| |
| দুদকের মামলায় ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরের বিচার শুরু |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| আদালত প্রতিবেদকঃ- জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।গতকাল সোমবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর,আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ১৪ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধায্য করেছেন।গত ৫ জুলাই দুদকের পক্ষে মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করে শুনানি করেন মীর আহমেদ আলী সালাম, অপরদিকে আসামির অব্যাহতি আবেদন করে শুনানি করেন জাতীয়তাবাদ আইনজীবী ফোরামের নেতা ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন ৷ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদেশের জন্য রাখেন আদালত। গতকাল সেই আদেশ দেন আদালত। মতিউর রহমান নিজকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন। মতিউর রহমানের জামিন চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবীগন এবং জামিনের বিরোধিতা করেন দুদকের প্রসিকিউটর । আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে এ মামলাটি করে দুদক। ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় দুদক। এতে বলা হয়, মো. মতিউর রহমানের দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ তথ্য দিয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছে। এছাড়া সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয়ে নিজ নামে গোপনসহ ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছে।২০২৪ সালে কোরবানি ঈদের সময় সাদিক এগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণের ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কেনার ফেইসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা আছে । পরে খোঁজ নিয়ে জানাযায় সেই তরুণ এনবিআরের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমানের ছেলে।
|
| |
|
|
|