| |
| "সকালে ৬ হাজার বিকেলে ১২ হাজার", অভ্যন্তরীণ বিমানভাড়া নিয়ে সংসদে প্রশ্ন |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| মােঃ জানে আলম সাকী,ঢাকা:- দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে একই দিনে বিমানভাড়া দ্বিগুণ বা তারও বেশি হওয়ার বিষয়টি জাতীয় সংসদে তুলে ধরে তা সহনীয় পর্যায়ে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না, তা জানতে চেয়েছেন রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান। তবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই এবং টিকিটের কালোবাজারি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে (৩০ আগস্ট) এক সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান বলেন, “অভ্যন্তরীণ রুটে সকালে যে বিমানভাড়া ৬ হাজার টাকা থাকে, বিকালে তা বেড়ে ১২ হাজার টাকা বা তারও বেশি হয়ে যায়, যা একেবারেই অস্বাভাবিক ও অসহনীয়। এই ভাড়া যেন দ্বিগুণ-তিনগুণ না হয়ে একটি সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সে বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নেবে কি না?” এই সংসদীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।এমপির প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য বিষয়টি যাচাই না করেই মন্তব্য করেছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে টু-এন্ড-ফ্রো (আসা-যাওয়া) টিকিটের মূল্য কখনও ১২ হাজার টাকা হয়নি। নির্ধারিত টিকিটের মূল্য ৬ হাজার ৪০০ টাকা, যার মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ সরকারি ট্যাক্স অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে ভাড়া ৬ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণের চেষ্টা করা হচ্ছে।”ফ্লাইটের শেষ মুহূর্তে কিছু অসাধু চক্র টিকিটের কালোবাজারি করার চেষ্টা করে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও আশ্বাস দেন যে, তাঁর প্রত্যক্ষ তদারকিতে এই সিন্ডিকেট ও কালোবাজারি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা নির্ধারিত ৬ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যেই টিকিট কাটতে পারবেন এবং কাউকে অতিরিক্ত দামে টিকিট কিনতে হবে না।
|
| |
|
|
|