| |
| কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্তোরাঁয় ফেলে যাওয়া পাকিস্তানি শিশু ফিরে পেল পরিবার |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| মােঃ জানে আলম সাকী, ঢাকা:- কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়ার পথে কুমিল্লার একটি হাইওয়ে রেস্তোরাঁয় অসাবধানতাবশত ফেলে যাওয়া এক পাকিস্তানি শিশুকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ।শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে শিশুটিকে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধার হওয়া ওই শিশুটির নাম নাফিসা। তার বাবা সালমান পাকিস্তানের নাগরিক।পুলিশ ও রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার `হোটেল জাইতুন`-এ নাস্তার জন্য যাত্রাবিরতি করেন সালমানের পরিবারের সদস্যরা। প্রায় ১৫ জনের ওই পরিবারটি দুটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। নাস্তা শেষে তারা তাড়াহুড়ো করে দুটি গাড়িতে চড়ে আবার যাত্রা শুরু করেন। তবে অসাবধানতাবশত শিশু নাফিসা রেস্তোরাঁতেই রয়ে যায়।পরবর্তীতে রেস্তোরাঁ কর্মীরা শিশুটিকে একা বসে থাকতে দেখে বিষয়টি বুঝতে পারেন। শিশুটি নিজের নাম বা পরিবারের পরিচয় বিস্তারিত বলতে পারছিল না। এরপর হোটেল জাইতুনের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন সদর দক্ষিণ মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে দ্রুত শিশুটিকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, পরিবারের সদস্যরা ভুলবশত তাকে রেস্তোরাঁয় রেখে চলে গেছেন।এদিকে গাড়িগুলো চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা খেয়াল করেন যে নাফিসা তাদের সাথে নেই। বিষয়টি টের পেয়ে তারা অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হন।পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা শিশুটিকে প্রথমে উপজেলা প্রশাসনের জিম্মায় দেওয়া হয়। পরে পরিবারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায়ের উপস্থিতিতে শিশু নাফিসাকে তার বাবা সালমানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।ইউএনও সুজন চন্দ্র রায় বলেন, "শিশুটির পরিচয় প্রথমে জানা না থাকায় শুরুতে কিছুটা উদ্বেগ ছিল। তবে প্রশাসনের ধারণা ছিল, পরিবার অবশ্যই তাকে খুঁজতে ফিরে আসবে। শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।"হারিয়ে যাওয়া সন্তানকে এত দ্রুত ও নিরাপদ অবস্থায় ফিরে পেয়ে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশ পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন এবং হোটেল জাইতুন কর্তৃপক্ষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করেছেন।
|
| |
|
|
|