বাংলার জন্য ক্লিক করুন

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   সাহিত্য ও সাময়িকি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সাংবাদিক অমর সাহার পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে কলকাতার প্রখ্যাত সাংবাদিক অমর সাহার পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার(৫ডিসেম্বর) বিকেলে এ আয়োজন করা হয়।

কলকাতার প্রখ্যাত সাংবাদিক অমর সাহার লেখা ‘প্রথম আলোয় পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচন ২০১৯’ শীর্ষক বইটিসহ আরও চারটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অন্য চারটি বই হলো মোহসীনুল হকের ‘গণজাগরণ সংগীত সংকলন’ ও ‘ইসলামী সংগীত বিতান’, শিকদার আবদুস সালামের ‘গীতিময় গীতিকা’ এবং আবদুর রহমানের ‘কবিতার জগতে কবিতায় হাতেখড়ি’।


মোড়ক উন্মোচন করেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য আবদুল মান্নান চৌধুরী। এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক তথ্যসচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। এ প্রকাশনা উৎসবে বই নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন ঢাকার আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ এম এ মান্নান মুনির, মানবাধিকার খবরের সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, দৈনিক ডেলটা টাইমস পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আমিনুর রহমান চৌধুরী, লেখক শিকদার আবদুস সালাম, মোহসীনুল হক, কবি আবদুর রহমান, কবি খোশনূর, রাহেলা বেগম, সাংবাদিক অমর সাহা ও প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার অমর হাওলাদার।

ঢাকার প্রকাশনা সংস্থা অমর প্রকাশনী এ প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করে । পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করে প্রধান অতিথি উপাচার্য আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, তিনটি বই হলো সংগীতের, একটি কাব্য গ্রন্থ এবং অন্যটি ভারতের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের লোকসভার ৪২টি আসন নিয়ে প্রাক্–নির্বাচনী পর্যালোচনা, সেই সঙ্গে ভারত ও পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলসহ খুঁটিনাটি তথ্য। বইগুলো পাঠকদের ভালো লাগলে লেখকদেরও শ্রম সার্থক হবে।

সাংবাদিক অমর সাহার পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে কলকাতার প্রখ্যাত সাংবাদিক অমর সাহার পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার(৫ডিসেম্বর) বিকেলে এ আয়োজন করা হয়।

কলকাতার প্রখ্যাত সাংবাদিক অমর সাহার লেখা ‘প্রথম আলোয় পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচন ২০১৯’ শীর্ষক বইটিসহ আরও চারটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অন্য চারটি বই হলো মোহসীনুল হকের ‘গণজাগরণ সংগীত সংকলন’ ও ‘ইসলামী সংগীত বিতান’, শিকদার আবদুস সালামের ‘গীতিময় গীতিকা’ এবং আবদুর রহমানের ‘কবিতার জগতে কবিতায় হাতেখড়ি’।


মোড়ক উন্মোচন করেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য আবদুল মান্নান চৌধুরী। এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক তথ্যসচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। এ প্রকাশনা উৎসবে বই নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন ঢাকার আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ এম এ মান্নান মুনির, মানবাধিকার খবরের সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, দৈনিক ডেলটা টাইমস পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আমিনুর রহমান চৌধুরী, লেখক শিকদার আবদুস সালাম, মোহসীনুল হক, কবি আবদুর রহমান, কবি খোশনূর, রাহেলা বেগম, সাংবাদিক অমর সাহা ও প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার অমর হাওলাদার।

ঢাকার প্রকাশনা সংস্থা অমর প্রকাশনী এ প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করে । পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করে প্রধান অতিথি উপাচার্য আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, তিনটি বই হলো সংগীতের, একটি কাব্য গ্রন্থ এবং অন্যটি ভারতের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের লোকসভার ৪২টি আসন নিয়ে প্রাক্–নির্বাচনী পর্যালোচনা, সেই সঙ্গে ভারত ও পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলসহ খুঁটিনাটি তথ্য। বইগুলো পাঠকদের ভালো লাগলে লেখকদেরও শ্রম সার্থক হবে।

সাহিত্য সাময়িকী অধিকার
                                  


শামীমা সুলতানা
*****************

স্বাধীনতা আমি তোমাকেই ভালো বাসি।
স্বাধীনতা আমি যে তোমাকে চাই,
তাইতো তোমাকে হাজারো প্রশ্ন করে যাই,
তবুও কেন তোমার উত্তর নাহি পাই ?


তুমি কার? তুমি কি আমার? নাকি সব জনতার ?
না না তুমিতো আমার না,
তুমিতো শুধুই এই বাংলার লাখো নরের,
তুমি কেন আজও হতে পারোনি কোনো নারীর ?

নারীও তো দিয়েছিল সম্ভ্রম, এনেছিলো তোমায়,
স্বাধীনতা, তুমি কি দিয়েছো কোন নারীকে তোমায় ?
দিতে পারোনি এখনো, তাইতো নারীরা আজও বড্ড অসহায়।
গুমরে গুমরে মরছে পুরুষের কোনঠাসায়।


ভাবছি এবার.........
আর একবার নতুন করে আনবো তোমায়,
ঘনিয়ে এসেছে যে সেই সময় ,
এবার বাহুতে আনবো বল
নয়নে ঝরাবোনা আর বিন্দু জল ।।

 

পরিবর্তনের জন্য একসঙ্গে গাইলেন সালমা-বিউটি
                                  

বিনোদন প্রতিবেদক


রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে লাখ লাখ ভক্ত শ্রোতার ভোটে নির্বাচিত হয়ে পথচলা শুরু করেন জনপ্রিয় দুই সংগীতশিল্পী সালমা ও বিউটি। নিয়মিতই গান করছেন তারা দুজনে। দেশ-বিদেশে শো-ও করে যাচ্ছেন নিয়মিত।

দুই তারকার মধ্যে সম্পর্কটাও দারুণ। তবে একসঙ্গে কোনো অনুষ্ঠানে তাদেরকে গান গাইতে দেখা যায়নি। অবশেষে সেই আক্ষেপ শেষ হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো তারা একসঙ্গে গাইছেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান পরিবর্তনে।

লালন সাঁইয়ের বহুল শ্রোতাপ্রিয় ‌‘করি মানা কাম ছাড়ে না মদনে’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তারা। জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক আরফিন রুমির নতুন সংগীতায়োজনে ইতিমধ্যে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন তারা। আগামী ৭ তারিখ বিটিভিতে গানটির চিত্রায়ন করা হবে।

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘পরিবর্তন’ পরিকল্পনা, গ্রন্থনা, উপস্থাপনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক আনজাম মাসুদ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে এটি প্রচার হবে আগামী ১৬ এপ্রিল রাত ১০টা ইংরেজি সংবাদের পর।

বলিও, তোমার স্বামীকে
                                  


তৌহিদুল হক

বলিও, তোমার স্বামীকে
স্বপ্নের পরে স্বপ্ন সাজিয়ে
এগিয়েছি কিম্বা পিছিয়েছি,
হারিয়েছি পথ; সঙ্গী করেছি
নিঃশব্দ অভিমান।

চরম পুলকে, আপ্লুত হয়ে
খুঁজেছি ভিন্ন পথ। বিশ্বায়নের
এ কালে আরাম, ঐশ্বর্যকে
পাশ কাটিয়ে- নিরন্তর আবেগ
করেছি নির্মাণ।

নিজের সাথে যুদ্ধে নিজে লিপ্ত
হার-জিতের নেই শেষ। রক্তশূন্য
স্বপ্ন এখন ভাবায় না আগের মতো।

এই তো,
সেদিনও মুখোমুখি বসে
করেছি প্ল্যান, সংসার সাজাবো।
আমি একটু অগোছালো,
বলেছো মানিয়ে নিবে।
কেউ তো সংসার জ্ঞান,
অভিজ্ঞতা নিয়ে জন্মায় না।
কাজ-কর্মে, মান-অভিমানে
সংসারজীবনে সবাই হয় পরিপুষ্ট।
এতো আমার নয়, তোমারই কথা।

খোঁজ নেই, নেই কথা, নেই
আগের মতো মাতাল হওয়া
কখন হবে দেখা, কখন হারাবো তোমার মাঝে।
খবর আসে,
নিরানন্দের খবর খুব চটজলদি আসে-
তুমি ধরেছো অন্যের হাত; ভর করেছ
পুঁজিবাদী মন্ত্রের খপ্পড়ে।

আমার ভবিষ্যৎ এলোমেলো, কে চায়—
এলোমেলো জীবনে জড়াতে নিজেকে?
ভালোবাসা এখন আনন্দ খোঁজে
পুলকের সন্ধানে। দেনা-পাওনায়
ভালোবাসা এখন অস্থির সময় করছে পাড়।
সেই দিন বেশি দূরে নয়, যেদিন ভালোবাসা হবে
র্যাপিনে মোড়ানো ফ্যাশন।

ভাবতে পারো, কত গল্প ইনিয়ে-বিনিয়ে
বলেছো, হেসেছো; তবে সব কী অভিনয়?
এখনো করছো!
অভিনয়ের হাত থেকে ভালোবাসা
কবে পথ খুঁজে পাবে- শুদ্ধ প্রেমিক-প্রেমিকার।

দূর থেকে বলছি— বলিও, তোমার স্বামীকে।
সে এখন তোমার শরীরের যেখানে আরাম
বোধ করে; সেখানে রয়েছে আমারও স্পর্শ।
তোমার ওই দেহ জমিনের আমিও মালিক;
ভালোবাসায়, যা তোমার কাছে সস্তা।
বলিও, তোমার স্বামীকে
গোপনে এখনো তোমাকে একজন ভালোবাসে।

আমায় পাবেনা খুজে
                                  

অস্পর্শীয়া স্পন্দন

 

আমায় পাবেনা খুজে,
যখন হারিয়ে যাবো সবার শেষে।
আমাকে দুরে চলে যেতে হবে,
দুরে অনেক বহু দুরে।

এই লোকালয় থেকে নির্জনে,
অজানা কোনো অন্তপুরে।
যেখানে কেউ কোনো ভাবেই,
পাবেনা আমার দেখা।

যেখানের দিনক্ষন তারিখ রইবেনা,
কিছুই রবেনা লিখা সেদিন।
জানিনা আমি এমন যায়গার,
মিলবে কি সন্ধানে অামার।

 

যদি পেতাম তাহলে অবিলম্বেই,
করতাম প্রস্হান।
এমন যায়গা যেটা হবে কিনা,
সমূদ্রের কাছাকাছি।

যেখানে আকাশ ছুয়েছে মাটিকে,
পানির পাশাপাশি।
বাতাসে যেথা দোলা আনে,
পাতায় পাতায় আলোড়োন।

আমি একা সেই সব দৃশ্য.
করতে চাই অবলোকন।

মর্মর ধ্বনি যেথা,
মনে এনে দিবে চনচলতা।
সমূদ্রের সাথে যেথা হবে,
আকাশের কত কথা।

পাখিরা উরে যাবে যেথা,
শুন্য রঙিন ডানা মেলে।
সেখানেই যেতে চাই আমি,
সবকিছুকে পিছনে ফেলে।

যেখানে থাকবেনা কোনো,
দু্ঃখ হতাশার দৈন দশা।
থাকবেনা কোনো জরা ব্যাধি,
শোক আর নিরাশা।

একা একা থাকবো যেখানে,
কেউ পাবেনা খুজে অামাকে।
যেথায় থাকতে হবেনা আমায়,
দু্ঃখে মুখটি গুজে।
তাইতো আমাকে চলে যেতে হবে,
দূরে অনেক দূরে।

যেখানে তুমি পাবেনা আমায়,
সাড়া পৃথিবী ঘুরে।
চলে যাবো বহুদূর অনেক দূর,
তোমাকে ছেড়ে বহুদূর।

আমি নেই
                                  

মোশতাক রাইহান :

সেই কবে মরছি আমি,
তোমার বিরহে কাতর হয়ে।
জীবনের সেই চাওয়া পাওয়া,
সবই দিয়েছি তোমার তরে বিলিয়ে।


এখন আর কিছুই নেই আমার কাছে,
শুধু কয়েক ফোটা অশ্রু জল বাদে।
ভালোবাসা ছাড়া কখন চাইনি কিছু,
ভালবাসতে চেয়েছি তোমায়।

ভালো আর নাই বা বাসো,
তাতে নেই আমার অনুযোগ।
শুধু আমি যে ভালোবাসি,
শুধু তাই জানিয়ে দিলাম।

আমি যদি ভুল করে থাকি
তুমি করে দিও ক্ষমা।
আমি পারবোনা ভুলেতে তোমায়,
এই হৃদয়ের গভীর থেকে।

তুমি জাগিয়ে ছো মনের আশা,
থামিয়ে দিলে স্বপ্ন।
তুমি করেছো আশা গুলো নিরাশ,
থামিয়ে দিলে সুখ।

তুমি আর আসলে না ফিরে,
পাখি আর ফিরে নাই আপন নীড়ে।
সন্ধ্যা বেলা আজও ফিরে আসে,
সন্ধ্যরা আজও খুজে বেড়ায়।


আমি আর নাই বা ফিরলাম,
আর নাই বা দেখতে গেলাম বসুন্ধরা।
তবুও অপেক্ষা করব তোমার জন্য,
এপার থেকে ওপার।

চমক নিয়ে আসছেন তিশমা
                                  



বিনোদন প্রতিবেদক :
পপতারকা তিশমা তার ১৩তম একক অ্যালবাম প্রকাশ করছেন। অ্যালবামটির নাম ‘রয়্যালটি’। এতে পাওয়া যাবে নানা চমক। মোট ১০টি বাংলা ও ইংরেজি গান থাকছে এই অ্যালবামে। এবার হার্ড রক, সফট রক, মেলোডি, হিপ-হপ ও অ্যাকুস্টিক ধাঁচের গান করেছেন তিনি।

‘রয়্যালটি’ প্রকাশ হচ্ছে তিশমা অনলাইন ডটকম ওয়েবসাইটে। এ ছাড়া অ্যালবামটি পাওয়া যাবে অ্যামাজন, আইটিউনস ও অন্যান্য জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।

তিশমা বললেন- “শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) বের হচ্ছে তিনটি গান। এগুলো হলো ‘মনে মনে তোমাকে ভালোবাসি মনে হয়’, ‘ফ্লেম’ ও ‘রয়্যালটি’। জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে প্রকাশ হবে দুটি করে গান। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে উন্মুক্ত হবে ‘মনে মনে তোমাকে ভালোবাসি মনে হয়’ গানের ভিডিও।”

রয়্যালটি’র গান লিখেছেন কবির বকুল, অনুরূপ আইচ, তানভীর তারেক, জনি হক, রবিউল ইসলাম জীবন, ফয়সাল রাব্বিকীন, সাজ্জাদ, জাহিদ ও তিশমা।

সব গানের সুর ও সংগীত পরিচালনা এবং যন্ত্রাণুষঙ্গ বাজিয়েছেন তিশমা নিজেই। এ নিয়ে নিজের পাঁচটি একক অ্যালবামের পুরো কাজ করলেন তিনি।

তিশমার নতুন গান পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইডে http://www.tishmaonline.com/

শাবানা আজমি বলিউড অভিনেত্রী
                                  

 

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন:

 

বয়স এখন ৬৬। কিন্তু বসে নেই বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী অভিনেত্রী শাবানা আজমি। এ বয়সে অভিনয়ে যেমন ব্যস্ত তিনি, তেমনি সমাজসেবাতেও নিবেদিত। এরই মধ্যে সমাজসেবামূলক কাজে বলিউডের আইকন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর এসব কাজের মধ্যে রয়েছে শিশু অধিকার রক্ষা, এইডস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা। এইডস সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলতে বিভিন্ন রাজ্যে যেমন ঘুরে বেড়ান, তেমনি প্রচারণাও চালান। নিজ দেশের জাতীয় এইডস কমিশনের একজন সদস্যও বটে তিনি। শাবানা আজমি যুক্ত আছেন মিজওয়ান ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামের একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে। ভারতের উত্তর প্রদেশে এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাঁর বাবা বিখ্যাত কবি প্রয়াত কাইফি আজমি। এ ব্যাপারে শাবানার ভাষ্য, ‘আমার বাবা বিশ্বাস করতেন ভারতের অর্থনীতির উন্নতি হবে যদি গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে নানা রকম সুবিধা পৌঁছে দেওয়া যায়। কারণ, ভারতের ৮০ শতাংশ মানুষই গ্রামে বসবাস করে, যারা বঞ্চিত নাগরিক সুবিধা থেকে।’ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে শাবানা আজমির প্রতিষ্ঠান। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মেয়েদের জন্য হাইস্কুল ও কলেজ, কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। শাবানা জাতিসংঘের পপুলেশন ফান্ডের শুভেচ্ছাদূতও। কংগ্রেস তাঁকে রাজ্যসভার সদস্যপদ দেয় ১৯৯৭ সালে। শুধু তা নয়, বাংলাদেশের ব্র্যাকের আন্তর্জাতিক বোর্ডের একজন সদস্যও তিনি।

 

কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম
                                  

 

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন:

 

মমতাজ চক্ষু হাসপাতাল, তাঁর স্বপ্নের জায়গা। এক সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছিলেন মমতাজ বেগম। মানিকগঞ্জ শহরের জয়রা রোডে এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন ২০০৪ সালের ৭ জানুয়ারি। নামমাত্র মূল্যে রোগীরা চিকিৎসা নিতে পারেন হাসপাতালে। মুঠোফোনে মমতাজ বলেন, ‘মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা থেকেই এ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করি।’ হাসপাতাল শুধু একটাই নয়, ২০০৮ সালে সিঙ্গাইর উপজেলায় তাঁর গ্রামের বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মমতাজ শিশু ও চক্ষু হাসপাতাল’। কণ্ঠশিল্পী থেকে এসেছেন রাজনীতিতে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে সাংসদ হন, ২০১৪ সালে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এই শিল্পী। মমতাজ বেগম এখন দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ বধির ক্রীড়া ফেডারেশনের সভাপতি হিসেবে। নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে প্রচার চালানোর জন্য আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিত হন ২০১০ সালে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক চক্ষু চিকিৎসা সংস্থা অরবিসের দৃষ্টিদূত হিসেবেও বাংলাদেশে কাজ করেছেন তিনি।

অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন
                                  

 

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন:

 

১৯৯৩ সাল। দিনটা ২২ অক্টোবর। ইলিয়াস কাঞ্চন তখন বান্দরবানে, শুটিংয়ের কাজে। পরিবারের সদস্যরা ছিলেন ঢাকায়। ওই দিনই স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন, সন্তানেরা ভাড়া করা মাইক্রোবাসে রওনা হন কাঞ্চনের উদ্দেশে। পথিমধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী। শোকাক্রান্ত কাঞ্চন তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিনয় ছেড়ে সন্তানদের সঙ্গে পুরোটা সময় কাটাবেন। মুঠোফোনে এমনটাই জানালেন তিনি। তাহলে, অ্যাক্টিভিস্ট ইলিয়াসের ফিরে আসা? তিনি বললেন, ‘একজন সাংবাদিকের অনুপ্রেরণায় “নিরাপদ সড়ক চাই” সংগঠন গড়ে তুলি।’ বিষয়টা পরিষ্কারও করলেন। এক সাংবাদিক তাঁকে বলেছিলেন, আপনি যেমন আপনার স্ত্রীকে ভালোবাসেন, মানুষও আপনাকে তেমন ভালোবাসে। আপনি সবার অন্তরালে না গিয়ে বরং সড়ক দুর্ঘটনায় যেসব মানুষ মারা যাচ্ছে, তাদের জন্য কিছু করতে পারেন। যেই বলা সেই কাজ। ওই বছরেরই ১ ডিসেম্বর কার্যক্রম শুরু হয় ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এর। উদ্দেশ্য, সচেতনতার মাধ্যমে সড়কে দুর্ঘটনার হার কমানো। মহাসমাবেশ, জনসভা, শোভাযাত্রা, সেমিনার, ব্যানার, ভিডিওসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষদের সচেতন করা হয় এ সংগঠনের পক্ষ থেকে। এ ছাড়া স্কুলে স্কুলে গিয়ে ভিডিও’র মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ দেখিয়ে সচেতন করা হয় শিক্ষার্থীদের। গড়ে তুলেছেন গাড়ি চালনার একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রও। ন্যূনতম এসএসসি পাস হলেই তিন মাসের ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নেওয়া যায় এই কেন্দ্র থেকে। অন্য চালকদের জন্যও রয়েছে নানা কার্যক্রম।

ইলিয়াস কাঞ্চন জানালেন, দেশে আগের চেয়ে দুর্ঘটনার হার কমেছে। তবে তা আরও কমিয়ে আনতে হবে। এ জন্য দোষারোপ না করে দুর্ঘটনার কারণ জানতে হবে এবং তা সমাধান করতে হবে।

প্রত্যেকে তারা পরের তরে কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা
                                  

 

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন:

 

গানের পাশাপাশি শুররু থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রুনা। বাড়িয়েছেন সহযোগিতার হাত। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের সহায়তার জন্য সুইড বাংলাদেশের হয়ে কাজ করছেন। ইউএনএইডসের শুভেচ্ছাদূত হয়ে এইচআইভি/এইডসের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করছেন। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এইডস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ২০১৩ সালেই শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন সার্কের। বড় বোন দিনা লায়লার মৃত্যুর পর ঢাকায় শিশু হাসপাতালে ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের জন্য একটি ওয়ার্ড গড়েছেন অনেক বছর আগেই। এখন স্বপ্ন দেখেন ক্যানসার হাসপাতাল গড়ার।

বিবাহ বিচ্ছেদ চান মানবাতাবাদী এঞ্জেলিনা জোলি
                                  

 

মানবাধিকার খবর ডেস্ক:

 

হলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটতে যাচ্ছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন জোলি। খবর বিবিসির। জোলির আইনজীবী রবার্ট অফার বলেন, আবেদনপত্রে জোলি ‘পারিবারিক কল্যাণের জন্যই বিবাহবিচ্ছেদের’ কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে জোলি কোনো মন্তব্য করতে চান না। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন এ জুটি। পরে ২০১৪ সালের আগস্টে তারা বিয়ে করেন। এঞ্জেলিনা জোলি মানবতার কল্যাণে বিভিন্ন সময় অসহায় নারী ও শিশুদের সহায়তা করে দৃষ্ঠান্ত দেখিয়ে মিডিয়াতে শিরোনাম হয়েছিলেন

জন্মদিনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে সাবিনা ইয়াসমিন
                                  

 

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন:

 

গানের পাখি সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিন আজ। বাংলা সঙ্গীত জগতের জীবন্ত এই কিংবদন্তি ১৯৫৪ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে চ্যানেল আই। দুপুর সাড়ে ১২টায় অনন্যা রুমার প্রযোজনায় ‘তারকা কথন’ অনুষ্ঠানে অংশ নিবেন সাবিনা ইয়াসমিন। শুধু তাই নয় এই বিশেষ ‘তারকা কথন’ পর্বে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবে ডিসট্রেস চিলড্রেন এ্যান্ড ইনফ্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল-ডিসিআইআই’র সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা। বিগত তিনবছর যাবত তিনি ডিসিআইআই’র শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করছেন। জানা যায়, জন্মদিন উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা সাবিনা ইয়াসমিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবে, গান গেয়ে শোনাবে, নাচবে এবং ছবি আঁকবে। পাশাপাশি সাবিনা ইয়াসমিন ফোনেও অংশগ্রহণ করবেন তার প্রিয় প্রিয় মানুষের সঙ্গে। আর এমন আয়োজনটি সাবিনা ইয়ানসমিনের বাসা থেকে সরাসরি প্রচার করবে চ্যানেল আই। জন্মদিন প্রসঙ্গে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, জন্মদিনটা সবসময়ই আমার কাছে খুব ভাললাগার। কিন্তু বয়স বাড়ছে-এ বিষয়টি যখন মনেপড়ে তখন মন খারাপ হয়ে যায়। তারপরও এখনো বেশ ভালো আছি, সুস্থ আছি-এটাই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন, সুস্থ রাখুন। আমার জন্য দোয়া করবেন। সাবিনা ইয়াসমিন ২০০৭ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তিতে আবার সুস্থ হয়ে ওঠেন। প্রয়াত বরেণ্য সুরকার-সঙ্গীত পরিচালক রবিন ঘোষের সঙ্গীত পরিচালনায় এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ সিনেমাতে ১৯৬২ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম গান করেন। তবে ১৯৬৭ সালে আমজাদ হোসেন ও নূরুল হক বাচ্চু পরিচালিত ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমাতে আলতাফ মাহমুদের সঙ্গীত পরিচালনায় ‘মধু জোছনা দীপালি’ গানটি গাওয়ার মধ্যদিয়ে প্লে-ব্যাক গায়িকা হিসেবে আতœপ্রকাশ করেন। বরেণ্য এই সঙ্গীত শিল্পী ১৯৮৪ সালে একুশে পদক, ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পদক’সহ সর্বোচ্চ ১৩বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৫ সালে প্রমোদকার (খান আতাউর রহমানের ছদ্ম নাম) পরিচালিত ‘সুজন সখী’ সিনেমাতে গান গাওয়ার জন্য প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে আমজাদ হোসেনের ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, চাষী নজরুল ইসলামের ‘চন্দ্রনাথ’, মইনুল হোসেনের ‘প্রেমিক’, বুলবুল আহমেদ’র ‘রাজলক্ষী শ্রীকান্ত’ , আমজাদ হোসেনের ‘দুই জীবন’, কাজী হায়াৎ’র ‘দাঙ্গা’, মতিন রহমানের ‘রাধা কৃষ্ণ’, মোহাম্মদ হোসেন’র ‘আজ গায়ে হলুদ’ ও চাষী নজরুল ইসলামের ‘দেবদাস’ চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। দীর্ঘ সঙ্গীত জীবনে সাবিনা ইয়াসমিন ১৬ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন। আলতাফ মাহমুদের সুর সঙ্গীতের নতুন দশটি গান আবারো সাবিনা ইয়াসমিন নতুন করে গাইছেন।

ক্যান্সার সচেতনতায় অর্ধ-নগ্ন হলেন সুপারমডেল ও অভিনেত্রী কারা ডেলেভিন
                                  

 

মানবাধিকার খবর ডেস্ক:

গাইনি ক্যান্সার’ এর বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে অর্ধ-নগ্ন হলেন সুপারমডেল ও অভিনেত্রী কারা ডেলেভিন।  সানডে টাইমস-এর ‘স্টাইল’ ম্যাগাজিন-এর প্রচ্ছদে স্থান পাবে ‘সুইসাইড স্কোয়াড’খ্যাত এই তারকার অর্ধনগ্ন ছবিটি।

২৬ আগস্ট নিজের ইন্সটাগ্রামে ছবিটি শেয়ার করেন ডেলেভিন। যেখানে দেখা যায় শুধুমাত্র একটি ‘লেডি গার্ডেন’ হুডি পরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি, আর তার নিম্নাঙ্গ ঢাকা একটি সূর্যমূখী ফুল দিয়ে।

“ছবিটি নিয়ে আমি খুবই আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত এই ভেবে যে এটি ক্যান্সারের মতো একটি ভয়াবহ জিনিসের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াবে”, ছবির শিরোনামে এমনটিই লিখেন তিনি।

লেডি গার্ডেন ক্যাম্পেইন ব্রিটিশ নারীদের একটি উদ্যোগ; ‘নারীদের ক্যান্সারের ভবিষ্যত পাল্টে দাও’ স্লোগান নিয়ে কাজ করা সংগঠনটি মূলত সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে থাকে। ‘লেডি গার্ডেন’ বিশ্বাস করে, নিজেদের স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলো নিয়ে আরও খোলাখুলি আলাপ করা উচিত নারীদের। নাহলে এই ‘নীরব ঘাতক’ ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচা সম্ভব নয় কোনোভাবেই।

সংগঠনটির পাশে এসে দাঁড়াতেই এই ছবি তোলেন কারা।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, গাইনোকোলোজিক্যাল ক্যান্সার-এ আক্রান্ত নারীদের এক-তৃতীয়াংশ শুধুমাত্র লজ্জার কারণেই শরণাপন্ন হয় না চিকিৎসকের। এমনকি এ নিয়ে কথা বলতে বিব্রত হন আত্মীয়স্বজন কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গেও।

মানুষ মানুষের জন্য ক্যানসারে আক্রান্ত ১০ শিশুকে দত্তক নিলেন রোহিত
                                  

মানবাধিকার খবর ডেস্ক :

 

জনপ্রিয় সিনেমা ‘দিলওয়ালে’ পরিচালক রোহিত শেঠি সত্যিকারেই একজন দিলওয়ালা লোক। সম্প্রতি ক্যানসারে আক্রান্ত ১০টি শিশুকে দত্তক নিয়ে ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এ কথাটিকে বাস্তবে আরেকবার প্রমান দিয়েছেন এই বলিউড চলচ্চিত্র নির্মাতা।

এই শিশুদের চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় এখন থেকে তিনিই বহন করবেন। গত ১১ জুন ভারতের ক্যানসার পেশেন্টস এইড অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএএ) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে রোহিতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মাদক ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল সেই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোহিত শেঠি। অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে সিপিএএর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। সেখান থেকেই ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। সিপিএএর একজন কর্মকর্তা জানান, শুধু অতিথি হিসেবে এই অনুষ্ঠানে হাজির না থেকে ক্যানসারে আক্রান্ত মানুষের জন্য কিছু করতে চেয়েছিলেন রোহিত। আর এরই অংশ হিসেবে ক্যানসারে আক্রান্ত ১০টি শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে তিনি এই উদ্দেশ্যে পাঁচ লাখ রুপি দিয়েছেন।

রোহিত শেঠি  ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’, ‘গোলমাল’, ‘সিংঘাম’, ‘বোল বচ্চন’ ইত্যাদি সুপার হিট জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের পরিচালক। সূত্র : মিড ডে

 

দুস্থ ও অসুস্থ শিল্পীদের সহায়তায় এগিয়ে এলেন সাবিনা ইয়াসমীন
                                  

 

মানবাধিকার খবর ডেস্ক :

 

আমরা প্রায়ই শুনি, অমুক শিল্পী অর্থাভাবে চিকিৎসাসেবা নিতে পারছেন না। শেষ বয়সে এসে অমুক শিল্পী অর্থাভাবে পরিবারের খরচ বহন করতে পারছেন না। এই শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রায়ই চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজনের খবর শোনা যায়। দেশের দুস্থ ও অসুস্থ শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ফাউন্ডেশন গড়লেন বাংলা গানের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন। তাঁর নেতৃত্বে ‘রেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে তিনি সভাপতির দায়িত্বে থাকছেন।

জানা গেছে, ৪ জুন সরকারিভাবে এটি নিবন্ধিত হয়েছে। দেশীয় সংগীতের প্রচার ও প্রসার, বিশুদ্ধ সংগীত পরিচর্যা, সংগীতের সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবী মানুষের জীবনতথ্য, যোগাযোগ ও কীর্তির কথা, স্বীকৃতি ও স্বাতন্ত্র্যের কথা, আনন্দ-বেদনা, সুখে-দুঃখে তাঁদের পাশে থাকা, পাশে গিয়ে দাঁড়াতে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ গ্রহণের মতো লক্ষ্য সামনে রেখে সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ গত বছরের ১৩ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রেশ নামে একটি গ্রুপ গড়ে তোলেন। এতে দেশের কণ্ঠশিল্পী, গীতিকবি, সুরকার-সংগীত পরিচালক ও যন্ত্রসংগীতশিল্পীদের ফটো আর্কাইভ করা হয়েছে। এতে রয়েছে তাঁদের ছবি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি। ওই গ্রুপেরই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হলো রেশ ফাউন্ডেশন।

বছর দুয়েক ধরে ডিসট্রেসড চিলড্রেন অ্যান্ড ইনফ্যান্টস ইন্টারন্যাশনালের (ডিসিআই) সঙ্গে যুক্ত আছেন সাবিনা ইয়াসমীন। এই প্রতিষ্ঠানের হয়ে তিনি দুস্থ শিশুদের জন্য কাজ করছেন। এ ছাড়া মাদকবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে যুক্ত আছেন ‘মানুষ’-এর সঙ্গেও।

সাবিনা বললেন, ‘গানের পাশাপাশি সামাজিক কাজকর্ম করার ইচ্ছা বহুদিনের। আমার সব সময় চেষ্টা থাকে দুস্থ ও অসুস্থ শিল্পীদের পাশে থাকার। রেশ ফাউন্ডেশন থেকে যখন আমাকে বলা হলো, কোনো কিছু চিন্তা না করে জানিয়ে দিলাম তাদের সঙ্গে আছি। এভাবে শুরু হলো। আমাদের মূল উদ্দেশ্য অসুস্থ শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানো। আমাকে এই ধরনের একটি উদ্যোগে যুক্ত থাকার আহ্বান জানানোয় খুব খুশি হয়েছি।’

১১ জুন সন্ধ্যায় ঢাকার ইস্কাটনের একটি রেস্তোরাঁয় রেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদ সদস্যরা সাংবাদিকদের সামনে তাঁদের উদ্দেশ্য ও আদর্শের কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো কাজ করলে সেটার একটা রেশ থেকে যায়। সংগীতের সঙ্গে যুক্ত মানুষের গান আর সুরের রেশটা থেকে যায়। সেই চিন্তা থেকে এই ফাউন্ডেশনের নাম রেশ রাখা হয়েছে। সংগীত শিল্পী–সমাজই থাকবে এর ভাবনার কেন্দ্রে। সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে শিল্পীদের চিকিৎসার সময়ে সহায়তায় তহবিল গঠন করাই হবে মূল লক্ষ্য। আমরা দেশীয় সংগীতাঙ্গনের যেসব শিল্পী কাজ করছেন, তাঁদের পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেইসসংবলিত ইন্টারেকটিভ ওয়েব পোর্টাল তৈরির কাজও করছি।’

রেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদে আরও আছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মতিউর রহমান (গীতিকবি), সহসভাপতি ফরিদা ফারহানা (গীতিকবি), নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (যন্ত্রসংগীতশিল্পী), শাহনাজ বাবু (কণ্ঠশিল্পী), রবিউল ইসলাম জীবন (গীতিকবি ও সাংবাদিক) ও রিয়াজ আহমেদ (আইটি বিশেষজ্ঞ) এবং কোষাধ্যক্ষ জামালউদ্দীন চৌধুরী (সংগঠক)।


   Page 1 of 2
     সাহিত্য ও সাময়িকি
সাংবাদিক অমর সাহার পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
.............................................................................................
সাহিত্য সাময়িকী অধিকার
.............................................................................................
পরিবর্তনের জন্য একসঙ্গে গাইলেন সালমা-বিউটি
.............................................................................................
বলিও, তোমার স্বামীকে
.............................................................................................
আমায় পাবেনা খুজে
.............................................................................................
আমি নেই
.............................................................................................
চমক নিয়ে আসছেন তিশমা
.............................................................................................
শাবানা আজমি বলিউড অভিনেত্রী
.............................................................................................
কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম
.............................................................................................
অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন
.............................................................................................
প্রত্যেকে তারা পরের তরে কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা
.............................................................................................
বিবাহ বিচ্ছেদ চান মানবাতাবাদী এঞ্জেলিনা জোলি
.............................................................................................
জন্মদিনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে সাবিনা ইয়াসমিন
.............................................................................................
ক্যান্সার সচেতনতায় অর্ধ-নগ্ন হলেন সুপারমডেল ও অভিনেত্রী কারা ডেলেভিন
.............................................................................................
মানুষ মানুষের জন্য ক্যানসারে আক্রান্ত ১০ শিশুকে দত্তক নিলেন রোহিত
.............................................................................................
দুস্থ ও অসুস্থ শিল্পীদের সহায়তায় এগিয়ে এলেন সাবিনা ইয়াসমীন
.............................................................................................
কিশোরীর স্বপ্নপূরণ করলেন অমিতাভ
.............................................................................................
ধূমপান বিরোধী বিজ্ঞাপনে প্রশংসিত নাবিলা
.............................................................................................
মানবতার সেবায় খরাপীড়িত দুই গ্রামের দায়িত্ব নিলেন আমির খান
.............................................................................................
আত্মহত্যা রোধে সিলিং ফ্যান নিষিদ্ধ!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

Editor & Publisher: Rtn. Md Reaz Uddin
Corporate Office
Kabbocash Bhabon (5th Floor), Room No: 5/18, Kawran Bazar, Dhaka-1215.
E-mail:manabadhikarkhabar11@gmail.com,manabadhikarkhabar34@yahoo.com,
Tel:+88-02-41010307
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-41010308
    2015 @ All Right Reserved By manabadhikarkhabar.com    সম্পাদকীয়    আর্কাইভ

   
Dynamic SOlution IT Dynamic POS | Super Shop | Dealer Ship | Show Room Software | Trading Software | Inventory Management Software Computer | Mobile | Electronics Item Software Accounts,HR & Payroll Software Hospital | Clinic Management Software Dynamic Scale BD Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale Digital Load Cell Digital Indicator Digital Score Board Junction Box | Chequer Plate | Girder Digital Scale | Digital Floor Scale