| |
| ঘুষ নেওয়ার সময় ধরা পড়া বেবিচকের জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর রাশেদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| আদালত প্রতিবেদকঃ ঘুষ নেওয়ার সময় ধরা পড়া বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জুনিয়র জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট এইচ এম রাশেদ সরকারকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেছে,অর্থদণ্ড অনাদায়ে রাশেদকে আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে।আদালত অর্থদণ্ডের টাকা অভিযোগকারীকে দিতে নির্দেশ দিয়েছে।জামিনে থাকা রাশেদ সরকারকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।মামলার অভিযোগ থেকে জানাযায়, বেবিচকের কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্সের (সিপিএল) প্রথম ধাপ `এয়ার ল’ পরীক্ষায় ২০১৮ সালে উত্তীর্ণ হন রাকিব হাসান নামের একজন। পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার জন্য তিনি ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর চার হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদন করেন। কিন্তু বেবিচকের জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট রাশেদ সরকার অনলাইন সিস্টেমে ওই আবেদন বাতিল করেন। তিনি ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে মোবাইলে রাকিবের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন।রাকিব ৬ ডিসেম্বর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে বিএফসিতে গিয়ে ওই টাকা দিয়ে আসেন। এসময় দুদকের ফাঁদ টিমের সদস্যরা রাশেদকে ধরে ফেলেন। দুদকের সহকারী পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক সেদিনই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেন। মামলার তদন্ত শেষে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামি নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন।
|
| |
|
|
|