| |
| বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| ফরিদুর রহমান শামিম ,বাগেরহাট প্রতিনিধি : কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা (বিলকান্দি) গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে একই পরিবারের তিন সদস্যের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন এবং দুই নারীর হাত বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। নিহতরা হলেন, বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা গ্রামের মৃত আবদার হাওলাদারের ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৪), তার মা মনিরা বেগম (৪৫) এবং নানি রাশিদা বেগম (৭০)। রাশিদা বেগম বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকার মৃত ডা. আব্দুর রশিদের স্ত্রী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মেয়ে ও নাতির সঙ্গে চান্দেরকোলার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত বাড়ি থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না মেলায় তারা বাড়ির সামনে গিয়ে দেখেন, বাইরে থেকে দরজায় ছিটকিনি লাগানো। পরে ছিটকিনি খুলে ঘরে প্রবেশ করলে রক্তাক্ত ও গলিত অবস্থায় তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় দুই নারীর হাত বাঁধা ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পুলিশ জানায়, নিহত আহাদ হাওলাদারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্যদিকে মনিরা বেগম ও রাশিদা বেগমের মরদেহ হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।খবর পেয়ে কচুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, গত ২ আগস্ট দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তিনজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরে বাইরে থেকে দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে পালিয়ে যায়। তবে হত্যার উদ্দেশ্য কিংবা এতে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কচুয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।#
|
| |
|
|
|