| বাংলার জন্য ক্লিক করুন

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ভিপি নুরকে ‘নূরাহম্বক’ বললেন গোলাম রাব্বানী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুরকে ‘নূরাহম্বক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। বুধবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে তার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এমন শব্দ ব্যবহার করেন।

তার দেয়া স্ট্যাটাসে ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন’কেও ব্যঙ্গ করে ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’ লিখেছেন। গোলাম রাব্বানীর দেয়া ওই স্ট্যাটাসে ইতোমধ্যে (১৯ ঘণ্টায়) পক্ষে-বিপক্ষে সাড়ে ৮ হাজার লাইক এবং ১৭শ’ কমেন্টস পড়েছে। একই সঙ্গে স্ট্যাটাসটি শেয়ার হয়েছে প্রায় আড়াই শতাধিক।

স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

“ধরুন, ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’ নামক তথাকথিত নিরপেক্ষ প্লাটফর্ম, যার সদস্যগণ সকল অসংগতি, অন্যায়, অনাচারের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার। এখন, জনৈক নূরাহম্বক মিয়া উক্ত সংগঠনে যোগদান পূর্বক সকল কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ করিয়া একটি পদ বাগাইয়া লইলেন। একদা ব্যক্তিগত বদখাসলত আর রিপুর তাড়নায় পড়িয়া রাস্তায় জনৈক রমনীকে ইভ টিজিং করিয়া বসিলেন। অতঃপর, পাবলিক গণধোলাই দিয়া পুলিশে সোপর্দ করিলো।

এরপর যদি সকল গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয়, ‘ইভটিজিং করে গণধোলাই খাইলেন গোটা সংস্কার আন্দোলনের অমুক। অথবা, বড় করে হেডলাইন হলো, ইভটিজারের সংগঠন ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’/ ইভটিজারের আখড়া গোটা সংস্কার আন্দোলন!

এহেন অপকর্মের দায়ে যদি নূরাহম্বক মিয়াকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়, তার শাস্তি নিশ্চিত করতে নিজ সংগঠনের সদস্যরাই আওয়াজ তোলে, দলের পক্ষ থেকে এহেন অন্যায়কে নূন্যতম প্রশ্রয় দেয়া না হয় তবে ব্যক্তি নূরাহম্বকের অপকর্মের দায় পুরো সংগঠনের উপর কতটুকু বর্তায়? কেন একজন নূরাহম্বকের জন্য হাজারো ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’ কর্মী ইভিটিজার আখ্যা পাবে, মানুষের গালী খাবে??

ইভটিজিংকে বিন্দুমাত্র সমর্থন না দেয়া সংগঠনটির বিরোধী গোষ্ঠী যদি সব জেনে বুঝেও একজন নূরাহম্বকের অপকর্মকে পুঁজি করে রাজনৈতিক স্বার্থে যদি স্লোগান ধরে, ‘ইভটিজারের পাহাড়াদার, গোটা আন্দোলন বাংলা ছাড়!’, তাহলে বুঝতে হবে, উহাদের চুলকানির সাবজেক্ট ম্যাটার, ইভটিজিং বা নূরাহম্বক নয়, স্বয়ং গোটা সংস্কার আন্দোলন!”

ভিপি নুরকে ‘নূরাহম্বক’ বললেন গোলাম রাব্বানী
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুরকে ‘নূরাহম্বক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। বুধবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে তার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এমন শব্দ ব্যবহার করেন।

তার দেয়া স্ট্যাটাসে ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন’কেও ব্যঙ্গ করে ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’ লিখেছেন। গোলাম রাব্বানীর দেয়া ওই স্ট্যাটাসে ইতোমধ্যে (১৯ ঘণ্টায়) পক্ষে-বিপক্ষে সাড়ে ৮ হাজার লাইক এবং ১৭শ’ কমেন্টস পড়েছে। একই সঙ্গে স্ট্যাটাসটি শেয়ার হয়েছে প্রায় আড়াই শতাধিক।

স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

“ধরুন, ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’ নামক তথাকথিত নিরপেক্ষ প্লাটফর্ম, যার সদস্যগণ সকল অসংগতি, অন্যায়, অনাচারের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার। এখন, জনৈক নূরাহম্বক মিয়া উক্ত সংগঠনে যোগদান পূর্বক সকল কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ করিয়া একটি পদ বাগাইয়া লইলেন। একদা ব্যক্তিগত বদখাসলত আর রিপুর তাড়নায় পড়িয়া রাস্তায় জনৈক রমনীকে ইভ টিজিং করিয়া বসিলেন। অতঃপর, পাবলিক গণধোলাই দিয়া পুলিশে সোপর্দ করিলো।

এরপর যদি সকল গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয়, ‘ইভটিজিং করে গণধোলাই খাইলেন গোটা সংস্কার আন্দোলনের অমুক। অথবা, বড় করে হেডলাইন হলো, ইভটিজারের সংগঠন ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’/ ইভটিজারের আখড়া গোটা সংস্কার আন্দোলন!

এহেন অপকর্মের দায়ে যদি নূরাহম্বক মিয়াকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়, তার শাস্তি নিশ্চিত করতে নিজ সংগঠনের সদস্যরাই আওয়াজ তোলে, দলের পক্ষ থেকে এহেন অন্যায়কে নূন্যতম প্রশ্রয় দেয়া না হয় তবে ব্যক্তি নূরাহম্বকের অপকর্মের দায় পুরো সংগঠনের উপর কতটুকু বর্তায়? কেন একজন নূরাহম্বকের জন্য হাজারো ‘গোটা সংস্কার আন্দোলন’ কর্মী ইভিটিজার আখ্যা পাবে, মানুষের গালী খাবে??

ইভটিজিংকে বিন্দুমাত্র সমর্থন না দেয়া সংগঠনটির বিরোধী গোষ্ঠী যদি সব জেনে বুঝেও একজন নূরাহম্বকের অপকর্মকে পুঁজি করে রাজনৈতিক স্বার্থে যদি স্লোগান ধরে, ‘ইভটিজারের পাহাড়াদার, গোটা আন্দোলন বাংলা ছাড়!’, তাহলে বুঝতে হবে, উহাদের চুলকানির সাবজেক্ট ম্যাটার, ইভটিজিং বা নূরাহম্বক নয়, স্বয়ং গোটা সংস্কার আন্দোলন!”

খুশি করতে ভারতকে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয়া হয়েছে
                                  

ভারতকে খুশি করতে বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা বিকিয়ে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

বৃহস্পতিবার সকালে নয়াপল্টনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি নাইট এঙ্গেল মোড় হয়ে আবার বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন রিজভী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘ভারতকে খুশি করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়েছেন। দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন। দেশের গণতন্ত্র স্থায়ীভাবে ধ্বংস করতে বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। কারণ খালেদা জিয়া কারাগারে থাকলে ফেনী নদীর পানি ভারতকে দেয়া যাবে, সীমান্তে হত্যা অব্যাহত রাখা যাবে। কোনো টু শব্দ হবে না, প্রতিবাদ হবে না।’

সরকারের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, ‘আর না, অনেক হয়েছে, এবার খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। তিনি মুক্ত হবেন, তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। ’

দেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করে দেবে এটা কখনও হতে পারে না- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘মানুষ জানে আপনি তিস্তার পানির জন্য কথা বলবেন, তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আনবেন। কিন্তু তা না এনে ফেনী নদীর পানি দিয়ে দিলেন। এক ফোঁটা পানিও আনতে পারেন নাই। দেশ বিরোধী চুক্তি করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে হত্যা বন্ধে, ভারতের এনআরসি নিয়ে কোনো প্রতিবাদ করতে পারেননি, কোনো কথা বলতে পারেননি। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) এত ক্রীতদাস কেন? আপনি এত নতজানু কেন?’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, ‘আমরা এতদিন দেখলাম আপনি শুধু দিয়েই দিলেন। আপনি কিছু নিতে পারেননি। আপনি বলেছেন, ভারতকে এত দিলাম তারা মনে রাখবে। আপনি শুধু তাদেরকে মনে রাখার জন্য দিলেন, জনগণের জন্য কী আনলেন? কিছুই আনতে পারেননি।’

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, সাইফুর রহমান মিহির, কোষাধ্যক্ষ আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউর রহমান ফাহিম, দফতর সম্পাদক এ বি এম এ রাজ্জাক, বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন ভুইয়া, এল রহমান, শাহ আলম, মো. সাজ্জাদ, আব্দুল আউয়াল, আক্তার হোসেন জিল্লু, আমান উল্লাহ মেম্বার, সোহরাফ হোসেন স্বপন, হারুন অর রশীদ খোকন, জহিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাচ্চু, আকরাম বাবু, বুলবুল মল্লিক, মোহাম্মদ আলী, মাহাবুব আলম ভুইয়া শাহীন, আবদুল কাদের বাবু, প্রমুখ মিছিলে অংশ নেন।

আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
                                  
               আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
 
আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানী ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকাল ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান  শেখ হাসিনা। পরে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ সময় সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এর পর শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা অবমুক্ত করার পাশাপাশি বেলুন ওড়ানো হয়।

পরে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাই হয়েছিল নিপীড়ন রোধ করতে। আওয়ামী লীগই দেশকে আর্থ-সামাজিকভাবে এগিয়ে নিচ্ছে।  ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাও আওয়ামী লীগই প্রতিষ্ঠা করবে।।’

দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

 

 

 
১৫ মে দেশে ফিরছেন ওবায়দুল কাদের
                                  

অনলাাইন ডেস্ক: সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে আগামী ১৫মে (বুধবার) দেশে ফিরছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ রবিবার সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সেতু বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ।

 তিনি বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নম্বর বিজি ০৮৫ এ করে ১৫ মে সম্ভাব্য বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি অবতরণ করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ হঠাৎ অসুস্থ হলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। পরে তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এরপরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৪ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে এক মাস চিকিৎসা শেষে গত ৫ এপ্রিল সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান তিনি। বর্তমানে  ওই হাসপাতালের কাছেই ভাড়া বাসায় থাকছেন তিনি।

বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক :
তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া, তাদের সঙ্গে জোট ও সরকার গঠন করায় জামায়াতের পাশাপাশি বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় জাদুঘরের মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন।
মাহমুদ বলেন, জামায়াতে ইসলামী দলগতভাবে ক্ষমা চাইলেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ ও নারী নির্যাতন থেকে দায়মুক্তি পেতে পারে না। দায়মুক্তি পাবেও না। তারা এত দিন ধরে বাংলাদেশে যে রাজনীতি করেছে, তাদের নিয়ে রাজনৈতিক জোট গঠন করে একসঙ্গে নির্বাচন করা ও সরকার গঠন করার জন্য বিএনপিও একই অপরাধে অপরাধী। বিএনপিও দায়মুক্তি পেতে পারে না। জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, কয়েক দিন ধরে দেখা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর ভেতর থেকে দাবি উঠেছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য। তাদের কয়েকজন নেতা ঘোষণা দিয়েছেন পদত্যাগ করার। এই পদত্যাগের ঘোষণা বা তাঁদের মধ্য থেকে ক্ষমা চাওয়ার যে কথাবার্তা বলা হচ্ছে, এগুলো দেশ-বিদেশে চাপমুক্ত হওয়ার একটি কৌশল। আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আজকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, পৃথিবীর সব দেশ সে কারণে বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আজকে শেখ হাসিনার কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলতে বাধ্য হন, বাংলাদেশ সব সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে গেছে। অথচ একটি পক্ষ, দেশের কিছু রাজনৈতিক দল, দেশের অগ্রযাত্রাকে টেনে ধরার চেষ্টা করছে এবং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। যারা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রুখে দিতে চায়, তারা নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার হাত ধরেই বন্দী গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে। তাঁর হাত ধরেই দেশের মানুষ ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। তাঁর হাত ধরেই মুক্তচিন্তা মুক্তি পেয়েছে। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশের অগ্রগতি। শেখ হাসিনা শুধু অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক নন, মানবতার প্রতীক। তিনি ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সহসভাপতি দিলীপ কুমার রায়, প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন, ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা’ বইয়ের লেখক সুজন হালদার প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
অন্যদিকে গণতন্ত্র হাইজ্যাককারী ও অগ্নি সন্ত্রাসীর দল বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে ড. কামাল হোসেন গণতন্ত্র রক্ষার কথা বলছেন, যা অত্যন্ত হাস্যকর ও জনগণের সঙ্গে ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন, গত ২ মার্চ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের নতুন ঘোষিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বরের আগে জনগণের হাতে ক্ষমতা ছিল, ৩০ ডিসেম্বরের পরে ক্ষমতা ছিনতাই হয়েছে’- এ বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকারান্তরে ড. কামাল হোসেন স্বীকার করে নিয়েছেন যে দেশের ক্ষমতা জনগণের হাতেই রয়েছে। কারণ ৩০ ডিসেম্বরের আগে যেহেতু শেখ হাসিনা দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আবারো প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এতেই প্রমাণিত হয় দেশের ক্ষমতা আগেও জনগণের হাতে ছিল, এখনো আছে এবং জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে শেখ হাসিনার হাতে আবারো দেশ পরিচালনার ভার তুলে দিয়েছেন। বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ৩০ ডিসেম্বর জনগণ ভোটের মাধ্যমে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টকে প্রত্যাখ্যান করে কষে চপেটাঘাত করেছিল।
ঢাকা সিটি নির্বাচনে এলে আবারো জনগণের চপেটাঘাত খেতে হবে এ ভয়েই তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বিশ্বের যে কোনো স্থানীয় উপ-নির্বাচনের মানদ-ে অত্যন্ত সন্তোষজনক হয়েছে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তিনদিনের সরকারি ছুটি, বৈরি আবহাওয়া ও নির্বাচনে কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্ধী না থাকার পরেও যে ৩১ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে তা অত্যন্ত সন্তোষজনক।
সর্ব-ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমানের সঞ্চাচলনায় এবং সভাপতি এম নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি, বেলজিয়া, জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি দেশের আওয়ামী লীগের নেতারা।

ইউপি সদস্যের ৬ মাসের কারাদন্ড
                                  

॥ এস এম সামছুর রহমান, বাগেরহাট ॥
বাগেরহাটের কচুয়া মোসাঃ সেতারা বেগম ওরফে নাজমা শিকদার নামের এক সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যকে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সময় আদালত তাকে ২লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। বাগেরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ মোঃ জাকারিয়া হোসেন এই আদেশ প্রদান করেন।  মোসাঃ সেতারা বেগম কচুয়া উপজেলার  গোপালপুর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬  ওয়ার্ডের সদস্য এবং  বক্তারকাঠি গ্রামের মৃত ফজলু শিকদারের মেয়ে। রায় ঘোষনার সময় মামলার একমাত্র আসামী সেতারা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মামলার বিবরনে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার ইউপি সদস্য সেতারা বেগম বক্তারকাঠি গ্রামের আমজাদ হোসেন শেখের ছেলে মোঃ চাঁন শেখ ওরফে ইদ্রিস আলীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ী করার জন্য ইট, বালী, রড, সিমেন্ট বাকীতে ক্রয় করেন। এসময়ে সেতারা বেগম ব্যবসায়ী চাঁনকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাধাল বাজার শাখার ২লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি  চেক দেন। পরে ওই টাকা দিতে অস্বীকার করায় প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ চাঁন শেখ ওরফে ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত এ রায়  দেন। বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি সাহা অসীম কুমার ও আসামী পক্ষে আইনজীবি ছিলেন শহিদুল ইসলাম বিপ্লব।




টাঙ্গাইল -৩ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর ড. অধীর চন্দ্র সরকার
                                  

॥ এস কে সরকার, টাঙ্গাইল ॥
আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামীলীগের  মনোনয়ন  পেতে ব্যাপক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, বাংলাদেশে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কেন্দ্র্র্র্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি,বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা,  সমৃদ্ধ ঘাটাইল, ঢাকা এর  আহবায়ক, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা  পরিষদের কেন্দ্রীয়  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, টাঙ্গাইল ফাইন্ডেশন, ঢাকার কেন্দ্রীয় নির্বাহী  সদস্য,
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ   প্রফেসর ড. অধীর চন্দ্র সরকার এখন ব্যাপক আলোচনায়। দলীয় ও স্থানীয় সূত্রমতে, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে এবার পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। আর জনমুখী নানা ইতিবাচক কর্মকা- আর সুখে-দুঃখে সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকা প্রফেসর ড. অধীর চন্দ্র সরকার দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে এগিয়ে আছেন। আগামী জাতীয় সংসদ  নির্বাচনে এই আসনে তিনিই নৌকা  প্রতীকের লড়বেন এটা প্রায় নিশ্চিত। তাই সুখে-দুঃখে জনতার পাশে থাকা দলীয় কর্মকা- ও আন্দোলনে অন্যতম সাহসী ভূমিকা পালনকারী প্রফেসর ড.অধীর চন্দ্র সরকার কে নিয়ে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের দলীয় নেতাকর্মীরা স্বপ দেখতে শুরু করেছেন। বিভিন্ন ইতিবাচক কর্ম আর বিচক্ষণ নেতৃত্বগুণে ইতোমধ্যে টাঙ্গাইল-৩ তথা ঘাটাইল  বাসীর আস্থা ও ভালাবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তিনি তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় নানান কর্মকা-ে বহুদিন থেকেই নিজেকে  নিয়োজিত রেখেছেন।  তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানা গেছে। অন্যদিকে, এই নির্বাচনী এলাকার জনগণও তাকে সাদরে গ্রহণ করছে বলেও জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের অনেকেই বলেন,প্রফেসর ড.অধীর চন্দ্র সরকার  এ আসনের জনসাধারণকে যেভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়ে, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন, তা সত্যি অভূতপূর্ব। এছাড়া সে হাসি মুখে অনেকেরই মন জয় করে নিয়েছেন। তাই আমরা তাকেই আগামীতে সংসদ নির্বাচনে এই টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি হিসেবে পেতে চাই। এ ব্যাপারে প্রফেসর ড.অধীর চন্দ্র সরকার বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা-আকাক্সক্ষার কথা  জেনেছি। সাধ্যমত তাদের সেবা করেছি। ঘাটাইল বাসীর প্রাণের দাবি ঘাটাইল কে জেলা ঘোষণা, একটি পূর্ণাক্সগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, একটি সরকারী মেডিক্যাল কলেজ  স্থাপন, ঘাটাইলে  আবাসিক গ্যাস সংযোগ, শিক্ষা ব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়ন, সন্ত্রাস,মাদকও ভেদাভেদ হীন আধুনিক ঘাটাইল প্রতিষ্ঠার লক্ষে আমি রাত দিন কাজ করে যাচ্ছি।  এবার দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। দলীয় কর্মকা-ে ও আন্দোলনে আমি জাতীয় পর্যায়ে সাহসী ভূমিকা পালনে সদা সচেষ্ট থেকেছি। আর আমি সারা জীবন মানুষের কল্যাণে ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এ জন্য সকলের দোয়া ও আর্শীবাদ কামনা করি। অন্যদিকে, প্রফেসর ড. অধীর চন্দ্র সরকার  নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন  পাবেন বলে দৃঢ় আশাবাদী তার সমর্থকরা। তারা বলেন, তিনি নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি সহ পথসভা, মতবিনিময়, গণসংযোগ, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। আর তিনিই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। বিভিন্ন দুর্ঘটনা কবলিতদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন। তাই তিনিই এবার  মনোনয়নের দাবিদার। তার বড় ভাই স্বগীয় নিতাই চন্দ্র সরকার  ছিলেন ঘাটাইলের মাটি ও মানুষের প্রিয় জন  নেতা মরহুম শামসুর রহমান খান শাজাহানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দিগড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তারা আরও বলেন, বিগত দিনে দলের জন্য তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা অনেক  অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তার ত্যাগ ও ব্যক্তিগত ক্লিন ইমেজের কারণে তিনি মনোনয়ন  পেলেই এমপি নির্বাচিত হবেন। আর তার পিতা বিশিষ্ট গণিত শিক্ষক বাবু মণিন্দ্র মোহন সরকার  ও মাতা স্বগীয় অঞ্জলি সরকার । তার বাড়ী টাঙ্গাইল  জেলার ঘাটাইল উপজেলার দিগড়  ইউনিয়নের গরাট্্র  গ্রামে ।

কচুয়ায় ইউপি ওয়ার্ড উপ-নির্বাচন
                                  


কচুয়া উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। ওই ওয়ার্ডের সদস্য নিমাই কুমার দত্তের মৃত্যুর পর গত ২২ ফেব্রুয়ারী  নির্বাচনী তফশীল ঘোষনা করা হয়। এতে বলা হয় মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১মার্চ, বাছাই  ৫মার্চ,  প্রত্যাহার ১২ মার্চ,১৩ মার্চ প্রতীক বরাদ্ধ ও ২৯ মার্চ নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নীং অফিসার মো. হযরত আলী  বলেন, ৪জন প্রার্থীকে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে। প্রার্থীরা হলেন, মো. কামাল সরদার, মো.মোস্তফা মল্লিক, সমীর কুমার গুহ, মো.ইউসুফ হাওলাদার। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে আমাদের সকল ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫৮৮ জন। এর মধ্যে ৮০০জন পুরুষ ও ৭৮৮ জন নারী ভোটার রয়েছে। ওই ওয়ার্ডে প্রয়াত ইউপি সদস্য নিমাই কুমার দত্ত একাধিক বার নির্বাচিত হন।তিনি  দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে এ পদটি শুণ্য হয়।


প্রধানমন্ত্রীকে খালেদা জিয়ার উকিল নোটিশ
                                  

॥ মানবাধিকার খবর ॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার সম্পদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর করা সাম্প্রতিক বক্তব্যের জের ধরে এই উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাহবুবউদ্দিন  খোকন এই নোটিশ পাঠান বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। সৌদি আরবে বিপুল সম্পদ পাচারের ক্ষেত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের নাম উঠে আসার খবর সম্প্রতি বিদেশী গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। এরপর কম্বোডিয়া সফর শেষে ফিরে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক এই প্রসঙ্গটি তুললে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে কথা বলেন। এ সংক্রান্ত খবর দেশের আরও অনেক সংবাদ মাধ্যমে না আসায় তিনি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মালিক-সম্পাদক, সাংবাদিকরা কোনও সুবিধার বিনিময়ে এধরনের খবর প্রকাশ করা থেকে বিরত  থেকেছেন কি-না সে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা। উকিল নোটিশে বলা হয়েছে, ওই বক্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং তা সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে তা করা না হলেও ক্ষতিপূরণের মামলা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
অপর দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিএনপি  চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঠানো আইনি  নোটিশ প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা  নেবে আওয়ামী লীগ। সংবাদ সম্মেলন থেকে এমন হুমকি দিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন- বিএনপি নেত্রীর দুর্নীতির তথ্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেরিয়ে আসায় জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাতেই এই নোটিশ। তাছাড়া, জিয়া পরিবারের দুর্নীতি সর্বজনবিদিত।
ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। মানহানিকর বিবৃতি দেয়ার কথা উল্লেøখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উকিল  নোটিশ পাঠানোর প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন ডাকে আওয়ামী লীগ। সেখানে প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বিবৃতিতে হাছান মাহমুদ আরও বলেন- খালেদা জিয়ার আমলে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালীন রাষ্ট্রের ২ লাখ কোটি টাকার ক্ষতি করেছে খালেদা পরিবার।  প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরি বলেছেন- আইনের মাধ্যমে এই আইনি নোটিশের  মোকাবেলা করবে আওয়ামী লীগ।

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন খালেদা
                                  

 

 নিউজ ডেস্ক | মোশতাক রাইহান

বিনিপর দলের শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত ৬০ জন নেতাকে নিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক’র সঙ্গে বৈঠকের ফল‍াফল এটি।

তবে কোনো রাস্তায় দিয়ে খালেদা জিয়া শহীদ মিনারে প্রবেশ করবেন এ বিষয়টি এখনো মিডিয়াকে জানাতে চাচ্ছে না বিএনপি।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে খালেদার শোক
                                  

 

নিউজ ডেস্ক | মোশতাক রাইহান

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য, বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) এক শোকবার্তায় বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবনে দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যে অবদান রেখেছেন তা জাতি কোনোদিন ভুলবে না। তিনি একজন দক্ষ ও প্রাজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে দেশ ও দেশের মানুষের অধিকারের পক্ষে সবসময় সোচ্চার থেকেছেন।’

‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন জাতীয় রাজনীতির একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তিনি তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে গণমানুষের রাজনীতিতে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও সামাজিক অগ্রগতির পক্ষে ছিলেন বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। আমাদের রাষ্ট্রীয় সংবিধান প্রণয়নে একজন অন্যতম রচয়িতা হিসেবে তার ভূমিকা এদেশের মানুষ চিরদিন মনে রাখবে।’

খালেদা জিয়া সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
                                  

প্রবীণ রাজনীতিক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির প্রেসউইং এ তথ্য জানিয়েছে।

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত শুধু একজন রাজনীতিকই ছিলেন না, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও তিনি অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। সংসদীয় রাজনীতিতে তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অতুলনীয়।’

রাষ্ট্রপতি তার শোকবার্তায় বলেন, ‘বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন দক্ষ রাজনীতিবিদকে হারালো, এই ক্ষতি অপূরণীয়।’

তিনি সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৪টা ২৪ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জামায়াত-জঙ্গি নিয়ে গণতন্ত্র মজবুত হয় না: ইনু
                                  

অনলাইন ডেস্ক

জামায়াত, রাজাকার ও জঙ্গিদের সঙ্গে নিয়ে কোনো গণতন্ত্র মজবুত করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে জাসদের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের কাছে ইনু এই মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনির্বাচিত কোনো সরকার গঠনের অবকাশ বাংলাদেশে আর নেই।

হাসানুল হক ইনু বলেন, নির্বাচন ও গণতন্ত্রের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা পরে। আগে বিএনপিকে জামায়াত, রাজাকার ও জঙ্গি ছাড়তে হবে। তাদের নিয়ে গণতন্ত্র মজবুত করা যায় না।

সেখানে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান, পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম, জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আলীম স্বপনসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

খালেদার অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থন ২৬ জানুয়ারি
                                  

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সময়ের আবেদনে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব‌্য উপস্থাপন ফের পিছিয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার এ মামলায় খালেদার বাকি বক্তব‌্য উপস্থাপনের জন‌্য ২৬ জানুয়ারি নতুন তারিখ ঠিক করে দিয়েছেন।

ঢাকার বকশীবাজার এলাকার উমেষ দত্ত রোডে আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে এ আদেশ দেয়া হয়।

খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত বক্তব্য পেশে আজ সময় আবেদন পেশ করেন। আদালত এ আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী ওই তারিখ ধার্য করে আদেশ দেন।

এর আগে গত ১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া তার বিরুদ্ধে আনা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য পেশ শুরু করেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদসহ ৩২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ অাগস্ট পাঁচজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত বছর ১৯ মার্চ এ মামলায় খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়।

অন্য আসামিরা হলেন-খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

দুর্নীতির দুই মামলায় প্রধান আসামি খালেদা জিয়া
                                  

হেড অব নিউজ, মোশতাক রাইহান


জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতে হাজির হয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার উপস্থিতিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় নতুন সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন মামলাটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন সহকারী পরিচালক নূর আহমেদ।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের অস্থায়ী আদালতে হাজির হন মামলা দু’টির প্রধান আসামি খালেদা জিয়া। আদালতটিতে চলছে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলা দু’টির বিচারিক কার্যক্রম।

দুদক থেকে অবসরপ্রাপ্ত নূর আহমেদ ৩২তম ও শেষ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন অরফানেজ মামলায়। এর আগে সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও ৩১ জন সাক্ষী। গত ০৫ জানুয়ারি নূর আহমেদের সাক্ষ্যগ্রহণে খালেদার আইনজীবীদের আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলা

জিয়া দাতব্য ট্রাস্টের নামে আসা তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ অগাস্ট তেজগাঁও থানায় এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অপর আসামিরা হলেন- বিগত চারদলীয় জোট সরকার আমলে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তৎকালীন একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। পরের বছরের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়।

এ মামলায় মোট ৩২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। আসামিদের মধ্যে জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছেন। হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট মামলা দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে দুদক ২০০৯ সালের ৫ অগাস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

তার পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করে খালেদাসহ ছয় আসামির বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ জামিনে আছেন। খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান আছেন দেশের বাইরে।

এ ছাড়া সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।।

 

 

দুর্ধর্ষ জঙ্গি মারজান সাদ্দাম নিহত
                                  

 


     

 

রাজধানীর গুলশানে জঙ্গি হামলার ছয় মাস পর ওই ঘটনার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশক নুরুল ইসলাম মারজান পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের কর্মকর্তারা জানান, নব্য জেএমবির অন্যতম সংগঠক মারজানের সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে ওই জঙ্গি সংগঠনের উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার সাদ্দাম হোসেন ওরফে রাহুল।

গত বৃহস্পতিবার শেষরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের রায়েরবাজার এলাকায় ওই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে বিদেশিদের হত্যা করার ছবি মারজানের মাধ্যমে বাইরে প্রচার করা হয়েছিল। তার গতিবিধি সম্পর্কে গোপনে তথ্য পেয়ে চেকপোস্টে তল্লাশি চালাতে গেলে সিটিটিসি ইউনিটের সদস্যদের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি হয়। এতে মারজান ও সাদ্দাম নিহত হলেও তাদের আরেক সহযোগী পালিয়ে যায়। গোয়েন্দা পুলিশের মতে, সাদ্দাম রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যাসহ ১০টি হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি।

 

সিটিটিসি ইউনিটের একাধিক কর্মকর্তা জানান, জঙ্গিবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানে তাঁরা জানতে পারেন যে মারজান রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে নতুন হামলার ছক কষছে। গোপন সূত্রে তার গতিবিধির খবর পেয়ে তল্লাশি শুরু করলে দুই সহযোগীসহ মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় মারজান পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হলেও একজন পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বোমা ও অস্ত্রসহ কিছু আলামত জব্দ করেছে। এর সূত্র ধরে তদন্ত চলছে। তবে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। এদিকে দুই জঙ্গির লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পড়ে আছে। গতকাল পর্যন্ত তাদের কোনো স্বজন সেখানে যায়নি। আজ শনিবার দুজনের ময়নাতদন্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

গত বছরের ১ জুলাই গুলশানে হামলার পর তদন্তে নেমেই গোয়েন্দা পুলিশ ওই ঘটনায় মারজানের সংশ্লিষ্টতাসহ তার সম্পর্কে নানা তথ্য পায়। তখন মারজানের নামও প্রকাশ করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, মারজান একসময় ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের সাথি। পরে সে নব্য জেএমবির শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারে পরিণত হয়। নব্য জেএমবির সমন্বয়ক তামিম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ মারজানই গুলশানে হামলার স্থানটি নির্বাচন করেছিল। পাঁচ হামলাকারী হলি আর্টিজান বেকারি থেকে মারজানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। বিদেশিদের হত্যার ছবি প্রচার করেছিল মারজান। হামলার পর হামলাকারীদের ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে বার্তাও পাঠিয়েছিল সে। তাকে নব্য জেএমবির আইটি বিশেষজ্ঞও বলা হতো।

তামিম ও মারজানকে ধরার ধারাবাহিক অভিযানে গত বছরই নিহত হয়েছে তামিমসহ ৩৬ জঙ্গি। তবে মারজানের হদিস মিলছিল না। অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলে ধর্মযাজক, মন্দিরের পুরোহিত, বিদেশি হত্যাসহ কয়েকটি ঘটনায় সাদ্দাম ছিল মূল পরিকল্পনাকারী। শীর্ষ পর্যায়ের এই দুই জঙ্গি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও ডিএমপি বা সিটিটিসি ইউনিটের কেউ বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেননি। এর আগে প্রতিটি অভিযানের পরই সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

তবে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ওই ঘটনা ঘটে। নিহতদের একজন মারজান, যাকে গুলশান হামলার পর থেকে পুলিশ খুঁজছিল। আর সাদ্দাম হোসেন ওরফে রাহুল ছিল উত্তরাঞ্চলে জেএমবির অন্যতম সংগঠক। রংপুরে কুনিও হোশি হত্যাসহ কয়েকটি হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। ’

বন্দুকযুদ্ধের বিষয়ে গতকাল সকালে রাজধানীতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ওই সময় তিনি বলেন, ‘মারজান ও সাদ্দামকে অনেক দিন ধরে খোঁজ করা হচ্ছিল। দুজনই ধরার সময় নিহত হয়। কোনো জঙ্গিই রেহাই পাবে না। মুসাও বাদ যাবে না। তারা শিগগিরই আমাদের হাতে ধরা পড়বে। বাংলাদেশে পালিয়ে থাকার কোনো অবস্থান তাদের থাকবে না। ’ নিহত দুই জঙ্গির বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলে যেসব কিলিং হয়েছে এর সঙ্গে সাদ্দাম জড়িত ছিল। মারজান হলো পরিকল্পনাকারীদের একজন। সে একটু উঁচু পর্যায়ে সন্ত্রাসীদের নেতৃত্ব দিত। দুজন নিহত হওয়ার পর তারা অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। ’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সব কিছুই আমরা কন্ট্রোল করে ফেলেছি, এটি আমি বলব না। আমি বলব, আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যারা জঙ্গি, যারা সন্ত্রাসী তারা কোনো স্থানে কোনো ধরনের সহায়তা পাচ্ছে না। কাজেই হয় তারা আমাদের কাছে একের পর এক আত্মসমর্পণ করছে, নতুবা বন্দুকযদ্ধে নিহত বা আমাদের কাছে ধরা পড়ছে। ’

যেভাবে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ :

সিটিটিসি ইউনিটের একাধিক সূত্রে জানা যায়, ধারাবাহিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের কাছে তথ্য আসে যে মারজান রাজধানীতেই অবস্থান করছে। মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে নতুন হামলার ছক কষছে সহযোগীদের নিয়ে। এরই মধ্যে তার দাড়ি বড় হয়ে গেছে। ফলে তাকে শনাক্ত করা কিছুটা কঠিন হবে বলেও মনে করছিলেন কর্মকর্তারা। গোয়েন্দা নজরদারি ও গোপন সূত্রে সবশেষে খবর মেলে, সহযোগীদের নিয়ে মোহাম্মদ বেড়িবাঁধ এলাকা দিয়ে যাবে মারজান। এমন খবর  পেয়ে ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেন সিটিটিসি ইউনিটের সদস্যরা।

জানতে চাইলে সিটিটিসি ইউনিটের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের একটি দল রাতে বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি চেকপোস্ট বসায়। রাত ৩টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে করে তারা সেখানে আসে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গ্রেনেড ছোড়ে এবং গুলি করে। পরে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে দুজন আহত হয়। পরে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। ’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বাচ্চু মিয়া জানান, রাত ৩টা ৪০ মিনিটে মোহাম্মদপুর থানার একটি গাড়িতে করে একজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ দুজনের লাশ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। নিহত একজনের বয়স আনুমানিক ২৮, আরেকজনের ৩২ বছরের মতো। তাদের মাথা ও বুকে গুলি লেগেছে। গতকাল তাদের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। এখনো সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত হয়নি। নিহত ব্যক্তিদের কোনো স্বজনও আসেনি।

গতকাল বিকেলে মোহাম্মদপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার ও ওসি জামালউদ্দিন মীর ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানেন না বলে দাবি করেন। তাঁরা জানান, তখনো থানায় কোনো মামলা বা জিডি হয়নি। এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে যোগাযোগ করতে বলা হয়। তবে মিডিয়া সেন্টারে যোগাযোগ করা হলেও গত রাত পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। ডিএমপির নিউজ পোর্টালেও এ নিয়ে কোনো খবর প্রকাশ করা হয়নি।

জানতে চাইলে সিটিটিসি ইউনিটের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ছবির সঙ্গে মিলিয়ে আমরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি, নিহতরা মারজান ও সাদ্দাম। পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অন্য জঙ্গিদের মতোই তাদের ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হবে। স্বজনরাও শনাক্ত করতে পারবে। আপাতত তাদের লাশ মর্গে রাখা হবে। ’

ডিসি মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘মারজান কোথায় ছিল তা এখনো আমরা নিশ্চিত না। তবে আমাদের কাছে খবর ছিল মারজান মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে যাবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা ওখানে অবস্থান নিই। সাদ্দাম কোথায় ছিল তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। ’

গুলশানে হামলার স্থান ঠিক করেছিল মারজান :

গুলশানে হামলার এক মাস ১২ দিন পরই তদন্তে মারজানের নাম উঠে আসে। গত বছরের ২৬ জুলাই মিরপুরের কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে ৯ জঙ্গি নিহত হওয়ার পর বেশ কিছু আলামত জব্দ করে সিটিটিসি ইউনিট। মূলত সেখান থেকে জব্দ নথি, ছবি এবং আটক জঙ্গি রিগ্যানের দেওয়া তথ্যে মারজান সম্পর্কে জানতে পারেন কর্মকর্তারা। গত বছরের ১২ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে মারজানকে গুলশান হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে বর্ণনা করে সিটিটিসি ইউনিটপ্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছিলেন, নব্য জেএমবির অন্যতম শীর্ষ এই নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেই হলি আর্টিজানের ভেতর থেকে রক্তাক্ত লাশের ছবি বাইরে পাঠানো হয়েছিল। সিটিটিসি ইউনিটের কর্মকর্তারা জানান, গুলশানে রেস্তোরাঁয় হামলার আগে অন্য দুটি স্থানে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করেছিল নব্য জেএমবির সদস্যরা। সেই জায়গাগুলো রেকিও করা হয়েছিল। তবে মারজান একদিন হলি আর্টিজান বেকারি ঘুরে গিয়ে জেএমবির অন্যতম মাস্টারমাইন্ড তামিমকে জানায়, হামলার জন্য সে হলি আর্টিজানকে নির্বাচন করেছে।

গত বছরের আগস্টের শুরুতে সিটিটিসি ইউনিটের মোবাইল অ্যাপস ‘হ্যালো সিটি’তে ছবি প্রকাশ করার পর মারজানের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়। তদন্তকারীরা একে একে তুলে ধরেন জঙ্গিপনায় মারজানের ভয়াবহ রূপ। তাঁরা জানান, বাংলা ও ইংরেজি ছাড়াও আরবি ও ফারসি ভাষায় মারজান খুব দক্ষ। গুলশানে হামলার স্থান নির্বাচন করে পুরো অপারেশনের নির্দেশনাকারী হিসেবে কাজ করে মারজান। পাঁচ হামলাকারী ভেতরের পরিস্থিতি জানিয়ে তার কাছে ছবি ও তথ্য পাঠায়। নৃশংস ওই হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যার তথ্য পেয়ে মারজান ঘটনাস্থলে থাকা জঙ্গিদের অভিনন্দন বার্তা পাঠায়। বিশেষ অ্যাপসের মাধ্যমে সেই ছবি ও তথ্য হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরীর কাছেও পাঠায়। কয়েকটি হাত ঘুরে হামলার ছবি ও তথ্য চলে যায় দেশের বাইরে।

গত বছরের ২৭ আগস্ট তামিম চৌধুরীসহ তিনজন নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় পুলিশের অভিযানে নিহত হয়। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর আজিমপুরে আরেক জঙ্গি আস্তানা থেকে তিন জঙ্গির স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে মারজানের স্ত্রী আফরিন ওরফে প্রিয়তিও ছিল বলে জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। পরে কারাহেফাজতে সন্তান প্রসব করেন প্রিয়তি। এর মধ্যে পাবনায় মারজানের বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তাঁর ছেলের কোনো খোঁজ পাচ্ছিল না পুলিশ।

শিবিরের সাথি থেকে জঙ্গি কমান্ডার :

সিটিটিসি ইউনিট সূত্র মতে, মারজানের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আফুরিয়ায়। মো. নাজিম উদ্দিন ও সালমা খাতুনের ১০ সন্তানের মধ্যে মারজান চতুর্থ। গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে সে পাবনা শহরের পুরনো বাঁশবাজার আহলে হাদিস কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি পাবনা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে জিপিএ ৫ পেয়ে দাখিল ও আলিম পাস করে। ২০১৪ সালে সে ভর্তি হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মারজান ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অসম্পূর্ণ রাখে। আর ভর্তি হয়নি। ওই বছরের নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে পুলিশের তল্লাশিতে উদ্ধার হয় কয়েকটি ল্যাপটপ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নথিপত্র। তাতে দেখা যায়, মারজান ছিল শিবিরের সাথি।   

মারজানের ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর তা শনাক্ত করে তার বাবা তখন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ছেলের বিয়ের খবর পেলেও আট মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ নেই। জানা যায়, মারজান বেশির ভাগ সময় চলাফেরা করত নব্য জেএমবির সমন্বয়ক তামিম চৌধুরীর সঙ্গে। হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার সময় দুজন মিরপুরে এক জঙ্গি আস্তানায় অবস্থান করছিল। সেখানে বসেই তারা যোগাযোগ রাখে হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গি রোহান ইমতিয়াজের সঙ্গে।

উত্তরাঞ্চলে হত্যার নেতৃত্বে ছিল সাদ্দাম :

২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার আলুটারী গ্রামে জাপানের নাগরিক কুনিও হোশিকে হত্যার মাধ্যমে কিলিং মিশন শুরু করেছিল নব্য জেএমবি। ওই হত্যাকাণ্ডের হোতা হিসেবে ধরা হয় সাদ্দামকে। হত্যাকাণ্ডে জঙ্গিরা যে অস্ত্র ব্যবহার করত সেগুলো সাদ্দামের হেফাজতে রাখা হতো বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তারা। কুনিও হত্যা মামলায় দায়ের করা চার্জশিটেও আসামি ছিল সাদ্দাম। সাদ্দামকে বলা হয় নব্য জেএমবির উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডার। বিশেষ করে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে নব্য জেএমবি যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তার বেশির ভাগের পরিকল্পনাকারী ছিল সে। সাদ্দাম জঙ্গিদের কাছে রাহুল, চঞ্চল, সবুজ, রবিসহ বেশ কয়েকটি নামে পরিচিত ছিল। জাপানি হত্যা মামলার চার্জশিটে তার চারটি নাম দেওয়া হয়। চার্জশিট অনুযায়ী, সাদ্দামের বাবার নাম আলম মিয়া ওরফে জোলা ওরফে তজু আলম এবং মায়ের নাম সুফিয়া বেগম। বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার চরবিদ্যানন্দ গ্রামে।

সিটিটিসি ইউনিট সূত্র মতে, হত্যা ও হামলার ১০টি মামলার আসামি ছিল সাদ্দাম। ওই সব মামলার মধ্যে আছে রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা, পঞ্চগড়ের মঠ অধ্যক্ষ যজ্ঞেশ্বর রায়কে হত্যা, কুড়িগ্রামে ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে হত্যা এবং বাহাই নেতা রুহুল আমীনকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা। এ ছাড়া গাইবান্ধার চিকিৎসক দীপ্তি ও ব্যবসায়ী তরুণ দত্ত হত্যা, নীলফামারীতে মাজারের খাদেম এবং দিনাজপুরে এক চিকিৎসক হত্যাচেষ্টা মামলারও আসামি সে।

- See more at: http://bangla.jnews.com.bd/details/article/207897/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%9C%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4#sthash.M6Rm0d4z.dpuf


   Page 1 of 6
     রাজনীতি
ভিপি নুরকে ‘নূরাহম্বক’ বললেন গোলাম রাব্বানী
.............................................................................................
খুশি করতে ভারতকে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয়া হয়েছে
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
.............................................................................................
১৫ মে দেশে ফিরছেন ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ইউপি সদস্যের ৬ মাসের কারাদন্ড
.............................................................................................
টাঙ্গাইল -৩ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর ড. অধীর চন্দ্র সরকার
.............................................................................................
কচুয়ায় ইউপি ওয়ার্ড উপ-নির্বাচন
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীকে খালেদা জিয়ার উকিল নোটিশ
.............................................................................................
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন খালেদা
.............................................................................................
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে খালেদার শোক
.............................................................................................
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
.............................................................................................
জামায়াত-জঙ্গি নিয়ে গণতন্ত্র মজবুত হয় না: ইনু
.............................................................................................
খালেদার অসমাপ্ত আত্মপক্ষ সমর্থন ২৬ জানুয়ারি
.............................................................................................
দুর্নীতির দুই মামলায় প্রধান আসামি খালেদা জিয়া
.............................................................................................
দুর্ধর্ষ জঙ্গি মারজান সাদ্দাম নিহত
.............................................................................................
শিক্ষামন্ত্রীকে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর
.............................................................................................
২৩৬৭ গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল
.............................................................................................
ঢাকাসহ দেশজুড়ে ভূমিকম্প
.............................................................................................
এমপি লিটনকে হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করে টার্গেট কিলিং: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বোমা নয়, খেলনা ছিল বগুড়া মেইল ট্রেনের চাকায়
.............................................................................................
খালেদার বিরুদ্ধে মামলার হুঁশিয়ারি কাদেরের
.............................................................................................
অবৈধ সত্ত্বা নিয়ে ক্ষমতার রঙ্গমঞ্চের দৌরাত্ম্য দেখাচ্ছে সরকার: রিজভী
.............................................................................................
বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ
.............................................................................................
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
.............................................................................................
সারা দেশে ৩৫ কোটি বই বিতরণ করা হচ্ছে : শিল্পমন্ত্রী
.............................................................................................
জিএসপি নয়, নতুন বাজার খুঁজুন: ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
স্মার্ট কার্ড সংগ্রহে ভোটারদের উপস্থিতি কম
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন
.............................................................................................
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মন্দিরে হামলা পূর্বপরিকল্পিত, দায় আছে পুলিশেরও
.............................................................................................
মানবাধিকার খবরের উদ্যোগে ভারত থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় প্রতিবন্ধী সজিব ও সালমা
.............................................................................................
সড়ক দুর্ঘটনাকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন ইলিয়াস কাঞ্চন
.............................................................................................
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু ১৩ জানুয়ারি
.............................................................................................
স্মৃতিতে অমলীন
.............................................................................................
নিখোঁজ শারমিনের সন্ধান মেলেনি দেড় মাসেও
.............................................................................................
রাজনৈতিক দলে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশ গ্রহণ নিশ্চিতের দাবি
.............................................................................................
অধ্যক্ষের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকা বরখাস্তের অভিযোগ
.............................................................................................
প্লাস্টিকের বোতলে ক্যান্সারের উপাদান!
.............................................................................................
দুর্নীতিবাজদের মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া হবে
.............................................................................................
তিন যুবককে বেঁধে নির্যাতন
.............................................................................................
উদ্ভোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় প্রেসক্লাবে ৩১ তলা বঙ্গবন্ধু মিডিয়া কমপ্লেক্স
.............................................................................................
সামাজিক অপরাধ শিশু নির্যাতন বেড়েই চলছে
.............................................................................................
শোক শ্রদ্ধায় জেলহত্যা দিবস পালিত
.............................................................................................
অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি রোগীরা
.............................................................................................
ভালো আছেন খাদিজা
.............................................................................................
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোন(পবা)’র প্রতিবেদন
.............................................................................................
সিলেটে মানুষরুপী অমানুষের বর্বরতার শিকার খাদিজা
.............................................................................................
শুরুতেই ভোগান্তির অভিযোগ
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু কোন দলের নয়
.............................................................................................
চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ফুল বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হয় বৈকুণ্ঠপুর চা বাগান শ্রমিকদের পাওনা শোধ করার অঙ্গিকার করেছেন মালিকপক্ষ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

Editor & Publisher: Rtn. Md Reaz Uddin
Corporate Office
53,Modern mansion(8th floor),Motijheel C/A, Dhaka
E-mail:manabadhikarkhabar34@gmail.com,manabadhikarkhabar34@yahoo.com,
Tel:+88-02-9585139
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-9585140
    2015 @ All Right Reserved By manabadhikarkhabar.com    সম্পাদকীয়    Adviser List

Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD