বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   সারাদেশ
মনুষ্যজীব কি দীর্ঘ আয়ু বা অমরত্বের দিকে যাচ্ছে?
  Date : 06-05-2026

 মোঃ আব্দুল বাকী চৌধুরী নবাব:-  ইদানিং পত্র-পত্রিকাসহ সামাজিক মাধ্যমে প্রযুক্তির অসাধারণ উন্নতির সরণি ধরে ন্যানো রোবটের আওতায়দীর্ঘ জীবন বা অমরত্বের কথা শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। আর একই সঙ্গে রবি ঠাকুরের কড়ি ও কোমল কাব্য গ্রন্থের “প্রাণ” কবিতার প্রথম দুটি চরণমনে পড়ে যায়-

“মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভূবনে;
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই।”

সত্যিকারার্থে জন্ম হলেই মৃত্যু অনিবার্য। তথাপিও মানুষ এ সাধের অবনী থেকে যেতে চায় না। এ সূত্র ধরে ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় যে, এই ধরনের মান
মানসিকতা সুদূরপ্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। উল্লেখ্য যে, ন্যানো রোবট বা ন্যানোবোট (ঘধহড়নড়ঃং) ব্যবহার করে কোষ মেরামতপূর্বক মানুষের আয়ু
বৃদ্ধি করা বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম রোমাঞ্চকর এবং সম্ভাবনাময় গবেষণার বিষয়। এই প্রযুক্তিটি মূলত মলিকুলার ন্যানোটেকনোলজির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে থাকে। মনুষ্যজীবের আয়ু বৃদ্ধির ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বসে নেই। তাঁরা একের পর এক গবেষণা করে চলেছেন। এর মধ্যে মানুষের আয়ু ২০০ বছর পর্যন্ত নেওয়া যায় কি না, সে ব্যাপারে গবেষণা করে চলেছেন। এ প্রেক্ষাপটে তাঁরা বোহেড প্রজাতির তিমির শরীরে থাকা প্রোটিন মানুষের আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারে বলে ধারণা করছেন। অমরত্ব লাভের আকাক্সক্ষা মানুষের আদিমতম এক প্রবৃত্তি। সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ মৃত্যুকে জয় করার জন্য বিভিন্ন পথ অবলম্বন করেছে। এ ব্যাপারে মিথোলজি বা পৌরাণিক কাহিনীর কথা উঠে আসে। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে ধর্মের দৃষ্টিকোন থেকে আধ্যাত্মিক ভূমিকাও প্রনিধানযোগ্য। প্রকাশ থাকে যে, অতি প্রাচীন সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ বিশ্বাস করতো যে, এমন কোনো বস্তু বা পানীয় আছে, যা পান করলে মৃত্যু এড়ানো সম্ভব। এ ব্যাপারে পৃথিবীর প্রাচীনতম “মহাকাব্য গিলগামেশ” এর সূত্র ধরে উল্লেখ্য যে, রাজা গিলগামেশ অমরত্বের গাছের সন্ধানে বের হয়েছিলেন। সত্যিকারার্থে এটিই মানুষের অমরত্ব খোঁজার প্রথম লিখিত দলিল বললে ভুল হবে না। এদিকে হিন্দু পুরাণে অমৃত এবং ইসলামি ও পারস্য লোকগাথায় আবে হায়াত এর কথা উল্লেখ আছে। আর এক্ষেত্রে বলা হয় যে, এই পানি বা সুধা পান করলে মানুষ চিরজীবী হবে। শুধু তাই নয়, মধ্যযুগে ইউরোপ ও আরবের বিজ্ঞানীরা ফিলোসফার্স স্টোন (পরশ পাথর) বা এমন এক এলিক্সির (অমৃত) আবিষ্কারের চেষ্টা করতেন, যা নাকি মানুষকে চিরযৌবন দান করবে। এ সূত্র ধরে আবে হায়াত সম্পর্কে আরও কিছু কথা বলা আবশ্যক বলে মনে করি। উল্লেখ্য যে, আবে হায়াত একটি ফারসি শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো জীবনী শক্তিদানকারী পানি বা অমৃত। বিভিন্ন ধর্মীয় ও পৌরাণিক কাহিনীতে এই রহস্যময় পানির কথা উল্লেখ আছে, যা পান করলে মানুষ অমরত্ব লাভ করে এবং চিরযৌবন প্রাপ্ত হয়। এক্ষেত্রে “আব” হচ্ছে- পানি আর “হায়াত” হলো- জীবনকাল। একত্রে এর অর্থ দাঁড়ায় যে এমন এক অলৌকিক ঝর্ণার পানি, যা মৃত ব্যক্তিকে জীবন দান করতে পারে বা জীবিতকে অমরত্ব দিতে পারে। এদিকে রূপক অর্থে অনেক সুফি সাধক “আবে হায়াত” বলতে আল্লাহর মারেফাত বা আধ্যাত্মিক জ্ঞানকে বুঝিয়েছেন, যা মানুষের আত্মাকে অমর করে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে হযরত খিজির (আঃ) এর কথা উঠে আসে। বস্তুত ইসলামি বিভিন্ন বর্ণনা ও কিচ্ছায় হযরত খিজির (আ:) এর নাম আবে হায়াতের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রচলিত বিশ্বাস মতে- হযরত খিজির (আ:) আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত হিসেবে এই ঝর্ণার সন্ধান পেয়েছিলেন এবং এর পানিও পান করেছিলেন। আর এই কারণে মনে করা হয় যে, তিনি কিয়ামত পর্যন্ত জীবিত থাকবেন। এ ব্যাপারে অনেক বর্ণনায় জুলকারনাইন (আ:) এর অভিযানের সাথেও এই পানির সন্ধানের কাহিনী পাওয়া যায়, যেখানে নাকি খিজির (আ:) তাঁর সাথে ছিলেন। আর হিন্দু পুরাণ মতে একে বলা হয়, “অমৃত”, যা সমুদ্র মন্থনের মাধ্যমে দেবতারা লাভ করেছিলেন। এদিকে গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী দেবতারা “অ্যামব্রোসিয়া” (অমরত্ব) নামক এক বিশেষ পানীয় পান করে অমর হতেন। তাছাড়া পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে একে বলা হয় “ফাউন্টেন অফ ইয়ুথ” বা চিরযৌবনের ঝর্ণা। অবশ্য উর্দু ও বাংলা কবি ও সাহিত্যিকরা আবে হায়াতকে প্রায়ই চিরন্তন প্রেম বা পরম তৃপ্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেন। এ ব্যাপারে বিখ্যাত উর্দু লেখক মোহাম্মদ হুসাইন আজাদের একটি বইয়ের নামও আবে হায়াত। আর আধুনিক মিডিয়ার আওতায় বিভিন্ন ফ্যান্টাসি বই এবং মুভিতে এই অলৌকিক পানির ধারণাটি আজও জনপ্রিয় এবং বলতে গেলে অনেকরই মুখে মুখে। সত্যিকারার্থে বাস্তবে আবে হায়াত বা এমন কোনো ঝর্ণার অস্তিত্বের কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

তাছাড়া আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এটি কোনো ভৌগলিক স্থানে নয়; বরং
এটি একটি গোপন বা রহস্যময় জগৎ বলে বিশ্বাস করা হয়। আসলে আবে হায়াত
মূলত মানুষের অমরত্বের আকাক্সক্ষার একটি প্রতীকী রূপ বলে মনে হয়। আর ধর্মীয়
দৃষ্টিকোণ থেকে এটি আল্লাহর একটি বিশেষ কুদরত, যা কেবল মৃত্যুর পর তাঁর
বান্দাদের জন্য নির্ধারিত।

এবার আসুন, এ ব্যাপারে আধুনিক বিজ্ঞান কি বলে? অবশ্য এক্ষেত্রে
ইতিপূর্বে ন্যানো রবোটের কথা উল্লেখ করেছি। বস্তুত ন্যানো রোবটগুলো
রক্তকণিকার চেয়েও ক্ষুদ্র হতে পারে, যা সরাসরি কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে কাজ
করতে সক্ষম। এ প্রেক্ষাপটে উল্লেখ্য যে, সময়ের পরিক্রমায় আমাদের ডিএনএ-তে
মিউটেশন বা ত্রুটি দেখা দেয়, তা বলতে গেলে বার্ধক্য ও ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান
কারণ। ন্যানোবোটগুলো কোষের নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করে ত্রুটিপূর্ণ
ডিএনএ সিকোয়েন্স শনাক্ত করতে এবং তা আণবিক পর্যায়ে সংশোধন বা
মেরামত করতে পারবে। একই সঙ্গে কোষের ভেতরে জমে থাকা ক্ষতিকর প্রোটিন বা
সেলুলার জাঙ্ক পরিষ্কার করে কোষকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারবে। তাছাড়া
মাইটোকন্ড্রিয়া সংস্কারের ব্যাপারে উল্লেখ্য যে, কোষের শক্তি উৎপাদনকারী কেন্দ্র
বা মাইটোকন্ড্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হলে বার্ধক্য ত্বরান্বিত হয়। আর এক্ষেত্রে
ন্যানোবোট এই অঙ্গাণুগুলোকে মেরামত করে কোষের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে
পারবে।
মূলত বার্ধক্য হলো এক ধরনের ‘সিস্টেম ফেইলিওর’। এক্ষেত্রে ন্যানো প্রযুক্তি
ব্যবহার করে এই সিস্টেমকে সচল রাখা গেলে আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা
সম্ভব। এ ব্যাপারে ন্যানো রোবটগুলো ধমনীতে জমে থাকা প্লাক সরিয়ে হার্ট
অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে পারে অথবা শরীরে ছড়িয়ে থাকা ক্যান্সারের কোষগুলো
একটি একটি করে ধ্বংস করতে পারে। শুধু তাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ বা টিস্যুকে
কৃত্রিমভাবে ন্যানো স্কেলে মেরামত করে সেগুলোকে আগের মতো সচল করবে।
এতদ্ব্যতীত ক্রোমোজোমের প্রান্তে থাকা টেলোমেয়ার ছোট হয়ে যাওয়া
বার্ধক্যের প্রধান লক্ষণ। আর এক্ষেত্রে ন্যানোবোট ব্যবহার করে এই টেলোমেয়ারের
দৈর্ঘ্য বজায় রাখা বা বৃদ্ধি করা গেলে কোষের মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব।
মজার ব্যাপার হলো যে, যদিও এটি সায়েন্স ফিকশনের মতো মনে হয়। তবে গবেষকরা
ইতিমধ্যেই ক্ষুদ্র পর্যায়ে এমন প্রোটিন-ভিত্তিক রোবট তৈরির কাজ শুরু
করেছেন, যা বেশ কার্যকরী হবে বলে প্রতীয়মান হয়। কিন্তু বড় চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে
গেছে- যেমন- বায়োকম্প্যাটিবিলিটি এর আওতায় শরীর এই রোবটগুলোকে বাইরের
শত্রু মনে করে আক্রমণ করবে কি না, তা নিশ্চিত করা। আর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এই
রোবটগুলো চালানোর জন্য শক্তির উৎস কী হবে, তা চিন্তার বিষয়। তাছাড়া কয়েক
ট্রিলিয়ন কোষের মধ্যে নির্দিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত কোষটি নির্ভুলভাবে খুঁজে বের করা
খুবই দুস্কর।
যাহোক, সংক্ষেপে যদি বলি, তাহলে এই দাঁড়ায় যে, ন্যানো রোবট প্রযুক্তির
চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মৃত্যুকে জয় করা নয়, বরং হেলথস্প্যান বা সুস্থভাবে বেঁচে থাকার
সময়কালকে দীর্ঘায়িত করা। যদি কোষগুলোকে আণবিক পর্যায়ে নিয়মিত মেরামত
করা যায়, তাহলে মানুষের আয়ু কয়েকশো বছর থেকে হাজার বছর পর্যন্ত হওয়া
অসম্ভব কিছু নয়।
ন্যানো রোবট বা ন্যানোবোটের মাধ্যমে মানুষের আয়ু ঠিক কতদিন বৃদ্ধি
করা সম্ভব, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিভিন্ন চমকপ্রদ তত্ত্ব রয়েছে। যেহেতু
এটি এখনো গবেষণাধীন প্রযুক্তি, তাই কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা কঠিন,
তবে এর সম্ভাবনাগুলো বিশাল। এ ব্যাপারে অনেক বিজ্ঞানীর মতে, ন্যানোবোট যদি
কেবল প্রধান রোগগুলো (যেমন- ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং ধমনীর ব্লক) নিরাময় করতে
পারে, তবে মানুষের গড় আয়ু অনায়াসেই শত বছর অতিক্রম করা তেমন কিছু নয়।
এটি মূলত বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থার একটি উন্নত সংস্করণ হিসেবে কাজ
করবে।
আসলে ন্যানোবোট যদি কোষের ভেতরে ঢুকে ডিএনএ লেভেলে প্রতিদিনের ক্ষয়
মেরামত করতে পারে, তবে শরীর কখনো বুড়ো হবে না। আর বায়োলজিক্যাল ক্লক
রিসেটের আওতায় যদি শরীরের বায়োজিক্যাল ক্লক বা টেলোমেয়ারের দৈর্ঘ্য
ন্যানোবোট দিয়ে বারবার রিসেট করা যায়, তবে তাত্ত্বিকভাবে মানুষ কয়েকশ বছর
পর্যন্ত বেঁচে থাকা অসম্ভব কিছু নয়।
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, যদি ন্যানোবোটের মাধ্যমে আমাদের শরীরের প্রতিটি
কোষকে একটি নির্দিষ্ট বয়সের (যেমন- ২৫-৩০ বছর বয়স) সজীবতায় আটকে
রাখা যায়, তবে দুর্ঘটনা বা বড় কোনো আঘাত ছাড়া মানুষ স্বাভাবিক
বার্ধক্যে কখনও মারা যাবে না। তবে শরীর মেরামত করা সম্ভব হলেও মানুষের স্মৃতি
এবং মস্তিস্কের নিউরণগুলো একইভাবে মেরামত করা যাবে কি না, তা এখনো একটি
বড় প্রশ্ন। তথাপিও ন্যানোবোট রোগ সারাতে পারলেও বাহ্যিক দুর্ঘটনা বা
পরিবেশগত বিপর্যয় থেকে বাঁচাতে পারবে না। কেননা এমন দিন নেই যে,
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনায় শত শত লোক মারা যাচ্ছে না?
অবশ্য ন্যানো প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ ঘটলে মানুষের আয়ু কেবল সংখ্যাতে নয় বরং
অনির্দিষ্টকালের জন্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে
করেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে হয়তো মানুষ এমন এক যুগে প্রবেশ করবে, যেখানে
বয়স কেবল একটি সংখ্যায় পরিণত হবে। এদিকে অনির্দিষ্টকাল বা অমরত্বের
সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বিখ্যাত ফিউচারিস্ট রে কার্জউইল ভবিষ্যদ্বানী করেছেন যে, ২০৩০
এর শেষের দিকে ন্যানো প্রযুক্তি এতটাই উন্নত হবে যে এটি বার্ধক্যকে
পুরোপুরি থামিয়ে দিতে পারবে।
সত্যিকারার্থে ন্যানো রোবট ব্যবহার করে মানুষের আয়ু বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে
চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নয়ন (মলিকুলার ন্যানো টেকনোলজি) বলতে
গেলে একটি রোমাঞ্চকর ও সম্ভাবনাময় গবেষণার বিষয়। আর এর গবেষণার ফলাফল
ইতিবাচক বা সফল হলে অমরত্বের বিষয়টি খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। হয়তো
এক্ষেত্রে অনেক নেতিবাচক ও ধর্মান্ধ মানুষ হেসে উড়িয়ে দিতে পারেন। কিন্তু এটা
শাশ্বত সত্য যে বিধাতা বা সৃষ্টিকর্তা মনূষ্য জীবের কেবল অঙ্গ প্রত্যক্ষ সৃষ্টি
করেননি; একই সাথে অসীম জ্ঞানও দিয়েছেন। তাই গবেষণার মাধ্যমে মানুষের
আয়ু দীর্ঘায়িত করা বা অমরত্বের বিষয়টি হাল্কা করে দেখা সমীচীন নয়। আর
ন্যানো রবোট যদি যথাযথ ব্যবহার করা যায়; তাহলে হয়তো শত বছর পর মনুষ্য আয়ুর
বিষয়টি সংখ্যার মতো সীমাবদ্ধ থাকবে না এবং প্রকারান্তরে অমরত্বের দিকে
এগিয়ে যাবে বলে প্রতীয়মান হয়।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 8
  
     সারাদেশ
মানবকল্যাণে নিয়োজিত মানবাধিকার খবর পত্রিকায় সম্মানিত উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করেছেন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও মানবাধিকার কর্মী সুলতানা ইসলাম এ্যানি।
মোটরসাইকেলে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের গুলি, ‘এআরও কমান্ডার’ নিহত
মনুষ্যজীব কি দীর্ঘ আয়ু বা অমরত্বের দিকে যাচ্ছে?
পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা জি আর মামলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জি আর মামলা বিরোধিতা সহ বিবিধ ষরজন্ত্রে আদালত একাধিক মামলা দায়ের
ইমরান হোসেন (২৭) হত্যা মামলায় নিরীহ মানুষদের জড়ানোর চেষ্টা
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় জমি বিরোধে আদালতের স্থিতাবস্থা নির্দেশ, সংবাদ সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ
  সর্বশেষ
মানবকল্যাণে নিয়োজিত মানবাধিকার খবর পত্রিকায় সম্মানিত উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করেছেন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও মানবাধিকার কর্মী সুলতানা ইসলাম এ্যানি।
মোটরসাইকেলে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের গুলি, ‘এআরও কমান্ডার’ নিহত
মনুষ্যজীব কি দীর্ঘ আয়ু বা অমরত্বের দিকে যাচ্ছে?
পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা জি আর মামলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জি আর মামলা বিরোধিতা সহ বিবিধ ষরজন্ত্রে আদালত একাধিক মামলা দায়ের

Md Reaz Uddin Editor & Publisher
Editorial Office
Kabbokosh Bhabon, Level-5, Suite#18, Kawran Bazar, Dhaka-1215.
E-mail:manabadhikarkhabar11@gmail.com
Tel:+88-02-41010307
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-41010308