| আদালত প্রতিবেদকঃ- চাঁদা না দেওয়ার পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করে হত্যা মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন মাধ্যমে বিচার শুরু করেছে আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ অভিযোগ গঠন করে ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেন।২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের নিকট দাবি কৃত এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তারা হলেন, মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. সজীব বেপারী, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, সাগর, মো. রুমান বেপারী, মো. আবির হোসেন ও মো. পারভেজ, মো. জহিরুল ওরফে জলিল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজিব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন ও অপু দাস।আসামিদের মধ্যে প্রথম ১০ জন কারাগারে। পরের তিনজন উচ্চ আদালতে থেকে জামিনে রয়েছেন।বাকিরা পলাতক। মামলার অভিযোগ থেকে জানাযায় , ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরের দিন ১০ জুলাই সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় এ হত্যা মামলাটি করেন। গত বছরের ৮ ডিসেম্বরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন আদালতে। তবে অভিযোগপত্রে ত্রুটি থাকায় আবারও তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পরে আবারও ২১ জন আসামির বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১০ মে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ।
|