| বাংলার জন্য ক্লিক করুন

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শেয়ার করুন
Share Button
   বিশেষ প্রতিবেদন
  ৫৭ ধারা বাতিল ॥ আসছে ভয়ঙ্কর ৩২ ধারা
  15, February, 2018, 10:17:52:PM

॥ মানবাধিকার খবর প্রতিবেদন ॥
তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বহুল আলোচিত কয়েকটি ধারা বিলুপ্ত করা হলেও ৫৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধ ও শাস্তির বিধান পুনর্বিন্যাস করে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে নতুন আইনে সর্বনিম্ন সাত বছরের শাস্তির বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে এবং অপরাধের মাত্রা ও ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে নতুন আইনের ১৭ থেকে ৩৮ ধারায় বিভিন্ন অপরাধ ও শাস্তির বিষয় উল্লেøখ রয়েছে। আইনটির ৩২ ধারা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এ ধারায় ডিজিটাল অপরাধের বদলে গুপ্তচরবৃত্তির সাজার বিধান রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়, কোনো সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ঢুকে কেউ কোনো কিছু রেকর্ড করলে, তা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে। এর জন্য ১৪ বছরের জেল এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকার, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুন্ন করলে বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণা সৃষ্টি করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তা ব্লক বা অপসারণের জন্য টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে অনুরোধ করতে পারবে। খসড়া আইনে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের জন্য জাতীয় কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠন এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়েছে। অনুমোদনের পর আইনটির ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসি বাংলাকে বলেন, আইসিটি অ্যাক্টের অপরিচ্ছন্ন যে  ৫৭ ধারা ছিল, সেটিকে বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ৫৭ ধারার যে অপরাধ, সেগুলো বিস্তারিতভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল হলেও নতুন আইনে আগের মতো হয়রানির আশঙ্কা থাকবে কি-না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অযথা হয়রানি যাতে না হয় সে জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। অপপ্রয়োগের সুযোগ ৯৭ ভাগ বন্ধ হবে। এ ব্যাপারে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার মিডিয়াকে বলেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নতুন আইনে রাখা হয়েছে। এ আইনে সর্বনিম্ন শাস্তির বিধান বেঁধে না দেওয়ার কারণে কাউকে ধরে নিয়ে অপরাধ প্রমাণ করলেই সাত বছরের সাজা হবে না। বিচারক অপরাধের মাত্রা ও ধরন বিবেচনা করে শাস্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।
এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল মিডিয়াকে বলেন, এর আগে ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ নিয়ে সাংবাদিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তখনও বলা হয়েছিল, এ আইন পেশাগত কাজে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে, অতি তুচ্ছ কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একের পর এক ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ করা হয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও ৫৭ ধারার আদলে কিছু বিধান রাখা হয়েছে, যা মত প্রকাশের এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে। এ আইনটি শুধু মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে, আইনটি চূড়ান্তভাবে পাসের আগে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ মানবাধিকার কর্মীদের বক্তব্য নেওয়া এবং আইনের অপপ্রয়োগ রোধে পূর্ব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থাসহ আইনটি পাস করা। এ ব্যাপারে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহ্দীন মালিক বলেন, এ ধারার সংযোজনে অনুসন্ধানী এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাও গুরুতর আপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এর ফলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ভীষণভাবে কমে যাবে। অন্যদিকে সরকারি-আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বেচ্ছাচারিতা এবং বেআইনি কাজের সুযোগ প্রসারিত হবে। তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার সিনিয়র ফেলো আবু সাঈদ খান বলেন, এ আইনের বিষয়ে নানা ধরনের উদ্বেগ রয়েছে। সে কারণে আইনটি সংসদে পাসের আগে একটি গণশুনানি করে মতামত নেওয়া উচিত। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত যে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি রয়েছে, তারাই এ আয়োজন করতে পারে। তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালের টেলিযোগাযোগ আইন পাসের আগেও এ ব্যাপারে গণশুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাই গণশুনানির মাধ্যমে আইনটি পাস হলে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং সরকারেরও সুনাম হবে। এ ব্যাপারে সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, খুব শিগগিরই প্রস্তাবিত এই খসড়া আইন নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করবেন তারা।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নতুন আইনের আওতায় কেউ যদি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনো ধরনের প্রপাগান্ডা চালায় তাহলে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ধর্মীয় বোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করে, তাহলে ১০ বছরের জেল ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
৫৭ ধারা বাতিল হলেও এ ধারায় দায়ের করা মামলাগুলোর কী হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যেহেতু ধারাটি থাকবে না, বিচারকের রায়ই এখানে চূড়ান্ত। তবে বিদায়ী আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুমোদন হলেও বিলুপ্ত ধারায় হওয়া আগের মামলাগুলোর কার্যক্রম চলবে। ওই ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নিশ্চিত করেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা পুরোপুরি বিলুপ্ত করার বিধান রেখে মন্ত্রিসভায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া অনুমোদন হয়েছে।
নতুন আইনের ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, মানহানিকর কোনো তথ্য দিলে তিন বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া, ৩২ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কোনো ধরনের তথ্য-উপাত্ত, যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করে, তাহলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তি অপরাধ হবে এবং এ অপরাধে ১৪ বছর কারাদন্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, কেউ যদি বেআইনিভাবে কারও ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তাহলে তাকে সাত বছরের জেল ও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ড দেওয়া হবে। বেআইনিভাবে অন্য সাইটে প্রবেশ করার পর যদি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হন তাহলে অপরাধীর ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে। আবার কেউ যদি বেআইনিভাবে কারও ডিভাইসে প্রবেশ করে তাহলে এক বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কেউ যদি কারও ডিভাইসে প্রবেশে সহায়তা করে তাহলে তিন বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যদি জনগণকে ভয়ভীতি দেখায় এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, তাহলে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।
২৫ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল মাধ্যমে আক্রমণাত্মক ভয়ভীতি দেখায় তাহলে তাকে তিন বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানাসহ উভয় দন্ডের বিধান থাকছে। ৩০ ধারায় বলা হয়েছে, না জানিয়ে কেউ যদি কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে, ব্যাংক-বীমায় ই-ট্রানজেকশন করে, তাহলে পাঁচ বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
৩১ ধারায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করলে সাত বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
গত কয়েক বছরে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে নানা সময়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ এনে ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ধর্মীয় অনুভূতির সংজ্ঞা কী হবে- প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতির যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে সেটা এখানে প্রযোজ্য হবে। সাইবার সিকিউরিটি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের দেওয়া তথ্য মতে, ২০১৭ সালের জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের হওয়া ৭৪০টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৬০ শতাংশ মামলা রয়েছে ৫৭ ধারায়। ২০১৩ সালে প্রথম তিনটি মামলা হওয়ার পর প্রতি বছর মামলার সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৪ সালে সারাদেশে ৩৩টি মামলা হলেও ২০১৫ সালে এসে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫২তে। ২০১৬ সালে ৫৭ ধারায় মামলা হয় ২৩৩টি, আর ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এই ধারায় মামলা হয়েছে ৩২৩টি।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 98        
   আপনার মতামত দিন
     বিশেষ প্রতিবেদন
সুশাসন ও জবাবদিহিতার চরম অভাব মানুষ হত্যা ও পরিবহনের নৈরাজ্য, কেরে নিচ্ছে নাগরিক অধিকার
.............................................................................................
ইমতিয়াজ বুলবুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
.............................................................................................
কৃষি মাশরুম চাষ : ঘরে বসে আয়
.............................................................................................
পেঁপে চাষ পদ্ধতি
.............................................................................................
ভারতের পাচারকৃত তিন কিশোর দেশে ফেরার অপেক্ষায়
.............................................................................................
স্থগিতই থাকছে খালেদার জামিন
.............................................................................................
বিদায় বীরমাতা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী
.............................................................................................
পরকিয়ায় সংসার ভাংলো পারভিনের. স্বামী জেল হাজতে
.............................................................................................
দুরমুজখালী সীমান্তে উদ্ধার হওয়া লাশ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য
.............................................................................................
ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ জটিলতার অবসান হলো
.............................................................................................
থাই পেয়ারার চাষ পদ্ধতি ও রোগ বালাই
.............................................................................................
৫৭ ধারা বাতিল ॥ আসছে ভয়ঙ্কর ৩২ ধারা
.............................................................................................
মানবাধিকার খবর’র উদ্যোগ
.............................................................................................
১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত
.............................................................................................
১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত
.............................................................................................
নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী সমাজ ও নারী উন্নয়নের কান্ডারী ছিলেন
.............................................................................................
অবক্ষয় ঠেকাতে মানবিকতার চর্চা অপরিহার্য
.............................................................................................
গ্রাফিক্স ডিজাইনার তারেকের অকাল মৃত্যু
.............................................................................................
বিশ্বমানবাধিকার আজ কোথায়?
.............................................................................................
লংগদুতে আদিবাসীদের ওপর হামলার বিচার নিশ্চিত করতে হবে
.............................................................................................
কৃষি উন্নয়নে অবদানে বাকৃবিতে ১১ ব্যক্তিকে সংবর্ধনা
.............................................................................................
বামাফা’র জঙ্গীবাদ সন্ত্রাসবাদ ও মাদক বিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
খাদে ভরা স্বর্ণ ব্যবসা
.............................................................................................
একজন ক্রীড়া সংগঠক - দক্ষ রাজনীতিবিদ - সফল মেয়র বাগেরহাটের সর্বস্তরের জনপ্রিয় একটি নাম খাঁন হাবিবুর রহমান
.............................................................................................
মানবাধিকার খবরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মায়ের কাছে ফিরেছে ভারতীয় কিশোরী বৈশাখী
.............................................................................................
বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা এ দায় কার?
.............................................................................................
পরিবারের সাত সদস্য পাগল।
.............................................................................................
মাস্তান প্রকৃতির লোক রাখা হচ্ছে পরিবহনে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা
.............................................................................................
নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় যত্নবান হতে হবে : হেলেনা জাহাঙ্গীর
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটি: ১৯ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ
.............................................................................................
মানবাধিকার খবরের উদ্যোগ ভারত থেকে দেশে ফিরছেন দুই কিশোর এক নারী
.............................................................................................
দেশ ও মানবতার কল্যাণে কার্যকরী ব্যবস্থা জরুরী
.............................................................................................
সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ, অপপ্রচার ও কুচক্রের শিকার
.............................................................................................
সংকট উত্তরণের উপায় কি নেই? জঙ্গিবাদ : মানবাধিকারের উপর চরম হুমকি
.............................................................................................
মসজিদের আর্থিক ‘কর্তৃত্ব পেতে’ পুরান ঢাকায় দু’বছরের পরিকল্পনায় মুয়াজ্জিন খুন
.............................................................................................
আমি সবার প্রেসিডেন্ট
.............................................................................................
যুক্তরাজ্যের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন বাংলাদেশসহ ৩০টি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

Editor & Publisher: Rtn. Md Reaz Uddin
Mobile:+88-01711391530, Email: md.reaz09@yahoo.com Corporate Office
53,Modern mansion(8th floor),Motijheel C/A, Dhaka
E-mail:manabadhikarkhabar@gmail.com,manabadhikarkhabar34@yahoo.com,
Tel:+88-02-9585139
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-9585140
    2015 @ All Right Reserved By manabadhikarkhabar.com    সম্পাদকীয়    Adviser List

Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]