রবিবার, আগস্ট ৩১, ২০২৫
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ব্রিজের অভাবে কুড়িগ্রামে ৮ বছর ধরে ৪ গ্রামের মানুষের ভোগান্তিতে পারাপার   * কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা   * কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা   * ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থানা পুলিশের ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত   * নেই অনুমোদিত ডিগ্রি, তবুও তিনি দাঁতের চিকিৎসক   * নেই অনুমোদিত ডিগ্রি, তবুও তিনি দাঁতের চিকিৎসক   * কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ৯ বছর পর সেতু ফিরে পেলো রাস্তা   * কুড়িগ্রামের রৌমারীর সেই এমপিওভুক্ত কলেজের অনিয়ম তদন্তে ক মিটি গঠন   * শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে কর্মশালা রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পরিবেশ ও সুন্দরবন সুরক্ষায় প্লাষ্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(২৭ আগষ্ট) শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারী সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুন। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, সুন্দরবন একটি সংরক্ষিত এলাকা। আমাদের কর্মকান্ডে ও প্লাষ্টিক-পলিথিনের অবাধ ব্যবহারের কারণে চিরচরিত রূপ হারাতে বসেছে। এ জন্য তিনি যুবদের সাথে সকলের কাজ করার আহব্বান জানান। তসলিম আহম্মেদ টংকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ রাশেদ হোসাইন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কাজী আরিফুল হক, সামাজিক বন কর্মকর্তা মোঃ আছাফুর রহমান প্রমুখ। কর্মশালায় উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি এবং ইয়ুথ ফর সুন্দরবনের যুবরা উপস্থিত ছিলেন। রূপান্তরের ইকো-সুন্দরবন প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মোঃ গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইয়ুথ ফর সুন্দরবনের আহবায়ক মুনতাকিমুল ইসলাম রুহানী। সবশেষে সরকারি ও বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা যুবদের কাজের বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রনয়ন করেন। ছবি- শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইউএনও রণী খাতুন।   * কুড়িগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ  

   বিশেষ প্রতিবেদন
দুই সন্তান নিয়ে বাঁচতে চায় লাকী বেগম: প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা
  Date : 25-01-2020

 নিজস্ব প্রতিবেদক: একটি দূর্ঘটনায় তছনছ করে দিয়েছে লাকী বেগম (৩৪) জীবন। লাকী বেগমের বাবা জাহের মিয়া ছোট খাটো ব্যবসায়ী মা বকুল বেগম গৃহিনী। দুই ভাই তা নিয়ে আমাদের সংসার। প্রতিটা মানুষের মত তারও স্বপ্ন ছিল অনেক লেখা পড়া করবে। ভাল ঘরে বিয়ে হবে সুন্দর সাজনো ঘুছানো টিপটপ পরিপাটি একটা সংসার হবে। তাই হলো ২০০৯ সালে ২১ শে আগষ্ট মাসে একজন শিক্ষিত বুটিকস ব্যবসায়ী কাছে বিয়ে হয় পারিবারিক ভাবে।

অনেক দিন পড়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে নিয়ে আসা হয় শ্বশুর এর ঢাকা আজিমপুরের একটি বাসায়। তখন সে অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্রী। বিয়ের পর বেগম বদরুন্নেছা সরকারী মহিলা কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স সম্পূর্ণ করে। কিন্তু মাস্টার্স আর করা হয়নি। কারণ সে বড় ছেলের বউ। যদি বউ চাকরি করে সংসার দেখবে কে। হয়তো পড়া শুনা না হয় সংসার কথা উঠে বাঙালি নারীদের মতো সেও সংসারকে বেঁচে নিতে হয়।

২০১১ সালে অনার্স শেষ করে এবং বড় মেয়ে পৃথিবীতে আসে। তার স্বামী একজন নাট্য কর্মী ছিলেন। তিনি তারেক এনাম সাহেবের গ্রæপ নাট্য কেন্দ্রর একজন কর্মী ছিলেন বিভিন্ন সংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠনের সাথে জড়িত ছিল। তারপর ২০১২ সাল থেকে নেমে আসে তার জীবন অগচরে বড় ঝড়। যা তার জীবনের সমস্ত আশা আকাঙ্খা ভেঙ্গে চুড়ে চুড়মার করে দেয়। হঠাৎ সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এমন এক মরন ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিল যা আর কোন দিন ভাল হবার নয়। সবে মাত্র নতুন সংসার, সংসার বুঝে উঠতে না উঠতে সংসার নষ্ঠ হওয়া সব সুর বেজে গেলে। তার মধ্যে পারিবারিক অনেক কলহ শুরু হয়ে যায়।

সে দিশেহারা হয়ে যায়। কি করবে একটি বাচ্চা হয়েগেছে তাকে নিয়ে কিভাবে এত বড় পথ পারি দিবে। সবকিছুর পর সে আবার ২০১৫ সালে প্রাইভেটে মাষ্টার্সে ভর্তি হয়ে তা নিয়েও অনেক গনজনা শুনতে হয়েছিল। এর মাঝে চলে আসে তার দ্বিতীয় বাচ্চা এটাও মেয়ে। এখন তার চিন্তা আরো বেশি বেড়ে যায়। দুই মেয়ে নিয়ে সে কি ভাবে এই পথ পাড়ি দেবে।

 

তার সাথে তার স্বামীকে বাংলাদেশের যে সব হসপিটালগুলো ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, নিউরোলজি, মডার্ণ, ল্যাবএইড, মেডিনোভা, পপুলার, স্কয়ার থেকে সব গুলো হাসপাতালের নিউরোউবিভাগের চিকিৎসকদের দেখানো শেষ। তার পর নিয়ে যাওয়া হয় চেন্নাই, মাদ্রাস, সবার একই কথা গ.ঘ.উ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এই রোগ আর ভাল হবে না। আস্তে আস্তে সে সমস্ত শরীর অকেজো হয়ে মারা যাবে। যে কথা সে কাজ ডাক্তার যে ভাবে বলেছে ঠিক সে ভাবে শারীরিক অবনতি হতে থাকল। সে তো পাগল পাড়া। কি হবে কি করবে, এভাবে দিন চলতে থাকে অবশেষে ০২-১০-২০১৬ সালে তার স্বামী পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সে আরো হতভাগ হয়ে পড়ে।

 

সমস্ত পৃথিবী যেন তার মাথার উপর ভেঙ্গে পড়ল। তার শ্বশুর বাড়ির কথা ছিল ওনারা যে ভাবে রাখে সে ভাবে থাকতে হবে। কিন্তু সে পড়াশুনার জানা মেয়ে কেন কারো ওপড় বোঝা হয়ে বেঁচে থাকব। এরপর তার স্বামরি সাথে সাবেক সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এম.পি সাহেব ভালো সম্পর্ক ছিল। অনেক কষ্ট করে তার সাথে যোগাযোগ করে এবং এর মাঝে তার সরকারী চাকরীর বয়স শেষ হয়ে যায়। পরে মন্ত্রী এই কথা শুনে তাকে জাতীয় জাদুঘরে প্রদর্শক প্রভাষক পদে সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে একটি চাকরি দিয়ে দেয়

 এরপরে শুরু হয় আরো অমানবিক জীবন। এখান থেকে মাত্র ১০,০০০ হাজার টাকা আসে। তা দিয়ে কিভাবে দু- বাচ্চা নিয়ে ঢাকায় বসবাস করা সম্ভব হয়। যা পায় তা দিয়ে কোন ভাবেই জীবন মান চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তার বয়ষ্ক বাবা তার ও বাচ্চাদের ভরন- পোষণ চালাতে হিমসিম খাচ্ছে। বর্তমানে জানা মতে আমাদের দেশনেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন গার্মেন্টস কর্মীর বেতনও ৮,২০০ টাকা স্কেলে করে দিয়েছেন। তাহলে তারা কোন স্কেলে কাজ করছে। সবচেয়ে অমানবিক বিষয় হচ্ছে কাজে আসলে টাকা পায় না হলে টাকা পায় না। এমনকি দুটি বোনাস, এমনকি কোন নির্দিষ্ট বেতন পায় না। সে সাথে যখন তখন চাকরীর শেষ হয়ে যাবার ভয় কাজ করে। এভাবে কি জীবন চলে। লাকী আমাদেরকে বলেন তাহলে কি শিক্ষিত হয়ে মহাপাপ করেছি। আমি আমার বাচ্চাদের নিয়ে নিজের উপার্জনের দু মুঠো ডাল ভাত খেয়ে কি বেঁচে থাকতে পারবনা।

এই পর্যন্ত চাকরীর জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি। কিন্তু কোথাও কোন কাজ হয়নি। তাহলে মানবতা কি শুধু মুখে মুখে। একজন সংস্কৃতিক কর্মীর স্ত্রী- সন্তান হয়েও আজ কেন এই অমানবিক জীবন। আমি নিজের যোগ্যতায় গায়ে খেটে কাজ করে বাঁচতে চাচ্ছি কিন্ত তাও কি হবে না। আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা অনেক মানবিক এবং অনেক দয়ালো তিনি ও আমাদের জন্য এগিয়ে আসবেন না।


জননেত্রী অনেক মানবিক তিনি অনেক অসহায়, অসুস্থ, এতিম এবং বিধবাদের অনেক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে আমি খবরে দেখে থাকি। আমিও তো একজন বিধাব ও দুই এতিম কন্যা সন্তান নিয়ে জীবন যাপন করছি। তাহলে কি আমি তার সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হব। আমি অনেক মন্ত্রী, এমপি এবং দেশের অনেক বড় বড় মাপের মানুষের দ্বারে দ্বারে একটি চাকরির জন্য অসহার এর মত আবদার করে করে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত হয়ে গেছি। আমার মাননীয় দেশ নেত্রী জননেত্রী আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন তিনি যেন এক বিধাবা ও এতিম দু কন্যা সন্তানের অসহায় মা’য়ের দিকে তাকিয়ে একটু সহানুভূতি হয়। আমাদের সাহায্য যেন এগিয়ে আসে। অনেক আশা নিয়ে আমি তার কাছে এই লিখা গুলো লিখেছি জানিনা পৌছাবে কি না।



  
  সর্বশেষ
ব্রিজের অভাবে কুড়িগ্রামে ৮ বছর ধরে ৪ গ্রামের মানুষের ভোগান্তিতে পারাপার
কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা
কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থানা পুলিশের ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত

Md Reaz Uddin Editor & Publisher
Editorial Office
Kabbokosh Bhabon, Level-5, Suite#18, Kawran Bazar, Dhaka-1215.
E-mail:manabadhikarkhabar11@gmail.com
Tel:+88-02-41010307
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-41010308