| |
| শিক্ষা ও সুশাসনে চরম অব্যবস্থাপনা: মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি রুমিন ফারহানার |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| মােঃ জানে আলআলম সাকী,ঢাকা:- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে রাজনৈতিক প্রভাব এবং সুশাসনের অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, "স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ পর্যন্ত সবখানেই এখন রাজনীতিকরণ করা হয়েছে, যা পরোক্ষভাবে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করছে।"
তিনি তার বক্তব্যে মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকারের সুরক্ষায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন:
- শিক্ষার অধিকার ও বৈষম্য দূরীকরণ: তিনি প্রস্তাব করেন, জনপ্রতিনিধি হতে হলে তাদের সন্তানদের নিজ এলাকার সরকারি বা স্থানীয় স্কুলে পড়াতে হবে এবং নিজেদের চিকিৎসাও নিজ এলাকায় নিতে হবে। এটি নিশ্চিত হলে সাধারণ মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হবে।
- দুর্নীতি ও কালোটাকার প্রভাব বন্ধ: ঋণখেলাপি এবং দৃশ্যমান আয়ের উৎস নেই এমন ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধ করার দাবি জানান তিনি। তিনি মনে করেন, রাজনীতি যখন ব্যবসায় পরিণত হয়, তখন সাধারণ মানুষের অধিকার ভূলুণ্ঠিত হয়।
- শিক্ষকদের মর্যাদা ও পেশাগত সুরক্ষা: মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন তিনি। তিনি বলেন, শিক্ষকরা যদি নির্ভয়ে কাজ করতে না পারেন, তবে একটি জাতি মেধাশূন্য হয়ে পড়বে।
- রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার: রাষ্ট্রের সামগ্রিক অবক্ষয় রোধে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা খাতে `নো কমপ্রোমাইজ` নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান রুমিন ফারহানা।
মানবাধিকার রক্ষায় এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে আইনের শাসন ও স্বচ্ছ জবাবদিহিতার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি তার বক্তব্যে জোরালো দাবি জানান।
|
| |
|
|
|