| |
| সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভনে ‘শারীরিক সম্পর্ক-গর্ভপাত’, প্রেমিকের বাড়িতে নারীর আত্মহননের হুমকি |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| মোঃ রফিকুল ইসলাম,সাতক্ষীরাঃ- সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘ দুই বছর ধরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক, গর্ভপাত করানো এবং পরবর্তীতে প্রতারণা করে প্রেমিক প্রবাসে পালিয়ে যাওয়ার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ন্যায়বিচার ও স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে ভুক্তভোগী তরুণী (২০) অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নিলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।অভিযুক্ত প্রতারক প্রেমিকের নাম মনিরুল ইসলাম। সে কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামের আশা গাজীর ছেলে। অন্যদিকে ভুক্তভোগী তরুণী একই উপজেলার ৪ নম্বর লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রায় দুই বছর আগে মনিরুলের সাথে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মনিরুল নিজ বাড়িসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন পার্ক ও নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে একাধিকবার জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করে। একপর্যায়ে তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। গত বছর ২৫ মে সাতক্ষীরার ‘স্বপ্না ক্লিনিক অ্যান্ড আকসা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ পরীক্ষা করা হলে তার গর্ভাবস্থার পজিটিভ রিপোর্ট আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে কাজী ডেকে বিয়ের নাটক সাজায় মনিরুল ও তার প্রভাবশালী চক্র। পরবর্তীতে তরুণীকে সাতক্ষীরার একটি ক্লিনিকে নিয়ে কৌশলে গর্ভপাত করানো হয়। গর্ভপাতের পর সম্পর্কের সব প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করে সুযোগ বুঝে গোপনে বিদেশে পাড়ি জমায় অভিযুক্ত মনিরুল।তিনি জানান, প্রেমিক বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পর অসহায় তরুণী বিচারের আশায় স্থানীয় প্রতিনিধি ও গণমান্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন। কোথাও সঠিক বিচার না পেয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি কলারোয়ার কেড়াগাছি গ্রামে মনিরুলের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন।ভুক্তভোগী আরও জানান, তাকে পারিবারিক মর্যাদা ও বিয়ের স্বীকৃতি না দিলে তিনি ওই বাড়িতেই বিষপান বা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করবেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মনিরুলের পরিবার স্থানীয় এক সাবেক ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ডেকে আনে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও মাতব্বররা আশ্বাস দেন যে, মনিরুল দেশে ফিরলে স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার করা হবে। এই আশ্বাসে ভুক্তভোগী তরুণী সাময়িকভাবে অবস্থান কর্মসূচি ত্যাগ করেন।
|
| |
|
|
|