| |
| ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তোলার পর মা-ছেলে নিখোঁজ, এলাকায় চাঞ্চল্য |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| মােঃ জানে আলম সাকী, ঢাকা:- মাদারীপুরের শিবচরে ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা উত্তোলন করার পর এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ও তাঁর স্কুলপড়ুয়া ছেলে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন। গত ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে তাঁদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনায় নিখোঁজদের পরিবার এবং পুরো এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন—সৌদি প্রবাসী আবদুল মালেক হাওলাদারের স্ত্রী মাকসুদা বেগম (৪০) এবং তাঁদের সন্তান রিহাব হাওলাদার (১৩)। রিহাব শিবচর নন্দকুমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার আলেপুর গ্রামে বসবাস করে আসছিলেন।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন একটি এনজিও (কারসা) শিবচর শাখা থেকে মাকসুদা বেগমের নামে ১২ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করা হয়। সেই টাকা উত্তোলনের জন্য গত ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) সকালে তিনি ছেলে রিহাবকে সঙ্গে নিয়ে শিবচরের পূবালী ব্যাংকে যান। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করার পর থেকেই মা ও ছেলের আর কোনো সন্ধান মিলছে না।এই বিষয়ে প্রবাসে থাকা স্বামী আবদুল মালেক মুঠোফোনে জানান, "আমার স্ত্রী মাকসুদা বেগমের সঙ্গে সর্বশেষ বুধবার রাতে ফোনে কথা হয়। ১২ লাখ টাকার চেক নিয়ে বৃহস্পতিবার পূবালী ব্যাংকে যাওয়ার কথা ছিল তার। আমি কাজ শেষে তাকে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পাই। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নিয়েও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাইনি।" তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।নিখোঁজ মাকসুদা বেগমের দেবর আবদুল বারেক হাওলাদার বলেন, "ভাবি খুবই ভালো মানুষ। অপ্রয়োজনে কখনো বাইরে যান না। আমার ধারণা, টাকা উত্তোলনের সময় কোনো অপহরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এই আশঙ্কায় আমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি।"শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় শিবচর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। জিডি করার পরপরই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই রিয়াজকে। পুলিশ দ্রুত এই রহস্য উদ্ঘাটন এবং নিখোঁজ মা-ছেলেকে উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।এদিকে, এই রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মা ও ছেলেকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
|
| |
|
|
|