অধিকারের প্রতিবেদন
   | বাংলার জন্য ক্লিক করুন

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অধিকারের প্রতিবেদন -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রঙ তামাশার দুনিয়া । আমরা কতটা নির্লিপ্ত আর স্বার্থপর !! ??


পবিত্র সিয়াম সাধনায় রত বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রান মুসলমান । সংযম ত্যাগ আর নিরন্ন অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট অনুভব করার মধ্য দিয়েই মূলত রমজানের তাৎপর্য প্রতিভাত হয়ে ওঠে ।
দেশের বিত্তশালীরা রমজানে ইফতার থেকে শুরু করে অফুরন্ত হাজারো রকম পাহাড় সমান খাবারের আয়োজন করে থাকেন । তারাই যেন প্রকৃত ঈমানদার । বুক ফুলিয়ে বলেন, রমজানে ইচ্ছেমত খাওয়া যাবে । কোন জবাবদিহিতা করতে হবে না । অথচ এ দেশের মধ্যবিত্ত বা সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস । তাদের ইফতার সন্ধ্যা রাতের খাবার কিংবা সেহরী লবন ভাত, আলু, ডিম কাঁচকলা ভর্তা কপালে জুটে কিনা সন্দেহ । আমাদের দেশে রমজান এলে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ক্রয় ক্ষমতার বাইরে গেলেও এক শ্রেনীর কোন অসুবিধা না হলেও সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাওয়ায় রীতিমত হিমসিম খেতে হয় । নেই কোন বাজার নিয়ন্ত্রন ।
সাধারন ধর্মপ্রান মধ্য বা নিম্ন আয়ের পরিবারের কর্তা ঈদের খুশিকে সানন্দে গ্রহন করতে সন্তানের সাধ পূরনে শ্রম দিয়ে জোগাড় করেন অর্থ । অথচ রমজানের শেষ সময়ে তাদের ছেলে মেয়েদের পোশাক পরিচ্ছদ মানসম্মত পাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় । কারন রমজান শুরুতেই যাদের হাতে প্রচুর টাকা পয়সা রয়েছে তারা পুরো রমজান ভরেই কেনাকাটা করে থাকেন । তাদের ভীড়ে বাজারে ঢোকাই দায় । এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সারাদেশে কেনাকাটা ৭০ শতাংশ ছাড়িয়েছে ।
এখন শেষ রোজায় চাঁদনী রাতে বিপনন কেন্দ্রে ভালো মানের পোশাক বস্ত্র জুতা সেন্ডেল পাওয়া যায় না । রোজার শুরুতেই বেচা কেনার ধুম পড়ে যায় । ঈদ আরো বর্নাঢ্য আরো স্মৃতিময় করতে ইউরোপ আমেরিকা সিঙ্গাপুর সহ বিদেশে ঈদ উদযাপন করতে মহাব্যস্থা । এছাড়া ঈদের কেনাকাটা তাদের রুচি সম্মত হওয়া চাই । দাম যতই হোক । তারা মার্কেটিং করতে রাজধানী ঢাকা বড় বড় বিভাগীয় শহর আর অঢেল বিত্তশালীদের ভারত, সিঙ্গাপুর, মালেয়শিয়া, আরব আমিরাতে অর্ডার দিয়ে তাদের কাংখিত অভিজাত জামা কাপড় আসবাবপত্র সংগ্রহ করে থাকেন । কেউ বা বিলাশবহুল বাড়ি গাড়ি । ঘর সাজানোর দামি দামি আসবাবপত্র ক্রয়ে ব্যস্ত । অথচ অনেকের জীবনে ঈদ খুশি আনন্দ না বেদনা তার মমার্থ কেউ বুঝতে চায় না । সাধারন বা মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষ তারা পারে না হাত পাততে । তারা ঠিকমত বছরে এ ঈদ উৎসবে তাদের ছেলেমেয়ে প্রিয়জনদের সাধ্যমত কেনাকাটা করতে পারে না । এছাড়া মফস্বঃল শহর কিংবা জেলা শহরেও বেচাকেনার ধুম সাধারন মানুষ ছাড়া এলাকার বিত্তশালীদের কেনাকাটা না করার প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত । তারা লাখ লাখ টাকার পণ্য সামগ্রী এনেও তারা কাংখিত মুনাফা করতে পারে না ।
যাকাতের শাড়ি ইফতার সামগ্রী বিত্তশালীরা মাইকিং করে হাজার হাজার গরীব দরিদ্র অসহায় নারী পুরুষ জরো করে লোক দেখানো ঈদ সামগ্রী দিতে গিয়ে গেট ভেঙ্গে কিংবা পদতলে পিষ্ট হয়ে সারাদেশে প্রতি বছর কত শত গরীব অসহায় নারী পুরুষ মর্মান্তিকভাবে প্রান হারিয়েছেন । তার পরিসংখ্যন দেয়া কঠিন । সম্প্রতি ইফতার সামগ্রী যাকাতের শাড়ি নিতে সাতকানিয়ায় প্রচন্ড ভিড়ে পদদলিত হয়ে ৯ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং পাহাড়তলী সহ এ পর্যন্ত শুধু চট্টগ্রামেই গত ৩০ বছরে ২০০ লোকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে । কোন বিচার হয় নি । এরা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে ।
অথচ রাশিয়ায় বসবাসরত জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলমানের সংখ্যা ১০ শতাংশ । অর্থ্যাৎ দুই কোটি মুসলিম সেখানে বসবাস করে এবং তাদের এই শহরগুলোতে ৮ হাজার মসজিদ গড়ে উঠেছে । একসাথে ৫ ওয়াক্ত নামাজ সহ তারাবী ও দোয়ায় শরীক হন গরীব ধনী নির্বিশেষে । এক কাতারে সামিল হন । বিশ্বে অন্যান্য দেশে রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যায় অথচ আমাদের দেশে পুরোটাই উল্টো । প্রতি সবে বরাতের শুরু থেকে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেরা সিন্ডিকেট তৈরী করে সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কাউকে ম্যানেজ করে আদা, রসুন, ছোলা, পেয়াজ থেকে শুরু করে সমস্ত জিনিসের দাম বেড়েছে ছাড়া কোণ বছর তার স্থিতিশীলতা পরিলক্ষিত হয় নি । রাশিয়ার মত জায়গায় পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম

রঙ তামাশার দুনিয়া । আমরা কতটা নির্লিপ্ত আর স্বার্থপর !! ??
                                  


পবিত্র সিয়াম সাধনায় রত বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রান মুসলমান । সংযম ত্যাগ আর নিরন্ন অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট অনুভব করার মধ্য দিয়েই মূলত রমজানের তাৎপর্য প্রতিভাত হয়ে ওঠে ।
দেশের বিত্তশালীরা রমজানে ইফতার থেকে শুরু করে অফুরন্ত হাজারো রকম পাহাড় সমান খাবারের আয়োজন করে থাকেন । তারাই যেন প্রকৃত ঈমানদার । বুক ফুলিয়ে বলেন, রমজানে ইচ্ছেমত খাওয়া যাবে । কোন জবাবদিহিতা করতে হবে না । অথচ এ দেশের মধ্যবিত্ত বা সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস । তাদের ইফতার সন্ধ্যা রাতের খাবার কিংবা সেহরী লবন ভাত, আলু, ডিম কাঁচকলা ভর্তা কপালে জুটে কিনা সন্দেহ । আমাদের দেশে রমজান এলে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ক্রয় ক্ষমতার বাইরে গেলেও এক শ্রেনীর কোন অসুবিধা না হলেও সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাওয়ায় রীতিমত হিমসিম খেতে হয় । নেই কোন বাজার নিয়ন্ত্রন ।
সাধারন ধর্মপ্রান মধ্য বা নিম্ন আয়ের পরিবারের কর্তা ঈদের খুশিকে সানন্দে গ্রহন করতে সন্তানের সাধ পূরনে শ্রম দিয়ে জোগাড় করেন অর্থ । অথচ রমজানের শেষ সময়ে তাদের ছেলে মেয়েদের পোশাক পরিচ্ছদ মানসম্মত পাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় । কারন রমজান শুরুতেই যাদের হাতে প্রচুর টাকা পয়সা রয়েছে তারা পুরো রমজান ভরেই কেনাকাটা করে থাকেন । তাদের ভীড়ে বাজারে ঢোকাই দায় । এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সারাদেশে কেনাকাটা ৭০ শতাংশ ছাড়িয়েছে ।
এখন শেষ রোজায় চাঁদনী রাতে বিপনন কেন্দ্রে ভালো মানের পোশাক বস্ত্র জুতা সেন্ডেল পাওয়া যায় না । রোজার শুরুতেই বেচা কেনার ধুম পড়ে যায় । ঈদ আরো বর্নাঢ্য আরো স্মৃতিময় করতে ইউরোপ আমেরিকা সিঙ্গাপুর সহ বিদেশে ঈদ উদযাপন করতে মহাব্যস্থা । এছাড়া ঈদের কেনাকাটা তাদের রুচি সম্মত হওয়া চাই । দাম যতই হোক । তারা মার্কেটিং করতে রাজধানী ঢাকা বড় বড় বিভাগীয় শহর আর অঢেল বিত্তশালীদের ভারত, সিঙ্গাপুর, মালেয়শিয়া, আরব আমিরাতে অর্ডার দিয়ে তাদের কাংখিত অভিজাত জামা কাপড় আসবাবপত্র সংগ্রহ করে থাকেন । কেউ বা বিলাশবহুল বাড়ি গাড়ি । ঘর সাজানোর দামি দামি আসবাবপত্র ক্রয়ে ব্যস্ত । অথচ অনেকের জীবনে ঈদ খুশি আনন্দ না বেদনা তার মমার্থ কেউ বুঝতে চায় না । সাধারন বা মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষ তারা পারে না হাত পাততে । তারা ঠিকমত বছরে এ ঈদ উৎসবে তাদের ছেলেমেয়ে প্রিয়জনদের সাধ্যমত কেনাকাটা করতে পারে না । এছাড়া মফস্বঃল শহর কিংবা জেলা শহরেও বেচাকেনার ধুম সাধারন মানুষ ছাড়া এলাকার বিত্তশালীদের কেনাকাটা না করার প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত । তারা লাখ লাখ টাকার পণ্য সামগ্রী এনেও তারা কাংখিত মুনাফা করতে পারে না ।
যাকাতের শাড়ি ইফতার সামগ্রী বিত্তশালীরা মাইকিং করে হাজার হাজার গরীব দরিদ্র অসহায় নারী পুরুষ জরো করে লোক দেখানো ঈদ সামগ্রী দিতে গিয়ে গেট ভেঙ্গে কিংবা পদতলে পিষ্ট হয়ে সারাদেশে প্রতি বছর কত শত গরীব অসহায় নারী পুরুষ মর্মান্তিকভাবে প্রান হারিয়েছেন । তার পরিসংখ্যন দেয়া কঠিন । সম্প্রতি ইফতার সামগ্রী যাকাতের শাড়ি নিতে সাতকানিয়ায় প্রচন্ড ভিড়ে পদদলিত হয়ে ৯ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং পাহাড়তলী সহ এ পর্যন্ত শুধু চট্টগ্রামেই গত ৩০ বছরে ২০০ লোকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে । কোন বিচার হয় নি । এরা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে ।
অথচ রাশিয়ায় বসবাসরত জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলমানের সংখ্যা ১০ শতাংশ । অর্থ্যাৎ দুই কোটি মুসলিম সেখানে বসবাস করে এবং তাদের এই শহরগুলোতে ৮ হাজার মসজিদ গড়ে উঠেছে । একসাথে ৫ ওয়াক্ত নামাজ সহ তারাবী ও দোয়ায় শরীক হন গরীব ধনী নির্বিশেষে । এক কাতারে সামিল হন । বিশ্বে অন্যান্য দেশে রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যায় অথচ আমাদের দেশে পুরোটাই উল্টো । প্রতি সবে বরাতের শুরু থেকে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেরা সিন্ডিকেট তৈরী করে সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কাউকে ম্যানেজ করে আদা, রসুন, ছোলা, পেয়াজ থেকে শুরু করে সমস্ত জিনিসের দাম বেড়েছে ছাড়া কোণ বছর তার স্থিতিশীলতা পরিলক্ষিত হয় নি । রাশিয়ার মত জায়গায় পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম

জমি ফিরে পেতে বৃদ্ধ একরাম উদ্দিনের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
                                  


বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ৩১ নং চাপতলা মৌজার পূর্বপাড়া চাপাতলা গ্রামের মৃত শেখ ওতার উদ্দিনের পুত্র শেখ একরাম উদ্দিন (৮৯) তার নিজ পৈত্রিক জমি ভোগ দখল করতে পারছেন না । জবর দখল করে বছরের পর বছর সেখানে মাছের ঘের, বসত ভিটায় ঘর বাঁধার পাকা ভীত ( পোতা ) এবং রেকর্ডিও সড়কের অংশ জুড়ে পোল্ট্রি ফার্ম করছে দাপটের সাথে স্থানীয় শওকত গংরা ।
শেখ একরাম উদ্দিনের মোট পৈত্রিক সম্পত্তি ২৩ বিঘার বেশি হলেও ১৯৮৮ সালে মাঠ পর্যায়ে সেটেলমেন্ট সরেজমিন ডি.পি. জরিপকালীন সময়ে এলাকার দুষ্ট চক্র শওকত গং একরাম উদ্দিনকে মারপিট করে আহত করে। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে থাকাকালীন সময়ে এ শওকত গংরা সংশ্লিষ্ট ডি.পি. জরিপকারী কর্মকর্তাদের ঘুষ প্রদান করে অধিকাংশ জমি তাদের নামে ডি.পি. জরিপ করিয়ে নেয় ।
শেখ একরাম উদ্দিনের নামে মাত্র ৩৩ শতক যা ১৪ কাঠার মত । এই সম্পত্তি শেখ একরাম তার মা নুরজাহান বেগম, বোন রাবেয়া বেগম, সুফিয়া বেগম ( সাবেক ইউপি মহিলা সদস্য ) নামে ডি.পি. জরিপে তালিকাভূক্ত হয় । উক্ত জমির খাজনা বর্তমান ২০১৮ সাল পর্যন্ত পরিশোধ থাকলেও এ সকল জমি বৃদ্ধ একরাম শেখ ভোগ করতে পারছেন না । শওকত গংরা এলাকায় খুবই শক্তিশালী সুবিধাভোগী এবং জনবলে বেশি থাকায় বিভিন্ন ব্যাক্তি পৃষ্টপোশকতায় বা ম্যানেজ করে ভুল বুঝিয়ে অন্যায়ভাবে একরাম শেখের জমি ভোগ দখল করে চলেছে । প্রতিবাদ করার মত এ বৃদ্ধের সাহস নেই । একরাম উদ্দিনের দাদার ক্রয়কৃত সম্পত্তি পিতার সূত্র ধরে সেই বসতভিটায় বর্তমানে তাদের জন্য বসবাস করা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে । তাদের আঙ্গিনায় বনজ, ফলজ প্রচুর গাছ এবং পুকুর ও ক্যানেলে মাছ থাকায় সেগুলো শওকত গংদের গরু ছাগল হাস মুরগী দিয়ে প্রতিনিয়ত আর্থিকভাবে ক্ষতি করলেও প্রতিবাদ করলে সাথে সাথে তার পুত্র কন্যারা মারধরের জন্য ঝাপিয়ে পড়ে । বৃদ্ধ একরাম শেখ সব সময় আশংকা করেন যেকোন সময় তারা জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করতে পারে বলে তার চার পুত্রের তিন পুত্র অন্যত্র বসবাস করছে । তার ছোট ছেলে এমদাদ শেখ জেলা সার্ভার স্টেশন বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কার্য্যালয়ের অধীন স্মার্ট কার্ড প্রদান একটি খন্ডকালীন প্রজেক্টে চাকরীরত । বৃদ্ধ পিতাকে দেখা শোনা করার জন্য চোখ বুঝে বসবাস করছে । ১৯৮৮ সালে এই শওকত গংরা তৎকালীন উপজেলা হাকিম মহোদয়ের নিকট শেখ একরামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন । মামলা নং ২৭৭/৮৮ । এলাকার তৎকালীন যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুস সত্তার উক্ত মিথ্যা মামলাটি হাকিম বাহাদুর মহোদয়কে প্রত্যাহার করার জন্য লিখিত আবেদন জানান । এছাড়া একই বিষয় নিয়ে যাত্রাপুর ইউনিয়ন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ও বারইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের তিন চেয়ারম্যান একরাম উদ্দিনের জানমালের ক্ষয় ক্ষতি লাঘবে সর্বসম্মতিক্রমে একটি লিখিত আবেদন উপজেলা হাকিম মহোদয়কে অবহিত করেন ।
২০১৭ সালে বিষয়টি যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মতিনকে লিখিত আকারে বৃদ্ধ একরাম শেখ বিষয়টি সুরাহাকল্পে শরণাপন্ন হলে চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মতিন ২জন ইউপি সদস্য ও ২জন গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ইউনিয়নের আমিনের মাধ্যমে জায়গা পরিমাপ করে । উক্ত শালিসিগন স্ব স্ব স্থানে তাদের জমি ভোগ দখলের মৌখিক নির্দেশনা দেন । কিন্তু শওকত গং তা মানে না । অনেক বার নির্দিষ্ট জায়গায় বাউন্ডারি করার জন্য অস্থায়ী খুঁটি গাড়লেও শওকত গংরা উঠিয়ে ফেলে । যে কারনে একরাম শেখ পরিবার পরিজন নিয়ে নির্বিঘ্নে বসবাসের ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত বাউন্ডারি দিতে না পাড়ায় প্রতিনিয়ত তাদের জীবন নাশের আশংকায় ভুগছেন । একরাম শেখ জানান, যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মতিনের আন্তরিকতার কোন অভাব নেই । তিনি চান সুষ্ঠু নিরপেক্ষ সমাধান । অথচ শওকত গং তার প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে বাদী একরাম শেখ ও তার পরিবারকে একের পর এক হয়রানী করে চলেছে ।
একরাম শেখ জানান, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক । তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় যাত্রাপুর চাপাতলা উচু পোলের নিকট সক্রিয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন মিটিং এ ও সভায় নিয়মিত অংশগ্রহন করতেন । গভীর রাত পর্যন্ত তাদের বৈঠক চলত ।
তিনি সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঐ সকল যুদ্ধে অংশগ্রহনরত মুক্তিযোদ্ধাদের রসদ রান্না করা খাবার এবং নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করতেন । অথচ শওকত গংরা মুসলীম লীগ থেকে বিএনপি এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কায়দায় এলাকার মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তার জায়গা অবৈধ অন্যায় অনৈতিকভাবে ভোগ দখল করে আসছে দাম্ভিকতার সাথে । এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা । মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী । জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান । সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন জাতীয় এবং জেলা পর্যায়ের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক তার বসতভিটায় নির্বিঘ্নে বসবাস এবং ৩৩ শতক জমি অবৈধ দখলদারি শওকত গং দের হাত থেকে মুক্ত করে নিজে এবং তার সন্তানরা আর্থিকভাবে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারে এ ব্যাপারে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।

বেশিরভাগ বিরোধ নিষ্পত্তি হচ্ছে
                                  

॥ আতাউর রহমান সোহেল, গাজীপুর ॥
শ্রীপুরের মুলাইদ গ্রামের আফাজ উদ্দিনের কন্যা নাসরিন আক্তার। গত আট মাস আগে বরামা গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে ফারুক মিয়ার সাথে তার বিয়ে হয়। যৌতুকের দাবী নিয়ে স্বামী-স্বজনদের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
তিনি জানান, সুবিচারের আশায় ইউনিয়ন পরিষদের স্মরণাপন্ন হন। পর পর বেশ কয়েকটি তারিখে শুনানী হয়। ১১ ফেব্রুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি এক লাখ ২৫ হাজার টাকা আমাকে দিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়। আগামী এক মাসের মধ্যে সমুদয় অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে সংরক্ষন বা জমাদানেরও সিদ্ধান্ত হয়। ইউপি সুত্র জানায়, ইতোমধ্যে ২৫ হাজার টাকা জমা করা হয়েছে।
গাজীপুরের শ্রীপুরে নারী সংক্রান্ত বিরোধের বেশিরভাগ নিষ্পত্তি হয় ইউনিয়য়ন পরিষদ কার্যালয়ে। ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি এ কাজটি বাস্তবায়ন করেন।
শ্রীপুর উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়ন পরিষদেই নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি রয়েছে। তিনজন সংরক্ষিত নারী সদস্যের মধ্যে একজন এ কমিটির সভাপতি মনোনীত হন। তার সাথে আরও কমপক্ষে চারজন সদস্য এ কমিটির সদস্য থাকেন। বরমী ইউনিয়ন পরিষদে এ কমিটির সভাপতি সংরক্ষিত নারী সদস্য রেজিয়া বেগম।
এরকমভাবে নারী নির্যাতনের নানা ঘটনায় নারীরা ইউনিয়ন পরিষদের স্মরণাপন্ন হন। ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি নারীদের এসব বিষয় নিয়ে নারীদের পক্ষে কাজ করে থাকে।
বরমী ইউনিয়ন পরিষদে এ কমিটির সভাপতি সংরক্ষিত নারী সদস্য রেজিয়া বেগম বলেন, এ কমিটি মূলত: নারীদের পক্ষে কাজ করে। প্রতি দু’মাস পর পর একটি করে সভা করা হয়। সভায় নারী নির্যাতন শিশু সুরক্ষায় অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
ময়মনসিংহের পাগলা থানার হাজী আব্দুল মান্নানের কন্যা রিমা আক্তার। এক বছর আগে শ্রীপুরের বরামা গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে রুবেল শেখের সাথে বিয়ে হয়। যৌতুকের অভিযোগে রিমা বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পর পর কয়েকটি শুনানী শেষে তাদের মধ্যে যৌতুকের বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। সংরক্ষিত নারী সদস্য রেজিয়া বেগম বলেন, শুধু শুনানী নয়, দুই পক্ষের সাথে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে একটি জটিল সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।
বরমী ইউনিয়নের পাঠানটেক গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের কন্যা রুমা আক্তার। তিনি জানান, তার স্বামী চার মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ৯ বছরের সংসার জীবন তার। স্বামী অসুস্থের পর শ^াশুড়ী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। সুবিচারের জন্য টাকা খরচ করার সামর্থও নেই তার। পরে এলাকার লোকজনদের পরামর্শে ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু কমিটির কাছে আবদেন করেন। সেখানে কয়েক দফা শুনানী ও আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে নারী হিসেবে স্বামী সংসারে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি এখন তার স্বামীর ঘরে আছেন।
বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক বাদল সরকার বলেন, প্রতি মাসে গড়ে কমপক্ষে ১৫টি নারী বিষয়ক সমস্যার অভিযোগ আসে। ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি এ নিয়ে কাজ করেন। বাদী বিবাদী পক্ষ নিয়ে পর পর চারটি তারিখে আলোচনা ও শুনানী হয়। বিষয়টি চারটি তারিখের মধ্যেই মীমাংসা করা হয়। চারটি তারিখ সাধারণত চার সপ্তাহে দেয়া হয়। কোনো পক্ষ সময় চেয়ে নিলে শুনানী বা আলোচনার দিনক্ষণ কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে মোট আবেদন করা ৮৫ ভাগ প্রার্থীর আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়।
যদি ইউনিয়ন পরিষদের আলোচনায় নিষ্পত্তি না হয় তাহলে আদালতে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এরকম একটি উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শ্রীপুরের সোনাকর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে রুবেলের সাথে সাত বছর আগে তার বিয়ে হয়। নেশাগ্রস্ত স্বামী স্ত্রীকে মারপিট ও যৌতুকের দাবীতে মারধোর করে। পর পর চারটি তারিখে আলোচনা ও শুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু কোনো মীমাংসায় পৌঁছাতে পারিনি। অবশেষে বাদীনিকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান বাদল সরকার বলেন, নারীদের কল্যাণে এ কমিটি ইউনিয়ন পরিষদে অন্যান্য ১৩টি কমিটির মধ্যে একটি।
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলী স্টারের সাংবাদিক প্রভাষক আবু বকর সিদ্দিক আকন্দ সোহেল বলেন, স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ কাঠামো শক্তিশালী এবং বেগবান হলে তৃণমূলের অধিকাংশ নারী নির্যাতনের ঘটনা সেখানেই নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদলতে যেমনি মামলাজট কমবে তেমনি নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অব্দুল জলিল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি পারিবারিকভাবে বেশিরভাগ নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। এ কমিটিকে আরো বেশি শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এতে তৃণমূল নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরও ভূমিকা রাখতে সক্রিয় হবে।


    




নিজেকে জানি সেমিনারের বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধ কলুষমুক্ত করতে আরও একটি যুদ্ধ প্রয়োজন
                                  

মানুষ হায়েনাকে ভয় পায় না । মানুষ মানুষকে ভয় পায়। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। পশু পাখীদেরও প্রভূ ভক্তি রয়েছে। এরা তাদের অনুভূতি এবং ভিন্ন ভিন্ন  আঙ্গিকে সমাজের  শ্রেষ্ট কাজে অংশ নিয়ে সমাজ ও পরিবারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। বাংলাদেশের সেরা চৌকশ র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান ফোর্স। সন্দেহভাজন, নাশকতামূলক কাজে ডগ স্কয়ার্ড ব্যবহার করে সঠিকাভাবে দেশ বিরোধী অপরাধী চক্রান্তকারীকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়। নিরন্তর বেঁচে থাকার জন্য যতটুবু সময় পাওয়া যাবে তার সঠিক সময়ে মেপে মেপে চলতে পারলেই নির্দিষ্ট লক্ষে পৌছানো সম্ভব। মৃত্যু হলে নতুন কোন জীবন আসবে না। মাহফুজা খানম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হল রুমে  নৈতিক শিক্ষা সহায়ক ``নিজেকে জানি`` এক শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। সুপ্রভাত বাংলাদেশ বাগেরহাটের আয়োজনে সংগঠনের নির্বাহী প্রদান মোঃ বাবুল আকতার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, সময় ফুরিয়ে যাবার আগেই সময় থাকতে সময়ের স্বদব্যবহার করতে হবে। বৃদ্ধ বয়সে কাঁদলে হবে না। বিপন্ন  অসহায় সাধারন মানুষের সম্পদ লুন্ঠন অন্যায় করে কোনক্রমে এ জগতে যেমন পার পাওয়া যায় না পরজগতেও রয়েছে বিধাতার চরম শাস্তি। মানুষের নৈতিক চরিত্র দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানোর শিক্ষার্থীদের চরিত্রবান এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবার কোন বিকল্প নেই। তাই ছাত্র জীবনই শ্রেষ্ট সময়। নিজেকে গড়ার পাশাপাশি চরিত্র গঠনে আদশ নৈতিকতা সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে নিরলস পাঠ্যভাস পরিবেশ এবং ভবিষ্যতে নিজেকে দেশের একজন আদর্শ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতিকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে এক যোগে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক আজাদ রুহুল আমিন বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক রুচি সম্মত ভবন। শিক্ষার্থীদের রুচি সম্মত বসার সুব্যবস্থা এবং অসহনীয় গরে বৈদ্যুতিক পাখার মাধ্যমে শীতল বাতাস আর তাদের জন্য রয়েছে বিনা বেতনে বিশেষ করে মেয়েদের অবৈতনিক ভাবে প্রথম  শ্রেনী থেকে বিএ পর্যন্ত ব্যয় ভার। বিনা মূল্যে বই বিতরন উপবৃত্তি সহ নানা সুযোগ সুবিধা। এছাড়া বিদ্যালয়ে অনেক বিত্তশালীরা শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক বিতরন এবং দুপুরে মিলডের ব্যবস্থা এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। শুধু তাই নয় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং পিএইচডি করা কালীন সময়ে স্কলারশীপ পেলে তাদের জন্য রয়েছে অবাধ সুবিধা। প্রাথমিক ভীত শক্ত না হলে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো দুষ্কর। শিক্ষা গ্রহন  দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত। শিক্ষাখাতে বড় বিপর্যয়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা যতটা উন্নত নয় তার চেয়ে আধুনিক ভবন সুযোগ সুবিধার অন্ত নেই। সারাদেশে কোটি টাকা ব্যয়ে সুউচ্চ ভবন। গ্রীষ্মের দাবানলে আরামদায়ক করতে বৈদ্যুতিক পাখা। বসার উন্নতমানের আসবাবপত্র। এবং প্রাচীর ও আধুনিক তোরন সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন অসংখ্য সাইক্লোন সেল্টার নির্মান। বিনা বেতনে পড়ালেখা। বিনা মূল্যে বই বিতরন। উপবৃত্তি। বই উৎসব। মিল ডে আরো নানা আয়োজন। আলাদা পোশাক বিতরন। খেলাধুলা ও বিনোদনে এগিয়ে থাকলেও এক শ্রেনীর অসাধু শিক্ষকদের কোচিং বানিজ্য। শিক্ষকদের তুষ্টি অর্জনে যে সকল বই কোম্পানী সক্ষম সে সকল গাইড শিক্ষার্থীদের কিনতে বলেন। সদ্য প্রকাশিত পাবলিক পরীক্ষা সহ ফাইনাল পরীক্ষায় গনিত ও ইংরেজী পরীক্ষার ফলাফল এবারই সবচেয়ে নিম্নগামী। শিক্ষক নিয়োগের  ক্ষেত্রে মেধা এবং উক্ত দুই বিষয়ে পারদর্শি না হলেও বছর জুড়েই নিয়োগ প্রাপ্তীর পর পিটিআই ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করা হয়। যাতে শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা উপহার দিতে পারে।
শিক্ষকদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। নেই কোন মনিটরিং এর ব্যবস্থা। বিদেশে মনিটরিং এর ব্যবস্থা এবং ঠিকমত পাঠদানে ব্যর্থ হলে তাদের বিদায় করা হয়। সিগারেটের বিজ্ঞাপন বন্ধ হলেও টেলিভিশনে পত্রিকায় বিভিন্ন গাইডের বিজ্ঞাপন সরকার তথা শিক্ষা মন্ত্রনালয় বন্ধ করতে পারে নি । অনেক বিদ্যালয়ে জেএসসি, পিএসসি তে আশাব্যঞ্জক জিপি এ+ পাবার আনন্দ যেমন তেমনি যে শিক্ষার্থীরা ফেল করে তাঁর দায়ভারও স্কুল তথা শিক্ষকদের উপর বর্তায়। যখন বৃত্তি পরীক্ষা চালু ছিল তখন পর্যন্ত শিক্ষকরা নিজের পটেকের পয়সা দিয়ে চা বিস্কুট সিঙ্গারা খেয়ে শিক্ষার্থীদের আলাদা অতিরিক্ত ক্লাস এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদারকী করতে দেখা যেত। শিক্ষাখাতে অফিস পিয়ন  থেকে রু করে শিক্ষক নিয়োগ। শিক্ষকদের  পোষ্টিং সহ বিভিন্ন অনিয়ম যা ওপেন সিক্রেট। এটি বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে প্রত্যক্ষ করা। যারা দারিদ্র গরীব অর্থনৈতিক দৈন্যতা তারা প্রাইভেট পড়তে পারছে না। এক শ্রেনীর শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট না পড়লে তাদের ভালো চোখে দেখা হয় না এবং তাদের হাতে  যে ক্ষমতা আছে তাঁর অপপ্রয়োগ করা হয়। বিভাগীয়, জেলা, উপজেলার এ সকল আধুনিক শিক্ষা ভবনের ভিত্তি ফলক-ভবন উদ্বোধন করেন সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগন। অথচ তাদের ছেলেমেয়েরা ঢাকার অভিজাত কিংবা এ সকল শহরে কোথায় ভালো কিন্ডার গার্টেন আছে সেখানে তাদের ছেলেমেয়েদের পড়ানো হয়। যে কারনে এ সমাজের সাধারন  ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার মান খুব একটা বাড়ে না। তদারকী না হবার জন্য যেখানে প্রথম শ্রেনীর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাস হয়। সে সকল ছেলেমেয়েরা কি আদৌয় পড়ালেখা ও বইয়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে? যুগ যুগ ধরে গনিত ও ইংরেজীতে ফেল এর কারন ৭০-৮০% শিক্ষকরাই এ সম্পর্কে অভিজ্ঞ নন। বা তারা কোচিং এ যে টিচ দেন তা ক্লাসে দেন না। প্রশিক্ষন গ্রহনে উচ্চ ভাতা এটি কাজে লাগিয়ে পদোন্নতি সহ কোচিং ব্যবসা অন্য ব্যবসায় সফলতা লাভ করে গাড়ি বাড়ি করলেও শিক্ষার মান খুব একটা বাড়ছে না।
অতিরিক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আরো বিদ্যালয় নির্মান এবং বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ গ্রহন করে। শিক্ষার্থীদের গুনগত মান এবং দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভবিষ্যৎ দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে সরকারের আরো কার্যকরী ভূমিকা গ্রহন করতে হবে। এ ব্যাপারে আরো তথ্য সমৃদ্ধ শিক্ষাখাতে বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরে পত্রিকায় বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এটি সমগ্র বাংলাদেশের চিত্র। প্রশিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, একটি শিক্ষা কক্ষের  শ্রেনীতে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও শিক্ষার সুষ্ঠু ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তারা জ্ঞান আহরন ও সুষ্ঠভাবে পাঠদানে মনযোগ দিতে পারে। দক্ষিন  কোরিয়ায় এক শ্রেনীতে মাত্র ১২ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। জনগনের টাকা দিয়ে এদেশের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। অতএব এরা ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে  দেশ ও জাতির জন্য কল্যান বয়ে আনবে এবং   দেশের নেতৃত্ব প্রদানে অগ্রনী পালনে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অন্যান্য বক্তারা বলেন, সিম লাউ আর বীজ সংরক্ষন করে যেমন চাষাবাদ করা হয় তেমনি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার অঙ্কুরিত বীজ বপনের মত এবং মুক্তিযুদ্ধের মত শিক্ষা জীবন কে কলষমুক্ত করতে আর একটি যুদ্ধ প্রয়োজন। সে যুদ্ধ হবে  ভোগ নয় ত্যাগে। আত্ম কেন্দ্রীকতা জাতিকে  দেশকে ভোগান্তির দিকে নিয়ে যায়। মুক্ত চিন্তা আর অদৃশ্যভাবে বিধাতার প্রতি অবিচল আস্থা। শ্রষ্টাকে বিশ্বাস। অন্তরে হৃদয়ে প্রকৃত তার আখলাক পরিবর্তন করে পেতে পারে এ জীবন ও ঐ জীবনের পরম প্রাপ্তি। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সুপ্রভাত বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ আজিজুর রহমান, স্কুলের প্রশিক্ষক মোঃ ফয়জুম মুনির। সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব হাসিবুর রহমান মিয়া। নির্বাহী প্রধান মোঃ বাবুল আকতার শিক্ষার্থীদের নীতিকথামূলক লিপলেট বিতরন এবং এর উপর বিশদ আলোচনা করেন। অনুরুপভাবে সুপ্রভাত বাংলাদেশ বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজার প্রাঙ্গনে অবস্থিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ রকম এক ব্যতিক্রমী সেমিনারের আয়োজন করে। এছাড়া সুপ্রভাত বাংলাদেশের সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ বাবুল আকতার নিজ খরচে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষামূলক কর্মসূচী অব্যহত রেখে চলেছেন। বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ সুস্থ্য জীবন সহনশীলতা পারিবারিক স্থিতিশীলতা শান্তিপূর্ন সমাজ গঠনে যথাযথ মূল্যায়ন ভিত্তিক নিজেকে জানি ৩০টি নীতি বাক্য শিক্ষার্থীদের সন্মুখে উপস্থাপন করেন ।


একজনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, আলিম সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ থানায় পুলিশের সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিল । ঘটনা ঘটিয়ে সে এখান থেকে ঝিনাইদহে পালিয়ে যায়। ১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠিয়েছে।

গৃহবধুর উপর হামলা নিরাপত্তাহীনতায় বাদী
                                  

॥ ফরিদুর রহমান শামীম, বাগেরহাট ॥
বাগেরহাটের কচুয়া নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় মামলায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। উল্টো মামলার আসামীদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে দরিদ্র পরিবারটি। মামলার এজাহার ও ক্ষতিগ্রস্থের পরিবার সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার ভাষা গ্রামে রনজু শেখের ছেলে রেজাউল শেখ দীর্ঘদিন যাবত একই এলাকার আলম শেখের স্ত্রী রানী বেগমকে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো, এতে গৃহবধু রাজী না হওয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লম্পট রেজাউল শেখ গৃহবধুর বাড়ীতে ঢুকে লোহার রড দিয়ে রানী বেগমের মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে  আঘাত করে। হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে তার হাত ভেঙ্গে যায়।  তার সহযোগীরা ও একে একে পিটাতে থাকে। পরে গৃহবধুকে অচেতন অবস্থা এলাকাবাসি উদ্ধার করে কচুয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ কোন  আসামীকে আটক করতে পারেনি। মামলার আসামীরা প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের সহায়তায়  মামলা তুলে নিতে একের পর এক হুমকি অব্যাহত রেখেছেন।  পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।




জীবন জীবনের জন্য, মানুষ মানুষের জন্য ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী ছাত্র আজিমের বাঁচার আকুতি
                                  

॥ ফুলবাড়ীগেট, খুলনা ॥
বিত্তবানদের সহযোগিতায় মাত্র কয়েক লক্ষ টাকায় ফিরে পেতে পারে মেধাবী ছাত্র আজিমের জীবন। নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন মাত্তমডাঙ্গার গরীব অসহায় দিনমুজুর মহসিন হোসেনের পুত্র মোঃ আলিউল আজিমের চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিনতিতে মাত্র ১৭ বছর বয়েসে তার শরীরে ভর করছে মরণব্যাধী ক্যান্সার। চার মাস আগে খুলনা এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসা গ্রহনের পর ডাক্তারা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে ক্যান্সারে আক্রান্ত বলে জানান। একই সাথে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বাইরে  নেওয়ার পরামর্শ দেন। অসহায় পিতা-মাতার সামনে টগবগে যুবক আজিম ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে পতিত হওয়ায় পুত্রের চিকিৎসার জন্য মহসিন তার সহায় সম্বল যা কিছু ছিলো বিক্রি করে ভারতের কোলকাতার সরজ গুপ্তা ক্যান্সার সেন্টার এন্ড রিচার্জ ইন্সটিটিউ’এ চিকিৎসারধীন রয়েছে। বর্তমানে অর্থ অভাবে ভারতে তার  চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসার জন্য দ্রুত সময়ে ৮/১০ লাখ টাকার প্রয়োজন। যে টাকা পেলে হওয়তো সুস্থ’ হয়ে আজিম আবারও স্বাভাবিক হয়ে ফিরে আসবে সকলের মাঝে। টাকা না পেলে অর্থ অভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন না করেই তাকে দেশে ফিরে আসতে হবে। এ অবস্থায় অসহায় পরিবারটি তাদের সন্তানের জন্য সমাজের বিত্তবাদ, দানশীল মানুষের সহযোগিতার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ইসলামী ব্যাংক ফুলতলা শাখা, অঈ গঋঝঅ-১১৬৩ যোগাযোগ  ০১৮৫২৫১৯৪১৭ ও ০১৮৭৬২৩৫৩৫৭।



নিঁখোজের পাঁচদিন পর স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার
                                  


॥ এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট॥
নিঁখোজের পাঁচদিন পরবাগেরহাটের মোরেল গঞ্জের উপজেলার পানগুছি নদী থেকে বেহেস্তি আক্তার (১১) নামের এক স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ উপজেলার সন্ন্যাসী লঞ্চ টার্মিনালের কাছ থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। বেহেস্তি পার্শবর্তী পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার ১২ নং কালাইয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী এবং কালাইয়া গ্রামেরনজরুল ইসলাম হাওলাদারের মেয়ে। বেহেস্তির বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার মন্ডল বলেন, সে খুবই দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে সেই স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় বাস করছে। পরিবারের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে বাড়ি থেকে সুন্দর পোষাক পরিধান করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় বেহেস্তি। এরপর সে আর ফিরে আসেনি। পরের দিন পরিবারের লোকজন তাকে বিষয়টি জানালে, তিনি তাদের সাথে ইন্দুর কানি থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। তিনি আরও জানান, বয়সের তুলনায় বেহেস্তি লেখাপড়ায় অনেক পিছিয়েছিল। এরপর  স্থানীয়রা বেহেস্তির মৃহদেহটি নদীতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। মৃহদেহটি উদ্ধারেরবিষয়টি ইন্দুরকানি থানায় জানানো হয়েছে এবং এর ময়না তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান মোড়েলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল আলম। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে মেয়েটি কিভাবে মারা গেছে।


মাতৃভাষা দিবসেও মধুপুুরে শিশু ধর্ষণ
                                  

॥ হাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল ॥
মাতৃভাষা দিবসেও ধর্ষনের হাত থেকে রক্ষা পেল না টাঙ্গাইলের মধুপুরে ছয় বছরের এক শিশু। ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক আকাশ দাসকে(১৭) আটক করেছে পুলিশ।
 বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মধুপুরের রক্তিপারায় ধর্ষণের পর ওই শিশুকে অসুস্থাবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। ধর্ষক আকাশ দাস মধুপুরের রক্তিপারার ভজন চন্দ্র দাসের ছেলে। ধর্ষিতার দাদী জানান, তাদের বাড়ির পাশেই আকাশ দাসের বাড়ী। ওদের বাড়ীতে কেউ না থাকায় টিভি দেখার কথা বলে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে আকাশ দাস। পরে শিশুটির আর্তচিৎকারে আশেপাশের মানুষ এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অবুঝ শিশুটিকে টিভি দেখার কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষক আকাশ দাসকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
 আর শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

কচুয়ায় বসতভিটা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষ ॥ আহত-৭
                                  

বাগেরহাট কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা মামলা বিরোধ চলে আসছে। প্রতিপক্ষ অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় নিরীহ সবজী বিক্রেতা রেজাউল ওরফে রেজা ফকিরের পরিবারের প্রতি বিভিন্নভাবে মারধর প্রাননাশের হুমকি অব্যহত রেখেছে । প্রতিপক্ষ শিয়ালকাঠীর ফজলু ফকিরের পুত্র জাকির ফকির ওরফে জাকিরে নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার  জের হিসেবে আসামী ফজলু ফকির, বজলু ফকির পিতা মৃতঃ ইয়াকুব আলী ফকির শাহাম উদ্দিন শেখ পিতা মৃতঃ জয়েম উদ্দিন শেখ, কামরুল ফকির পিতা মৃতঃ হামেদ ফকির, এমরান শেখ পিতাঃ শাহাব উদ্দিন শেখ, আলমগীর ফকির, রুবেল ফকির পিতা মৃতঃ হামেদ ফকির, সুমা বেগম স্বামীঃ কামরুল ফকির, আনজীরা বেগম স্বামীঃ ফজলু ফকির সহ ৩০/৪০ জন সঙ্গীয় স্বদলবলে রাম দা  লোহার রড, কাঠ ও বাঁশের লাঠিশোঠা নিয়ে  বেআইনী জনতাবদ্ধে রেজাউল ফকিরদের বসতবাড়ির ভিটায় অনধিকার প্রবেশ করে  গোয়ালঘর ভাংচুর করে । এবং রাম দা দিয়ে  রেজাউল ফকিরকে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথার উপর কোপ মারে । এতে সে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময়ে রেজাউলের লুঙ্গির কোচায় ব্যবসায়ীক নগদ ৩৫০০০ টাকা আসামীরা ছিনিয়ে নেয়। এ সময়ে উভয় পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় আসাদুল ফকির, মিনারা বেগম,  সেতারা বেগম, রেজাউল সহ ৭ জন গুরুতর আহত হয় । এদের মধ্যে ৪ জনকে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। এ ব্যাপারে রেজাউল ফকিরের মা হামিদা বেগম কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরে নগদ টাকা স্বর্নালংকার এবং ঘর ভাংচুর বাবদ এক লক্ষ পনের হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি দাবি করেন।
এ সময়ে তাদের ডাক চিৎকারে এলাকার মুকিত খান বীর মুক্তিযোদ্ধা, আলী মাঝি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ খান আরো অনেক স্বাক্ষী এগিয়ে এলে আসামীরা তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। প্রতিপক্ষরা হামিদা বেগমের মামলা তুলে  নেয়ার জন্য প্রাণনাশের ও তার ছেলেমেয়ে  বৌমাদের মারধরের হুমকিতে এলাকা ত্রাস সৃষ্টি করে চলেছে।
তারা বাড়িতে অগ্নি সংযোগ লুটপাট এবং তাদের সঙ্গীয় দলবল প্রতিনিয়ত মারমুখী অবস্থান নিয়েছে। এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। এর আগে ধোপাখালী ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারন সম্পাদক বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে প্রায় এক মাস যাবদ দলিল কাগজপত্র দেখে হামিদা বেগমের পক্ষে   শোলিসে প্রতিপক্ষকে সেখানে যেতে বিরত থাকতে বলে।


সাউথ এশিয়ান হিউম্যান রাইটস-এর সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা কামাল রোহিঙ্গা নারী-শিশুরা তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে
                                  

॥ মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন ॥
মিয়ানমার সরকারের দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নারী ও শিশুরা তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে বলে জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে `রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং` প্রতিবেদনের ওপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ ছাড়া টয়লেট ও টিউবওয়েল একসঙ্গে হওয়ায় পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। আবার টয়লেট দূরে হওয়ায় নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সাউথ এশিয়ান হিউম্যান রাইটস এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
রোহিঙ্গাদের কাজে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, স্থানীয় জনগণের স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে রোহিঙ্গাদের কাজে নিয়োগ দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় জনগণের সম্মতি নিতে হবে। স্থানীয়দের যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে হবে।
তিনি বলেন, শুরুতে রোহিঙ্গাদের প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের যে সহানুভূতি ছিল তা কমতে শুরু করেছে। বাজার মূল্যবৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সুলতানা কামাল বলেন, পর্যাপ্ত প্যারামেডিক কর্মীর অভাবে ক্যাম্পগুলোতে সন্ধ্যার পর চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এ পদে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। এতে করে রোহিঙ্গাদের চিকিৎসার পাশাপাশি স্থানীয়দেরও কর্মসংস্থান হবে। তিনি বলেন, প্রথমদিকের তুলনায় বর্তমানে সরবরাহ কমলেও পর্যাপ্ত খাদ্য রয়েছে। চাল-ডাল সরবরাহ বেশি হওয়ায় রোহিঙ্গারা তা বাজারে বিক্রি করে অন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করছে।
শরণার্থী চুক্তি স্বাক্ষর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেøখ করে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ বছর পরও শরণার্থী চুক্তিতে স্বাক্ষর না করা আমাদের জন্য লজ্জার বিষয়। শরণার্থী চুক্তিতে স্বাক্ষর করা এ মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি। রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পাঁচ দিনের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের নেতৃত্ব দেন সুলতানা কামাল। ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ভারতের সাংবাদিক ভারত ভূষণ, মালদ্বীপের মানবাধিকার কর্মী জিহান মাহমুদ, নেপালের মানবাধিকার কর্মী রাজেন্দ্র ঘিমিরি ও শ্রীলংকার মানবাধিকার কর্মী দিকশিয়া   ইলাংগাসিংহে তার সঙ্গে ছিলেন।

রোটারি বাংলাদেশের নতুন গভর্ণরের দায়িত্ব গ্রহন
                                  


গত ১জুলাই বাংলাদেশ-চায়না আন্তর্জাতিক সম্মেলনকক্ষে রোটারী ইন্টারন্যাশনাল-এর ইয়ার লাঞ্চিং সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পীকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী। উক্ত অনুষ্ঠানে এফ এইচ আরিফ আন্তর্জাতিক রোটারি (জেলা ৩২৮১) বাংলাদেশের নতুন রোটারি গভর্ণর পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২০১৭-১৮ বর্ষে ২০৪টি রোটারি ক্লাবসহ ২২২টি রোটার‌্যাক্ট ক্লাব, ৭৯টি ইন্টার‌্যাক্ট ক্লাব, ২৫টি আর্লি অ্যাক্ট ক্লাব, ৩৫০টি রোটারি কমিউনিটি কোর এবং বহু সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারীত্বের মাধ্যমে সমাজসেবা ও সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখতে দেশব্যাপী কর্মব্যস্ত রোটারি নেতাদের নেতৃত্ব দিবেন।
আরিফ ১৯৮৭ থেকে রোটারির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত এবং ১৯৯৪-৯৫ বর্ষে রোটারির যুব সংগঠন রোটার‌্যাক্টের নির্বাচিত বাংলাদেশ প্রধানের দায়িত্ব নির্বাহ করেন। তিনি বিসিএস (ট্যাক্স সেশন) ক্যাডারে কর কমিশনার পদে কর্মরত, বিসিএস (ট্যাকসেশন) এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ এবং অফিসার্স ক্লাব ঢাকার নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্য।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লোক প্রশাসন অ্যালামনাইয়ের মহাসচিবসহ বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় উপ কমিশনার (স্বাস্থ্য) ও অন্যান্য সামাজিক সংগঠনের গুরত্বপূর্ণ দায়িত্বে সেবারত। বিপিএটিসিতে প্রথম স্থান অধিকার করায় রেক্টরস্ স্বর্ণপদক (১৯৯৪), বাংলাদেশ স্কাউটসে রোভারদের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রেসিডেন্ট রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড (১৯৮৮), সিএনসি পদক (২০০৯), রাষ্ট্রপতি পদক এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জাতীয় অ্যাওয়ার্ড রৌপ্য ইলিশ অ্যাওয়ার্ড (২০১৩) লাভ করেন।

চাচা শ্বশুরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ মরিয়ম
                                  


নাটোরের সিংড়া উপজেলার শৈলমারি গ্রামে মরিয়ম বেগম (২৩) নামে এক গৃহবধূ চাচা শ্বশুরের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়ের মা হাসিনা বেগম বাদী হয়ে সিংড়া থানার নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেছে।
জানা যায়, মরিয়মের স্বামী একজন দিনমজুর। নয়মাস বয়সের ১টি ছেলে সন্তান নিয়ে ভালোই চলছিল তাদের সংসার। কিন্তু ঘটনার দিন সকালে বাচ্চাকে বাড়ির উঠানে পায়খানা করানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাচা শ্বশুর জালাল উদ্দিন মরিয়মকে নির্মমভাবে মারধর করে। আঘাতে মরিয়মের এক চোখ নষ্টের পথে। ভেঙ্গে গেছে বাম হাত। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অসহায় মরিয়মের পাশে দাঁড়িয়েছে চলনবিল ফেসবুক সোসাইটির নেতৃবৃন্দ। ঘটনাটি শোনার পর চলনবিল ফেসবুক সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদের নেতৃত্বে আহতের খোঁজ খবর নিচ্ছে এই সংগঠনের সদস্যরা। তারা ভুক্তভোগী পরিবারকে সুবিচার পাইয়ে দিতে কাজ করছে।
মরিয়মের মা হাসিনা বেগম বলেন, মেয়ের চাচা শ্বশুর এর আগেও তার মেয়েকে মারধর করেছে। এ নিয়ে শালিস হয়েছে। তিনি আরো বলেন, চাচা শ্বশুর হয়ে ভাতিজার বউকে কেউ এভাবে মারতে পারে এমন ঘটনা আগে দেখিনি। এর সঠিক বিচার চাই। সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি অমানবিক। তদন্ত সাপেক্ষ দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এতিমদের ইফতারের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তৃপ্ত দৃশ্য’র যাত্রা শুরু
                                  


রাজধানীতে এতিমদের ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন `তৃপ্ত দৃশ্য` । বৃহস্পতিবার ৫ রমযান সন্ধ্যায় মানিক নগর বিশ্বরোড এলাকায় জামিয়া মাহমুদিয়া ইহছানিয়া ম াদরাসার লিল্লাহ বোডিং ও এতিম খানায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। এতে নিজেদের আয়োজনে প্রায় শতাধিক এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার করে তরুণ-তরুণীরা । `তারুণ্যের জয়গানে মিলেছি মোরা ঐকতানে` এই শ্লোগানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা অনাথ ,অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের স্বেচ্চাসেবী ইরফানুর রহমান, রিয়াজ আহমেদ রূপক, মাইশা নাজিয়া, আল কাজিম, মেহেদী হাসান, সৈকত খান সহ সংগঠনের সকল অন্যান্য সদস্যরা।

ফ টো ফি চা র
গত ২০ মে দুপুরে তেজগাঁও ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির ভবন উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, বাংলাদেশ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুস্তম আলী খান, তানভীর কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শাহজাহান সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।


গত ২জুন শুক্রবার জুম্আর নামাজের পর গাজীপুরের শ্রীপুর থানার রাজেন্দ্রপুরে ধলাদিয়া সাইনবোর্ড এলাকায় হযরত ওমর ফারুক (রঃ) জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্থর উদ্বোধনের পর মোনাযাত করছেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব এড. মোঃ রহমত আলী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার খবরের সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, ভাওয়াল রাজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক হোসেন, সাবেক বনবিভাগের বিট অফিসার মীর আক্তারুজ্জামান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


 
গত ১৩ মে কলকাতা প্রেসক্লাবে ভ্রমন বিষয়ক কর্মে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের অন্যতম ট্যুরিজম কোম্পানী মাহিমা ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস-এর কর্ণধার ও মানবাধিকার খবরের সন্মানিত উপদেষ্টা মোঃ জহুরুল ইসলাম মনিরকে শিক্ষা ও পরিবেশ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিশেষ মেধা বিকাশ সন্মাননা ২০১৭ পদক প্রদান করা হয়। এ সময় কলকাতার বিশিষ্ট ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।
 
জড়ঃধৎু ঈষঁন ড়ভ গড়ঃরলযববষ রিঃয ঃযব ধংংরংঃধহপব ড়ভ উরংঃৎরপঃ এৎধহঃ, ফড়হধঃবফ ২০ পবরষরহম ভধহং, পড়হংঃৎঁপঃবফ ঃড়ি ঃড়রষবঃং ভড়ৎ নড়ুং ংঃঁফবহঃং, ড়হব ফৎবংং পযধহমরহম ৎড়ড়স ধহফ ড়হব ঃড়রষবঃ ভড়ৎ মরৎষং ংঃঁফবহঃং ড়ভ ঔধহধঃধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ, ইধমপযধষধ, কধষরধশড়রৎ, এধুরঢ়ঁৎ ধঃ ধ ঃড়ঃধষ পড়ংঃ ড়ভ ঞশ ১৫৯,২৮৬.০০. চধংঃ উরংঃৎরপঃ এড়াবৎহড়ৎ ঝধষরস জবুধ, ঈষঁন চৎবংরফবহঃ কযধহফশধৎ ঝযধভরয়ঁষ ঐধয়ঁব, চধংঃ চৎবংরফবহঃ গ ঋড়ৎযধফ তধসধহ ঝযধযববহ, ওসসবফরধঃব চধংঃ চৎবংরফবহঃ গফ অহরংঁষ ঐধয়ঁব, জঃহ. ঝযবভধঁষ অষষ ঝযরঢ়ষঁ ধহফ জঃহ. চচ গধহড়ৎধহলধহ ইযধশঃধ ধিং ঢ়ৎবংবহঃ ফঁৎরহম রহধঁমঁৎধঃরড়হ ড়ভ ঃযব ঢ়ৎড়লবপঃ ড়হ ১৫ গধু ২০১৭.

গত ২১ মে রোটারী ক্লাব ও রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব গুলশান লেক সিটির উদ্যোগে ঢাকা মিরপুর-১ মডেল একাডেমীতে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।


পুলিশের নাকের ডগায় ঝাড় ফুকের ব্যবসা ॥ প্রশাসন নিরব আজাদ রহমান
                                  

পুলিশের নাকের ডগার সামনে ঝাড় ফুকের ব্যাবসা। কিছু অসাদু লোক নিরহ মানুষকে ঠকাচেছ। অসাধু লোক ধমের লেবাস পড়ে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে এ সমাজে। একাতারে আছে মসজিদের হুজুর লেবাসদারী পীর, হিন্দু ধমীর লোক এবং একশ্রেন্নির প্রতারক চক্র। কিছু ইল্রেকটনিক মিডিয়া ও পত্রিকা বিঙ্গাপন দিয়ে উংসাহ যোগাচ্ছে পুলিশ দেখে না দেখার ভুমিকা পালন করছে। খোদ রাজধানী থেকে আরন্ভ করে পল্লী এলাকার এর বিস্তার, মাই টিভি বিঙ্গাপন  প্রচার করে থাকে প্রতারনার দায়ে জেল খেটেছে লিটন দেওয়ান এ ছাড়া বিভিন্ন পীড় মুরছিদের ফোন নন্বার দিয়ে বিঙ্গাপন। রাজধানী নারিন্দা এলাকায় পীর সাহেবের গলি নামে একটি এলাকা পরিচিত কয়েক গজ দুরের নারিন্দা পুলিশ ফাড়ি. খোজ নিয়ে জানা যায় চান মিয়া নামের একজন পীড় এলাকায় ছিল সে বহু আগে মারা গেছে কিন্তু তার এ ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে তার স্ত্রী ছেলে ও ছেলে বউ, তারা কোন কামিলদার নয়। তাদের দরবারে আসা আলেয়া বেগম নামে এক মহিলা থেকে যানা গেল দীর্ঘ দিন সে এখানে আসতেছে তার ছেলে নিখোঁজ সে জন্য। কিন্তু দোয়া তাবিজ দিয়ে যাচেছ কোন কাজ হয়নি আরো বহু লোক তদবিরের জন্য আছে মাসের পর মাস ঘুরতেছে কোন ফল পায়নি। ১৫৪, উত্তর যাত্রাবাড়ী ইয়াসা-আতুল উলমা মাদ্রসা হাফেজ হাবিবুর রহমান নামের এক হুজুর মাদ্রাসা খোলে কিছু ছাত্র পড়ায় সে ফাঁকে সন্ধ্যায় জন প্রতি ১০০ টাকা করে নিয়ে ঝাড় ফুক করে থাকে । জানা  গেল ঝরনা নামের এক মহিলা দীর্ঘ দিন সে এখানে আসতেছে তার স্বামী নিখোঁজ সে জন্য। কিন্তু দোয়া তাবিজ দিয়ে যাচেছ কোন কাজ হয়নি আরো বহু লোক তদবিরের জন্য আছে মাসের পর মাস ঘুরতেছে কোন ফল পায়নি। যাত্রাবাড়ী থানার দুরত্ব মাত্র ২০০ গজ দুরত্ব থানা অফিসার ইনচাজ আনিসুর রহমানের সাথে কথা বলে জানা গেল এ সম্পর্কে সে কিছু জানে না। মুন্সিগঞ্জ জেলার টংগিবাড়ী থানার উত্তর সোনারং গ্রামের  মকিম পোদ্দারের ছেলে দেলোয়ার পোদ্দার জ্বীন ডাকে এলাকায় বলে বেড়ায় জ্বীন তাকে বাবা ডেকেছে, তাই জ্বীনকে যা বলে তাই শুনে। স্বামী স্ত্রী অমিল থাকলে মিল করে দেওয়া, মনের মানুষকে কাছে নিয়ে আসা, পরকীয়া প্রেম আসক্তি থেকে মুক্ত করা, ব্যবসা লোকসান সব ধরনের সম্যসার  ২৪ ঘন্টার মধ্যে সমাধান, ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য বিউটি বেগম এক মহিলার সাথে আলাপ করে জানা গেল ৭ মাস হয়েছে দেলোয়ার পোদ্দারকে ১৫০০০ টাকা দিয়েছে। স্বামী বিদেশ থাকে যোগাযোগ নেই । ১৫ দিনের মধ্যে জ্বীনের মাধ্যামে যোগাযোগ করিয়ে দিবে। কিন্তু ৭ মাস হয়েছে কোন কাজ হয়নি টাকাও ফেরত দেয় না আজ কাল সময় ক্ষেপন করছে। লোক লজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু জানাতে পারেছে না, টাকা ফেরত চাইলে জ্বীনদ্বারা বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে ভয় দেখায় তা ছাড়া কেউ তার প্রতি কোন ক্ষোভ দেখালে সে বলে আমাকে মনে মনে বকা দিয়েছেন তাই কাজ দেরী হবে তার জ্বীন তাকে বলেছে মনে মনে গালি দেন এছাড়া তার সহযোগী হিসাবে কাজ করে জয় সে ও বিভিন্ন লোকের নিকট বিভিন্ন নাম বলে। এ সুযোগ নিচ্ছে প্রতারক চক্র। বিভিন্ন পত্রিকায় বাসে এবং টিভিতে প্রচার করে থাকে মনের মানুষের সাথে মিল, স্বামী স্ত্রীর অমিল, পরকীয়া প্রেম, ব্যবসা লোকসান সব ধরনের সম্যসার  ২৪ ঘন্টার মধ্যে সমাধান। টংগিবাড়ী থানার  অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেনের সাথে কথা বলে জানা গেল এ সম্পর্কে সে কিছু জানে না। ঢাকা শহরে প্রতি এলাকায় দোয়া তাবিজের ব্যবসা জমজমাট। এলকার কিছু বখাটে মাসুহারা নিচেছ প্রতারক চক্র থেকে। জুরাইন আলম মার্কেটের নিকট মুসা ফকির ও হারুন ফকির নামে পরিচিত দু’জন বাবা ছেলে সকাল ১০ থেকে ১ পর্যন্ত এবং বিকাল ৪ থেকে সন্ধ্য পর্যন্ত তাবিজ তদবির করে থাকে। পিছিয়ে নেই অধিকাংশ এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবরা। জুরাইন কমিশনার রোডের মোটকা হুজুর নামে পরিচিত তাবিজের মুল্য ৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত এবং একই এলাকায় কাছমিরি হুজুর নামে পরিচিত আর এক হুজুর তার রেট ২০০০ টাকা থেকে  ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। দু’জনে এ ব্যবসা করে ঢাকা শহরে বাড়ী গাড়ী সব করেছে কিন্তু ঠিক রাখতে পারেনি মসজিদের ইমামতি, চাকুরি হারিয়েছে। কদমতলী থানার  ওসি ওয়াজেদ আলীর সাথে কথা বলে জানা গেল এ সম্পর্কে সে কিছু জানে না এবং জানার প্রয়োজনও মনে করে না কারন তার অনেক কাজ। ধোলাইপাড়ের বিদ্যুৎ অফিসের পাশে মসজিদের ইমাম লিয়াকত আলী মাঝে মাঝে সে তাবিজ  দিয়ে থাকে বলে জানা যায়। কেরানীগঞ্জের মডেল টাউনের কালী সাধক রাধিকা কবিরাজ সহকারী হিসেবে কাজ করে রিপন হাওলাদার ১০১ টাকা ফ্রি নিয়ে থাকে সমাস্যা শোনার জন্য তাবিজ দেওয়ার আলদা টাকা । কাজ শেষ হলে মোটা অংক নিয়ে থাকে, জানা যায় খরচের কথা বলে যে টাকা নেয় এটা তার লাভ। কাজের নামে কিছু নেই, প্রত্যেক প্রতারক বেশী ঝামেলা দেখলে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায় এবং মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। বেশীর ভাগ লোক সহজ সরল বা যখন হতাশ হয়ে পড়ে তখন এ প্রতারক চক্র হাতিয়ে নেয় টাকা পয়সাসহ সর্বশ্য। এছাড়া গাজীপুরের রাজু ও রাশেদ পিছিয়ে নেই ব্যবসায়। তবে গোপনে খবর নিয়ে জানা যায় প্রত্যেক থানায় মাস শেষে চাঁদা প্রদান করে থাকে এ প্রতারক চক্র। গেন্ডারিয়া মেলবেরাক এলাকায় পুলিশ ফাড়ি থেকে ১০ গজ দুরে রাড়ী বাড়ী বা শীতল বাড়ী বলে পরিচিত এখানে চলে সকাল বিকাল ঝাড় ফুক সহ বিভিন্ন ধরনের তাবিজ বিক্রয়।

মে দিবস মেহনতী মানুষের মুক্তির বারতা শ্রমিকের ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তির স্বীকৃতি
                                  


আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। মে মাসের প্রথম দিনটি পৃথিবীর অনেক দেশে পালিত হয়। বেশকিছু দেশে মে দিবসকে লেবার ডে হিসাবে পালন করা হয়। এদিনটি সরকারীভাবে ছুটির দিন। ১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা শ্রমদিনের দাবীতে আন্দোলন রত শ্রমিকের ওপর গুলি চালানো হলে ১১ জন শহীদ হয়।
পূর্বে শ্রমিকদের অমানবিক পরিশ্রম করতে হত, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা আর সপ্তাহে ৬ দিন। বিপরীতে মজুরী মিলত নগণ্য, শ্রমিকরা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করত, ক্ষেত্রবিশেষে তা দাসবৃত্তির পর্যায়ে পড়ত। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ করার জন্য আন্দোলন শুরু করেন, এবং তাদের এ দাবী কার্যকর করার জন্য তারা সময় বেঁধে দেয় ১৮৮৬ সালের ১লা মে। কিন্তু কারখানা মালিকগণ এ দাবী মেনে নেয় নি। ৪ঠা মে ১৮৮৬ সালে সন্ধ্যাবেলা শিকাগোর হে-মার্কেট নামক এক বাণিজ্যিক এলাকায় শ্রমিকগণ মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হন। তারা ১৮৭২ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত এক বিশাল শ্রমিক শোভাযাত্রার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে এটি করেছিলেন। আগস্ট স্পীজ নামে এক নেতা জড়ো হওয়া শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলছিলেন। হঠাৎ দূরে দাড়ানো পুলিশ দলের কাছে এক বোমার বিস্ফোরন ঘটে, এতে এক পুলিশ নিহত হয়। পুলিশবাহিনী তৎক্ষনাত শ্রমিকদের উপর অতর্কিতে হামলা শুরু করে যা রায়টের রূপ নেয়। রায়টে ১১ জন শ্রমিক শহীদ হন। পুলিশ হত্যা মামলায় আগস্ট স্পীজ সহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এক প্রহসনমূলক বিচারের পর ১৮৮৭ সালের ১১ই নভেম্বর উন্মুক্ত স্থানে ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। লুইস লিং নামে একজন একদিন পূর্বেই কারাভ্যন্তরে আত্মহত্যা করেন, অন্যএকজনের পনের বছরের কারাদন্ড হয়। ফাঁসির মঞ্চে আরোহনের পূর্বে আগস্ট স্পীজ বলেছিলেন, “আজ আমাদের এই নিঃশব্দতা, তোমাদের আওয়াজ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী হবে”। ২৬শে জুন, ১৮৯৩ ইলিনয়ের গভর্ণর অভিযুক্ত আটজনকেই নিরপরাধ বলে ঘোষণা দেন, এবং রায়টের হুকুম প্রদানকারী পুলিশের কমান্ডারকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। আর অজ্ঞাত সেই বোমা বিস্ফোরণকারীর পরিচয় কখনোই প্রকাশ পায়নি।
শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের “দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করার” দাবী অফিসিয়াল স্বীকৃতি পায়। আর পহেলা মে বা মে দিবস প্রতিষ্ঠা পায় শ্রমিকদের দাবী আদায়ের দিন হিসেবে, পৃথিবীব্যাপী আজও তা পালিত হয়। শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলনের উক্ত গৌরবময় অধ্যায়কে স্মরণ করে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতি বছরের ১লা মে বিশ্বব্যাপী পালন হয়ে আসছে “মে দিবস” বা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস”। পহেলা মে সেই আন্দোলনের কথাই আমাদের স্বরণ করিয়ে দেয়। ১৮৯০ সালের ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যালিষ্ট কংগ্রেসে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয় এবং তখন থেকে অনেক দেশে দিনটি শ্রমিক শ্রেনী কর্তৃক উদযাপিত হয়ে আসছে। রাশিয়াসহ পরবর্তীকালে আরো কয়েকটি দেশে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হবার পর মে দিবস এক বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করে। জাতিসংঘে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শাখা হিসাবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (অরগানাইজেশন বা আইত্রলও) প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে শ্রমিকদের অধিকার সমূহ স্বীকৃতি লাভ করে এবং সকল দেশে শিল্প মালিক ও শ্রমিকদের তা মেনে চলার আহবান জানায়। এভাবে শ্রমিক ও মালিকদের অধিকার সংরক্ষণ করে। বাংলাদেশ আইএলও কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রমিক শ্রেনীর প্রাধান্যের কারনে অধিকাংশ সমাজতান্ত্রিক দেশে বেশ গুরুত্বও সংকল্প সহকারে মে দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশে মে দিবসে সরকারি ছুটি পালিত হয়। এখানে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে মে দিবস পালিত হয়।
সমগ্র বিশ্বের মেহনতী মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে যে আন্দোলন। খেটে খাওয়া সাধারন শ্রমিকের বিদ্রোহ বিস্ফোরণ। রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল তারই সফলতার অংশ হিসেবে মহান মে দিবসটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ন।
এখনও শিশুরা শ্রমিক হিসেবে ঘরে বাইরে কাজ করে। তাদের উপর মালিকের চরম খড়ক নেমে আসে। এখনও এই শিশুদের নির্মম নির্যাতনের শিকারে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়। নারীরা পুরুষের সমান কাজ করলেও অর্ধেক মজুরি প্রদান এমনকি পুরুষ শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা নিয়ে ঘুরতে হয় দ্বারে দ্বারে। এটি আমাদের দেশে নিত্যনৈমত্তিক বাস্তব চিত্র।
কলে কারখানা জমিতে সর্ব ক্ষেত্রে শ্রমিকরাই ঘাম ঝরিয়ে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটায়। তাদের মুখের বিষন্নতা দূর করে আনন্দের হাসি ফুটাতে পারলেই জাতি হিসেবে কিছুটা দায় ভার হতে মুক্ত হওয়া যায়। চীনের পন্য সমগ্র বিশ্বে তাদের বাজার দখল করেছে। এটি সম্ভব হয়েছে তাদের শ্রমিকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রায় অধিকাংশ শিল্প ইন্ডাষ্ট্রিতে চায়না শ্রমিক কাজ করছে। এটি তাদের একটি দেশপ্রেমের বড় অংশ।
মহান মে দিবসের ভাবনা মালিক শ্রমিকের মধ্যে ঐক্য। বৈষম্য নয় সমতাই পারে উভয়ের মুষ্ঠিবদ্ধ হাতই গতিশীল করতে। উন্নয়নের চাকা ঘুরিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিতে পারে দেশকে সমৃদ্ধির পথে। এ যাত্রায় অংশ নিয়ে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে রুপান্তরিত করতে পারি। এ হোক আমাদের সত্য উচ্চারন ও দৃঢ় অঙ্গীকার।
আমরা যারা কলম সৈনিক আমরাও শ্রমিক। আমাদের লেখার পারিশ্রমিক পাই না। দেশের মানুষের কথা সংবাদ পত্রে তুলে ধরলেও আমাদের কথা কেউ বলে না। আমাদের অঙ্গীকার হোক মেহনতি শ্রমিকে ন্যায্য অধিকার আদায়ে স্বোচ্চার। শ্রমিকের শরীরের ঘাম শুকানোর আগেই মজুরি প্রদান করে মুক্তিকামী মানুষের পাশে দাড়াই। মালিক শ্রমিক ভাই ভাই শুধু এ শ্লোগান নয়। মহান মে দিবসের এই দিনে বাংলাদেশের সকল শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা পরিশোধের মাধ্যমেই এ দিবসের যথার্থতা ও স্বার্থকতা মিলবে। আর যেন ভবিষ্যতে কোন নর নারী মেহনতী শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হয়। তাদের প্রতি যেন কোন রকম বৈষম্যমূলক আচরন ব্যাতিরেকে বিভিন্ন উৎসব আয়োজনে তারা যেন উপেক্ষিত না হয়। পরিবার পরিজন নিয়ে তারা যেন দেশের বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে সামিল হয়ে মালিক শ্রমিক এক কাতারে দাড়াতে পারে। আমাদের দেশে যারা বিত্তশালী বা শিল্পপতি তারা জন্মগত সুত্রে কেউই রাজপরিবারের সন্তান নয়। এরাই একদিন আমাদের মত খেটে খাওয়া মানুষ। তাই তারা যখন কোটিপতি বনে গিয়ে আমাদের কথা ভুলে যান। আমরা কেউই প্রতিবাদ করতে পারি না। নিরবে নিভৃতে কাঁদে আমাদের পরিবার, আমাদের সমাজ, আমদের সন্তান। প্রতিবাদী শ্রমিকদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসা প্রদর্শন করছি। তোমাদের এই ঋণ কখনও শোধ হবে না। না..না..না।

 লেখকঃ ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, মানবাধিকার খবর।
বাগেরহাট প্রতিনিধি, সময় নিউজ।
সাবেক জেলা প্রতিনিধি, বিটিভি ও চ্যালেন ওয়ান।
সাবেক সাধারন সম্পাদক, বাগেরহাট প্রেসক্লাব।

মায়ের কোলে ফিরতে চায় শিশু সুমন
                                  

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দঃ ২৪ পরগনা লক্ষীকান্তপুরে সম্পাদকের সাথে দুই বাংলাদেশী শিশু ও হাসুস সেফহোমের কর্মকর্তাবৃন্দ।

“অনেক দিন মা-বাবা ও ছোট ভাইকে দেখিনা তাদের কথা মনে পরলে কান্দন চলে আসে। আমি মায়ের কাছে ফিরতে চাই। আমাকে কি তাদের কাছে নিয়ে যাবেন? আমি কি কোন দিন ফিরতে পারব না মায়ের কাছে? আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।” দু’হাত দিয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে ক্রন্দনরত অবস্থায় অগোছালো কথাগুলো মানবাধিকার খবরের সম্পাদক ও প্রকাশক রোটারিয়ান মোঃ রিয়াজ উদ্দিন কে বলছিল ভারতে পাচার হয়ে যাওয়া নিষ্পাপ শিশু সুমন ওরফে দুলাল(১০)। সে বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দঃ ২৪ পরগরায় লক্ষীকান্তপুর হাসুস সেফ হোমে আছে।


   Page 1 of 2
     অধিকারের প্রতিবেদন
রঙ তামাশার দুনিয়া । আমরা কতটা নির্লিপ্ত আর স্বার্থপর !! ??
.............................................................................................
জমি ফিরে পেতে বৃদ্ধ একরাম উদ্দিনের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
.............................................................................................
বেশিরভাগ বিরোধ নিষ্পত্তি হচ্ছে
.............................................................................................
নিজেকে জানি সেমিনারের বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধ কলুষমুক্ত করতে আরও একটি যুদ্ধ প্রয়োজন
.............................................................................................
গৃহবধুর উপর হামলা নিরাপত্তাহীনতায় বাদী
.............................................................................................
জীবন জীবনের জন্য, মানুষ মানুষের জন্য ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী ছাত্র আজিমের বাঁচার আকুতি
.............................................................................................
নিঁখোজের পাঁচদিন পর স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
মাতৃভাষা দিবসেও মধুপুুরে শিশু ধর্ষণ
.............................................................................................
কচুয়ায় বসতভিটা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষ ॥ আহত-৭
.............................................................................................
সাউথ এশিয়ান হিউম্যান রাইটস-এর সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা কামাল রোহিঙ্গা নারী-শিশুরা তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে
.............................................................................................
রোটারি বাংলাদেশের নতুন গভর্ণরের দায়িত্ব গ্রহন
.............................................................................................
চাচা শ্বশুরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ মরিয়ম
.............................................................................................
এতিমদের ইফতারের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তৃপ্ত দৃশ্য’র যাত্রা শুরু
.............................................................................................
পুলিশের নাকের ডগায় ঝাড় ফুকের ব্যবসা ॥ প্রশাসন নিরব আজাদ রহমান
.............................................................................................
মে দিবস মেহনতী মানুষের মুক্তির বারতা শ্রমিকের ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তির স্বীকৃতি
.............................................................................................
মায়ের কোলে ফিরতে চায় শিশু সুমন
.............................................................................................
নারী ও শিশু উদ্ধারে মানবাধিকার খবর’র ভূমিকা প্রসংশনীয়
.............................................................................................
পুরুষ নির্যাতনের হাতিয়ার ‘নারী নির্যাতন’ মামলা
.............................................................................................
পরিবারে দুমুঠো অন্ন যোগাতে শিশুরা বিভিন্ন পেশায়
.............................................................................................
মিয়ানমারে বিলুপ্ত মানবতা
.............................................................................................
অধিকারের মাসিক প্রতিবেদন
.............................................................................................
মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের প্রতিবেদন
.............................................................................................
খানসামায় হাট-বাজারে অবাধে চলছে মাদক ব্যবসা
.............................................................................................
কালিগঞ্জে স্বামী কর্তৃক স্ত্রী পাচারের অভিযোগ
.............................................................................................
এক মায়ের আকুতি আমার ছেলেকেফিরিয়েদিন
.............................................................................................
কে শুনবে অনিলের আর্তনাদ
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু জাতির জীবনে বসন্ত এনেছিলো মুক্তিযোদ্ধা মো. আশকর আলী
.............................................................................................
দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না- ড. মিজানুর রহমান
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

Editor & Publisher: Rtn. Md Reaz Uddin
Mobile:+88-01711391530, Email: md.reaz09@yahoo.com Corporate Office
53,Modern mansion(8th floor),Motijheel C/A, Dhaka
E-mail:manabadhikarkhabar@gmail.com,manabadhikarkhabar34@yahoo.com,
Tel:+88-02-9585139
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-9585140
    2015 @ All Right Reserved By manabadhikarkhabar.com    সম্পাদকীয়    Adviser List

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]