| বাংলার জন্য ক্লিক করুন

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কলকাতায় বইমেলা উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী : বাংলাদেশের ৮০টি প্রকাশনীর অংশগ্রহন

দিশা বিশ্বাস , কলকাতা থেকে ১ নভেম্বর থেকে কলকাতায় শুরু হয়েছে ১০ দিন ব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা। এবার এই বইমেলা ৯ বছরে পা দিয়েছে। মেলা শেষ হয় ১০ নভেম্বর। এবারের মেলাও বসছে কলকাতার রবীন্দ্র সদনের কাছে ঐতিহ্যবাহী মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে। বাংলাদেশে প্রকাশিত বিভিন্ন বই নিয়ে এই বইমেলার আয়োজন হচ্ছে প্রতিবছর। বাংলাদেশের বইকে কলকাতার বইপ্রেমীদের কাছে তুলে ধরা এবং দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয় প্রতিবছর এই বইমেলার।


এবারে বইমেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে বইমেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের পররাস্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বইমেলার উদ্বোধন করে মন্ত্রী বলেন, কলকাতার সঙ্গে আমাদের সাংস্কৃতিক বন্ধন দীর্ঘকালের। আর এই বন্ধনকে দৃঢ় করার অন্যতম বাহন এই বই। বই পারে আমাদের দুদেশের মানুষের মধ্যের ভেদাভেদকে দূর করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে দৃঢ় করতে। আর এরজন্য আমাদের দুদেশকে এগুতে হবে। আমাদের বাংলা বইয়ের বাজারকে আরও বিস্তৃত করতে হবে।


এদিন বাংলাদেশের পররাস্ট্র মন্ত্রীর লেখা ’বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শিরোনামের বইটির আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উন্মোচন করা হয় ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় কেন্দ্রের মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ’বিনিময়’এর।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সন্মাননীয় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ, বাংলাদেশের বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ও বর্তমান বাংলাদেশ জাদুঘরের মহাপরিচালক ও বিশিস্ট লেখক, গবেষক শামসুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পৌর কর্পোরেশনের মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, কলকাতার পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড’এর সম্পাদক সুধাংশু দে । আরও ছিলেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ । উদ্বাধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ- হাইকমিশনার তৌফিক হাসান।


বাংলাদেশ রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো , কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সন্মিলিত উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে এই বাংলাদেশ বইমেলার।


১০দিন ব্যাপী আয়োজিত এই বইমেলায় মেলা মঞ্চে প্রতিদিন ছিল বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, কবিতা পাঠ এবং বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের অংশ গ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেমিনারে যোগ দেবেন ঢাকা ও কলকাতার বিশিস্টজন এবং কবি সাহিত্যিক শিল্পীরা। ছিলেন বাংলাদেশের : শামসুজ্জামান খান, চেয়ারম্যান জাতীয় জাদুঘর, মোস্তফা কামাল ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, কালেরকন্ঠ, মফিদুল হক, ট্রাস্টি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ফরিদ আহমেদ, সভাপতি বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি, রামেন্দু মজুমদার, নাট্য ব্যক্তিত্ব, হাবিবুল্লাহ সিরাজী , মহাপরিচালক বাংলা একাডেমি, মিনার মনসুর, পরিচালক জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র, খন্দকার মনিরুজ্জামান , ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক দৈনিক সংবাদ, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক, কেএম খালিদ, সাংসদ, কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী । আলোচনায় আরও অংশ নেন কলকাতার বিশিস্টজন , কবি সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরাা।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শান্তিনিকেতনের আদিবাসী নাচের দল ’মোহালি’ নৃত্য পরিবেশন করে।
প্রতিদিন মেলা চলে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। তবে শনি ও রোববার মেলা চলে ২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। মেলায় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় রয়েছে কলকাতার ভাষা ও চেতনা সমিতি।


এবারের বইমেলায় বাংলাদেশের ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থার ৩০ হাজার টাইটেলের বই ছিল।


যোগ দিয়েছে : অক্ষর প্রকাশনী, দি রয়েল পাবলিসার্স, দিব্য প্রকাশ, অংকুর প্রকাশনী, মাওলা ব্রাদার্স, অনুপম প্রকাশনী, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ, কথা প্রকাশ, নালন্দা, কাকলী প্রকাশনী, ভাষাচিত্র, সৃজনী, নবযুগ প্রকাশনী, অন্বেষা প্রকাশন, প্রতীক প্রকাশনা, শোভা প্রকাশ, বর্ণায়ন, প্রথমা প্রকাশন, আহমেদ পাবলিশিং হাউস, জার্নিম্যান বুবস, সন্দেশ, বেঙ্গল পাবলিকেশনস , ঐতিহ্য, অ্যাডর্ন পাবলিকেশনস, ইউপিএল, সাহিত্য প্রকাশ, পাঠক সমাবেশ, বাংলা প্রকাশ, চন্দ্রাবতী একাডেমি, রিদম প্রকাশনা, আনন্দ প্রকাশ, অন্যপ্রকাশ, পাঞ্জেরী পাবলিকেশনস, আগামি প্রকাশনী, শিখা প্রকাশনী, ইউনিভার্সেল একাডেমি, রোদেলা প্রকাশনী, পুথিনিলয়, বাংলা একাডেমি, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর,তা¤্রলিপি, বিশ্বসাহিত্য ভবন, সময় প্রকাশন, পার্ল পাবলিকেশনস, অন্যধারা, ঝিনুক প্রকাশনী, ধ্রæবপদ, ইতি প্রকাশক, আদর্শ, শব্দশৈলী, আলেয়া বুক ডিপো, নওরোজ কিতাবিস্তান, প্রান্ত প্রকাশন, অনার্য, প্রতিভা প্রকাশ, মূর্ধন্য, র‌্যামন পাবলিসার্স, শিকড়, বাতিঘর, চারুলিপি, বিজয় ডিজিটাল, ইকরি মিকরি, চিত্রা প্রকাশনী, মুক্তচিন্তা, গদ্যপদ্য, সুবর্ণ, জয়তী প্রিয়মুখ, স্বরবৃত্ত, ইত্যাদি, মনন প্রকাশ, কথামেলা প্রকাশন, সদর প্রকাশনী, কবি প্রকাশনী, জাগৃতী প্রকাশনী, আদি প্রকাশন, জনপ্রিয় প্রকাশনী, জেনাকি প্রকাশনী, সাঁকোবাড়ি প্রকাশন উল্লেখযোগ্য।


প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে এই মেলা শুরু হয়েছিল পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে। মেলার আসর বসেছিল কলকাতার রবীন্দ্র সদন চত্বরে। গত ২০১৭ সাল থেকে এই মেলার আসর বসছে মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে। গত বছর এই মেলা শুরু হয়েছিল ২ নভেম্বর থেকে।

কলকাতায় বইমেলা উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী : বাংলাদেশের ৮০টি প্রকাশনীর অংশগ্রহন
                                  

দিশা বিশ্বাস , কলকাতা থেকে ১ নভেম্বর থেকে কলকাতায় শুরু হয়েছে ১০ দিন ব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা। এবার এই বইমেলা ৯ বছরে পা দিয়েছে। মেলা শেষ হয় ১০ নভেম্বর। এবারের মেলাও বসছে কলকাতার রবীন্দ্র সদনের কাছে ঐতিহ্যবাহী মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে। বাংলাদেশে প্রকাশিত বিভিন্ন বই নিয়ে এই বইমেলার আয়োজন হচ্ছে প্রতিবছর। বাংলাদেশের বইকে কলকাতার বইপ্রেমীদের কাছে তুলে ধরা এবং দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয় প্রতিবছর এই বইমেলার।


এবারে বইমেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে বইমেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের পররাস্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বইমেলার উদ্বোধন করে মন্ত্রী বলেন, কলকাতার সঙ্গে আমাদের সাংস্কৃতিক বন্ধন দীর্ঘকালের। আর এই বন্ধনকে দৃঢ় করার অন্যতম বাহন এই বই। বই পারে আমাদের দুদেশের মানুষের মধ্যের ভেদাভেদকে দূর করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে দৃঢ় করতে। আর এরজন্য আমাদের দুদেশকে এগুতে হবে। আমাদের বাংলা বইয়ের বাজারকে আরও বিস্তৃত করতে হবে।


এদিন বাংলাদেশের পররাস্ট্র মন্ত্রীর লেখা ’বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শিরোনামের বইটির আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উন্মোচন করা হয় ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় কেন্দ্রের মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ’বিনিময়’এর।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সন্মাননীয় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ, বাংলাদেশের বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ও বর্তমান বাংলাদেশ জাদুঘরের মহাপরিচালক ও বিশিস্ট লেখক, গবেষক শামসুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পৌর কর্পোরেশনের মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, কলকাতার পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড’এর সম্পাদক সুধাংশু দে । আরও ছিলেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ । উদ্বাধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ- হাইকমিশনার তৌফিক হাসান।


বাংলাদেশ রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো , কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সন্মিলিত উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে এই বাংলাদেশ বইমেলার।


১০দিন ব্যাপী আয়োজিত এই বইমেলায় মেলা মঞ্চে প্রতিদিন ছিল বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, কবিতা পাঠ এবং বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের অংশ গ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেমিনারে যোগ দেবেন ঢাকা ও কলকাতার বিশিস্টজন এবং কবি সাহিত্যিক শিল্পীরা। ছিলেন বাংলাদেশের : শামসুজ্জামান খান, চেয়ারম্যান জাতীয় জাদুঘর, মোস্তফা কামাল ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, কালেরকন্ঠ, মফিদুল হক, ট্রাস্টি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ফরিদ আহমেদ, সভাপতি বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি, রামেন্দু মজুমদার, নাট্য ব্যক্তিত্ব, হাবিবুল্লাহ সিরাজী , মহাপরিচালক বাংলা একাডেমি, মিনার মনসুর, পরিচালক জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র, খন্দকার মনিরুজ্জামান , ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক দৈনিক সংবাদ, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক, কেএম খালিদ, সাংসদ, কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী । আলোচনায় আরও অংশ নেন কলকাতার বিশিস্টজন , কবি সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরাা।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শান্তিনিকেতনের আদিবাসী নাচের দল ’মোহালি’ নৃত্য পরিবেশন করে।
প্রতিদিন মেলা চলে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। তবে শনি ও রোববার মেলা চলে ২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। মেলায় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় রয়েছে কলকাতার ভাষা ও চেতনা সমিতি।


এবারের বইমেলায় বাংলাদেশের ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থার ৩০ হাজার টাইটেলের বই ছিল।


যোগ দিয়েছে : অক্ষর প্রকাশনী, দি রয়েল পাবলিসার্স, দিব্য প্রকাশ, অংকুর প্রকাশনী, মাওলা ব্রাদার্স, অনুপম প্রকাশনী, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ, কথা প্রকাশ, নালন্দা, কাকলী প্রকাশনী, ভাষাচিত্র, সৃজনী, নবযুগ প্রকাশনী, অন্বেষা প্রকাশন, প্রতীক প্রকাশনা, শোভা প্রকাশ, বর্ণায়ন, প্রথমা প্রকাশন, আহমেদ পাবলিশিং হাউস, জার্নিম্যান বুবস, সন্দেশ, বেঙ্গল পাবলিকেশনস , ঐতিহ্য, অ্যাডর্ন পাবলিকেশনস, ইউপিএল, সাহিত্য প্রকাশ, পাঠক সমাবেশ, বাংলা প্রকাশ, চন্দ্রাবতী একাডেমি, রিদম প্রকাশনা, আনন্দ প্রকাশ, অন্যপ্রকাশ, পাঞ্জেরী পাবলিকেশনস, আগামি প্রকাশনী, শিখা প্রকাশনী, ইউনিভার্সেল একাডেমি, রোদেলা প্রকাশনী, পুথিনিলয়, বাংলা একাডেমি, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর,তা¤্রলিপি, বিশ্বসাহিত্য ভবন, সময় প্রকাশন, পার্ল পাবলিকেশনস, অন্যধারা, ঝিনুক প্রকাশনী, ধ্রæবপদ, ইতি প্রকাশক, আদর্শ, শব্দশৈলী, আলেয়া বুক ডিপো, নওরোজ কিতাবিস্তান, প্রান্ত প্রকাশন, অনার্য, প্রতিভা প্রকাশ, মূর্ধন্য, র‌্যামন পাবলিসার্স, শিকড়, বাতিঘর, চারুলিপি, বিজয় ডিজিটাল, ইকরি মিকরি, চিত্রা প্রকাশনী, মুক্তচিন্তা, গদ্যপদ্য, সুবর্ণ, জয়তী প্রিয়মুখ, স্বরবৃত্ত, ইত্যাদি, মনন প্রকাশ, কথামেলা প্রকাশন, সদর প্রকাশনী, কবি প্রকাশনী, জাগৃতী প্রকাশনী, আদি প্রকাশন, জনপ্রিয় প্রকাশনী, জেনাকি প্রকাশনী, সাঁকোবাড়ি প্রকাশন উল্লেখযোগ্য।


প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে এই মেলা শুরু হয়েছিল পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে। মেলার আসর বসেছিল কলকাতার রবীন্দ্র সদন চত্বরে। গত ২০১৭ সাল থেকে এই মেলার আসর বসছে মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে। গত বছর এই মেলা শুরু হয়েছিল ২ নভেম্বর থেকে।

দিল্লিতে কারখানায় আগুন, নিহত ৪৩
                                  

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরের দিকে দিল্লি কেন্দ্রস্থলের জনবহুল একটি এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতদের অধিকাংশই কারখানাটির শ্রমিক। ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভি ও দৈনিক হিন্দুর প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজধানী নয়াদিল্লির মধ্যভাগে অবস্থিত রানি ঝানসি সড়কের অনজ মান্দি নামক এলাকায় ওই কারখানাটি অবস্থিত। স্থানীয় সময় রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সেখানে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। তখন কারখানার ভেতরে শ্রমিকরা ঘুমাচ্ছিলেন।

 

দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ত্রিশটি অগ্নিনির্বাপণকারী ট্রাক পাঠানো হয়। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অগ্নিদগ্ধ ২০ জনকে স্থানীয় রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল ও হিন্দু রাও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সড়ক বন্ধ ছাড়াও ট্রাফিক পুলিশ সর্বসাধারণকে রানি ঝানসি উড়ালসড়ক (ফ্লাইওভার) ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে। উড়ালসড়কটির অবস্থান নয়াদিল্লি রেলওয়ে স্টেশনের পাশেই।

ভারী বর্ষণে প্রাচীর ধস, চাপা পড়ে নিহত ১৫
                                  

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ তামিলনাড়ুতে ভারী বর্ষণের কারণে প্রাচীর ধসে একটি গ্রামের অন্তত ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার সকালের দিকে প্রদেশের কোয়েমবাটোরে গ্রামে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রাচীর ধসের ঘটনায় ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে আটকা পড়া লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু হয়েছে। প্রাচীরের ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির কিছু অংশে ভারী বর্ষণ হচ্ছে।

 

বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সেখানকার জনজীবন প্রায় থমকে গেছে। তামিলনাড়ুর কিছু কিছু অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে স্থানীয় আবহাওয়া দফতর সতর্ক সঙ্কেত জারি করেছে। সোমবার তামিলনাড়ুর চেন্নাই, টুটিকরিন, টিরুভাল্লুর ও কাঞ্চিপুরামে স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার বেশির ভাগই পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

আবহাওয়া দফতর বলছে, ভারত মহাসাগরের কমোরিন অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে; যে কারণে তামিলনাড়ুর উপকূলীয় এলাকায় আরও বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত কয়েকদিনে তামিলনাড়ুতে বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনায় অন্তত তিনজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

রাজ্য সরকার প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে জানিয়ে বলেছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চেন্নাইয়ে রাজ্য সরকার অন্তত ১৭৬টি ত্রাণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে।

সূত্র : এনডিটিভি।

মানবাধিকার খবরের উপদেষ্টা হলেন ভারতের রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য
                                  

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন :

ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ রাজ্য সভার সংসদ সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্য বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত মানবাধিকার খবর-এর উপদেষ্টা হলেন। মানবাধিকার খবর সম্পাদক মোঃ রিয়াজউদ্দিন গত ২ অক্টোবর কলকাতা সফরকালে সংসদ সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্যকে পত্রিকার উপদেষ্টা হওয়ার জন্য প্রস্তাব করলে তিনি সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
এ সময় সংসদ সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, মানব কল্যাণে কাজ করতে পারলে নিজের কাছে খুব ভালো লাগে। এ কারণেই রাজনীতি করে যাচ্ছি। আমার জীবনে রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হচ্ছে মানব কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখা। তাই, যারা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে তাদের প্রতি আমার সমর্থন সব সময় রয়েছে এবং ভষ্যিতেও থাকবে। মানবাধিকার খবরের উপদেষ্ঠা হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত মানবাধিকার খবর পত্রিকাটি তাদের প্রকাশনার বাইরেও মানবিক কিছু বিষয়ে সামাজিক দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিশেষ করে নারী-শিশু উদ্ধারে যথেষ্ট ভূমিকা রেখে চলেছে। যা’কিনা সত্যিকারের প্রশংসাযোগ্য। তাদের এই ভালো কাজের সাথে শামিল হওয়ার জন্য মানবাধিকার খবরের সঙ্গে যুক্ত হলাম। তিনি বলেন, আমি আশাকরি সমাজের কল্যাণে পত্রিকাটি আগামীতে আরো বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। মানবাধিকারের কোনো জাত, কাল, স্থান নেই সর্বত্রই সমান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রদীপ ভট্টাচার্য ১৯৪৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মাসে পশ্চিমবংলার বর্ধমান জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। পড়াশুনা করেছেন বর্ধমানের ইটাগোরিয়া হাইস্কুল, সুরি বিদ্যাসাগর কলেজ ও বর্ধমান বিশ^বিদ্যালয়ে। তিনি ভারতের জাতীয় কংগ্রেস-এর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং রাজ্য সভার একজন সম্মানিত সংসদ সদস্য। একই সঙ্গে প্রবীর ভট্টাচার্য প্রাগ্ভাষ নামের একটি সংগঠনের অবৈতনিক সম্পাদক। এছাড়া তিনি সাবেক শ্রম মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি ছিলেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে নানাবিধ ও সেবামুলোক কাজ করে যাচ্ছেন।

এনআরসি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনাকে মোদি বাংলাদেশের শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই
                                  

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, তার দেশের জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মোদি এই আশ্বাস দেন। বৈঠক শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রয়েছে। তাই এ ধরনের ইস্যু নিয়ে উদ্বেগের কিছুই নেই। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত ভারতের আসাম রাজ্যের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা (এনআরসি) থেকে বাদ পড়েছেন রাজ্যের ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন বাসিন্দা। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির ইশতেহারে অন্যতম ইস্যু ছিল এই নাগরিক তালিকা চূড়ান্ত করা। এ বছরের গোড়ার দিকে কথিত অনুপ্রবেশকারীদের (বাংলাভাষী মুসলিম) ‘উইপোকা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন বিজেপি নেতা ও ভারতের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা বাংলার মাটিতে উইপোকার মতো। বিজেপি সরকার তাদের এক এক করে তুলে বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলবে। অমিত শাহ তার বক্তব্যে অবৈধ মুসলিম অভিবাসী বলতে তাদের বাংলাদেশি হিসেবে ইঙ্গিত করেন। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, তার দেশের জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
নিউ ইয়র্কে শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মোদি এই আশ্বাস দেন। বৈঠক শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রয়েছে। তাই এ ধরনের ইস্যু নিয়ে উদ্বেগের কিছুই নেই। এর আগেরদিন বিকালে লোতে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে দ্বিপক্ষীয় সভাকক্ষে দুই নেতার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উভয় নেতা তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। এ কে আবদুল মোমেন বলেন, দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এই বৈঠক খুবই সৌহার্দ্যমূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে এনআরসি, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এনআরসি ইস্যুর কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। জবাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনআরসি ও পানি বণ্টনের মতো ইস্যুগুলোকে আমরা সহজভাবে নিতে পারি। কারণ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নির্ধারণে কাজ করবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের শঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনও বিষয় নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, উভয়পক্ষ দুই দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করবে। কেননা দুই নেতার মধ্যে ভাই-বোনের মতো চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক খান, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত সর্বশেষ আসামের নাগরিক তালিকা প্রকাশের পর এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ তোলেন ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের সমন্বয়কারী ও আসামের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের বন্ধু এবং তারা আমাদের সহায়তা করে আসছে। আমরা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে উপস্থাপন করলে তারা বরাবরই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই সংখ্যাটি বেশি বড় না, তবে এখন আমরা তাদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

এনআরসি বিষয়ে বাংলাদেশকে ফের আশ্বস্ত করলেন নরেন্দ্র মোদী :

এদিকে বিতর্কিত নাগরিকত্ব তালিকা (এনআরসি) ইস্যুতে বাংলাদেশকে আবারও আশ্বস্ত করেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন, এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ ইস্যু। ০৫ অক্টোবর নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ আশ্বাস দেন নরেন্দ্র মোদী। পরে সন্ধ্যায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান। শহীদুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশ্বস্ত করেছেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। নরেন্দ্র মোদী এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যাখ্যা করেছেন। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ আছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক খুবই ভালো। উষ্ণ ও বন্ধত্বপূর্ণ। জাতিগত নিধনের শিকার, নির্মম নির্যাতনের মুখে জোরপূর্বক বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন বিষয়ে মিয়ানমারকে রাজি করাতে ভারতকে ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক্ষেত্রে মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ককে কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন তিনি। শহীদুল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরে যেতে দুই প্রধানমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন। এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইর্য়ক সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকেও এনআরসি ইস্যুতে বাংলাদেশের উদ্বেগের কিছু নেই বলে আশ্বাস দেন নরেন্দ্র মোদী।

ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) চুড়ান্ত করার পর ১৯ লাখের বেশি মানুষ তাদের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন। যাদের প্রায় সবাই বাংলা ভাষী মুসলমান ও হিন্দু।
সংবাদ সম্মেলনে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

কথা দিচ্ছি পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হবে না : মমতা
                                  

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন

পরপর দুইদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক নিয়ে অস্বস্তিতে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি। প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও আড়ালে তৃণমূল সুপ্রিমোর এবারের দিল্লি যাত্রায় অখুশি রাজ্য বিজেপি শিবির।
বিজেপি অখুশি হওয়ার অন্যতম কারণ, মমতার হঠাৎ দিল্লি সফরে রাজ্যের বকেয়া অর্থ সহজে আদায় করার পথ সুগম হওয়ার পাশাপাশি এনআরসি (জাতীয় নাগরিকত্ব তালিকা) নিয়েও পশ্চিমবঙ্গকে আশ্বস্ত করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে মমতার দু’দিনের (১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর) সফরের মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তার প্রথম বৈঠকেই আগ্রহ ছিল দেশবাসীর। আর সেখানেই জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার আপত্তি শুনে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অমিত শাহ। যেখানে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ পশ্চিমবাংলায় হুঙ্কার দিচ্ছেন ক্ষমতায় এলে এ রাজ্যেও এনআরসি হবে এবং দু’কোটি মানুষ বাদ যাবে’, সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মমতাকে আশ্বাস দেওয়ায় স্বভাবতই অখুশি রাজ্য বিজেপি শিবির।
২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে দিল্লি থেকে কলকাতা ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফিরেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বলেন, ‘পশ্চিমবাংলার মানুষদের বলেছি, এনআরসি নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না। আমি কথা দিচ্ছি, পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হবে না। অন্তত আমি বেঁচে থাকতে হবে না। আমার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা হয়েছে। একটা অংশ থেকে পশ্চিমবাংলায় এনআরসি নিয়ে যে ভুল তথ্য দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, তা নিয়ে আমাদের কী মত, তা সবারই জানা। তবে আমি পশ্চিমবাংলা নিয়ে সেভাবে কথা না বললেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আসামে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের নাম সংযুক্ত করার অনুরোধ করেছি। কারণ এনআরসি তালিকা থেকে যে ১৯ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছে, তাদের মধ্যে অনেক বাংলাভাষী রয়েছেন। হিন্দি ভাষাভাষীর পাশাপাশি গোর্খা (দার্জিলিং) ভাই-বোনেরাও রয়েছেন। তাদের কোনোভাবেই বাদ দেওয়া চলবে না। যারা প্রকৃত ভোটার, তাদের দেশ থেকে তাড়ানো যাবে না। আচমকা ১৯ লাখ লোককে কেন তাড়িয়ে দেওয়া হবে? তারা কোথায় যাবেন?
মমতা আরও বলেন, এনআরসি ইস্যুর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানের মতো যে রাষ্ট্রগুলোর সীমান্ত রয়েছে, তা সুরক্ষিত রাখার ব্যাপারে রাজ্যকে সবসময় সাহায্য করা হবে বলেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন। দিল্লিতে গিয়ে প্রথমদিন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে রাজ্যের বকেয়া আদায় করা এবং দ্বিতীয়দিন এনআরসি ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে আশ্বস্ত হওয়া, মমতার দু’দিনের সফরের সারসংক্ষেপ এই। মুখ্যমন্ত্রীর দু’দিনের হঠাৎ দিল্লি সফরে রাজ্য বিজেপির যেমনি জল্পনা থামেনি, তেমনি এ সফর নিয়ে বাম-কংগ্রেস রাজনৈতিক মহলেরও কৌতুহলের শেষ ছিলনা। তাদের বক্তব্য, মোদী ভাই ও মমতা দিদি, অর্থাৎ ভাই-দিদি বৈঠকে বিজেপি-তৃণমূলের আঁতাত হয়ে গেছে। তাই বিজেপি নিয়ে নবান্নে কিছু বললেন না মুখ্যমন্ত্রী।
এনিয়ে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক মূল্য এখন শূন্যে এসে ঠেকেছে। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির যা সাংগঠনিক শক্তি, তাতে তৃণমূলকে আমাদের কোনোভাবেই দরকার নেই। বরং এখানকার শাসক শিবিরকে রাজনৈতিকভাবে পরাস্ত করার কাজে আমরা তৈরি হচ্ছি। তাই রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে যারা অবগত নন, সেই অবিবেচকরাই আঁতাতের তত্ত্ব দাঁড় করাচ্ছে। বিজেপির রাজ্য কমিটির আরও এক নেতা বলেন, আগের জমানা আর নেই। রাজনাথ সিং, অরুণ জেটলিকে ধরে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রভাবিত করতে মমতার দীর্ঘদিনের যে ছক, এখন সেটি আর চলবে না। তবে রাজ্য বিজেপি মুখে যাই বলুক না কেনো, স্বভাবতই তারা অখুশি। কারণ দুই দিনের সফরে রাজ্যের যা প্রয়োজন তা আদায়ের দিকেই অগ্রসর হতে পেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মানবাধিকার খবরের সার্বিক সহযোগিতা ভারতীয় স্কুল ছাত্রী দুইমাস পর আসাম থেকে উদ্ধার
                                  

প্রদীপ রায় চৌধুরী, কলকাতা থেকে :
নিখোঁজ হওয়ার দুইমাস পর স্কুল ছাত্রী (১৫) কে আসামের শিলচর থেকে উদ্ধার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। এর মধ্যে সে পশ্চিম বঙ্গ থেকে রাজস্থান, সেখান থেকে এলাহাবাদ, দিল্লি, ফের এলাহাবাদ হয়ে আসামের শিলচর ক্লাস নাইনে পড়া মেয়েটার জীবন ২ মাস এভাবেই কেটেছে। একের পর এক হাত বদল হয়েছে। প্রত্যেকবারই সে যৌনপল্লিতে বিক্রি হয়ে গেছে। অতপর স্বাধীনতার স্বাদ পেল ২৬ জুলাই যেদিন উত্তর চব্বিশ পরগণা এবং আসামের পুলিশের যৌথ অভিযানে অন্ধকার জগৎ থেকে আলোয় ফিরলো। প্রেমিক সোহাগ রায় তাকে ফুসলিয়ে গত ২৫ মে গভীর রাতে ঘর থেকে বের করে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামের এই স্কুল ছাত্রীকে। সোহাগের আনা অটোয় উঠে বসে মেয়েটি। মেয়েটির পরিজনেরা বিষয়টি বুঝতে পেরে কিছু দূর গিয়ে অটোটি ধরে ফেলে। কিন্ত ভিতরে তখন মেয়েটি নেই। পুলিশ অটোচালক এবং প্রেমিক সোহাগ রায়কে গ্রেফতার করে। কিন্তু মেয়েটি সম্পর্কে কিছুই জানা যায় না। মেয়েটির মোবাইল নান্বারের সুত্রে তদন্তকারী দল পৌছায় দিল্লি। মোবাইলটি মেলে নাজিয়া নামে এক মহিলার কাছে। জেরায় সে জানায়, এলাহাবাদে বিক্রি করা হয়েছে ১৫ বছরের মেয়েটিকে। সেখান থেকে মাইলি তামাং নামে এক ব্যক্তিকে ধরে মধ্যমগ্রাম পুলিশ। তার থেকে শিলচরের যৌনপল্লির হদিস মেলে। এরপর ২৬ জুলাই ওই ঠিকানায় হানাদিয়ে প্রেমিক-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, অমানবিকভাবে বন্দী থাকা বাংলাদেশী তিন শিশু উদ্ধারের ব্যাপারে গত ১২ জুন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যান মানবাধিকার খবরের সম্পাদক। এসময় খবর পেয়ে উক্ত স্কুল ছাত্রীর অসহায় মা-বাবা সম্পাদকের সাথে দেখা করে তাদের নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার ও সার্বিক সহযোগিতার করতে বিশেষ অনুরোধ জানানোর প্রেক্ষিতে মানবাধিকার খবরের সম্পাদক নিখোঁজ ছাত্রীকে উদ্ধারের দায়িত্ব নেন। ওই সময়ে বিষয়ে মধ্যমগ্রাম থানায় আই পি সি আইনে ও ৩৬৩/৩৬৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয় যার নাম্বার (২১৮/২) তারিখ ২৭.০৫.২০১৯। নিখোজ ছাত্রী মধ্যমগ্রামের এপিসি গার্লস হাইস্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২৬ মে রাত ১২টার পর থেকেই তাদের মেয়ের আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। রাতেই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে না পাওয়া গেলে মধ্যমগ্রাম থানায় মিসিং ডায়রি করে পরিবার। স্কুল ছাত্রীর বাবা চন্দ্রশেখর রায় পেশায় রাজমিস্ত্রি। মা ত্রিপলী রায় গৃহবধূ। স্কুল ছাত্রীর সাত বছরের ছোট ভাই রয়েছে। মধ্যবিত্ত পরিবার। বাবা চন্দ্রশেখর রায় বলেন, ২৬ মে রবিবার মাঝরাতে বাথরুমে যাওয়ার পর থেকে মেয়েকে আর পাচ্ছি না। ওই রাতেই বাড়ির কাছে একটি অটো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলাম। ফলে সন্দেহ বাড়ে পরিবারের। এরপর এলাকারই অটো চালক সন্দীপ বণিককে চাপ প্রয়োগ করেন স্কুল ছাত্রীর বাবা। বাবার দাবি, সন্দীপ তাঁকে বলে সোহাগ রায় সব কিছু জানে। কিন্তু সোহাগও নিখোজ ছাত্রীর ব্যাপারে কিছুই জানায়নি। পরবর্তিতে দু’জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ দিকে স্কুল ছাত্রীর কোনও খোঁজ না মেলায় তাঁকে অপহরণ কিংবা কোথাও পাচার করা হয়ে থাকতে পারে বলে পরিবারের আশঙ্কা করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর গত ২৬ জুলাই উক্ত স্কুল ছাত্রীকে শিলচর থেকে উদ্ধার করা হয়। মানবাধিকার খবর সার্বক্ষনিক সার্বিক সহযোগিতা ও পরামশ দিয়ে আসছিলো। তাকে উদ্ধারের ব্যাপারে মানবাধিকার খবরের বিশেষ ভূমিকার জন্য নিখোজ কিশোরীর বাবা চন্দ্রশেখর রায় ও মা ত্রিপলী রায় পত্রিকার সম্পাদককের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উদ্ধারের পর উক্ত স্কুল ছাত্রী ফিরে পেয়েছে মনোবল, যোগ দিয়েছে নিয়মিত পড়াশোনায়। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সে সাংবাদিকতা করতে চায়। লেখালেখির মাধ্যমে তার মতো ভুক্তভোগীদের কথা সমাজে মানুষের কাছে তুলে ধরতে চায়।
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, মানবাধিকার বিষয়ক নিয়মিত সৃজনশীল বাংলা প্রকাশনা “মানবাধিকার খবর” এর আগেও দেশ-বিদেশ থেকে নিখোঁজ ও পাচারকৃত অসংখ্য নারী ও শিশু উদ্ধার করে অবিভাবক ও স্বজনদের হাতে তুলে দিয়ে সাফল্য দেখিয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর পর্যটকদের জন্য খুলে গেল
                                  

দুই মাসেরও বেশি সময় পর পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হলো জম্মু-কাশ্মীর। গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর পর্যটক এবং তীর্থযাত্রীদের কাশ্মীর ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। তারপর থেকেই পর্যটকদের জন্য কাশ্মীরে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।

কাশ্মীরের গভর্নর সত্যপাল মালিকের নির্দেশে প্রায় দু`মাস পর ভূস্বর্গে পর্যটকদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলো। সোমবার এ বিষয়ে এক নির্দেশনা দেয়া হয়। এক ঘোষণায় জানানো হয় যে, আগামী ১০ অক্টোবর থেকে জম্মু-কাশ্মীরে আগের মতোই পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে।

 

এক সরকারি মুখপাত্র জানান, গভর্নর সত্যপাল মালিক পর্যটকদের ওপর থেকে দ্রুত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। সে অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর থেকেই নিষেধাজ্ঞা উঠে গেল।

জম্মু ও কাশ্মীরের তথ্য অধিদফতর এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, গভর্নর সত্যপাল মালিক কাশ্মীরের নিরাপত্তার বিষয়ে পরামর্শদাতা এবং মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি স্বরাষ্ট্র দফতরকে দেওয়া নির্দেশিকায় বলেছেন, রাজ্য থেকে পর্যটক বেরিয়ে যেতে বলার আদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে ১০ অক্টোবর থেকে।

সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন রাজ্যের কয়েক হাজার পর্যটক, তীর্থযাত্রী এবং শিক্ষার্থীদের কাশ্মীর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

সে সময় কাশ্মীরে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার পর্যটক ছিল। পর্যটনের জন্য এটাই কাশ্মীরের সবচেয়ে ভালো সময় হলেও সে সময় পর্যটকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীরে টেলিফোন এবং ইন্টারনেট সেবাও বন্ধ রাখা হয়।

গত জুনে কাশ্মীরে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। এছাড়া জুলাইয়ে ভ্রমণ করেছেন ১ লাখ ৫২ হাজার পর্যটক যার মধ্যে তিন হাজার ৪০৩ জন বিদেশি পর্যটক। কিন্তু গত আগস্টে কোনো পর্যটকই সেখানে ঘুরতে যেতে পারেননি।

মেয়রকে গাড়ির সঙ্গে দড়ি বেঁধে ঘুরালেন কৃষকরা
                                  

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন মেয়র। বলেছিলেন, রাস্তা ঠিক করে দেবেন। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও তা করেননি তিনি। ফলে ক্ষুব্ধ জনগণ মেয়রকে উচিত সাজা দিলেন।

মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলের মেয়রকে তার কার্যালয় থেকে বের করে এনে একটি পিকআপ ট্রাকের সঙ্গে দড়ি বেঁধে টেনে হেচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর এই কাজ করেছে তারই এলাকার স্থানীয় কৃষকরা। এই ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে।

মেয়র জর্জ লুইস এসকান্দন হারনানদেজকে জনগণের হাত থেকে রক্ষা করতে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। তবে বড় ধরনের আঘাত পাননি ওই মেয়র।

কৃষকদের হাতে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আক্রমণের শিকার হলেন মেয়র জর্জ লুইস। এর আগেও তার ওপর আক্রমণ করেছিল ক্ষুব্ধ কৃষকরা। স্থানীয় একটি রাস্তা ঠিক করে দেবেন বলে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এমন বিপদে পড়তে হয়েছে তাকে।

চিয়াপাস রাজ্যের ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন মাদক পাচার চক্রকে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা না করার কারণে প্রায়ই মেক্সিকোর স্থানীয় রাজনীতিবিদ এবং মেয়রদের আক্রমণের শিকার হতে হয়।

কিন্তু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারার কারণে মেয়রের ওপর হামলার ঘটনা সেখানে খুব একটা দেখা যায় না। ওই মেয়রকে দড়ি দিয়ে ট্রাকের সঙ্গে বেঁধে ঘুরানোর ঘটনা ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় তিনি অপহরণ এবং হত্যা চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করবেন।

৫ বাংলাদেশি গ্রেফতার, অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা
                                  

অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে ৫ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিএসএফ কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর এনডিটিভির।

বিএসএফের তরফ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু`টি আলাদা ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙ্গা এবং তারালি এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশি দালালদের সাহায্যে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেন তারা।

 

পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য গ্রেফতারকৃতদের নির্দিষ্ট থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙ্গা এবং রাজনগর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এখন পর্যন্ত অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করার চেষ্টা করায় ২৭৮ জন ভারতীয় এবং ১ হাজার ২১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ।

দক্ষিণ আফ্রিকায় নারকীয় তান্ডব: আতঙ্কে বাংলাদেশিরা
                                  

আরিফুর রহমান দিলু, দক্ষিণ আফ্রিকা :
দক্ষিণ আফ্রিকা জুড়ে অভিবাসীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নারকীয় তান্ডব চালিয়েছে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গরা গত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশিসহ অভিবাসীদের প্রায় ৫শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা লুটপাট, ভাঙ্গচুরসহ অগ্নিসংযোগ করে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকরা। এই ঘটনায় এক জন পাকিস্তানি নাগরিকসহ মোট ১২ জন নিহত হয়েছেন।
এ দিকে সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অভিবাসী বিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ছে পুরো দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রতিদিন নতুন নতুন শহর, লোকেশনে ভাংচুর-লুটপাট, অগ্নিসংযোগের ঘটণা ঘটছে। কোনকিছুতে থামানো যাচ্ছেনা তাদের। ধ্বংসযজ্ঞে পরিনত হচ্ছে ম্যান্ডেলার আফ্রিকা লুটপাটেরকারীদের গুলিতে একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছে। লুটপাটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পুলিশ এ পর্যন্ত শতাধিক কৃষাঙ্গ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করেছে । এছাড়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত ২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা জোহানসবার্গ শহরে স্মল অ্যাস্টেট, ব্রি অ্যাস্টেট, জিপি অ্যাস্টেট, এমটিএন ট্যাক্সি রেংক, ব্রি ট্যাক্সি রেংঙ্ক, হিলব্রো, নিউটাউনসহ ফৌজবাগ মেফেয়ারের আশপাশের সকল শহরগুলোর মধ্যে জুইলিস মালভেন,তারপনটিন, রেন্ডপনটিন, প্রিমরোজ, পুস্তুরাজ, থেমবিছা, আলেকজান্ডার ,জার্মিস্টন, রজেটন বিল, নিউক্যাসেল বাংলাদেশিসহ অসংখ্য অভিবাসীদের ৫ শতাধিকের অধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দিনভর হামলা ,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকরা। স্থানীয় প্রবাসী ব্যবসায়ীরা বারবার পুলিশের সহযোগিতার জন্য স্থানীয় থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশের উল্লেখযোগ্য কোন সহযোগিতা পায়নি । ফলে হামলাকারিরা আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রবাসী সহ গণমাধ্যমগুলো। এ দিকে জোহানসবার্গ শহরের আশপাশের সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল । গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে মালভেনের জুলিস অ্যাস্টেটে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকরা নারকীয় তান্ডব চালিয়ে প্রায় শতাধিক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ শো-রুমে থাকা প্রায় শতাধিক গাড়ী পুড়িয়ে দিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে, সেন্ট্রাল সুপার সেইব, ডুরসাম , ফাতেমা ক্যাশ এন্ড ক্যারি, লো কষ্ট,বাই রাইট, বিসমিল্লাহ সুপার মার্কেট, ডি কে সুপার মার্কেট,এলডি শপ, বিগ সেইপ সুপার স্টোর, কেএনএল সুপার মার্কেট। ইতিমধ্যে প্রিটোরিয়া শহর ও তার আশপাশের এলাকায় হামলা ও লুটপাট চলছে। স্থানীয় অভিবাসীরা আশংকা
করছেএ হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে । অপরদিকে আন্তর্জাতিক তেল এবং গ্যাস সরবরাহ কোম্পানি টোটাল এক নোটিশের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য তাদের সেবা বন্ধ করে দিয়েছে। বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের জন্য বিশ্বের কাছে
নন্দিত দেশটি অভিবাসী বিরোধী আন্দোলনের কারণে নিন্দিত হচ্ছে। জেনোপোবিয়া দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পর্যটন নির্ভর দেশটি জেনোফোবিক আক্রমনের কারনে হারাতে বসেছে বিশ্বের হাজারো পর্যটকদের। আজকের স্থানীয় একটি চ্যানেলে,এসএবিসি টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্যটন সংস্থাগুলো বলছে চলমান সহিংসতার কারণে হাজারো পর্যটক তাদের হোটেল বুকিং বাতিল করেছে। এয়ারলাইনস গুলো বলছে, প্রচুর সংখ্যক যাত্রী তাদের টিকেট রিফান্ড করেছে। হুমকি দেয়া হয়েছে আফ্রিকা ইউনিয়ন থেকে। প্রতিবাদ, ধিক্কার জানাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। চলমান পরিস্থিতির শুধু নিন্দা জানিয়ে ক্ষান্ত হননি নাইজেরিরার প্রেসিডেন্ট। এসেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। যদিও এই সফরে জেনোফোবিয়া নিয়ে তিনি কি বলেছেন তা পরিস্কার করেনি এখানকার মিডিয়াগুলো। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়ংকর তান্ডবে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি ও ইকোনমিক ফ্রিডম ফাইটার (ইএফএফ) চলমান ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন জায়গায় অভিবাসীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাব্বির আহমেদ চৌধুরীর প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সর্তক থাকতে বলেছেন। এবং স্থানীয় পুলিশের সাথে সহযোগিতা করতে বলছেন । যখনই কোন ঘটনা ঘটে তা সাথে সাথে দূতাবাসে জানাতে বলেছেন রাষ্ট্রদূত। ক্ষতিগ্রস্থ বাংলাদেশিদের সহায়তারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে গোটা দক্ষিণ আফ্রিকায় থম থম অবস্থা বিরাজ করছে।

৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস : কলকাতায় বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
                                  

কলকাতা থেকে, দিশা বিশ্বাস :
গত ১৫ আগস্ট ছিল বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস। কলকাতায় দিনটি উদযাপিত হয়েছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। এদিন সকাল ৮ টায় বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত কলকাতার ৮ স্মিথ লেনের সরকারি বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। মাল্যদান করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান সহ উপহাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কলকাতার বিশিস্টজনেরা । একই সঙ্গে বেকার হোস্টেলের এই স্মৃতিবাহী কক্ষের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যেও মাল্যদান করা হয়। কলকাতাস্থ সোনালী ব্যাংক, বিমান বাংলাদেশ সহ কলকাতার কয়েকটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও মাল্যদান করা হয় বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে। আরও মাল্যদান করেন বাংলাদেশের বিশিস্ট অর্থনীতিবিদ ও
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আতিউর রহমান, বাংলাদেশের সাংসদ অ্যারোমা দত্ত প্রমুখ। এরপর এখানে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর নিহত পরিবারবর্গের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা ঘুরে দেখেন বঙ্গবন্ধুর কক্ষ। এরআগে সকালে কলকাতা উপহাইকমিশনে অর্ধনমিত ভাবে উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা। এসময় রাস্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রী ও পররাস্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। সকাল ১০টায় উপহাইকমিশনে আয়োজন করা হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির। এখানে কলকাতাস্থ ডেপুটি হাইকমিশনের কর্মকর্তা, কর্মচারী সহ কলকাতায় পাঠরত বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীরা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। ছিলেন এঁদের মধ্যে উপহাইকমিশনের হেড অফ চ্যান্সারী জিএম জামাল হোসেন, কাউন্সিলর (কনসুলার) মো: বসির উদ্দিন, প্রথম সচিব (প্রেস) মো: মোফাকখারুল ইকবাল প্রমুখ। বিকেল ৬টায় কলকাতার কলামন্দিরের কলাকুঞ্জ সভাগৃহে ’জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ ’

শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় । আলোচনা সভায় অংশ নেবেন বাংলাদেশের বিশিস্ট অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আতিউর রহমান, পশ্চিমবঙ্গের বিশিস্ট রাজনীতিবিদ আমজাদ আলি সহ বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিশিস্টজনেরা।
প্রসঙ্গত, ১৯১০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় এই বেকার হোস্টেল। এটি সরকারি ছাত্রাবাস। বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ডিগ্রি পড়ার সময় এই বেকার হোস্টেলে ছিলেন ১৯৪২-৪৭ সাল। ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে তিনি ১৯৪২ সালে ভর্তি হয়েছিলেন এই ইসলামিয়া কলেজে। ছিলেন ২৪ নম্বর কক্ষে। সেদিনকার এই ইসলামিয়া কলেজের নাম পরিবর্তণ করে এখন নামকরণ করা হয়েছে মৌলানা আজাদ কলেজ। ১৯৪৬ সালে বঙ্গবন্ধু ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এই ইসলামিয়া কলেজ থেকে রাস্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাসে স্œাতক হয়েছিলেন। ১৯৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে বেকার হোস্টেলের ২৩ ও ২৪ নম্বর কক্ষ নিয়ে গড়া হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কক্ষ। এই স্মৃতি কক্ষে এখনও রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, টেবিল এবং আলমারি। তৎকালিন বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালিন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতিবসু ২৪ নম্বরের পাশের ২৩ নম্বর কক্ষটিকে যুক্ত করে স্মৃতি কক্ষ গড়ার উদ্যোগ নেন। সেই হিসাবে ১৯৯৮ সালের ৩১ জুলাই বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালিন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক সত্যসাধন চক্রবর্তী। এই বেকার হোস্টেলে ২০১১সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথম বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছিল । সেই ভাস্কর্য উন্মোচন করেছিলেন তৎকালিন বাংলাদেশের পররাস্ট্রমন্ত্রী দীপুমনি। কিন্তু সেই ভাস্কর্যে বঙ্গবন্ধুর মুখমন্ডল যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেননি কলকাতার সেই ভাস্কর। এ নিয়ে পরবর্তীতে বারবার আপত্তি ওঠার পর এবার সেখানে বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত অবয়ব ফুটিয়ে তুলে নতুন একটি ভাস্কর্য স্থাপনের উদ্যোগ নেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লীউন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম। তাঁরই উদ্যোগে এবং প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এখানে পুরনো ভাস্কর্যকে সরিয়ে নতুন ভাস্কর্য স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর নতুন একটি ভাস্কর্য ঢাকা থেকে এনে ৩ আগস্ট তা স্থাপন করা করা হয়। এই ভাস্কর্যের আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম।

মুক্তি পেলেন মিয়ানমারে সাজাপ্রাপ্ত রয়টার্সের দুই সাংবাদিক
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ৫০০ দিন কারাভোগের পর, অবশেষে মুক্তি পেলেন মিয়ানমারে সাজাপ্রাপ্ত রয়টার্সের আলোচিত দুই সাংবাদিক। গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পেয়েছেন তারা।

ওয়া লোন ও চ্যাও সো উ’র বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ ছিলো। গেলো সেপ্টেম্বরে তাদের ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেন ইয়াঙ্গুন আদালত। ঐ রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতেও আপিল করা হয়। সংবাদকর্মীদের সাজার সমালোচনা করে জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তাদের মুক্তির জন্য সু চি প্রশাসনকে চাপ দিয়ে যাচ্ছিলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি দেশ। রাখাইনে, রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ বিষয়ক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সময়, ২০১৭ সালে আটক হন সাংবাদিক ওয়া লোন ও চ্যাও সো উ।

 
 
ভারতে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ চলছে
                                  

ভারতে সোমবার লোকসভার চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এই পর্বে ৯ রাজ্যের মোট ৭১টি এবং জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ আসনের একাংশের ভোটগ্রহণ ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন।

এই দফায় মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ১৭টি আসনে ভোট নেয়া হচ্ছে। আসনের হিসেবে এরপরই রয়েছে রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশে ১৩টি করে। এদিকে আজ সোমবারই শেষ হচ্ছে মহারাষ্ট্রের সব আসনের ভোটগ্রহণ।

চতুর্থ দফায় পুরো দেশজুড়ে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন ভোটাররা। বিহারের বেগুসরাই কেন্দ্রে এবারই প্রথম প্রার্থী হয়েছেন কানহাইয়া কুমার। উত্তরপ্রদেশের ফারুকাবাদ কেন্দ্রের দুইবারের সাংসদ সালমান খুরশিদ এবারও কংগ্রেসের প্রার্থী। মুম্বাই উত্তর কেন্দ্রের প্রার্থী উর্মিলা মাতন্ডকার, অনন্তনাগ কেন্দ্রের পিডিপি প্রার্থী তথা জম্মু কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি, কংগ্রেসের মিলিন্দ দেওরা, সমাজবাদী পার্টির ডিম্পল যাদবের মতো হেভিওয়েটদের পরীক্ষাও আজ।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই দফায় মোট ভোটার প্রায় ১২ কোটি ৭৯ লাখ। তার বিপরীতে প্রার্থীর সংখ্যা ৯৪৫। ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, এই দফায় যে ৭১টি (অনন্তনাগ বাদ দিলে) আসনের ভোটগ্রহণ হচ্ছে, তার মধ্যে বিজেপির দখলে ছিল ৫৬টি আসন। কংগ্রেস জিতেছিল দুটিতে। বাকি আসনগুলো ছিল তৃণমূল কংগ্রেস, বিজু জনতা দলগুলোর মতো আঞ্চলিক দলগুলোর দখলে। তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা।

 

বাংলাদেশে হামলার পরিকল্পনা করছে আইএস!
                                  

বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গে হামলার পরিকল্পনা করছে ইসলামিক স্টেট বা আইএস! ইসলামিক স্টেটকে সমর্থনকারী একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া একটি পোস্টার এমনই ইঙ্গিত করছে। ওই পোস্টারে বাংলায় লেখা, `শীঘ্রই আসছি, ইনশাল্লাহ..। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে এই পোস্টারটি প্রকাশ করা হয়। মুরসালাত নামে আইসিস-এর একটি শাখা সংগঠনের লোগোও রয়েছে পোস্টারের গায়ে। শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ হামলার পর ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এই পোস্টারটিকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডেতে চার্চ ও অভিজাত হোটেলে ভয়াবহ সিরিজ হামলায় ‘প্রায় ২৫৩ জন’ নিহত হন। এছাড়া হামলায় পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন।

ইতিমধ্যে এ হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটির পুলিশ ৭০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে খবরে বলা হয়েছে। এ হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস।

ভারতের লোকসভা নির্বাচন : জনমত সমীক্ষা: বালাকোটে লাভ হচ্ছেনা মোদির: বিজেপি জোট সংসদে একক সংখ্যা গরিস্টতা পাচ্ছেনা ?
                                  

দিশা বিশ্বাস, কলকাতা থেকে
ভারতের লোকসভা নির্বাচন দ্বারপ্রান্তে। ইতিমধ্যে ঘোষিত হয়েছে নির্বাচনের তফসিল। শুরু হচ্ছে ভারতের ৫৪৩ আসনের লোকসভা নির্বাচন ১১ এপ্রিল থেকে। চলবে ৭ দফায় ১৯ মে পর্যন্ত।
এদিকে এই নির্বাচনের প্রাক্কালে সম্প্রতি এবিপি নিউজ ও সি-ভোটার’এর এক সমীক্ষায়বলা হয়েছে , এবারের নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ একক সংখ্যা গরিস্টতা পাচ্ছেনা। ঘাটতি থাকছে কিছু আসন। তবে সরকার গড়ার সুযোগ থাকছে এই এনডিএ’রই। তবে একথাও বলা হয়েছে বালাকোট জঙ্গি হামলা ইস্যু তেমন একটা সুযোগ করে দিচ্ছেনা বিজেপিকে। তবে কিছু আসন বাড়িয়ে দেবে।
প্রকাশিত এই সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৫৪৩ আসনের লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেতে পারে ২৬৪টি আসন। অথচ সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। এবিপি নিউ ও সি-ভোটার দেশের ৫১ হাজার ভোটারের সঙ্গে কথা বলে এই সমীক্ষা রিপোর্ট তৈরি করেছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিজেপি এককভাবে পেতে পারে ২২০টি আসন। অন্যদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ পেতে পারে ১৪১টি আসন। পাশাপাশি মমতা, চন্দ্রবাবু নাইডু,অখিলেশ যাদব, মায়াবতী, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল সহ তাদের জোটে থাকা ২৩ টি দল পেতে পারে ১৩৮টি আসন। ফলে এই তিনটি জোটের কারও পক্ষে এই মুহূর্তে সরকার গড়ার প্রয়োজনীয় আসন না থাকলেও জোট করে সরকার গড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ’রই।
এদিকে সংবাদ সংস্থা আইএএনএস’এর তরফে সি-ভোটার’এর করা আর এক সমীক্ষায় গতকালই বলা হয়েছে , যদি উত্তর প্রদেশে বিরোধিদের মহাজোট ভেঙ্গে যায়, তবে এনডিএ’র আসন সংখ্যা বেড়ে ৩০৭ পৌঁছতে পারে। ইউপিএ পেতে পারে ১৩৯টি আর অন্যান্যরা পেতে পারে ৯৭টি আসন। আর বিজেপি এককভাবে পেতে পারে ২২০টি আসন। উত্তর প্রদেশে যদি মহাজোট সফল হয়, তবে বিজেপির আসন সংখ্যা কমে দাড়াবে ২৯। এই রাজ্যে রয়েছে লোকসভার ৮০টি আসন। আর যদি মহাজোট ভেঙ্গে যায় তবে বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ৭২টি আসন।
তবে ভারতের জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজ্য মহারাস্ট্রের মারাঠি ভাষার জি-গ্রুপের সংবাদ চ্যানেল ’জি-২৪ তাস’ তাদের এক সমীক্ষা রিপের্টে বলেছে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট বা এনডিএ এবার এককভাবে সরকার গড়তে পারছেনা। তবে তারা এককভাবে আসন সংখ্যায় শীর্ষে থাকবে। সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৫৪৩ আসনের লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ বা জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট এ বার পেতে পারে ২৬৪টি আসন। অথচ সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন।
সমীক্ষা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ বা সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট এবার পেতে পারে ১৬৫টি আসন। পক্ষান্তরে মমতার ইউনাইটেড ইন্ডিয়া এবং তাদের শরিক বহুজন সমাজপার্টি, সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, তেলেগু দেশম সহ ২৩ জোট সঙ্গীরা পেতে পারে ১১৪টি আসন।
পাশাপাশি এই সমীক্ষা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে মহারাস্ট্রের ৪৮টি লোকসভার আসনের মধ্যে বিজেপি-শিবসেনা জোট পেতে পারে ৩০টি আসন। অন্যদিকে ভারতের সবথেকে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশের লোকসভার ৮০টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ৫০টি আসন আর সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজপার্টির জোট পেতে পারে ২৫টি আসন।
সমীক্ষা রিপোর্টে একথাও বলা হয়েছে, পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা এবং পরবর্তীতে এয়ার স্ট্রাইকের পর বিজেপির জনসমর্থণ কিছুটা বেড়েছে।


   Page 1 of 4
     আন্তর্জাতিক
কলকাতায় বইমেলা উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী : বাংলাদেশের ৮০টি প্রকাশনীর অংশগ্রহন
.............................................................................................
দিল্লিতে কারখানায় আগুন, নিহত ৪৩
.............................................................................................
ভারী বর্ষণে প্রাচীর ধস, চাপা পড়ে নিহত ১৫
.............................................................................................
মানবাধিকার খবরের উপদেষ্টা হলেন ভারতের রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য
.............................................................................................
এনআরসি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনাকে মোদি বাংলাদেশের শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই
.............................................................................................
কথা দিচ্ছি পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হবে না : মমতা
.............................................................................................
মানবাধিকার খবরের সার্বিক সহযোগিতা ভারতীয় স্কুল ছাত্রী দুইমাস পর আসাম থেকে উদ্ধার
.............................................................................................
জম্মু-কাশ্মীর পর্যটকদের জন্য খুলে গেল
.............................................................................................
মেয়রকে গাড়ির সঙ্গে দড়ি বেঁধে ঘুরালেন কৃষকরা
.............................................................................................
৫ বাংলাদেশি গ্রেফতার, অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা
.............................................................................................
দক্ষিণ আফ্রিকায় নারকীয় তান্ডব: আতঙ্কে বাংলাদেশিরা
.............................................................................................
৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস : কলকাতায় বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
.............................................................................................
মুক্তি পেলেন মিয়ানমারে সাজাপ্রাপ্ত রয়টার্সের দুই সাংবাদিক
.............................................................................................
ভারতে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ চলছে
.............................................................................................
বাংলাদেশে হামলার পরিকল্পনা করছে আইএস!
.............................................................................................
ভারতের লোকসভা নির্বাচন : জনমত সমীক্ষা: বালাকোটে লাভ হচ্ছেনা মোদির: বিজেপি জোট সংসদে একক সংখ্যা গরিস্টতা পাচ্ছেনা ?
.............................................................................................
বেঁচে থাকার তীব্র আকুতি জানিয়েছিলেন সাংবাদিক খাশোগি
.............................................................................................
আমাদের ৭১ ও শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী
.............................................................................................
শান্তিনিকেতনের এক মঞ্চে হাসিনা-মোদি-মমতা সবার কন্ঠে মৈত্রী বন্ধন দৃঢ় করার ডাক
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক কারাগারে এক বাংলাদেশি বন্দির মৃত্যুর চার বছর পর পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশন খুনের মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে
.............................................................................................
ভারত-বাংলাদেশে সন্তানহীন দম্পতিদের সংখ্যা বাড়ছে উন্নত হচ্ছে সন্তানলাভের চিকিৎসা
.............................................................................................
কলকাতায় বিজয় দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে
.............................................................................................
মিয়ানমারে পরিকল্পিত ধর্ষণের শিকার রোহিঙ্গা নারীরা
.............................................................................................
বিহারে নতুন ফরমান বিয়েতে পণ নিলে চাকরি যাবে সরকারি কর্মচারিদের
.............................................................................................
সু চিকে রোহিঙ্গা তরুণের খোলাচিঠি চোখের জলে লিখে গেলাম আপনার ভবিষ্যৎ
.............................................................................................
ভারতে জাতীয় খাবারের তকমা পেতে চলেছে খিচুরি
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গ’র নাম বদলে হচ্ছে ’বাংলা’
.............................................................................................
মন্ত্রীর ঘুম, মমতার শাসানি এবং ছোট চোখের গল্প
.............................................................................................
মদ্যপ পিতা সন্তান বিক্রি করে কিনলেন মোবাইল!
.............................................................................................
মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম গনহত্যার প্রতিবাদে কলকাতায় লক্ষাধিক মানুষের প্রতিবাদ মিছিল
.............................................................................................
ত্রিপুরায় বৃষ্টিতে বিলিন হলো দুর্গাপূজার আনন্দ
.............................................................................................
কলকাতার ঐতিহ্যের দুর্গা পূজো
.............................................................................................
কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনের প্রতিষ্ঠা দিবস
.............................................................................................
হাসিনা-মোদি শীর্ষ বৈঠকে ২২ চুক্তি-সমঝোতা স্মারক সই
.............................................................................................
বাংলাদেশকে সতর্ক করলো মিয়ানমার
.............................................................................................
ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনের নিন্দায় জাতিসংঘ
.............................................................................................
আফ্রিকার দ্বীপ রাষ্ট্র মাদাগাস্কারে ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ৩৮, ঘরছাড়া ৫৩ হাজার
.............................................................................................
বিশ্বের ধনী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
নারী দিবসে বদলে গেল ট্রাফিক সিগনালের প্রতীক
.............................................................................................
সৌদিতে বিদেশি শ্রমিকরা বছর শেষে দুই মাসের অতিরিক্ত বেতন পাবে!
.............................................................................................
‘যুক্তরাষ্ট্রে কিছু হলে ওই সব বিচারক ও বিচারব্যবস্থা দায়ী থাকবে ’
.............................................................................................
ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ আজ
.............................................................................................
জাতিসংঘের দূতকে রোহিঙ্গাদের প্রদেশে ঢুকতে বাধা
.............................................................................................
মিশেলের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন ওবামা
.............................................................................................
ভারতের মুম্বাই থেকে বাংলাদেশে ফিরছে পাচার হওয়া ১২ নারী
.............................................................................................
৬০ কোটি ডলারে ভারী ‍অস্ত্র কিনছে ভারত
.............................................................................................
১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস, মহান বিজয়ের মাসে শপথ হোক মানবাধিকার সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ার
.............................................................................................
১০ টাকা কেজির চাল নিয়ে চালবাজি হতদরিদ্রের অধিকার বাস্তবায়ন হোক
.............................................................................................
মেরুদন্ড শক্ত করে দুর্বলদের পাশে দাঁড়ান
.............................................................................................
ঈদ হোক মানবতার কল্যাণে সুখের বারতা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

Editor & Publisher: Rtn. Md Reaz Uddin
Corporate Office
53,Modern mansion(8th floor),Motijheel C/A, Dhaka
E-mail:manabadhikarkhabar34@gmail.com,manabadhikarkhabar34@yahoo.com,
Tel:+88-02-9585139
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-9585140
    2015 @ All Right Reserved By manabadhikarkhabar.com    সম্পাদকীয়    Adviser List

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]