কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। পৌষের হাড়কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশার দাপটে স্থবির হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বাতাসে আদ্রতার মাত্রা ৯৯ শতাংশে পৌঁছানোয় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষিশ্রমিক ও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত চারদিক ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে। দিন ও রাতে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। সূর্যের দেখা না মেলায় দিনের বেলাতেও হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রাম জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। একই দিনে বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এর আগের দিন কুড়িগ্রাম জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহ ধরে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।
আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাবে কুড়িগ্রাম জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, আমাশয় ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই চিকিৎসা নিতে আসছেন অনেকে। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি।