| |
| সেভেন সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানাকে হত্যার দায়ে গাড়িচালক হৃদয়ের মৃত্যুদণ্ড |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| আদালত প্রতিবেদকঃ- সেভেন সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানাকে হত্যার দায়ে গাড়িচালক হৃদয় বেপারী ওরফে হৃদয় মিঞাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।গতকাল বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন চৌধুরী, আসামির মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড রায় দেন।। রায় শুনে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আসামি হৃদয় মিঞা বিচারকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমি এই রায় মানি না।আদালত তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো নিদেশ দেন ।মামলার অভিযোগ থেকে জানাযায়,ঢাকার মধ্য বাড্ডা এলাকায় আফরোজা সুলতানা ছিলেন সেভেন সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের এমআইএস ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ম্যানেজার।গত ২০২২ সালের ১৩ মার্চ মধ্য বাড্ডার ফ্ল্যাটে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।ঘটনার পরদিন তার ভাই মো. আল মজিদ বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় এই মামলাটি করেন।সিসিটিভি ভিডিও,দেখে আসামি হৃদয় বেপারী ওরফে হৃদয় মিঞাকে পুলিশ গ্রেফতার করে পরবর্তীতে আসামির স্বীকারোক্তি ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জানাযায় আসামি হৃদয় অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে বিপুল টাকা হেরে যান। দেনা মেটাতে স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের জন্য তিনি আফরোজাকে একা পেয়ে চাকু দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করেন। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মাটির নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ৯ ইঞ্চি লম্বা রক্তমাখা চাকু, লুণ্ঠিত ২২.০৪ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার, রক্তমাখা টিস্যু পেপার ও লুণ্ঠিত ৬০০ টাকাসহ ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের এসআই মো. রিপন উদ্দিন তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে এ রায় দেন।
|
| |
|
|
|