| |
| স্পেশাল অডিটের নামে স্পেশাল চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ নৈপত্যে অডিটর আলমগীর কবির |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অভ্যন্তরীন অডিট পরিদপ্তর নামে একটি দপ্তর গড়ে উঠেছে মূলতঃ এই মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তরের আয়-ব্যয়ের হিসেবসহ দাপ্তরিক কাজ সমূহ সঠিক নিয়মে সম্পাদিত হয় কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অধিদপ্তর সমূহকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দেয়ার জন্য যাতে পূর্ত অডিট অধিদপ্তর বা এজির অডিটে কোনো রকম গুরুতর অনিয়ম না হয়। এই অভ্যন্তরীন অডিটের মূল কাজই হলো পরামর্শ ও সুপারিশের মাধ্যমে অধঃস্তন দপ্তরসমূহকে সঠিকভাবে কাজ করার গাইডলাইন দেয়া এবং বিভিন্ন নিয়ম কানন সম্পর্কে অবহিত করা ও তার আলোকে কাজ করার জন্য উদ্ধুদ্ধ করা। কিন্তু অডিটর আলমগীর নামক কিছু মানুষরুপী টাকা খেকো এই অভ্যন্তরীন অডিটকে করে ফেলেছে বিতর্কিত, তার যন্ত্রনায় অতীষ্ঠ আজকে গণপূর্ত অধিদপ্তর। অভ্যন্তরীন অডিটের নামে তা হয়ে গেছে অডিটের মূল খাত, এই অডিট হয়ে উঠেছে মন্ত্রণালয়ের কিছু লোকের টাকা কামানোর মেশিন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, অডিটর আলমগীর তার উর্ধ্বতন কর্তা ব্যক্তিদের মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে ম্যানেজ করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের যে সকল ডিভিশনে কাজ বেশি সেখানে অডিটের জন্য তদবির করে নিজের নাম ঢুকায়। বিভিন্ন গণপূর্ত বিভাগে গিয়ে মিথ্যা বানোয়াট অডিট আপত্তির নানা রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে কোটি টাকা পর্যন্ত দাবী করে। এই বিষয়ে ভুক্তভোগী কয়েকজন প্রকৌশলী উক্ত প্রতিবেদককে নাম না প্রকাশ করার শর্তে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
অভ্যন্তরীন অডিটের নামে আলমগীর বিভিন্ন গণপূর্ত অফিস থেকে গত কয়েক বছরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আলমগীর এসব টাকার ভাগ তার অডিট টিম সহ অডিট সুপার, অভ্যন্তরীন অডিট পরিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও পরিচালক সবাইকে সহ এমনকি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্তা ব্যক্তিকে ভাগ দেয় বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। বিপুল অংকের টাকা চাদাবাজি করে আলমগীর গড়ে তুলেছে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি, মন্ত্রণালয় ও দুদক সঠিকভাবে অনুসন্ধান করলেই এসবের সত্যতা পাওয়া যাবে।
সম্প্রতি আলমগীর গণপূর্ত বিভাগের ১৫ টি অফিসে তার উর্ধ্বতন কর্তা ব্যক্তিদের কয়েক লাখ টাকা দিয়ে স্পেশাল অডিট টিমে নিজের নাম ঢুকিয়ে এসব দপ্তরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ধান্ধায় আছে। অভ্যন্তরীন অডিটে এতোজন অফিসার থাকলেও বারবার আলমগীরকেই সব জায়গায় পাঠানো নিয়ে খোদ বিস্ময় প্রকাশ করেছে এই দপ্তরের কয়েকজন অডিটর। ইতোমধ্যে একটি দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছ ঠেকে ৬ কোটি টাকা দাবী করে আলমগীর সহ তার টিম। তা না হলে নানা রকম মিথ্যা বানোয়াট অডিট আপত্তি দিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ঐ দপ্তরের সকল কর্মকর্তাকে মন্ত্রণালয়ের কাছে দূর্নীতিবাজ হিসেবে উপস্থাপন করে তাদের ক্ষতি করার হুমকি দেয়। যেখানে মধু সেখানে আলমগীর এই কথা আজ গণপূর্ত বিভাগের সব জায়গায় কানাঘোষা শোনা যায়। আলমগীরের যন্ত্রণায় অতীষ্ঠ হয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যন্তরীন অডিট থেকে অপসারনের দাবী তুলছে, মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে কয়েকজন প্রকৌশলী এই ব্যাপারগুলো নিয়ে কথা বললেও অদৃশ্য ক্ষমতার বলয়ে আলমগীর বারবারই হয়ে উঠেছে অপ্রতিরোধ্য।
এই বিষয়ে আলমগীরকে ফোন করা হলে আলমগীর বলে আমারে কেনো বারবার দেয় এটা আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানে, এটা তাদের জিজ্ঞাসা করেন।
|
| |
|
|
|