| |
| রাষ্ট্রদ্রোহ,সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| আদালত প্রতিবেদকঃ- রাষ্ট্রদ্রোহ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ড মন্জুর করেছে আদালত। গতকাল সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ আসামিদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট দিদারুল আলম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে চার দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন। রিমান্ড যাওয়া আসামিরা হলেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও লেফটেন্যান্ট গুলশান আরা। রিমান্ড আবেদন বলা হয়, আসামিরা নিজ বাসায় অবস্থান করে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা’ এবং ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামে সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত থেকে তহবিল সংগ্রহ ও সহিংস উস্কানিমূলক ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক প্লাটফর্মে প্রচার করছে। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্লাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান (অব.) আজিজ আহমেদসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দলটির পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠিত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রচার ও পরিচালনা করছেন।রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, কাজী গুলশান আরা ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর নির্বাচনের প্রাক্কালে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে সঙ্গে গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি একাত্মতা ও আনুগত্য প্রকাশ করেন। সহযোগী ১০১ জনকে নিয়ে ‘সেনা পরিষদ’ নামে একটি কমিটিও গঠন করেন তিনি। এ সংগঠনের কাজ মূলত দেশের বিভিন্ন শ্রেণি গোষ্ঠীর ভিতরে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা।গত রবিবার রাতে ঢাকার দুটি এলাকা থেকে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও লেফটেন্যান্ট গুলশান আরাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আলী আকবর।
|
| |
|
|
|