শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   পর্যটন
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের দামপাড়ায় মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি উদ্বোধন
  Date : 09-02-2026


মােঃজানে আলম সাকী, ব্যুরো চীফ, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক চিন্তাভাবনা আছে। এই বাণিজ্যিক রাজধানীর স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া। সেটি উনি ২০০৩ সালে প্রথম একনেকের মিটিংয়ে এই চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার ঘোষণা দেন। পরে বীমা ও ব্যাংকের অফিস চট্টগ্রামে চলে এসেছিল। আপনারা জানেন, এখানে আগ্রবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হয়েছে। এটিও উনি চিন্তাভাবনা করে করেছেন। গতকাল বিকেলে নগরীর দামপাড়া ওয়াসা মোড় এলাকায় মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়নে পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, এক–এগারো থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ; তারা কেন বেগম খালেদা জিয়া এটা করেছে, তাই চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হতে দেয়নি। কাজেই এখন আমাদের একটা ভালো সময় আসবে, ইনশাআল্লাহ। আমরা মনে করি চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী হতে হবে এবং এই চট্টগ্রাম এগিয়ে যাবে। কোহিনূর কামাল–মোস্তফা কামালরা আজকে যেটা দেখিয়েছেন, তাদের নেক্সট জেনারেশনের যারা আছে, তারা ইনশাআল্লাহ আরো অনেক অ্যাডভান্স কিছু করে চট্টগ্রামকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

 মেয়র আরো বলেন, আমি আসলে ছোটকাল থেকেই মার্কেটে ঘুরতাম। কারণ আমি ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে। ৭০ এর দশকে আমার বাবার নিউ মার্কেটে দুটি দোকান ছিলো। আমি তখন ক্লাস টু–থ্রিতে পড়ছি। এটা আমি ৭২–৭৩ সালের কথা বলছি। আমরা দুই ভাই ছিলাম। দুই ভাই শুধু এদিকে ওদিকে ঘুরতাম। আমাদের দোকানটা তিনতলায় ছিল। কতক্ষণ চারতলায় চলে যেতাম, কতক্ষণ দুইতলায় চলে যেতাম। আসলে ঢাকাতেও আমি দেখেছি, এই নিউ মার্কেটের মতো কোনো মার্কেট তখন ছিল না। আমরা ঢাকার নিউ মার্কেটে যেতাম। আমি চিন্তা করতাম, ঢাকার নিউমার্কেট আর চট্টগ্রামের নিউমার্কেটের মধ্যে আকাশ–পাতাল পার্থক্য। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে ঢাকা এগিয়ে গেছে, চট্টগ্রাম পিছিয়ে গেছে। এটা আসলে আমাদের জন্য একটা দুর্ভাগ্য। আজকে আমি মনে করি, আমাদের এই জায়গায় এসে কিছু করতে হবে। এ দায়বদ্ধতা শুধু আমার একার নয়। এ দায়বদ্ধতা হচ্ছে আমাদের সবার। কারণ এই শহরটি শুধু আমার একার শহর নয়।

তিনি  আরো বলেন, এই শহরটা আমাদের সবার শহর। এই ধারণাটা, এই ফিলিংসটা আমাদের মধ্যে কিন্তু আসতে হবে। আজকে আমি ক্লিন, গ্রিন সিটির কথা চিন্তা করছি, আমি একটা ইকো সিটির কথা চিন্তা করছি, একটা পরিবেশবান্ধব শহরের কথা চিন্তা করছি। এটা কি শুধু আমার একার দ্বারাই সম্ভব হবে? না সম্ভব না। এটা আপনাদের সবার সম্মিলিত প্রয়াসে কিন্তু আমাকে করতে হবে। আজকে আমি যদি রাস্তায় ময়লা পড়ে থাকতে দেখি, সেই ময়লা যদি আমি না দেখার ভান করে চলে যাই, তাহলে কিন্তু শহরটা সুন্দর থাকবে না। আমি যদি ময়লাটা দেখে সেটা যদি ডাস্টবিনে ফেলে দিই, তখনই আমার দায়িত্বটা পালন হবে। আজকে আপনি রাস্তায় যদি এমন কিছু দেখেন যেটা আমাদের জনগণের জন্য দুর্ভোগ হচ্ছে, সেটাকে সরিয়ে ফেলতে হবে। এমনকি কলার খোসাও যদি আপনি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন, সেটি তাৎক্ষণিক ডাস্টবিনে ফেলে দিবেন। এই খোসার কারণে কারো মাথা ফেটে যেতে পারে। আমাদের থিমটা হচ্ছে, এই শহরটাকে ভালোবাসতে হবে। আজকে শহরকে ভালোবাসার দিক দিয়ে আপনারা এগিয়ে গেছেন বলেই এই মার্কেটের কথা চিন্তা করেছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেরিডিয়ান গ্রুপের চেয়ারপার্সন কোহিনূর কামাল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তফা কামাল পাশা, উপ–ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফ কামাল, পরিচালক আকিব কামাল, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, সী কম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক, মেরিডিয়ান গ্রুপের সিইও শান্তনু বড়ুয়া, মেরিডিয়ান হোল্ডিংসের সিওও মোহাম্মদ ফাহিম এবং মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটির এডভাইজার আসাদ ইফতেখার।

উল্লেখ্য, শপ, ফান, রিলাঙ এই স্লোগানকে ধারণ করে যাত্রা শুরু করেছে মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি। এখানে রয়েছে একই ছাদের নিচে সব বয়সী ক্রেতাদের জন্য দেশি ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ফ্ল্যাগশিপ শো–রুম ও আউটলেটসমূহ। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় কিডস প্লে–জোন বাবুল্যান্ড। গ্লোবাল এঙপেরিয়েন্স দিতে থাকছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সুপার মার্কেট মোস্তফা মার্ট। এছাড়াও বৈচিত্র্যময় খাবারের অভিজ্ঞতা দিতে থাকছে আন্তর্জাতিক মানের ফুড–কোর্ট টেস্ট টার্মিনাল, যেখানে উপভোগ করা যাবে নানা দেশের নানান স্বাদের খাবার। মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি একটি ২৩ তলা বিশিষ্ট মিঙড ইউজড বিল্ডিং। যার প্রথম থেকে দশম তলা পর্যন্ত থাকছে সুবিশাল শপিংমল এবং এগারো থেকে তেইশ তলা পর্যন্ত লাঙারি হোটেল তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রামের প্রাইম লোকেশনে অবস্থিত মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ–সুবিধার সমন্বয়ে নির্মিত একটি পূর্ণাঙ্গ শপিং, এন্টারটেইনমেন্ট ও লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন। মেয়র আরো বলেন, আমি আসলে ছোটকাল থেকেই মার্কেটে ঘুরতাম। কারণ আমি ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে। ৭০ এর দশকে আমার বাবার নিউ মার্কেটে দুটি দোকান ছিলো। আমি তখন ক্লাস টু–থ্রিতে পড়ছি। এটা আমি ৭২–৭৩ সালের কথা বলছি। আমরা দুই ভাই ছিলাম। দুই ভাই শুধু এদিকে ওদিকে ঘুরতাম। আমাদের দোকানটা তিনতলায় ছিল। কতক্ষণ চারতলায় চলে যেতাম, কতক্ষণ দুইতলায় চলে যেতাম। আসলে ঢাকাতেও আমি দেখেছি, এই নিউ মার্কেটের মতো কোনো মার্কেট তখন ছিল না। আমরা ঢাকার নিউ মার্কেটে যেতাম। আমি চিন্তা করতাম, ঢাকার নিউমার্কেট আর চট্টগ্রামের নিউমার্কেটের মধ্যে আকাশ–পাতাল পার্থক্য। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে ঢাকা এগিয়ে গেছে, চট্টগ্রাম পিছিয়ে গেছে। এটা আসলে আমাদের জন্য একটা দুর্ভাগ্য। আজকে আমি মনে করি, আমাদের এই জায়গায় এসে কিছু করতে হবে। এ দায়বদ্ধতা শুধু আমার একার নয়। এ দায়বদ্ধতা হচ্ছে আমাদের সবার। কারণ এই শহরটি শুধু আমার একার শহর নয়।

তিনি  আরো বলেন, এই শহরটা আমাদের সবার শহর। এই ধারণাটা, এই ফিলিংসটা আমাদের মধ্যে কিন্তু আসতে হবে। আজকে আমি ক্লিন, গ্রিন সিটির কথা চিন্তা করছি, আমি একটা ইকো সিটির কথা চিন্তা করছি, একটা পরিবেশবান্ধব শহরের কথা চিন্তা করছি। এটা কি শুধু আমার একার দ্বারাই সম্ভব হবে? না সম্ভব না। এটা আপনাদের সবার সম্মিলিত প্রয়াসে কিন্তু আমাকে করতে হবে। আজকে আমি যদি রাস্তায় ময়লা পড়ে থাকতে দেখি, সেই ময়লা যদি আমি না দেখার ভান করে চলে যাই, তাহলে কিন্তু শহরটা সুন্দর থাকবে না। আমি যদি ময়লাটা দেখে সেটা যদি ডাস্টবিনে ফেলে দিই, তখনই আমার দায়িত্বটা পালন হবে। আজকে আপনি রাস্তায় যদি এমন কিছু দেখেন যেটা আমাদের জনগণের জন্য দুর্ভোগ হচ্ছে, সেটাকে সরিয়ে ফেলতে হবে। এমনকি কলার খোসাও যদি আপনি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন, সেটি তাৎক্ষণিক ডাস্টবিনে ফেলে দিবেন। এই খোসার কারণে কারো মাথা ফেটে যেতে পারে। আমাদের থিমটা হচ্ছে, এই শহরটাকে ভালোবাসতে হবে। আজকে শহরকে ভালোবাসার দিক দিয়ে আপনারা এগিয়ে গেছেন বলেই এই মার্কেটের কথা চিন্তা করেছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেরিডিয়ান গ্রুপের চেয়ারপার্সন কোহিনূর কামাল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তফা কামাল পাশা, উপ–ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফ কামাল, পরিচালক আকিব কামাল, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, সী কম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক, মেরিডিয়ান গ্রুপের সিইও শান্তনু বড়ুয়া, মেরিডিয়ান হোল্ডিংসের সিওও মোহাম্মদ ফাহিম এবং মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটির এডভাইজার আসাদ ইফতেখার।

উল্লেখ্য, শপ, ফান, রিলাঙ এই স্লোগানকে ধারণ করে যাত্রা শুরু করেছে মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি। এখানে রয়েছে একই ছাদের নিচে সব বয়সী ক্রেতাদের জন্য দেশি ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ফ্ল্যাগশিপ শো–রুম ও আউটলেটসমূহ। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় কিডস প্লে–জোন বাবুল্যান্ড। গ্লোবাল এঙপেরিয়েন্স দিতে থাকছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সুপার মার্কেট মোস্তফা মার্ট। এছাড়াও বৈচিত্র্যময় খাবারের অভিজ্ঞতা দিতে থাকছে আন্তর্জাতিক মানের ফুড–কোর্ট টেস্ট টার্মিনাল, যেখানে উপভোগ করা যাবে নানা দেশের নানান স্বাদের খাবার। মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি একটি ২৩ তলা বিশিষ্ট মিঙড ইউজড বিল্ডিং। যার প্রথম থেকে দশম তলা পর্যন্ত থাকছে সুবিশাল শপিংমল এবং এগারো থেকে তেইশ তলা পর্যন্ত লাঙারি হোটেল তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রামের প্রাইম লোকেশনে অবস্থিত মেরিডিয়ান কোহিনূর সিটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ–সুবিধার সমন্বয়ে নির্মিত একটি পূর্ণাঙ্গ শপিং, এন্টারটেইনমেন্ট ও লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 59
  
  সর্বশেষ
পেশাজীবী ও সাংবাদিক মওদুদ শুভ্র’র মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি জারি, তবুও থেমে নেই ধারাবাহিক অপরাধ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আঙ্গুর চাষে সফল এক ব্যাংক কর্মকর্তা
রামগতিতে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পি এল সির ৪২ তম বর্ষপূর্তি উৎযাপন
কিশোরগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১জন

Md Reaz Uddin Editor & Publisher
Editorial Office
Kabbokosh Bhabon, Level-5, Suite#18, Kawran Bazar, Dhaka-1215.
E-mail:manabadhikarkhabar11@gmail.com
Tel:+88-02-41010307
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-41010308