শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   সারাদেশ
দুধকুমারের ভাঙনে ভিটেমাটি হারাচ্ছেন বাসিন্দারা
  Date : 24-09-2026
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-  কুড়িগ্রাম জেলার দুধকুমার নদীর তীব্র ভাঙনে নিমিষেই বিলিন হয়ে যাচ্ছে বাড়িঘর, গাছপালা ও ফসলি জমিন। স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় জিও ব্যাগে আটকানো যাচ্ছ না এ ভাঙন। বারবার নদী ভাঙনে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজতে খুঁজতে সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছেন মানুষ।
 
কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে প্রবাহিত ১৬টি নদ-নদীর মধ্যে অরক্ষিত ৭০টি পয়েন্টে চলছে তীব্র নদী ভাঙন। গত এক বছরে জেলার সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বাণিয়াপাড়া গ্রামে নদী ভাঙনে বিলিন হয়েছে ৩ শতাধিক বাড়িঘরসহ ফসলি জমি। গত ১৫ দিনে বিলিন হয়েছে আরও ৭টি বাড়ি। নদী তীরবর্তী আরও ৫০টি বাড়ি রয়েছে ভাঙন আতঙ্কে। 
 
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙন কবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ফেললেও তা কোনো কাজে আসছে না। এ ছাড়া বর্তমানে কোনো প্রতিরক্ষা বাজেট না থাকায় ভাঙনকবলিতদের হাহাকার পৌঁছাচ্ছে না কারও কানেই।
 
কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বাণিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রাশেদুল ইসলাম মাহাবুব, মোঃ আহাদ হোসেন, মোঃ বাদশা মিয়াসহ অনেকেই বলেন, মুহূর্তের মধ্যে নদীর পাড়ে ধসে পড়ছে বাড়িঘর। আটকানো যাচ্ছে না কোনো কিছুই। মানুষের সহযোগিতা নিয়ে বাড়িঘর সরাতে হচ্ছে। নদী ভাঙনরোধে বস্তা ফেলার কাজ ভালো না হওয়ায় আবারও নদী ভাঙছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে প্রায় শতাধিক বাড়িঘর বিলীন হবে। সরকারের কাছে অনুরোধ করছি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
 
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মোঃ শাহা আলম বলেন, আমার বাড়িঘর ভেঙে গেছে, পরিবার নিয়ে খুব বিপদে আছি। এখনো থাকার জন্য জায়গা পাইনি, অন্য জায়গায় ঘর করে আছি। ধারদেনা করে ঘর সরিয়েছি।
 
কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য মোঃ লেবু মিয়া বলেন, বারবার বাড়ি ভেঙে নিঃস্ব পরিবারগুলো আরও সর্বশান্ত হচ্ছে। নতুনভাবে জায়গা কেনা, বাড়িঘর, নলকূপ, ল্যাট্রিন স্থাপনে অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। অথচ হতদরিদ্র পরিবরিগুলো পাচ্ছে না সরকারি আর্থিক কোনো সহায়তা।
 
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেছি। সেখানে জরুরি প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। স্থায়ী প্রতিরক্ষার জন্য একটি ডিপিপি প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করছি ডিপিপি’র সংস্কারকৃত কাজ বাস্তবায়িত হলে বাণিয়াপাড়ায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।


সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 7
  
  সর্বশেষ
‘হামার এতি যদি নদীটা বাঁদিল হয়, মোড় বাড়িয়াটা ভাঙ্গিল না হয়`
দুধকুমারের ভাঙনে ভিটেমাটি হারাচ্ছেন বাসিন্দারা
আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় এমপি নজরুল আবারো ৪ দিনের রিমান্ডে
বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যুর ৮ লাক্ষ টাকায় আপোষ কিশোর শরীফকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে

Md Reaz Uddin Editor & Publisher
Editorial Office
Kabbokosh Bhabon, Level-5, Suite#18, Kawran Bazar, Dhaka-1215.
E-mail:manabadhikarkhabar11@gmail.com
Tel:+88-02-41010307
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-41010308