মােঃ জানে আলম সাকী, ঢাকা:- কক্সবাজারে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) যৌথ অভিযানে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ আখতারুজ্জামান (৩১) গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানাধীন কক্সবাজার বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন নতুন রানওয়ের পাশে সিসিইসিসি (CCECC) অফিসের সামনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামির কাছ থেকে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এসআরবি-১৫ (সদর ব্যাটালিয়ন) ও এসআরবি-০৩-এর যৌথ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক কারবারি, অস্ত্রধারী, ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে এসআরবি-১৫ (সদর ব্যাটালিয়ন) ও এসআরবি-০৩-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল কক্সবাজার সদর মডেল থানাধীন কক্সবাজার বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন নতুন রানওয়ের পাশে সিসিইসিসি (CCECC) অফিসের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের একপর্যায়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার পলাতক আসামি মোঃ আখতারুজ্জামানকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
যাত্রাবাড়ী থানার মামলার ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি
গ্রেপ্তারকৃত মোঃ আখতারুজ্জামান (৩১) রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার সোনাতন মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মোঃ নূর ইসলাম এবং মাতার নাম মৃত আয়েশা বেগম। তিনি সোনাতন মধ্যপাড়া এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে দায়ের করা একটি মামলায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ওই মামলায় তিনি ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রে তিনি পলাতক ছিলেন বলে জানা গেছে।
সদর মডেল থানায় হস্তান্তর
গ্রেপ্তারের পর আসামি মোঃ আখতারুজ্জামানকে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দ করা দুটি মোবাইল ফোনও মামলার তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি’র এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।
মানবাধিকার খবর-এর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।