| |
| চাঁদপুরে বন্ধকি স্বর্ণ ও টাকা আত্মসাৎ: স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস কারাগারে, স্বজনদের জিম্মায় স্ত্রী-সন্তান |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| মােঃ জানে আলম সাকী,ঢাকা:- চাঁদপুর শহরের আখন্দ মার্কেটের ‘এস কে জুয়েলার্স’-এর মালিক পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের গচ্ছিত বন্ধকি স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় পিন্টু দাসকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা না থাকায় তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে স্বজনদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিন্টু দাস বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে গ্রাহকদের থেকে সোনার চেইন, কানের দুল, লকেটসহ বিভিন্ন অলংকার বন্ধক রাখতেন। পরবর্তীতে গ্রাহকরা টাকা ফেরত দিয়ে অলংকার ফেরত চাইলে তিনি নানা টালবাহানায় সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে গত ১৯ আগস্ট রাতে তিনি বাসা ও দোকান তালাবদ্ধ করে পরিবারসহ আত্মগোপনে চলে যান।পরিবারসহ পিন্টু দাস লাপাত্তা হয়ে গেলে কয়েকজন ভুক্তভোগী গ্রাহক চাঁদপুর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পাশাপাশি বাসার মালিকও তাদের খোঁজ না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস গ্রাহকদের বন্ধকি স্বর্ণালংকার এবং ২৫ লাখ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী মো. রাসেল খান চাঁদপুর সদর মডেল থানায় পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার আদালতে পাঠানো হলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, ঘটনায় সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় পিন্টু দাসের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে তার বাবা সুনীল দাসের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে মোট সাতজনের অভিযোগ রয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং আত্মসাৎ করা স্বর্ণালংকার ও অর্থ উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
|
| |
|
|
|