| বাংলার জন্য ক্লিক করুন

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অধিকারের প্রতিবেদন -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কচুয়ায় সাংসদ মীর শওকাত আলী বাদশাহ


মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রনালয় সম্পর্কীয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাগেরহাট-২ এলাকার সংসদ সদস্য এ্যাডঃ মীর শওকাত আলী বাদশা বলেছেন বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, সব সম্প্রদায়ের বসবাস এক সাথে। এখানে সব ধরনের মানুষ এক সাথে থাকে। সারাদেশে শান্তিপূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গা উৎসব পালিত হচ্ছে। বর্তমান দেশে যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে তা সম্ভব হয়েছে শুধূমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সততা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতা এবং যোগ্য নেতৃত্বের কারনে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প ও ব্যাবসা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ আজ এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে রোলমডেল। আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সব সম্প্রদায়ের জনগন উৎসব মুখর পরিবেশে এক সাথে বসবাস করে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌছে দিতে হলে নৌকাকে বিজয়ী করে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রীর আসনে অধিষ্ঠিত করতে হবে।
কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এ্যাডঃ মীর শওকাত আলী বাদশা প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। এই সময় তার সংগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এএস এম মাহফুজুর রহমান,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠানিক সম্পাদক মীর ফজলে সাঈদ ডাবলু, সংসদ সদস্য পত্মী ও প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বেবী মোর্শেদা খানম, কচুয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজরা ওবায়দুর রেজা সেলিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাজমা সরোয়ার, কচুয়া থানা অফিসার্স ইন চার্জ রবিউল কবির, অধ্যক্ষ নরেশ চন্দ্র রায়, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজরা জাহিদুল ইসলাম মন্নু, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার শিকদার হাবিবুর রহমান, আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শিকদার কামরুল ইসলাম কচি, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আজাদ হোসেন বালী, মোঃ কামরুল ইসলাম, কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান হাদিজ, মঘিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ্যাডঃ পঙ্কজ কান্তি অধিকারী,বাধাল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান  নকীব ফয়সাল অহিদ, মীর আওসাফুর রহমান মরুফ, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এ্যাডঃ দীলিপ মল্লিক, সাধারন সম্পাদক পুলিন বিহারী সাহা সহ আওয়মীলীগ নেতা জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগন।

কচুয়ায় সাংসদ মীর শওকাত আলী বাদশাহ
                                  


মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রনালয় সম্পর্কীয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বাগেরহাট-২ এলাকার সংসদ সদস্য এ্যাডঃ মীর শওকাত আলী বাদশা বলেছেন বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, সব সম্প্রদায়ের বসবাস এক সাথে। এখানে সব ধরনের মানুষ এক সাথে থাকে। সারাদেশে শান্তিপূর্ণ উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গা উৎসব পালিত হচ্ছে। বর্তমান দেশে যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে তা সম্ভব হয়েছে শুধূমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সততা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতা এবং যোগ্য নেতৃত্বের কারনে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প ও ব্যাবসা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ আজ এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে রোলমডেল। আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সব সম্প্রদায়ের জনগন উৎসব মুখর পরিবেশে এক সাথে বসবাস করে দেশকে উন্নতির শিখরে পৌছে দিতে হলে নৌকাকে বিজয়ী করে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রীর আসনে অধিষ্ঠিত করতে হবে।
কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এ্যাডঃ মীর শওকাত আলী বাদশা প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। এই সময় তার সংগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এএস এম মাহফুজুর রহমান,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠানিক সম্পাদক মীর ফজলে সাঈদ ডাবলু, সংসদ সদস্য পত্মী ও প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বেবী মোর্শেদা খানম, কচুয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজরা ওবায়দুর রেজা সেলিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাজমা সরোয়ার, কচুয়া থানা অফিসার্স ইন চার্জ রবিউল কবির, অধ্যক্ষ নরেশ চন্দ্র রায়, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজরা জাহিদুল ইসলাম মন্নু, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার শিকদার হাবিবুর রহমান, আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক শিকদার কামরুল ইসলাম কচি, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আজাদ হোসেন বালী, মোঃ কামরুল ইসলাম, কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান হাদিজ, মঘিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ্যাডঃ পঙ্কজ কান্তি অধিকারী,বাধাল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান  নকীব ফয়সাল অহিদ, মীর আওসাফুর রহমান মরুফ, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এ্যাডঃ দীলিপ মল্লিক, সাধারন সম্পাদক পুলিন বিহারী সাহা সহ আওয়মীলীগ নেতা জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগন।

অবহেলিত এলাকায় শিশুদের সুশিক্ষায় কাজ করছে
                                  

আজাদ রুহুল আমিন, বাগেরহাটঃ-
পিরোজপুর নাজিরপুরের রঘুনাথপুর মাঝখানে বয়ে গেছে বলেশ্বর নদী । মোহনা পেরিয়ে বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার একটি অন্যতম বৃহৎ ভাষা বাজার । হোগলা বন, আঁখ, ভুট্টা, সরষে, মশুরি, খেসারি, বিশাল ধান ক্ষেত জুড়ে যার অবস্থান । এরই মাঝে এক সময়ের অবহেলিত শিক্ষা দীক্ষায় আলোর প্রদীপ ছিল নিভু নিভু । এটি ধোপাখালী ইউনিয়নের সবচেয়ে অবহেলিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত । শিক্ষা গ্রহনে মাইলের পর মাইল হেটে যেতে হত নাটইখালী অথবা ধোপাখালী বিদ্যালয়ে । এ অঞ্চলে শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলোয় সুশিক্ষায় সুসন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে ভাষা বাজারের উপকন্ঠে গড়ে উঠেছে মাতৃছায়া কিন্ডার গার্টেন । এ অঞ্চলের অতি সাধারন মানুষ মাখন লাল পাইক । তারই জ্যেষ্ট পুত্র রতন পাইক ও কনিষ্ট পুত্র রঞ্জন পাইক । এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে ২০১১ সালে এ বিদ্যালয়টি স্থাপন করে যারা হতাশা ও বেকারত্বে ভুগছিলেন অথচ তারা অনেক নামি দামি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের শিক্ষিত সুসন্তান । যারা এলাকার মায়া ত্যাগ করে কখনও বাইরে যান নি । যে কারনে তাদের মেধার সুপ্ত বিকাশ ঘটেনি। তাদের পরিবারের মুখে দু`মুঠো অন্ন জোগারে শিক্ষানুরাগ হিসেবে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত সুপরিচিত দুই ভাই স্বর্ন ব্যবসায়ী চৈতী জুয়েলার্সের মালিক। এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান জনাব রঞ্জন পাইক ও রতন পাইক । তারা তাদের নিজেদের অর্জিত অর্থের বিনিময়ে একটি অত্যাধুনিক দ্বিতলা ভবন নির্মান করে এ অঞ্চলে আলোর প্রদীপ শিখা প্রজ্বলনে শিক্ষার গুনগতমান । শিশুর বিকাশ সাধনে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এখানকার শিশুরা একদিন দেশের হাল ধরতে পারে । সেই অবারিত সুযোগ সুবিধা প্রদানে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে কচুয়া উপজেলায় ভালো ফলাফলে অনন্য অবদান রেখে চলেছে । প্লে নার্সারি এবং প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত প্রভাতী ও দিবা দুই শিপ্টে এক ঝাঁক তরুন শিক্ষক নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। উপজেলা থেকে শুধুমাত্র সরকারীভাবে বই ছাড়া আর কোন সহায়তা এই পর্যন্ত মেলে নি । বর্তমানে এ স্কুলে প্রায় দু`শ ছাত্রছাত্রী রয়েছে । যাদের সামান্য বেতনে শিক্ষকরা কোন রকমে পরিবার নিয়ে জীবন চালিয়ে এ বিদ্যালয়টিকে এ অঞ্চলের একটি শিক্ষার আদর্শ মডেল হিসেবে অবদান রাখতে চান । ২০১৫ সালে দুইজন শিক্ষার্থী, ২০১৬ সালে দুইজন শিক্ষার্থী, ২০১৭ সালে দুইজন শিক্ষার্থী পিএসসি`তে মেধা তালিকায় বৃত্তি লাভ করেছে । এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে জনাব সমির কৃষ্ণ পাইক একটি ঐতিহ্য পরিবারের সন্তান । তার বাবা স্বর্গীয় ক্ষিরোদ বিহারী পাইক এলাকায় একজন জনপ্রিয় এ্যলোপেথিক ডাক্তার ছিলেন । যে কারনে সমির কৃষ্ণ পাইক উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও নিজের এলাকা না ছেড়ে এ অঞ্চলের মানুষের সেবা প্রদানে পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি ডাক্তার হিসেবে যশ খ্যাতি কুড়িয়েছেন । সহকারী শিক্ষক পঙ্কজ কুমার মন্ডল । যার পিতা স্বর্গীয় গোপাল চন্দ্র মন্ডল একজন নটরাজ হিসেবে এলাকায় অধিক পরিচিত ছিলেন । বিধান চন্দ্র পাইক খুবই বিনয়ী ও একজন আদর্শবান হিসেবে এলাকায় যার অনেক সুনাম। যার বড় ভাই সুভাষ চন্দ্র পাইক গোড়াগুড়ি থেকেই ধর্মানুরাগী বৈষ্ণব। শ্রীপতি রঞ্জন মজুমদার, নিবাশ সাহা, হাফিজুর রহমান । সহকারী শিক্ষিকা রিপা মৃধা, বুলু ঘরামী ও অঞ্জনা দাস । এই বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও বিভিন্ন জাতীয় উৎসব পূজা পার্বনে চৈতী জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষ আর্থিক অনুদান সহ শিক্ষকদের উৎসাহ যোগাতে তাদের ব্যাক্তিগত খোঁজ খবর । তাদের সুবিধা অসুবিধা লাঘবে সার্বিক নজরদারীতে তীখœ দৃষ্টি রয়েছে ।
এ বিদ্যালয়ে ধোপাখালী ইউনিয়নের ভাষা, বগা, ছিটাবাড়ি, শানপুকুরিয়া, শিরখালী, বয়ারশিংগা। বাগেরহাট সদরের গোটাপাড়া ইউনিয়নের নাটইখালী, পাতিলাখালী, বেতখালী । নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর। চররঘুনাথপুর ও মঘিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অভিভাবকরা ভালোমানের শিক্ষা গ্রহণে তাদের শিশুদের এ বিদ্যালয়ে পাঠদানে আগ্রহী। প্রতিষ্ঠাতা রঞ্জন পাইক এক সাক্ষাৎকারে মানবাধিকার খবরের প্রতিনিধিকে বলেন, আমি নিজে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে না পারলেও তীব্রভাবে অনুভব করেছি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। যে কারনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাজসেবার অন্যতম অংশ হিসেবে সর্বপ্রথম আমারই উদ্যোগে আমাদের শ্রমের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছি । এটি আরো আধুনিক আরো প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি হয়ে উঠবে এ উপজেলার একটি অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যার মাধ্যমে শিশুরা আদর্শ ন্যায়পরায়ন বিনয়ী নিয়মিত পাঠ্যভ্যাস কাজে লাগিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে দেশ ও জাতির কল্যানে অবদান রাখতে পারে।  রতন পাইক বলেন, আমরা পেশাগত ব্যবসা পরিচালনায় ঢাকায় অবস্থান করলেও আমাদের মন ও প্রান এলাকার প্রতি। এ যে নাড়ির টান। ফিরে চল মাটির টানে কবি গুরু রবী ঠাকুরের মহা উক্তি একদিন সত্যি সত্যি বাস্তবে রুপায়িত হবে। ফিরে আসতে হবে এই জনপদে এই প্রিয় জন্মস্থান। সেটি যেভাবেই হোক আর যে কারনেই এলাকার মানুষকে সেবা দিতে শুধু এ স্কুল নয় আমাদের আরো অনেক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবার স্বপ্ন রয়েছে। যার বাস্তবায়ন একমাত্র ভগবানের অপার কৃপা লাভ করতে পারলেই এলাকাবাসীর জন্য আমরা সেগুলো অচিরেই বাস্তবায়ন করতে পারবো।
শুধুমাত্র আমাদের একার প্রচেষ্টায় স্বপ্ন সাধ পূরন হবার নয়। এলাকার সচেতন মানুষেরও সহযোগীতার প্রয়োজন। এলাকার জনপ্রতিনিধি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য এবং মাননীয় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বেসরকারী সাহায্যকারী দাতা সংস্থার সুদৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের সব অগ্রযাত্রা এগিয়ে যাবে সন্মুখপানে - এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ - ছড়িয়ে যাবে গোটা দেশ থেকে বর্হিঃবিশ্বে আমাদের সন্তানরা । তাদের নেতৃত্বে গড়ে উঠবে ডিজিটাল বাংলাদেশ ।

নারী জগতের অহংকার নাজিরপুরের ইউএনও
                                  

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর - নাজিরপুরে জন্মের ২১ দিন পরে মা হারা দরিদ্র পরিবারের সন্তান সূর্য বড়ালের দায়িত্ব নিয়ে মানবীয় ও নারী জগতের অহংকার, প্রমান করলেন নাজিরপুরের ইউএনও রোজী আক্তার। নাজিরপুর উপজেলার শাঁখারিকাঠী ইউনিয়নের বেকারখাল গ্রামের স্বপন বড়ালের ছেলে সমুদ্র বড়াল জীবিকার তাগিদে ঢাকায় রিকশা চালান। চলতি বছরের ৩ জুলাই নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্স এ সমূদ্র বড়ালের স্ত্রী তারামনি বড়াল একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় এবং তারামনি অসুস্থ থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরে। অর্থের অভাবে একরকম চিকিৎসা না পেয়েই ২৭ জুলাই তারামনি মারা যায়। এরপর সমূদ্র বড়ালের বৃদ্ধ মা মালতি বড়াল শিশু সূর্য বড়ালকে লালন-পালন করতে থাকেন। মা হারানো ঐ শিশুটিকে দুধ কিনে খাওয়ানোর মত আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় ক্রমে খাবারের অভাবেই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পরে। এ অবস্থায় অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের কোন এক রবিবার শিশুটিকে নিয়ে সাহায্যের জন্য ইউএনও এর কাছে আসেন। ইউএনও রোজী আক্তার সবকিছু শুনে শিশুটির ভরন-পোষনের জন্য মালতির হাতে নগদ দশ হাজার টাকা তুলে দেন এবং শিশুটির ভরন-পোষন সহ চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। প্রতিনিধির সাথে উপজেলা চত্ত্বরে কথা হলে মালতি বড়াল বলেন মা হারানো অসহায় শিশুটিকে বাচানোর আর কোন পথ ছিলনা, ঠিক এমন সময় ইউএনও শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ায় নিশ্চিন্ত হয়েছি। ইউএনও রোজী আক্তার বলেন শিশুটি অসচ্ছল পরিবারের সন্তান। ঐ পরিবারের পক্ষে শিশুটিকে দুধ কিনে খাওয়ানো বা চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নাই। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে আমি শিশুটির দায়িত্ব নিয়েছি। এরূপ একটি দৃষ্টান্ত নাজিরপুর বাসীকে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করেছে।নারী জগতের অহংকার নাজিরপুরের ইউএনও

পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে টেকনাফের মাদক ব্যবসায়ী নিহত
                                  

মোহাম্মদ জানে আলম সাকী, কক্সবাজার:-
কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে মফিজ আলম নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি মেরিন ড্রাইভ সড়কে ঘটে। সকালে মেরিন ড্রাইভ সড়কের হ্যাচারি জোন এলাকার পার্শবর্তী জঙ্গলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মফিজ আলমের মৃত দেহ পাওয়া যায়। এ সময় ঘটনা স্থলথেকে ৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নিহত মফিজ আলম হ্নীলা’র লেদা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মৃত লাল মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে। টেকনাফ মডেল থানা সূত্রে জানান, মেরিন ড্রাইভ সড়কের হ্যাচারি জোন এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল চলাকালে জঙ্গলে একদল লোকের সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে পুলিশ এগিয়ে গেলে হঠাৎ পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মফিজ আলমের মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। নিহত মফিজ আলমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মাদক আইনে মামলা রয়েছে। এছাড়া তিনি একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।

জাতীয় প্রেসক্লাবে “মায়ের ডাক” আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গুম হওয়া স্বজনদের ফিরিয়ে দেয়ার দাবি ৪০টি
                                  

সরকারের কাছে গুম হওয়া স্বজনদের ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ৪০টি পরিবারের সদস্যরা। গত ৩০ আগষ্ট সকালে আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে মায়ের ডাক নামে একটি সংগঠন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান দাবিতে উপস্থিত হয় পরিবারগুলো। নিখোঁজ হওয়া মানুষদের স্মরণ ও গুমের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই, আন্তর্জাতিক গুম দিবস পালনের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রিয়জনের প্রতীক্ষার প্রহর গুনছে সবাই। কারো অপেক্ষা এক বছর। কেউ পথ চেয়ে বসে আছেন ৫-৭ বছর। বাবা-ভাই বা প্রিয় সন্তানের জন্য এই অপেক্ষা যেনো শেষ হয় না। বাবাকে ফিরে পাওয়ার দাবি নিয়ে প্রেসক্লাবে এসেছিলো সামিহা। বাবাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য সামিহার সংগ্রাম শুরু ৯ মাস আগে। তারপর থেকে প্রতিদিনই ঘুরছেন সরকারি দপ্তর আর অফিসের দ্বারে দ্বারে। বাবা সাবেক কূটনীতিক মারুফ জামানের কী হয়েছে, কোথায় আছেন, জানা নেই কারো। গত কয়েক বছরে নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান দাবিতে, আন্তর্জাতিক গুম দিবসে ৪০ টি পরিবারের সদস্যরা একত্র হন জাতীয় প্রেসক্লাবে। সরকারের কাছে তাদের একটাই দাবি, ফিরিয়ে দেওয়া হোক স্বজনদের। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই এসব গুমের সাথে জড়িত। নিখোঁজ ব্যক্তিদের দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে মনে করেন বক্তারা। প্রতিবাদী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তেজগাঁও থেকে নিখোঁজ বিএনপি নেতা মো. সাজেদুল ইসলাম সুমনের মা হাজেরা বেগম। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কমরেড সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের চেয়ারম্যান সি আর আবরার। মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে গুমগুলো হয়েছে, তার প্রায় সবগুলোই রাজনৈতিক। মানুষকে দু’ভাবে মারা যায়; মনোবল ভেঙে দিয়ে তাকে মানসিকভাবে দমিয়ে রাখা এবং তাকে ভয়ের মধ্যে রাখা। এভাবে ভয়ের সংস্কৃতি চালু করতে পারলে লাভ সরকারেরই।’ তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরে দেশে একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনের আগে সরকার কোনো ফরিয়াদই আমলে নেবে না। তাই এ নির্বাচনে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেন স্বৈরাচার ফের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না আসতে পারে। আবার ভোটের পরেও খেয়াল রাখতে হবে যেন অন্য কেউ ক্ষমতায় এলেও আবার স্বৈরাচারী না হতে পারে। কমরেড সাইফুল হক বলেন, গুম-খুন নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ক্রমাগত মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে তাদের কোনো সত্য কথাও এখন আর জনগণ বিশ্বাস করতে পারছে না। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশে যদি আরেকটা প্রহসনের নির্বাচন না চান, তবে গুমের শিকার ব্যক্তিদের তাদের স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিন। কোথায়, কখন কিভাবে দেবেন সেটা আপনারাই ঠিক করুন। দয়া করে এসব স্বজনহারাদের প্রতি আর অবিচার করবেন না। জোনায়েদ সাকী বলেন, গুমের রাজ্যে প্রতিদিনই আমরা নানাভাবে অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। রাষ্ট্রীয় এ অপরাধ বন্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্থান প্রয়োজন। আগামী নির্বাচনে আমাদের সেটিই নির্ধারণ করতে হবে। অধিকারের চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যদি সামান্যতম শ্রদ্ধা থাকে, এসব গুমের অবসান হওয়া উচিত। রাষ্ট্র কেবল ক্ষমতাশালীদের জন্য নয়, এ রাষ্ট্র ক্ষমতাহীনদেরও। সমাবেশের শেষে গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের মা হাজেরা খাতুন বলেন, ‘আমাদের সন্তাানদের কোনো অপরাধ নেই। আমরা এ জন্য কাউকে দোষারোপও করব না। দয়া করে সন্তানদের ফেরত দিন।’ এ সময় হাজেরা খাতুনসহ অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

অধিকারঃ মানবাধিকার প্রতিবেদন আগষ্ট-২০১৮
গণতন্ত্র ও জবাবদিহি সরকারের অভাবে ব্যাপক দুর্নীতি, বিচার

গণ আজাদী লীগের আলোচনা সভায় মোহাম্মদ নাসিম ৭১ ও ৭৫ খুনিরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে
                                  

মানবাধিকার খবর প্রতিবেদনঃ-
আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, একাত্তর ও পঁচাত্তরের খুনি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকরা যেন আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় না পারে সেজন্য দেশবাসীসহ ১৪ দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, তারা ক্ষমতায় এলে দেশ আবার অন্ধকারে চলে যাবে, দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটবে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দেশবাসী আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণআজাদী লীগ আয়োজিত স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও মহান জাতীয় নেতা মাওলানা আবদুর রশিদ তর্ক বাগিস এর ৩২ তম প্রয়ান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। নির্বাচন বানচালের ক্ষমতা কারো নেই। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন হবে। ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নির্বাচনে কে আসলো, না আসলো তাতে কিছু যায় আসে না। তবে আমরা আশা করি সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। তিনি বলেন, খুনিদের সঙ্গে কোনো আপোষ করবে না আওয়ামী লীগ।

গণআজাদী লীগের সভাপতি এসকে সিকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়া, জাসদের নাজমুল হক প্রধান এমপি, আবদুল আউয়াল এমপি, বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগের মহাসচিব মোহাম্মদ আতাউল্লাহ খান, ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ আজাদী লীগের নের্তৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

 

রোহিঙ্গা গণহত্যা সমাধান কতদুর? দায়এড়াতে পারে না বিশ্ব সম্প্রদায়
                                  

নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী ও দশ অস্থায়ী সদস্যের প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও সমাধানের উদ্দেশ্যে তিনদিনের বাংলাদেশ সফর করে গেলেন। এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ আন্তর্জাতিক কোন ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের সকল সদস্য দেশের কোন সংকটস্থলে যাওয়ার ঘটনা বিরল। তাই আশায় বুক বেঁধে আছে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে আসা এবং স্বজন-প্রিয়জন হারানো, আতঙ্কিত, নিষ্পেষিত, নির্যাতিত ও ধর্ষিতা বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশও একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের অপেক্ষায় আছে।
প্রতিনিধিদল ৩০ এপ্রিল ২০১৮ মিয়ানমারের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। যাওয়ার পূর্বে বাংলাদেশকে তারা জানিয়েছেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছে অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে রোহিঙ্গা ইস্যু। তবে দ্রুত এর কোন সমাধান নেই। এটি একটি মানবিক সংকট ও মানবাধিকার ইস্যু। বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারা কাজ করবেন। নৃসংশতার দায়ে মিয়ানমারকে জবাবদিহিতায় আনার উদ্যোগে চীন ও রাশিয়া বাঁধা বলেও তাদের কাছ থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও ঐ দুই দেশেরই সদস্য ছিলেন প্রতিনিধি দলে। তাই তারা এটাও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, নিরাপত্তা পরিষদকে নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী না হতে। এতবড় গুরুত্বপূর্ণ সফর, বিশ্বসংস্থার এত শক্তিশালী একটি দল রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে, তাদের কান্নার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করার পরেও যদি এ ধরনের বার্তা হয় তাহলে নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষ কোথায় যাবে, কার কাছে বিচার চাইবে?
প্রতিনিধিদল মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও সেনানেতৃত্বের বিপরীতমুখী অবস্থান দেখলেন। তাদের সঙ্গে বৈঠকে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি বললেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে তার সরকার তৈরি।

রঙ তামাশার দুনিয়া । আমরা কতটা নির্লিপ্ত আর স্বার্থপর !! ??
                                  


পবিত্র সিয়াম সাধনায় রত বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মপ্রান মুসলমান । সংযম ত্যাগ আর নিরন্ন অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট অনুভব করার মধ্য দিয়েই মূলত রমজানের তাৎপর্য প্রতিভাত হয়ে ওঠে ।
দেশের বিত্তশালীরা রমজানে ইফতার থেকে শুরু করে অফুরন্ত হাজারো রকম পাহাড় সমান খাবারের আয়োজন করে থাকেন । তারাই যেন প্রকৃত ঈমানদার । বুক ফুলিয়ে বলেন, রমজানে ইচ্ছেমত খাওয়া যাবে । কোন জবাবদিহিতা করতে হবে না । অথচ এ দেশের মধ্যবিত্ত বা সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস । তাদের ইফতার সন্ধ্যা রাতের খাবার কিংবা সেহরী লবন ভাত, আলু, ডিম কাঁচকলা ভর্তা কপালে জুটে কিনা সন্দেহ । আমাদের দেশে রমজান এলে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ক্রয় ক্ষমতার বাইরে গেলেও এক শ্রেনীর কোন অসুবিধা না হলেও সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাওয়ায় রীতিমত হিমসিম খেতে হয় । নেই কোন বাজার নিয়ন্ত্রন ।
সাধারন ধর্মপ্রান মধ্য বা নিম্ন আয়ের পরিবারের কর্তা ঈদের খুশিকে সানন্দে গ্রহন করতে সন্তানের সাধ পূরনে শ্রম দিয়ে জোগাড় করেন অর্থ । অথচ রমজানের শেষ সময়ে তাদের ছেলে মেয়েদের পোশাক পরিচ্ছদ মানসম্মত পাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় । কারন রমজান শুরুতেই যাদের হাতে প্রচুর টাকা পয়সা রয়েছে তারা পুরো রমজান ভরেই কেনাকাটা করে থাকেন । তাদের ভীড়ে বাজারে ঢোকাই দায় । এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সারাদেশে কেনাকাটা ৭০ শতাংশ ছাড়িয়েছে ।
এখন শেষ রোজায় চাঁদনী রাতে বিপনন কেন্দ্রে ভালো মানের পোশাক বস্ত্র জুতা সেন্ডেল পাওয়া যায় না । রোজার শুরুতেই বেচা কেনার ধুম পড়ে যায় । ঈদ আরো বর্নাঢ্য আরো স্মৃতিময় করতে ইউরোপ আমেরিকা সিঙ্গাপুর সহ বিদেশে ঈদ উদযাপন করতে মহাব্যস্থা । এছাড়া ঈদের কেনাকাটা তাদের রুচি সম্মত হওয়া চাই । দাম যতই হোক । তারা মার্কেটিং করতে রাজধানী ঢাকা বড় বড় বিভাগীয় শহর আর অঢেল বিত্তশালীদের ভারত, সিঙ্গাপুর, মালেয়শিয়া, আরব আমিরাতে অর্ডার দিয়ে তাদের কাংখিত অভিজাত জামা কাপড় আসবাবপত্র সংগ্রহ করে থাকেন । কেউ বা বিলাশবহুল বাড়ি গাড়ি । ঘর সাজানোর দামি দামি আসবাবপত্র ক্রয়ে ব্যস্ত । অথচ অনেকের জীবনে ঈদ খুশি আনন্দ না বেদনা তার মমার্থ কেউ বুঝতে চায় না । সাধারন বা মধ্যবিত্ত শ্রেনীর মানুষ তারা পারে না হাত পাততে । তারা ঠিকমত বছরে এ ঈদ উৎসবে তাদের ছেলেমেয়ে প্রিয়জনদের সাধ্যমত কেনাকাটা করতে পারে না । এছাড়া মফস্বঃল শহর কিংবা জেলা শহরেও বেচাকেনার ধুম সাধারন মানুষ ছাড়া এলাকার বিত্তশালীদের কেনাকাটা না করার প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত । তারা লাখ লাখ টাকার পণ্য সামগ্রী এনেও তারা কাংখিত মুনাফা করতে পারে না ।
যাকাতের শাড়ি ইফতার সামগ্রী বিত্তশালীরা মাইকিং করে হাজার হাজার গরীব দরিদ্র অসহায় নারী পুরুষ জরো করে লোক দেখানো ঈদ সামগ্রী দিতে গিয়ে গেট ভেঙ্গে কিংবা পদতলে পিষ্ট হয়ে সারাদেশে প্রতি বছর কত শত গরীব অসহায় নারী পুরুষ মর্মান্তিকভাবে প্রান হারিয়েছেন । তার পরিসংখ্যন দেয়া কঠিন । সম্প্রতি ইফতার সামগ্রী যাকাতের শাড়ি নিতে সাতকানিয়ায় প্রচন্ড ভিড়ে পদদলিত হয়ে ৯ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং পাহাড়তলী সহ এ পর্যন্ত শুধু চট্টগ্রামেই গত ৩০ বছরে ২০০ লোকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে । কোন বিচার হয় নি । এরা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে ।
অথচ রাশিয়ায় বসবাসরত জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলমানের সংখ্যা ১০ শতাংশ । অর্থ্যাৎ দুই কোটি মুসলিম সেখানে বসবাস করে এবং তাদের এই শহরগুলোতে ৮ হাজার মসজিদ গড়ে উঠেছে । একসাথে ৫ ওয়াক্ত নামাজ সহ তারাবী ও দোয়ায় শরীক হন গরীব ধনী নির্বিশেষে । এক কাতারে সামিল হন । বিশ্বে অন্যান্য দেশে রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যায় অথচ আমাদের দেশে পুরোটাই উল্টো । প্রতি সবে বরাতের শুরু থেকে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেরা সিন্ডিকেট তৈরী করে সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কাউকে ম্যানেজ করে আদা, রসুন, ছোলা, পেয়াজ থেকে শুরু করে সমস্ত জিনিসের দাম বেড়েছে ছাড়া কোণ বছর তার স্থিতিশীলতা পরিলক্ষিত হয় নি । রাশিয়ার মত জায়গায় পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম

জমি ফিরে পেতে বৃদ্ধ একরাম উদ্দিনের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
                                  


বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ৩১ নং চাপতলা মৌজার পূর্বপাড়া চাপাতলা গ্রামের মৃত শেখ ওতার উদ্দিনের পুত্র শেখ একরাম উদ্দিন (৮৯) তার নিজ পৈত্রিক জমি ভোগ দখল করতে পারছেন না । জবর দখল করে বছরের পর বছর সেখানে মাছের ঘের, বসত ভিটায় ঘর বাঁধার পাকা ভীত ( পোতা ) এবং রেকর্ডিও সড়কের অংশ জুড়ে পোল্ট্রি ফার্ম করছে দাপটের সাথে স্থানীয় শওকত গংরা ।
শেখ একরাম উদ্দিনের মোট পৈত্রিক সম্পত্তি ২৩ বিঘার বেশি হলেও ১৯৮৮ সালে মাঠ পর্যায়ে সেটেলমেন্ট সরেজমিন ডি.পি. জরিপকালীন সময়ে এলাকার দুষ্ট চক্র শওকত গং একরাম উদ্দিনকে মারপিট করে আহত করে। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে থাকাকালীন সময়ে এ শওকত গংরা সংশ্লিষ্ট ডি.পি. জরিপকারী কর্মকর্তাদের ঘুষ প্রদান করে অধিকাংশ জমি তাদের নামে ডি.পি. জরিপ করিয়ে নেয় ।
শেখ একরাম উদ্দিনের নামে মাত্র ৩৩ শতক যা ১৪ কাঠার মত । এই সম্পত্তি শেখ একরাম তার মা নুরজাহান বেগম, বোন রাবেয়া বেগম, সুফিয়া বেগম ( সাবেক ইউপি মহিলা সদস্য ) নামে ডি.পি. জরিপে তালিকাভূক্ত হয় । উক্ত জমির খাজনা বর্তমান ২০১৮ সাল পর্যন্ত পরিশোধ থাকলেও এ সকল জমি বৃদ্ধ একরাম শেখ ভোগ করতে পারছেন না । শওকত গংরা এলাকায় খুবই শক্তিশালী সুবিধাভোগী এবং জনবলে বেশি থাকায় বিভিন্ন ব্যাক্তি পৃষ্টপোশকতায় বা ম্যানেজ করে ভুল বুঝিয়ে অন্যায়ভাবে একরাম শেখের জমি ভোগ দখল করে চলেছে । প্রতিবাদ করার মত এ বৃদ্ধের সাহস নেই । একরাম উদ্দিনের দাদার ক্রয়কৃত সম্পত্তি পিতার সূত্র ধরে সেই বসতভিটায় বর্তমানে তাদের জন্য বসবাস করা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে । তাদের আঙ্গিনায় বনজ, ফলজ প্রচুর গাছ এবং পুকুর ও ক্যানেলে মাছ থাকায় সেগুলো শওকত গংদের গরু ছাগল হাস মুরগী দিয়ে প্রতিনিয়ত আর্থিকভাবে ক্ষতি করলেও প্রতিবাদ করলে সাথে সাথে তার পুত্র কন্যারা মারধরের জন্য ঝাপিয়ে পড়ে । বৃদ্ধ একরাম শেখ সব সময় আশংকা করেন যেকোন সময় তারা জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করতে পারে বলে তার চার পুত্রের তিন পুত্র অন্যত্র বসবাস করছে । তার ছোট ছেলে এমদাদ শেখ জেলা সার্ভার স্টেশন বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কার্য্যালয়ের অধীন স্মার্ট কার্ড প্রদান একটি খন্ডকালীন প্রজেক্টে চাকরীরত । বৃদ্ধ পিতাকে দেখা শোনা করার জন্য চোখ বুঝে বসবাস করছে । ১৯৮৮ সালে এই শওকত গংরা তৎকালীন উপজেলা হাকিম মহোদয়ের নিকট শেখ একরামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন । মামলা নং ২৭৭/৮৮ । এলাকার তৎকালীন যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুস সত্তার উক্ত মিথ্যা মামলাটি হাকিম বাহাদুর মহোদয়কে প্রত্যাহার করার জন্য লিখিত আবেদন জানান । এছাড়া একই বিষয় নিয়ে যাত্রাপুর ইউনিয়ন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ও বারইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের তিন চেয়ারম্যান একরাম উদ্দিনের জানমালের ক্ষয় ক্ষতি লাঘবে সর্বসম্মতিক্রমে একটি লিখিত আবেদন উপজেলা হাকিম মহোদয়কে অবহিত করেন ।
২০১৭ সালে বিষয়টি যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মতিনকে লিখিত আকারে বৃদ্ধ একরাম শেখ বিষয়টি সুরাহাকল্পে শরণাপন্ন হলে চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মতিন ২জন ইউপি সদস্য ও ২জন গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ইউনিয়নের আমিনের মাধ্যমে জায়গা পরিমাপ করে । উক্ত শালিসিগন স্ব স্ব স্থানে তাদের জমি ভোগ দখলের মৌখিক নির্দেশনা দেন । কিন্তু শওকত গং তা মানে না । অনেক বার নির্দিষ্ট জায়গায় বাউন্ডারি করার জন্য অস্থায়ী খুঁটি গাড়লেও শওকত গংরা উঠিয়ে ফেলে । যে কারনে একরাম শেখ পরিবার পরিজন নিয়ে নির্বিঘ্নে বসবাসের ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত বাউন্ডারি দিতে না পাড়ায় প্রতিনিয়ত তাদের জীবন নাশের আশংকায় ভুগছেন । একরাম শেখ জানান, যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল মতিনের আন্তরিকতার কোন অভাব নেই । তিনি চান সুষ্ঠু নিরপেক্ষ সমাধান । অথচ শওকত গং তার প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে বাদী একরাম শেখ ও তার পরিবারকে একের পর এক হয়রানী করে চলেছে ।
একরাম শেখ জানান, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক । তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় যাত্রাপুর চাপাতলা উচু পোলের নিকট সক্রিয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন মিটিং এ ও সভায় নিয়মিত অংশগ্রহন করতেন । গভীর রাত পর্যন্ত তাদের বৈঠক চলত ।
তিনি সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঐ সকল যুদ্ধে অংশগ্রহনরত মুক্তিযোদ্ধাদের রসদ রান্না করা খাবার এবং নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করতেন । অথচ শওকত গংরা মুসলীম লীগ থেকে বিএনপি এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কায়দায় এলাকার মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তার জায়গা অবৈধ অন্যায় অনৈতিকভাবে ভোগ দখল করে আসছে দাম্ভিকতার সাথে । এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা । মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী । জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান । সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন জাতীয় এবং জেলা পর্যায়ের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক তার বসতভিটায় নির্বিঘ্নে বসবাস এবং ৩৩ শতক জমি অবৈধ দখলদারি শওকত গং দের হাত থেকে মুক্ত করে নিজে এবং তার সন্তানরা আর্থিকভাবে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারে এ ব্যাপারে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।

বেশিরভাগ বিরোধ নিষ্পত্তি হচ্ছে
                                  

॥ আতাউর রহমান সোহেল, গাজীপুর ॥
শ্রীপুরের মুলাইদ গ্রামের আফাজ উদ্দিনের কন্যা নাসরিন আক্তার। গত আট মাস আগে বরামা গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে ফারুক মিয়ার সাথে তার বিয়ে হয়। যৌতুকের দাবী নিয়ে স্বামী-স্বজনদের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।
তিনি জানান, সুবিচারের আশায় ইউনিয়ন পরিষদের স্মরণাপন্ন হন। পর পর বেশ কয়েকটি তারিখে শুনানী হয়। ১১ ফেব্রুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি এক লাখ ২৫ হাজার টাকা আমাকে দিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়। আগামী এক মাসের মধ্যে সমুদয় অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে সংরক্ষন বা জমাদানেরও সিদ্ধান্ত হয়। ইউপি সুত্র জানায়, ইতোমধ্যে ২৫ হাজার টাকা জমা করা হয়েছে।
গাজীপুরের শ্রীপুরে নারী সংক্রান্ত বিরোধের বেশিরভাগ নিষ্পত্তি হয় ইউনিয়য়ন পরিষদ কার্যালয়ে। ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি এ কাজটি বাস্তবায়ন করেন।
শ্রীপুর উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়ন পরিষদেই নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি রয়েছে। তিনজন সংরক্ষিত নারী সদস্যের মধ্যে একজন এ কমিটির সভাপতি মনোনীত হন। তার সাথে আরও কমপক্ষে চারজন সদস্য এ কমিটির সদস্য থাকেন। বরমী ইউনিয়ন পরিষদে এ কমিটির সভাপতি সংরক্ষিত নারী সদস্য রেজিয়া বেগম।
এরকমভাবে নারী নির্যাতনের নানা ঘটনায় নারীরা ইউনিয়ন পরিষদের স্মরণাপন্ন হন। ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি নারীদের এসব বিষয় নিয়ে নারীদের পক্ষে কাজ করে থাকে।
বরমী ইউনিয়ন পরিষদে এ কমিটির সভাপতি সংরক্ষিত নারী সদস্য রেজিয়া বেগম বলেন, এ কমিটি মূলত: নারীদের পক্ষে কাজ করে। প্রতি দু’মাস পর পর একটি করে সভা করা হয়। সভায় নারী নির্যাতন শিশু সুরক্ষায় অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
ময়মনসিংহের পাগলা থানার হাজী আব্দুল মান্নানের কন্যা রিমা আক্তার। এক বছর আগে শ্রীপুরের বরামা গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে রুবেল শেখের সাথে বিয়ে হয়। যৌতুকের অভিযোগে রিমা বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পর পর কয়েকটি শুনানী শেষে তাদের মধ্যে যৌতুকের বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। সংরক্ষিত নারী সদস্য রেজিয়া বেগম বলেন, শুধু শুনানী নয়, দুই পক্ষের সাথে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে একটি জটিল সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।
বরমী ইউনিয়নের পাঠানটেক গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের কন্যা রুমা আক্তার। তিনি জানান, তার স্বামী চার মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ৯ বছরের সংসার জীবন তার। স্বামী অসুস্থের পর শ^াশুড়ী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। সুবিচারের জন্য টাকা খরচ করার সামর্থও নেই তার। পরে এলাকার লোকজনদের পরামর্শে ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু কমিটির কাছে আবদেন করেন। সেখানে কয়েক দফা শুনানী ও আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে নারী হিসেবে স্বামী সংসারে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি এখন তার স্বামীর ঘরে আছেন।
বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক বাদল সরকার বলেন, প্রতি মাসে গড়ে কমপক্ষে ১৫টি নারী বিষয়ক সমস্যার অভিযোগ আসে। ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি এ নিয়ে কাজ করেন। বাদী বিবাদী পক্ষ নিয়ে পর পর চারটি তারিখে আলোচনা ও শুনানী হয়। বিষয়টি চারটি তারিখের মধ্যেই মীমাংসা করা হয়। চারটি তারিখ সাধারণত চার সপ্তাহে দেয়া হয়। কোনো পক্ষ সময় চেয়ে নিলে শুনানী বা আলোচনার দিনক্ষণ কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে মোট আবেদন করা ৮৫ ভাগ প্রার্থীর আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়।
যদি ইউনিয়ন পরিষদের আলোচনায় নিষ্পত্তি না হয় তাহলে আদালতে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এরকম একটি উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শ্রীপুরের সোনাকর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে রুবেলের সাথে সাত বছর আগে তার বিয়ে হয়। নেশাগ্রস্ত স্বামী স্ত্রীকে মারপিট ও যৌতুকের দাবীতে মারধোর করে। পর পর চারটি তারিখে আলোচনা ও শুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু কোনো মীমাংসায় পৌঁছাতে পারিনি। অবশেষে বাদীনিকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান বাদল সরকার বলেন, নারীদের কল্যাণে এ কমিটি ইউনিয়ন পরিষদে অন্যান্য ১৩টি কমিটির মধ্যে একটি।
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলী স্টারের সাংবাদিক প্রভাষক আবু বকর সিদ্দিক আকন্দ সোহেল বলেন, স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ কাঠামো শক্তিশালী এবং বেগবান হলে তৃণমূলের অধিকাংশ নারী নির্যাতনের ঘটনা সেখানেই নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে আদলতে যেমনি মামলাজট কমবে তেমনি নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অব্দুল জলিল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের নারী শিশু ও পারিবারিক বিরোধ নিরসন কমিটি পারিবারিকভাবে বেশিরভাগ নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। এ কমিটিকে আরো বেশি শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এতে তৃণমূল নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরও ভূমিকা রাখতে সক্রিয় হবে।


    




নিজেকে জানি সেমিনারের বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধ কলুষমুক্ত করতে আরও একটি যুদ্ধ প্রয়োজন
                                  

মানুষ হায়েনাকে ভয় পায় না । মানুষ মানুষকে ভয় পায়। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। পশু পাখীদেরও প্রভূ ভক্তি রয়েছে। এরা তাদের অনুভূতি এবং ভিন্ন ভিন্ন  আঙ্গিকে সমাজের  শ্রেষ্ট কাজে অংশ নিয়ে সমাজ ও পরিবারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। বাংলাদেশের সেরা চৌকশ র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান ফোর্স। সন্দেহভাজন, নাশকতামূলক কাজে ডগ স্কয়ার্ড ব্যবহার করে সঠিকাভাবে দেশ বিরোধী অপরাধী চক্রান্তকারীকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়। নিরন্তর বেঁচে থাকার জন্য যতটুবু সময় পাওয়া যাবে তার সঠিক সময়ে মেপে মেপে চলতে পারলেই নির্দিষ্ট লক্ষে পৌছানো সম্ভব। মৃত্যু হলে নতুন কোন জীবন আসবে না। মাহফুজা খানম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হল রুমে  নৈতিক শিক্ষা সহায়ক ``নিজেকে জানি`` এক শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। সুপ্রভাত বাংলাদেশ বাগেরহাটের আয়োজনে সংগঠনের নির্বাহী প্রদান মোঃ বাবুল আকতার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, সময় ফুরিয়ে যাবার আগেই সময় থাকতে সময়ের স্বদব্যবহার করতে হবে। বৃদ্ধ বয়সে কাঁদলে হবে না। বিপন্ন  অসহায় সাধারন মানুষের সম্পদ লুন্ঠন অন্যায় করে কোনক্রমে এ জগতে যেমন পার পাওয়া যায় না পরজগতেও রয়েছে বিধাতার চরম শাস্তি। মানুষের নৈতিক চরিত্র দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানোর শিক্ষার্থীদের চরিত্রবান এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবার কোন বিকল্প নেই। তাই ছাত্র জীবনই শ্রেষ্ট সময়। নিজেকে গড়ার পাশাপাশি চরিত্র গঠনে আদশ নৈতিকতা সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে নিরলস পাঠ্যভাস পরিবেশ এবং ভবিষ্যতে নিজেকে দেশের একজন আদর্শ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতিকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে এক যোগে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক আজাদ রুহুল আমিন বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক রুচি সম্মত ভবন। শিক্ষার্থীদের রুচি সম্মত বসার সুব্যবস্থা এবং অসহনীয় গরে বৈদ্যুতিক পাখার মাধ্যমে শীতল বাতাস আর তাদের জন্য রয়েছে বিনা বেতনে বিশেষ করে মেয়েদের অবৈতনিক ভাবে প্রথম  শ্রেনী থেকে বিএ পর্যন্ত ব্যয় ভার। বিনা মূল্যে বই বিতরন উপবৃত্তি সহ নানা সুযোগ সুবিধা। এছাড়া বিদ্যালয়ে অনেক বিত্তশালীরা শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক বিতরন এবং দুপুরে মিলডের ব্যবস্থা এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। শুধু তাই নয় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং পিএইচডি করা কালীন সময়ে স্কলারশীপ পেলে তাদের জন্য রয়েছে অবাধ সুবিধা। প্রাথমিক ভীত শক্ত না হলে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো দুষ্কর। শিক্ষা গ্রহন  দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত। শিক্ষাখাতে বড় বিপর্যয়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা যতটা উন্নত নয় তার চেয়ে আধুনিক ভবন সুযোগ সুবিধার অন্ত নেই। সারাদেশে কোটি টাকা ব্যয়ে সুউচ্চ ভবন। গ্রীষ্মের দাবানলে আরামদায়ক করতে বৈদ্যুতিক পাখা। বসার উন্নতমানের আসবাবপত্র। এবং প্রাচীর ও আধুনিক তোরন সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন অসংখ্য সাইক্লোন সেল্টার নির্মান। বিনা বেতনে পড়ালেখা। বিনা মূল্যে বই বিতরন। উপবৃত্তি। বই উৎসব। মিল ডে আরো নানা আয়োজন। আলাদা পোশাক বিতরন। খেলাধুলা ও বিনোদনে এগিয়ে থাকলেও এক শ্রেনীর অসাধু শিক্ষকদের কোচিং বানিজ্য। শিক্ষকদের তুষ্টি অর্জনে যে সকল বই কোম্পানী সক্ষম সে সকল গাইড শিক্ষার্থীদের কিনতে বলেন। সদ্য প্রকাশিত পাবলিক পরীক্ষা সহ ফাইনাল পরীক্ষায় গনিত ও ইংরেজী পরীক্ষার ফলাফল এবারই সবচেয়ে নিম্নগামী। শিক্ষক নিয়োগের  ক্ষেত্রে মেধা এবং উক্ত দুই বিষয়ে পারদর্শি না হলেও বছর জুড়েই নিয়োগ প্রাপ্তীর পর পিটিআই ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষকদের প্রশিক্ষিত করা হয়। যাতে শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা উপহার দিতে পারে।
শিক্ষকদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। নেই কোন মনিটরিং এর ব্যবস্থা। বিদেশে মনিটরিং এর ব্যবস্থা এবং ঠিকমত পাঠদানে ব্যর্থ হলে তাদের বিদায় করা হয়। সিগারেটের বিজ্ঞাপন বন্ধ হলেও টেলিভিশনে পত্রিকায় বিভিন্ন গাইডের বিজ্ঞাপন সরকার তথা শিক্ষা মন্ত্রনালয় বন্ধ করতে পারে নি । অনেক বিদ্যালয়ে জেএসসি, পিএসসি তে আশাব্যঞ্জক জিপি এ+ পাবার আনন্দ যেমন তেমনি যে শিক্ষার্থীরা ফেল করে তাঁর দায়ভারও স্কুল তথা শিক্ষকদের উপর বর্তায়। যখন বৃত্তি পরীক্ষা চালু ছিল তখন পর্যন্ত শিক্ষকরা নিজের পটেকের পয়সা দিয়ে চা বিস্কুট সিঙ্গারা খেয়ে শিক্ষার্থীদের আলাদা অতিরিক্ত ক্লাস এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদারকী করতে দেখা যেত। শিক্ষাখাতে অফিস পিয়ন  থেকে রু করে শিক্ষক নিয়োগ। শিক্ষকদের  পোষ্টিং সহ বিভিন্ন অনিয়ম যা ওপেন সিক্রেট। এটি বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে প্রত্যক্ষ করা। যারা দারিদ্র গরীব অর্থনৈতিক দৈন্যতা তারা প্রাইভেট পড়তে পারছে না। এক শ্রেনীর শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট না পড়লে তাদের ভালো চোখে দেখা হয় না এবং তাদের হাতে  যে ক্ষমতা আছে তাঁর অপপ্রয়োগ করা হয়। বিভাগীয়, জেলা, উপজেলার এ সকল আধুনিক শিক্ষা ভবনের ভিত্তি ফলক-ভবন উদ্বোধন করেন সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগন। অথচ তাদের ছেলেমেয়েরা ঢাকার অভিজাত কিংবা এ সকল শহরে কোথায় ভালো কিন্ডার গার্টেন আছে সেখানে তাদের ছেলেমেয়েদের পড়ানো হয়। যে কারনে এ সমাজের সাধারন  ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার মান খুব একটা বাড়ে না। তদারকী না হবার জন্য যেখানে প্রথম শ্রেনীর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাস হয়। সে সকল ছেলেমেয়েরা কি আদৌয় পড়ালেখা ও বইয়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে? যুগ যুগ ধরে গনিত ও ইংরেজীতে ফেল এর কারন ৭০-৮০% শিক্ষকরাই এ সম্পর্কে অভিজ্ঞ নন। বা তারা কোচিং এ যে টিচ দেন তা ক্লাসে দেন না। প্রশিক্ষন গ্রহনে উচ্চ ভাতা এটি কাজে লাগিয়ে পদোন্নতি সহ কোচিং ব্যবসা অন্য ব্যবসায় সফলতা লাভ করে গাড়ি বাড়ি করলেও শিক্ষার মান খুব একটা বাড়ছে না।
অতিরিক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আরো বিদ্যালয় নির্মান এবং বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ গ্রহন করে। শিক্ষার্থীদের গুনগত মান এবং দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভবিষ্যৎ দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে সরকারের আরো কার্যকরী ভূমিকা গ্রহন করতে হবে। এ ব্যাপারে আরো তথ্য সমৃদ্ধ শিক্ষাখাতে বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরে পত্রিকায় বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এটি সমগ্র বাংলাদেশের চিত্র। প্রশিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, একটি শিক্ষা কক্ষের  শ্রেনীতে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও শিক্ষার সুষ্ঠু ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তারা জ্ঞান আহরন ও সুষ্ঠভাবে পাঠদানে মনযোগ দিতে পারে। দক্ষিন  কোরিয়ায় এক শ্রেনীতে মাত্র ১২ জন শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। জনগনের টাকা দিয়ে এদেশের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। অতএব এরা ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে  দেশ ও জাতির জন্য কল্যান বয়ে আনবে এবং   দেশের নেতৃত্ব প্রদানে অগ্রনী পালনে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অন্যান্য বক্তারা বলেন, সিম লাউ আর বীজ সংরক্ষন করে যেমন চাষাবাদ করা হয় তেমনি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার অঙ্কুরিত বীজ বপনের মত এবং মুক্তিযুদ্ধের মত শিক্ষা জীবন কে কলষমুক্ত করতে আর একটি যুদ্ধ প্রয়োজন। সে যুদ্ধ হবে  ভোগ নয় ত্যাগে। আত্ম কেন্দ্রীকতা জাতিকে  দেশকে ভোগান্তির দিকে নিয়ে যায়। মুক্ত চিন্তা আর অদৃশ্যভাবে বিধাতার প্রতি অবিচল আস্থা। শ্রষ্টাকে বিশ্বাস। অন্তরে হৃদয়ে প্রকৃত তার আখলাক পরিবর্তন করে পেতে পারে এ জীবন ও ঐ জীবনের পরম প্রাপ্তি। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সুপ্রভাত বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোঃ আজিজুর রহমান, স্কুলের প্রশিক্ষক মোঃ ফয়জুম মুনির। সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব হাসিবুর রহমান মিয়া। নির্বাহী প্রধান মোঃ বাবুল আকতার শিক্ষার্থীদের নীতিকথামূলক লিপলেট বিতরন এবং এর উপর বিশদ আলোচনা করেন। অনুরুপভাবে সুপ্রভাত বাংলাদেশ বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজার প্রাঙ্গনে অবস্থিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ রকম এক ব্যতিক্রমী সেমিনারের আয়োজন করে। এছাড়া সুপ্রভাত বাংলাদেশের সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ বাবুল আকতার নিজ খরচে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষামূলক কর্মসূচী অব্যহত রেখে চলেছেন। বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ সুস্থ্য জীবন সহনশীলতা পারিবারিক স্থিতিশীলতা শান্তিপূর্ন সমাজ গঠনে যথাযথ মূল্যায়ন ভিত্তিক নিজেকে জানি ৩০টি নীতি বাক্য শিক্ষার্থীদের সন্মুখে উপস্থাপন করেন ।


একজনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, আলিম সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ থানায় পুলিশের সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিল । ঘটনা ঘটিয়ে সে এখান থেকে ঝিনাইদহে পালিয়ে যায়। ১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠিয়েছে।

গৃহবধুর উপর হামলা নিরাপত্তাহীনতায় বাদী
                                  

॥ ফরিদুর রহমান শামীম, বাগেরহাট ॥
বাগেরহাটের কচুয়া নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় মামলায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। উল্টো মামলার আসামীদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে দরিদ্র পরিবারটি। মামলার এজাহার ও ক্ষতিগ্রস্থের পরিবার সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার ভাষা গ্রামে রনজু শেখের ছেলে রেজাউল শেখ দীর্ঘদিন যাবত একই এলাকার আলম শেখের স্ত্রী রানী বেগমকে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো, এতে গৃহবধু রাজী না হওয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লম্পট রেজাউল শেখ গৃহবধুর বাড়ীতে ঢুকে লোহার রড দিয়ে রানী বেগমের মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে  আঘাত করে। হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে তার হাত ভেঙ্গে যায়।  তার সহযোগীরা ও একে একে পিটাতে থাকে। পরে গৃহবধুকে অচেতন অবস্থা এলাকাবাসি উদ্ধার করে কচুয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। পুলিশ কোন  আসামীকে আটক করতে পারেনি। মামলার আসামীরা প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের সহায়তায়  মামলা তুলে নিতে একের পর এক হুমকি অব্যাহত রেখেছেন।  পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।




জীবন জীবনের জন্য, মানুষ মানুষের জন্য ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী ছাত্র আজিমের বাঁচার আকুতি
                                  

॥ ফুলবাড়ীগেট, খুলনা ॥
বিত্তবানদের সহযোগিতায় মাত্র কয়েক লক্ষ টাকায় ফিরে পেতে পারে মেধাবী ছাত্র আজিমের জীবন। নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন মাত্তমডাঙ্গার গরীব অসহায় দিনমুজুর মহসিন হোসেনের পুত্র মোঃ আলিউল আজিমের চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিনতিতে মাত্র ১৭ বছর বয়েসে তার শরীরে ভর করছে মরণব্যাধী ক্যান্সার। চার মাস আগে খুলনা এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসা গ্রহনের পর ডাক্তারা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে ক্যান্সারে আক্রান্ত বলে জানান। একই সাথে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বাইরে  নেওয়ার পরামর্শ দেন। অসহায় পিতা-মাতার সামনে টগবগে যুবক আজিম ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে পতিত হওয়ায় পুত্রের চিকিৎসার জন্য মহসিন তার সহায় সম্বল যা কিছু ছিলো বিক্রি করে ভারতের কোলকাতার সরজ গুপ্তা ক্যান্সার সেন্টার এন্ড রিচার্জ ইন্সটিটিউ’এ চিকিৎসারধীন রয়েছে। বর্তমানে অর্থ অভাবে ভারতে তার  চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসার জন্য দ্রুত সময়ে ৮/১০ লাখ টাকার প্রয়োজন। যে টাকা পেলে হওয়তো সুস্থ’ হয়ে আজিম আবারও স্বাভাবিক হয়ে ফিরে আসবে সকলের মাঝে। টাকা না পেলে অর্থ অভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন না করেই তাকে দেশে ফিরে আসতে হবে। এ অবস্থায় অসহায় পরিবারটি তাদের সন্তানের জন্য সমাজের বিত্তবাদ, দানশীল মানুষের সহযোগিতার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ইসলামী ব্যাংক ফুলতলা শাখা, অঈ গঋঝঅ-১১৬৩ যোগাযোগ  ০১৮৫২৫১৯৪১৭ ও ০১৮৭৬২৩৫৩৫৭।



নিঁখোজের পাঁচদিন পর স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার
                                  


॥ এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট॥
নিঁখোজের পাঁচদিন পরবাগেরহাটের মোরেল গঞ্জের উপজেলার পানগুছি নদী থেকে বেহেস্তি আক্তার (১১) নামের এক স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ উপজেলার সন্ন্যাসী লঞ্চ টার্মিনালের কাছ থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। বেহেস্তি পার্শবর্তী পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার ১২ নং কালাইয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী এবং কালাইয়া গ্রামেরনজরুল ইসলাম হাওলাদারের মেয়ে। বেহেস্তির বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার মন্ডল বলেন, সে খুবই দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে সেই স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় বাস করছে। পরিবারের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে বাড়ি থেকে সুন্দর পোষাক পরিধান করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় বেহেস্তি। এরপর সে আর ফিরে আসেনি। পরের দিন পরিবারের লোকজন তাকে বিষয়টি জানালে, তিনি তাদের সাথে ইন্দুর কানি থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। তিনি আরও জানান, বয়সের তুলনায় বেহেস্তি লেখাপড়ায় অনেক পিছিয়েছিল। এরপর  স্থানীয়রা বেহেস্তির মৃহদেহটি নদীতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। মৃহদেহটি উদ্ধারেরবিষয়টি ইন্দুরকানি থানায় জানানো হয়েছে এবং এর ময়না তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান মোড়েলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল আলম। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে মেয়েটি কিভাবে মারা গেছে।


মাতৃভাষা দিবসেও মধুপুুরে শিশু ধর্ষণ
                                  

॥ হাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল ॥
মাতৃভাষা দিবসেও ধর্ষনের হাত থেকে রক্ষা পেল না টাঙ্গাইলের মধুপুরে ছয় বছরের এক শিশু। ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক আকাশ দাসকে(১৭) আটক করেছে পুলিশ।
 বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মধুপুরের রক্তিপারায় ধর্ষণের পর ওই শিশুকে অসুস্থাবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। ধর্ষক আকাশ দাস মধুপুরের রক্তিপারার ভজন চন্দ্র দাসের ছেলে। ধর্ষিতার দাদী জানান, তাদের বাড়ির পাশেই আকাশ দাসের বাড়ী। ওদের বাড়ীতে কেউ না থাকায় টিভি দেখার কথা বলে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে আকাশ দাস। পরে শিশুটির আর্তচিৎকারে আশেপাশের মানুষ এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অবুঝ শিশুটিকে টিভি দেখার কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষক আকাশ দাসকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
 আর শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

কচুয়ায় বসতভিটা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষ ॥ আহত-৭
                                  

বাগেরহাট কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা মামলা বিরোধ চলে আসছে। প্রতিপক্ষ অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় নিরীহ সবজী বিক্রেতা রেজাউল ওরফে রেজা ফকিরের পরিবারের প্রতি বিভিন্নভাবে মারধর প্রাননাশের হুমকি অব্যহত রেখেছে । প্রতিপক্ষ শিয়ালকাঠীর ফজলু ফকিরের পুত্র জাকির ফকির ওরফে জাকিরে নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার  জের হিসেবে আসামী ফজলু ফকির, বজলু ফকির পিতা মৃতঃ ইয়াকুব আলী ফকির শাহাম উদ্দিন শেখ পিতা মৃতঃ জয়েম উদ্দিন শেখ, কামরুল ফকির পিতা মৃতঃ হামেদ ফকির, এমরান শেখ পিতাঃ শাহাব উদ্দিন শেখ, আলমগীর ফকির, রুবেল ফকির পিতা মৃতঃ হামেদ ফকির, সুমা বেগম স্বামীঃ কামরুল ফকির, আনজীরা বেগম স্বামীঃ ফজলু ফকির সহ ৩০/৪০ জন সঙ্গীয় স্বদলবলে রাম দা  লোহার রড, কাঠ ও বাঁশের লাঠিশোঠা নিয়ে  বেআইনী জনতাবদ্ধে রেজাউল ফকিরদের বসতবাড়ির ভিটায় অনধিকার প্রবেশ করে  গোয়ালঘর ভাংচুর করে । এবং রাম দা দিয়ে  রেজাউল ফকিরকে খুন করার উদ্দেশ্যে মাথার উপর কোপ মারে । এতে সে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময়ে রেজাউলের লুঙ্গির কোচায় ব্যবসায়ীক নগদ ৩৫০০০ টাকা আসামীরা ছিনিয়ে নেয়। এ সময়ে উভয় পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় আসাদুল ফকির, মিনারা বেগম,  সেতারা বেগম, রেজাউল সহ ৭ জন গুরুতর আহত হয় । এদের মধ্যে ৪ জনকে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। এ ব্যাপারে রেজাউল ফকিরের মা হামিদা বেগম কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরে নগদ টাকা স্বর্নালংকার এবং ঘর ভাংচুর বাবদ এক লক্ষ পনের হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি দাবি করেন।
এ সময়ে তাদের ডাক চিৎকারে এলাকার মুকিত খান বীর মুক্তিযোদ্ধা, আলী মাঝি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ খান আরো অনেক স্বাক্ষী এগিয়ে এলে আসামীরা তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। প্রতিপক্ষরা হামিদা বেগমের মামলা তুলে  নেয়ার জন্য প্রাণনাশের ও তার ছেলেমেয়ে  বৌমাদের মারধরের হুমকিতে এলাকা ত্রাস সৃষ্টি করে চলেছে।
তারা বাড়িতে অগ্নি সংযোগ লুটপাট এবং তাদের সঙ্গীয় দলবল প্রতিনিয়ত মারমুখী অবস্থান নিয়েছে। এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। এর আগে ধোপাখালী ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারন সম্পাদক বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে প্রায় এক মাস যাবদ দলিল কাগজপত্র দেখে হামিদা বেগমের পক্ষে   শোলিসে প্রতিপক্ষকে সেখানে যেতে বিরত থাকতে বলে।



   Page 1 of 3
     অধিকারের প্রতিবেদন
কচুয়ায় সাংসদ মীর শওকাত আলী বাদশাহ
.............................................................................................
অবহেলিত এলাকায় শিশুদের সুশিক্ষায় কাজ করছে
.............................................................................................
নারী জগতের অহংকার নাজিরপুরের ইউএনও
.............................................................................................
পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে টেকনাফের মাদক ব্যবসায়ী নিহত
.............................................................................................
জাতীয় প্রেসক্লাবে “মায়ের ডাক” আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গুম হওয়া স্বজনদের ফিরিয়ে দেয়ার দাবি ৪০টি
.............................................................................................
গণ আজাদী লীগের আলোচনা সভায় মোহাম্মদ নাসিম ৭১ ও ৭৫ খুনিরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা গণহত্যা সমাধান কতদুর? দায়এড়াতে পারে না বিশ্ব সম্প্রদায়
.............................................................................................
রঙ তামাশার দুনিয়া । আমরা কতটা নির্লিপ্ত আর স্বার্থপর !! ??
.............................................................................................
জমি ফিরে পেতে বৃদ্ধ একরাম উদ্দিনের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
.............................................................................................
বেশিরভাগ বিরোধ নিষ্পত্তি হচ্ছে
.............................................................................................
নিজেকে জানি সেমিনারের বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধ কলুষমুক্ত করতে আরও একটি যুদ্ধ প্রয়োজন
.............................................................................................
গৃহবধুর উপর হামলা নিরাপত্তাহীনতায় বাদী
.............................................................................................
জীবন জীবনের জন্য, মানুষ মানুষের জন্য ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী ছাত্র আজিমের বাঁচার আকুতি
.............................................................................................
নিঁখোজের পাঁচদিন পর স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
মাতৃভাষা দিবসেও মধুপুুরে শিশু ধর্ষণ
.............................................................................................
কচুয়ায় বসতভিটা নিয়ে বিরোধ সংঘর্ষ ॥ আহত-৭
.............................................................................................
সাউথ এশিয়ান হিউম্যান রাইটস-এর সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা কামাল রোহিঙ্গা নারী-শিশুরা তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে
.............................................................................................
রোটারি বাংলাদেশের নতুন গভর্ণরের দায়িত্ব গ্রহন
.............................................................................................
চাচা শ্বশুরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ মরিয়ম
.............................................................................................
এতিমদের ইফতারের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তৃপ্ত দৃশ্য’র যাত্রা শুরু
.............................................................................................
পুলিশের নাকের ডগায় ঝাড় ফুকের ব্যবসা ॥ প্রশাসন নিরব আজাদ রহমান
.............................................................................................
মে দিবস মেহনতী মানুষের মুক্তির বারতা শ্রমিকের ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তির স্বীকৃতি
.............................................................................................
মায়ের কোলে ফিরতে চায় শিশু সুমন
.............................................................................................
নারী ও শিশু উদ্ধারে মানবাধিকার খবর’র ভূমিকা প্রসংশনীয়
.............................................................................................
পুরুষ নির্যাতনের হাতিয়ার ‘নারী নির্যাতন’ মামলা
.............................................................................................
পরিবারে দুমুঠো অন্ন যোগাতে শিশুরা বিভিন্ন পেশায়
.............................................................................................
মিয়ানমারে বিলুপ্ত মানবতা
.............................................................................................
অধিকারের মাসিক প্রতিবেদন
.............................................................................................
মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের প্রতিবেদন
.............................................................................................
খানসামায় হাট-বাজারে অবাধে চলছে মাদক ব্যবসা
.............................................................................................
কালিগঞ্জে স্বামী কর্তৃক স্ত্রী পাচারের অভিযোগ
.............................................................................................
এক মায়ের আকুতি আমার ছেলেকেফিরিয়েদিন
.............................................................................................
কে শুনবে অনিলের আর্তনাদ
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু জাতির জীবনে বসন্ত এনেছিলো মুক্তিযোদ্ধা মো. আশকর আলী
.............................................................................................
দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না- ড. মিজানুর রহমান
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

Editor & Publisher: Rtn. Md Reaz Uddin
Corporate Office
53,Modern mansion(8th floor),Motijheel C/A, Dhaka
E-mail:manabadhikarkhabar34@gmail.com,manabadhikarkhabar34@yahoo.com,
Tel:+88-02-9585139
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-9585140
    2015 @ All Right Reserved By manabadhikarkhabar.com    সম্পাদকীয়    Adviser List

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]