| |
| হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা শুধু ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে’: প্রধান কৌঁসুলি |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| মােঃ জানে আলম সাকী,ঢাকা:- চব্বিশের আন্দোলন দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে ঢালাও কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের আদেশের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে কেবল বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (হেট স্পিচ) দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে, তবে তার স্বাভাবিক বক্তব্য প্রচারে গণমাধ্যমের কোনো আইনি বাধা নেই।মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন।
সংবাদের মূল বিষয়বস্তুসমূহ:
- বক্তব্য প্রচারের আইনি ভিত্তি: ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে কেবল বিদ্বেষমূলক বক্তব্য না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, "গণমাধ্যম তার সাধারণ বক্তব্য প্রচার করতেই পারে, সেক্ষেত্রে আইনি কোনো বাধা নেই"।
- ৫ আগস্টের বক্তব্যের খবর: আগামী ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার খবর ও গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব বক্তব্যের সত্যতা বা প্রমাণের কোনো অথেন্টিসিটি প্রসিকিউশনের কাছে নেই। তাছাড়া তিনি বক্তব্য দিন বা না দিন, তার সাথে ট্রাইব্যুনালের কাজের কোনো সম্পর্ক নেই; ট্রাইব্যুনালের মূল কাজ হলো দেওয়া দণ্ডের রায় বাস্তবায়ন করা। ৫ আগস্ট ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া খবরকে তিনি `ব্যর্থ আস্ফালন` হিসেবে অভিহিত করেন।
- আপিলের আইনি বাধ্যবাধকতা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারা অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে। যেহেতু ৩০ দিন পার হয়ে গেছে এবং তিনি পলাতক আসামি, তাই আইন অনুযায়ী তার আর আপিল করার সুযোগ নেই। তিনি আরও জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ক্ষেত্রে ‘অটোমেটিক আপিল’ বলে কিছু নেই।
- সাজা ও দায় নির্ধারণ: সাজা কম-বেশি হওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, শাস্তি নির্ধারণ করা হয় অপরাধের মাত্রা ও দায়ের ভিত্তিতে। শেখ হাসিনা সরকারপ্রধান থাকায় তার ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বা উচ্চতর দায়ভার ছিল, যা অন্য আসামিদের সাথে এক নয়।
- প্রসিকিউশনের আপিল নিস্পত্তি: যেসব আসামির সাজা বাড়ানোর (এনহ্যান্সমেন্ট) জন্য প্রসিকিউশন আপিল করেছে, সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে আসামিরা সাজা ভোগ শেষ করে বের হয়ে যেতে না পারে।
|
| |
|
|
|