠিন।
দেশে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের ব্যবস্থা নেই। এ অবস্থায় চিকিৎসকরা তাকে বিদেশ পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খুব শৗঘ্রই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লীতে নেয়া হবে বলে তার কনিষ্ট ছেলে  অনিন্দ্র এই প্রতিবেদককে জানান। এর আগেও গত বছর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল। এই মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসার দায়িত্ব রাষ্ট্রীয়ভাবে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। জিয়াউদ্দিনের স্ত্রী কানিজ মাহমুদা মানবাধিকার খবরকে বলেন, `জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তার স্বামী জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। জাতির পিতার মেয়ে আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় রয়েছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধার সুচিকিৎসার দায়িত্ব রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে এবং প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন এমন প্রত্যাশা তার।`
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর ধরে জিয়াউদ্দিন লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। প্রায়ই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়তেন। সর্বশেষ ১ জুলাই অসুস্থ হওয়ার পর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। শারীরিক অবস্থার একটু উন্নতি হওয়ায় গত ৩ জুলাই তাকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে।
   বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান শিখর মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিনকে দেখতে গত ৪ জুলাই হাসপাতালে যান। এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.খ.ম মোজাম্মেল হক, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শ.ম রেজাউল করিম, মানবাধিকার খবর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক রোটারিয়ান মোঃ রিয়াজ উদ্দিন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও  বিভিন্ন পেশার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগণ তাকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন অঞ্চলের সাব-সেক্টর কমান্ডার ছিলেন জিয়াউদ্দিন। মুক্তিবাহিনীর জেড ফোর্সের অধীনে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক হিসেবে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বীরত্বের সঙ্গে সুন্দরবন অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত রাখার জন্য তাকে সুন্দরবনের `মুকুটহীন সম্রাট` বলা হয়। সুন্দরবন রক্ষার জন্য তিনি `সুন্দরবন বাঁচাও` নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। কখনও জেলেদের নিয়ে, কখনও প্রশাসনের সহায়তায় ওই অঞ্চলে ডাকাত নির্মূলে তিনি ভূমিকা পালন করেন। ডাকাতরা কয়েকবার তাকে হত্যার চেষ্টা করে।
তিনি পিরোজপুরে তার পিতার নামে আফতাব উদ্দিন কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। মানবাধিকার খবর পরিববার বর্গ তার আশু রোগমুক্তি কামনা করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

















চিকনগুনিয়া পরবর্তী সমস্যা ও প্রতিকার
                                  


চিকনগুনিয়া অর্থ বাঁকা হয়ে যাওয়া, চিকনগুনিয়া জ্বরে হাড়ের জোড়া গুলি ফুলে যাওয়ার জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে।
১৯৫২ সালে আফ্রিকার মেকন্দ, মোজাম্বিক ও তানজিয়ায় চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাস সর্বপ্রথমে সনাক্ত হয়।
কারণ :
চিকনগুনিয়া টোগা ভাইরাস গোত্রের আলফা ভাইরাস। ডেঙ্গু রোগের ভাইরাস যে এডিস মশা বহন করে, সেই মশাই চিকনগুনিয়া ভাইরাসের বাহক। তবে অন্যান্য মশার মাধ্যমে ও এ রোগের বিস্তার হতে পারে।
লক্ষণ :
    প্রচন্ড জ্বর (১০৪০-১০৫০ ঋ পর্যন্ত ওঠে)।
    মাথা ব্যথা (ঐবধফধপযব)
    মাংসপেশীতে ব্যথা (গঁংপষবং চধরহঃ)
    হাড়ের জোড়া বা সংযোগ স্থলে ব্যথা (ঔড়রহঃ চধরহ)
    হাড়ের জোড়গুলি ফুলে যাওয়া বা বাঁকা হয়ে যাওয়া।
    শরীরে লাল বর্ণের রেশ উঠা।
    নাক, মুখ ও মলনালী দিয়ে রক্তপাত হতে পারে।
    বমি বমি ভাব।
    প্র¯্রাবের পরিমান কমে যাওয়া।
    অল্প কিছু ক্ষেত্রে হাড়ের জোড়া গুলির ব্যথা কয়েক মাস পর্যন্ত থাকতে পারে।
(হাড়ের জোড়াগুলি ফুলে যাওয়া চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর মধ্যে প্রধান পার্থক্য। ডেঙ্গু জ্বরে জয়েন্ট বা হাড়ের জোড়া ফুলে না।)
চিকিৎসা :
লক্ষণ অনুসারে চিকিৎসা দিতে হবে
১. ট্যাবলেট প্যারাসিটামল
(জ্বর থাকলে ১টি ট্যাবলেট দৈনিক তিন বার খাবার পর।)
২. সিরাপ মেহনীল
(৩ চা চামচ ঔষধ  এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে       দৈনিক ৩ বার।)
সর্তকতা :
এন্টিবায়টিক, এসপিরিন ও ঘঝঅওউ জাতীয় ঔষধ মোটেই খাওয়া যাবে না।
উপদেশ :
    পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
    প্রচুর পানি ও ফলের রস পান করতে হবে যেমন : ডাবের পানি, স্যালাইন, শরবত।
    গিরায় বা জয়েন্টে ব্যথা হলে বরফ বা ঠান্ডা পানি লাগাতে হবে, গরম পানি দেওয়া যাবে না।
    যখন হাসপাতালে যাওয়া প্রয়োজন :
    নাক, মুখ ও মলনালী দিয়ে রক্তপাত হলে।
    রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে।
    রোগী বৃদ্ধ, শিশু, গর্ভবতী হলে।
    রোগী কিডনি বা হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকলে।
প্রতিকার ও নিয়ন্ত্রণ :
ক্স চিকনগুনিয়া আক্রান্ত রোগীকে সব সময় মশারির ভেতরে রাখতে হবে যাতে নতুন কোনো মশা তাকে কামড়াতে না পারে।
ক্স মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করতে হবে। খালি পাত্র, ফুলের টব, এসির পানি জমতে দেওয়া যাবে না।
ক্স ঘরে মশা নাশক  এজেন্ট ব্যবহার করতে হবে।
ক্স

চিকুনগুনিয়া থেকে নতুন রোগ পলি আর্থ্রাইটিস হতে পারে।
                                  


পলি আর্থ্রাইটিস এক ধরণের আর্থ্রাইটিস। এই অসুখ সমস্ত বয়সের মানুষদের মধ্যেই হতে পারে। একসাথে শরীরের মোট ৫টি জয়েন্টে ব্যাথা করলে বুঝে নিতে হবে এটি পলি আর্থ্রাইটিস রোগ। এটি একটি ভাইরাল ইনফেকশন। এই রোগ রোগীকে প্রায় ৬ সপ্তাহ ধরে ভোগাতে পারে।
পলি আর্থ্রাইটিস লক্ষণ এবং কারণ :
পলি আর্থ্রাইটিস সমস্ত বয়সের মানুষের মধ্যেই দেখা দিতে পারে। পলি আর্থ্রাইটিসের অন্যতম কারণ হল চিকুনগুনিয়া । চিকুনগুনিয়ার জ্বরের প্রভাবে হতে পারে পলি আর্থ্রাইটিস । এছাড়া, কিছু ভাইরাল ইনফেকশনের কারণেও এই অসুখ হতে পারে।
পলি আর্থ্রাইটিসের ফলে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা দেখা দেয়। এর ফলে ওজন কমে যাওয়া এবং জ্বরও দেখা দেয়। শরীরে বিভিন্ন ধরনের র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। আবার গলা ব্যাথার প্রকোপও থাকবে।
পলি আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসা :
যদিও পলি আর্থ্রাইটিসের সঠিক কোনও চিকিৎসা নেই। পলি আর্থ্রাইটিসের অন্যান্য লক্ষণগুলির চিকিৎসার মাধ্যমেই এর চিকিৎসা হয়। পলি আর্থ্রাইটিসের ফলে গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা দেখা দেয়। এর জন্য ব্যাথা কমানোর ওষুধ এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি মেডিসিন এবং সাপ্লিমেন্ট এই যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে।  ঘরোয়াভাবে এর থেকে লড়াই করার জন্য সাঁতার থেকে শুরু করে ঘরোয়া সকল ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে করে এই রোগের প্রকোপ কমতে থাকবে।

 

B.U.M.S (Dhaka University)

PGD (Ultrasound) Northern University

Ex-Lecturer (Hon.) Gov. Unani Ayurvedic

                                                                                                                   Medical College & Hospital, Dhaka

ক্যান্সার আক্রান্তদের পাশে রবি
                                  


পবিত্র রমজান মাসে রিচার্জ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ এনেছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি। ক্যাম্পেইনের আওতায় ৩৫ টাকা রিচার্জ বান্ডল থেকে ১ টাকা এবং ৫৯ টাকার রিচার্জ বান্ডল থেকে ২ টাকা আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালে অনুদান হিসেবে দেবে অপারেটরটি।
গ্রাহকদের বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়ে রমজানের আদর্শকে উদযাপন করাই ক্যাম্পেইনটির উদ্দেশ্য।
৩৫ টাকা রিচার্জে রবি/এয়ারটেল নাম্বারে কল করার জন্য ৯০ মিনিট টকটাইম এবং ২০৭৮৬ কোডটিতে ডায়াল করে নামাজ ও সেহরির সময়সূচিসহ আনলিমিটেড ইসলামকি আইভিআর উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে না।
অন্যদিকে ৫৯ টাকা রিচার্জে গ্রাহকরা রবি/এয়ারটেল নাম্বারে কল করার জন্য ১৫০ মিনিট টকটাইম এবং যে কোন মোবাইল নাম্বারে ১৫০টি এসএমএস উপভোগ করতে পারবেন। বান্ডল মিনিটে ১০ সেকেন্ড পালস প্রযোজ্য হবে।

পবিত্র রমজান মাসে রিচার্জ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ এনেছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি। ক্যাম্পেইনের আওতায় ৩৫ টাকা রিচার্জ বান্ডল থেকে ১ টাকা এবং ৫৯ টাকার রিচার্জ বান্ডল থেকে ২ টাকা আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতালে অনুদান হিসেবে দেবে অপারেটরটি।
গ্রাহকদের বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়ে রমজানের আদর্শকে উদযাপন করাই ক্যাম্পেইনটির উদ্দেশ্য।
৩৫ টাকা রিচার্জে রবি/এয়ারটেল নাম্বারে কল করার জন্য ৯০ মিনিট টকটাইম এবং ২০৭৮৬ কোডটিতে ডায়াল করে নামাজ ও সেহরির সময়সূচিসহ আনলিমিটেড ইসলামকি আইভিআর উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে না।
অন্যদিকে ৫৯ টাকা রিচার্জে গ্রাহকরা রবি/এয়ারটেল নাম্বারে কল করার জন্য ১৫০ মিনিট টকটাইম এবং যে কোন মোবাইল নাম্বারে ১৫০টি এসএমএস উপভোগ করতে পারবেন। বান্ডল মিনিটে ১০ সেকেন্ড পালস প্রযোজ্য হবে।

সা স্থ্য ও চি কি ৎ সা জন্ডিস এর কারণ ও প্রতিকার
                                  


জন্ডিস আসলে কোন রোগ নয়,এটি অন্য রোগের লক্ষণ মাত্র । জন্ডিস  শব্দটি ফরাসি শব্দ লধঁহরংংব থেকে এসেছে যার অর্থ হলুদাভ।
কোন কারণে রক্তে বিলিরুবিন স্বাভাবিক  মাত্রার চেয়ে বেড়ে গেলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয় ও প্র¯্রাব হলুদ হলে থাকে জন্ডিস বলে ।
স্বাভাবিক বিলিরুবিন  মাত্রাঃ
০.৩-১ সম/ফষ
গুপ্ত জন্ডিস (ষধঃবহঃ লধঁহফরপব)ঃ
৩ সম /ফষ এর নিচে
ক্লিনিকাল জন্ডিস (ঈষরহরপধষ লধঁহফরপব) ঃ
৩ সম/ফষ এর উপরে
প্রকারঃ
১। প্রি-হেপাটিক বা হিমোলাইটিক জন্ডিস
২। হেপাটিক বা হেপাটো সেলুলার জন্ডিস
৩। পোষ্ট হেপাটিক বা অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস
লক্ষণ ও উপসর্গঃ
১। ত্বক,চোখের সাদা অংশ (স্কে¬রা)
    হলুদ বর্ণ ধারণ
২। হলুদ বর্ণের প্র¯্রাব
৩। ক্ষুধামন্দা
৪। অরুচি
৫। বমি বমি ভাব
৬। মৃদু বা তীব্র পেট ব্যথা
৭। জ্বর  জ্বর  অনুভূতি
৮। শারীরিক দুর্বলতা
জন্ডিসের ধরণঃ
প্রি-হেপাটিক বা হিমোলাইটিক জন্ডিস
১। ম্যালেরিয়া
২। সিকেল সেল ডিজিজ
৩। থ্যালাসেমিয়া
৪। স্ফেরোসাইটোসিস
৫। ক্রাইগলার নাজ্জার সিন্ড্রোম
৬। হিমোলাইটিক ইউরেমিক সিন্ড্রোম
৭। এ৬চউ এর অভাব
হেপাটিক বা হেপাটো সেলুলার জন্ডিস
১। হেপাটাইটিস-এ, বি, সি, ডি এবং ই                                                                                                                                  ২। গিলর্বাটস সিন্ড্রোম                                                                                                                                                      ৩। ড্রাগ, এলকোহল সেবন
৪। এপস্টাইন বার ভাইরাস এর সংক্রমণ
৫। প্রাইমারী বিলিয়ারী সিরোসিস
৬। লিভার ক্যান্সার
৭। কোলেনজাইটিস
৮। ডুবিন-জনসন সিন্ডোম
পোষ্ট হেপাটিক বা অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস
১। গলস্টোন
২। পেনক্রিয়েটাইটিস
৩। গলব্লাডার ক্যান্সার
৪। বাইল ডাক্ট ক্যান্সার
৫। পেনক্রিয়াটিক ক্যান্সার
পরীক্ষা-নিরীক্ষা  (রহাবংঃরমধঃরড়হং)ঃ
১. ষরাবৎ ভঁহপঃরড়হ ঃবংঃ (খঋঞ)
২. ঝ  নরষরৎঁনরহ ঃবংঃ
৩. চৎড়ঃযৎড়সনরহ ঃরসব
৪. ঈইঈ ধহফ ঊঝজ
৫. টঝএথঐইঝ
৬. ঠরৎধষ সধৎশবৎ
    * ঐইং অম
    * ঐইপ অম
৭. ষরাবৎ নরড়ঢ়ংু.
চিকিৎসাঃ
জন্ডিসের সঠিক কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা দিতে হবে।
সাধারণ চিকিৎসাঃ
১। সিরাপ হেপারেক্স (শরবত দিনার)
     ৩ চা চামচ করে  দৈনিক ২ বার আহারের পর সেব্য । (১৫ দিন)
২। সিরাপ মেহনীল (শরবত বুযূরী)
     ৩ চা চামচ করে  দৈনিক ২ বার আহারের পর সেব্য । (৭ দিন)
৩। কূরছ তমারিক্সিন
     ২ ট্যাবলেট দৈনিক ৩ বার আহারের পর সেব্য । (৩ দিন)
যদি রোগীর আচার-আচরন ,বুদ্ধিমত্তার পরিবর্তন হয়, বিলিরুবিন এর মাত্রা ৩০ সম/ফষ  এর উপরে হয় তাহলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে ।
প্রতিকারঃ
১। হেপাটাইটিস এ, ই খাদ্য ও পানির মাধ্যমে সংক্রামিত  হয়। তাই সবসময় বিশুদ্ধ খাদ্য ও পানি পান করতে হবে ।
২। হেপাটাইটিস বি, সি এবং ডি দূষিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে ছড়ায়।   
৩। রক্ত দানের সময় ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার  করতে হবে ।                                                                                                         ৪। নিরাপদ যৌনমিলন করতে হবে ।                                                                                                                      ৫। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, জীবাণুমুক্ত খাবার  ও পানীয় গ্রহণ ।
৬। নেশাদ্রব্য ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে।
৭। হেপাটাইটিস এ এবং বি এর  ভ্যাকসিন  নেয়া ।
৮। লিভার সুরক্ষা রাখার জন্য লিভার টনিক যেমন- সিরাপ হেপারেক্স (শরবত দিনার) সেবন করা।
জন্ডিস আক্রান্ত রোগীর যতœ ঃ
১। প্রচুর পরিমানে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে ।
২। তাজা ফলমূল খেতে হবে ।
৩। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে ।
৪। প্রচুর শর্করা জাতীয় ও  ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেতে হবে ।


 

Dr. M.A Sattar

B.U.M.S (Dhaka University)

PGD (Ultrasound) Northern University

Ex-Lecturer (Hon.) Govt. Unani Ayurvedic

Medical College & Hospital, Dhaka

Managing Director

Unidrug Unani Laboratores

শিশুর টনসিল সমস্যায় কী করবেন?
                                  


শিশুরা টনসিল ও এডিনয়েডের প্রদাহে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। এডিনয়েড সাধারণত বয়ঃসন্ধিক্ষণে ছোট হয়ে যায় এবং পরবর্তী সময়ে বিলীন হয়ে যায়। তাই টনসিল ও এডিনয়েডের অসুখ অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।
রোগের কারণ শিশুর দুর্বল স্বাস্থ্য, অপুষ্টি ও এলার্জিজনিত অসুখের কারণে টনসিলের প্রদাহে আক্রান্ত হতে পারে। দাঁত, নাক ও সাইনাসের প্রদাহ এবং ঠাণ্ডার প্রতি খুব বেশি সংবেদনশীলতা রোগ সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। ভাইরাস ও বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণেও এই রোগ জটিল রূপ ধারণ করে। সাধারণত স্কুল থেকে এ রোগ শিশুদের মধ্যে সংক্রমিত হয়। তাছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস এবং সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও শ্বাসতন্ত্রের উপরিভাগের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় অবহেলা ইত্যাদি এ রোগের কারণ।
রোগের লক্ষণ ঃ গলায় তীব্র ব্যথা এবং ঢোক গিলতে কষ্ট হয়। শিশু সাধারণত কিছু খেতে চায় না। ঢোক গেলার সময় কানের ভেতর ব্যথা লাগতে পারে। মাঝে মাঝে শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি প্রায় ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। জ্বরের সঙ্গে অনেক সময় কাঁপুনি, খিচুনি, মাথাব্যথা ও সারা শরীরে ব্যথাও থাকে।
তাছাড়া গলার উপরিভাগের লসিকাগ্রন্থি ফুলে যায় ও ব্যথা থাকে। সর্দি থাকা, নাক বন্ধ থাকা, নাকের নিঃসরণ, মুখে দুর্গন্ধ, খাওয়া-দাওয়ায় অরুচি এবং গলার উপরিভাগের লসিকাগ্রন্থি সব সময় ফুলে থাকে। তাছাড়া টনসিল ও এডিনয়েডের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য নানা উপসর্গ দেখা দেয়।
এ রোগের সবচেয়ে মারাত্মক দিক হলো, এসব শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রতিবন্ধকতা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে তাদের শ্বাস ও হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ হতে পারে। যেমন- পালমোনারি হাইপারটেনশন, হৃদরোগ এবং হঠাৎ হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গিয়ে ঘুমের মধ্যে মৃত্যুও ঘটতে পারে।
চিকিৎসা ঃ রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে ঠাণ্ডা খাওয়া পরিহার করতে হবে। দাঁত ও মুখের সঠিক পরিচর্যা, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস, হালকা শরীরচর্চা করতে হবে। এরপরও উপশম না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ও প্রতিবন্ধকতা জনিত সমস্যায়-টনসিল ও এডিনয়েড অপারেশনের মাধ্যমে ফেলে দেওয়া ভালো।

দেশের ২৭ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত
                                  

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | মানাধিকার খবর ::

ঢাকা: দেশের ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সহযোগী অধ্যাপক ও এপিডেমিওলজির বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাস্কিন।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ তথ্য জানান তিনি।

‘স্তন ক্যান্সারে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে ক্যান্সার প্রতিরোধ ও গবেষণা কেন্দ্র (সিসিপিআর)।

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালভিত্তিক ক্যান্সার নিবন্ধনের ২০১৪ সালের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী ক্যান্সার রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নারী। যাদের ২৭ দশমিক ৪ শতাংশই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত। ফুসফুসের ক্যান্সার ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। স্তন ক্যান্সার রোগীদের গড় বয়স প্রায় ৪৩ বছর।

সভায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সাবিরা খাতুন বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে গিয়ে ১৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে চলে যায়।

সামাজিকভাবে সবাই এগিয়ে এলে এ হার কমিয়ে আনা সম্ভব বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা মানসিকভাবে বেশি ভেঙে পড়েন। তাদের মানসিক শক্তি যোগানোর জন্য মুক্ত আলোচনার দরকার।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- কাজী রোজী (এমপি), একাত্তর টিভির বার্তা বিভাগের পরিচালক সৈয়দ ইশতিহাক রেজা প্রমুখ।


   Page 1 of 2
     স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
সঠিক সেবার অভাব বিশ্বে প্রতি বছর মারা যায় ২৬ লাখ রোগী
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৩
.............................................................................................
তথ্য প্রযুক্তি মনের কথা ‘শুনে’ অন্যকে জানাবে যে যš
.............................................................................................
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা জেনে নিন কিডনি সুস্থ রাখতে ১০ টিপস
.............................................................................................
স্ট্রোকের কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয় মস্তিষ্কে
.............................................................................................
ঘুরে আসতে পারেন রাতারগুল স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা কিডনির রোগের লক্ষণ ও নির্ণয়
.............................................................................................
সুস্থ রাখবে যেসব খাবার!
.............................................................................................
শীতের শুরুতে চুলের যত্ন নিবেন কিভাবে?
.............................................................................................
কিডনি রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
.............................................................................................
সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) জিয়াউদ্দিন গুরুতর অসুস্থ রাষ্ট্রীয়ভাবে চিকিৎসার দাবি
.............................................................................................
চিকনগুনিয়া পরবর্তী সমস্যা ও প্রতিকার
.............................................................................................
চিকুনগুনিয়া থেকে নতুন রোগ পলি আর্থ্রাইটিস হতে পারে।
.............................................................................................
ক্যান্সার আক্রান্তদের পাশে রবি
.............................................................................................
সা স্থ্য ও চি কি ৎ সা জন্ডিস এর কারণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
শিশুর টনসিল সমস্যায় কী করবেন?
.............................................................................................
দেশের ২৭ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত
.............................................................................................
মহামারী রূপ নিচ্ছে হৃদরোগ
.............................................................................................
ওজন কমানোর পাঁচ উপায়
.............................................................................................
ভুঁড়ি পালাবে ৩০ দিনেই
.............................................................................................
ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করুন
.............................................................................................
ভাঙা-গড়ার খেলা নিয়েই জীবন
.............................................................................................
শিশুর খাবার
.............................................................................................
জেনে নিন শিশুর যত্ন
.............................................................................................
আপনার শিশুর যত্ন
.............................................................................................
আপনার শিশুর জন্য জেনে নিন
.............................................................................................
পোলিও নির্মূলে নতুন টিকা
.............................................................................................
আপনার শিশুর জন্য জেনে নিন মানসিক বৃদ্ধি ও বাচন ভঙ্গি
.............................................................................................
পোলিও
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

Editor & Publisher: Rtn. Md Reaz Uddin
Corporate Office
53,Modern mansion(8th floor),Motijheel C/A, Dhaka
E-mail:manabadhikarkhabar34@gmail.com,manabadhikarkhabar34@yahoo.com,
Tel:+88-02-9585139
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-9585140
    2015 @ All Right Reserved By manabadhikarkhabar.com    সম্পাদকীয়    Adviser List

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]