শনিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৫
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা   * কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা   * ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থানা পুলিশের ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত   * নেই অনুমোদিত ডিগ্রি, তবুও তিনি দাঁতের চিকিৎসক   * নেই অনুমোদিত ডিগ্রি, তবুও তিনি দাঁতের চিকিৎসক   * কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ৯ বছর পর সেতু ফিরে পেলো রাস্তা   * কুড়িগ্রামের রৌমারীর সেই এমপিওভুক্ত কলেজের অনিয়ম তদন্তে ক মিটি গঠন   * শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে কর্মশালা রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পরিবেশ ও সুন্দরবন সুরক্ষায় প্লাষ্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(২৭ আগষ্ট) শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারী সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুন। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, সুন্দরবন একটি সংরক্ষিত এলাকা। আমাদের কর্মকান্ডে ও প্লাষ্টিক-পলিথিনের অবাধ ব্যবহারের কারণে চিরচরিত রূপ হারাতে বসেছে। এ জন্য তিনি যুবদের সাথে সকলের কাজ করার আহব্বান জানান। তসলিম আহম্মেদ টংকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ রাশেদ হোসাইন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কাজী আরিফুল হক, সামাজিক বন কর্মকর্তা মোঃ আছাফুর রহমান প্রমুখ। কর্মশালায় উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি এবং ইয়ুথ ফর সুন্দরবনের যুবরা উপস্থিত ছিলেন। রূপান্তরের ইকো-সুন্দরবন প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মোঃ গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইয়ুথ ফর সুন্দরবনের আহবায়ক মুনতাকিমুল ইসলাম রুহানী। সবশেষে সরকারি ও বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা যুবদের কাজের বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রনয়ন করেন। ছবি- শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইউএনও রণী খাতুন।   * কুড়িগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ   * মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মায়ের ডাকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষ্যে ‘মানববন্ধন ও চিত্র প্রদর্শনী’ শীর্ষক অনুষ্ঠানেহাসিনার বিচার হতেই হবে এ মাটিতে: মির্জা ফখরুল  

   সাক্ষাতকার
মানবাধিকার খবরকে পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র গুপ্ত
  Date : 15-02-2018

শুধু দরিদ্রদের নয়, ধনীদেরও মানবাধিকার ক্ষুন্ন হয়
মানবাধিকার পরিস্থিতির সামগ্রিক অবস্থা ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলকাতা সল্টলেক পূর্ত ভবনে পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশন কার্যালয়ে কলকাতা হাইকোর্ট এর সাবেক প্রধান বিচারপতি ও পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র গুপ্ত মানবাধিকার খবরকে একান্ত সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। যার বিশেষ অংশ মানবাধিকার খবর-এর পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল-
মানবাধিকার খবর ঃ মানবাধিকার কি? জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারের ৩০টি ধারার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন?
বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র গুপ্ত ঃ যে ৩০টি ধারা-জাতিসংঘে রয়েছে তার মধ্যে দুটি গ্রুপ আছে, একটি হচ্ছে সিবিলিয়ান পলিটিক্যাল রাইটস্, আরেকটা হচ্ছে সোশিয়াল কালচারাল এন্ড ইকোনিমিকস্ রাইটস্ দু’টি গ্রুপ রয়েছে এ দু’টো গ্রুপের পরবর্তীকালে সেগুলোকে বলবৎ করার জন্য ১৯৬৬ সালে দু’টো সেপার‌্যাট কবিনেট তৈরী হয় এবং সেই দুটো কবিন্যান্ট ভারত সরকার ১৯৭৯ সালে রেডিফাই করেছিল আর এ দুটির প্রয়োজনীয়তা এক কথায় বলতে পারা যায় যে, সিবিলিয়ান পলিটিক্যাল রাইটস্ “উই দাউট” সোশিয়াল কালচারাল এন্ড ইকোনমিকস্ রাইটস্, অর্থহীন হয়ে পড়তে পারে, কারণ যে মানুষটার পেট অভুক্ত তার কাছে সিবিলিয়ান পলিটিক্যাল, রাইটসই কি আর সোশিয়াল কালচারাল এন্ড ইকোনমিকস্ রাইটস্ই কি, কাজেই একে অপরের পরিপূরক বলেই আমি মনে করি, কাজেই এ কথাটি বলা যায়না যে ৩০টি অনুচ্ছেদ কোন প্রয়োজন ছিলনা।
মানবাধিকার খবর ঃ ভাররেত বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি কি অবস্থায় আছে বলে আপনি মনে করেন?
বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র গুপ্ত ঃ আমাদের দেশে মানবাধিকার লংঘন হচ্ছেনা একথা আমি বলতে পারবনা, মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে কিন্তু তার প্রতিকারেরও চেষ্টা হচ্ছে। ধরুন বিশেষ করে নারী বিষয়ক যেসব ঘটনা ঘটছে সেগুলোর জন্য আমাদের সুপ্রীম কোর্ট তার “বিলিংস” দিয়েছে এবং আইনও তৈরী হয়েছে, কাজ হচ্ছে এইসব নিয়ে তবুও আমি ব্যক্তিগতভাবে এ কাজের গতিকে নিয়ে আমি সন্তুষ্ট নই।
মানবাধিকার খবর ঃ মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধন নির্যাতন এ সম্পর্কে আপনার মতামত কি?
বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র গুপ্ত ঃ দেখুন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমার ‘সহানুভূতি যে তাদের প্রতি আছে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। আমি কেন প্রত্যেকটি মানুষেরী সহানুভূতি রয়েছে, কিন্তু রাজনৈতিক স্তরে এর বিভিন্ন রকম মাপ হয়ে গেছে যেমন ঃ আমাদের ভারত সরকারের একসময়ে যে নীতি দেখতে পাচ্ছি, তাদের নিজের জায়গায় ফিরে যেতে হবে, ফিরে যেতে হবে এ কথাটি খুব একটা খারাপ কথা নয় কারণ তারা আজকে যদি রিফিউজি হিসেবে এখানে থেকে যায়।এমনতো নয় রোহিঙ্গারাতো মায়ানমারে ছিল ওরা সবাই চলে এসেছে। ওখানে আরো রোহিঙ্গারা রয়েছে, অতএব, এরা যদি এখানে থেকে যায় তর্কের খাতিরে ধরে নিন এরা এখানে কিংবা বাংলাদেশে রয়ে গেলো এদেরতো আপনি প্রটেকশন দিতে পারছেন কিন্তু যারা মায়ানমারে রয়ে গেলো তাদের আপনি কি করবেন। এর যদি একটা দীর্ঘস্থায়ী সমাধান করতে হয় রাজনৈতিক স্তরে এবং ইন্টারন্যাশনাল ফোরামে এ বিষয়টি একটি সুষ্ঠ সমাধান হওয়া প্রয়োজন যাতে করে রোহিঙ্গারা মানুষ হিসেবে মানুষের মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে পারে।
মানবাধিকার খবর ঃ মানবাধিকার রক্ষায় কোন প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই স্বাধীনভাবে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পারছেন কি?
বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র গুপ্ত ঃ ২১ শে ডিসেম্বর ২০১৬ পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে এসেছি এর মধ্যে কখনোও মানবাধিকার কমিশনের কোন কাজে সরকার কিংবা অন্য কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে বলে আমি বলতে পারবনা, এ যাবত আমি কোন প্রতিবন্ধকতা দেখিনি।
মানবাধিকার খবর ঃ মানবাধিকার খবরের প্রকাশনা ও কর্মকান্ড সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কি?
বিচারপতি গিরিশ চন্দ্র গুপ্ত ঃ আপনারা সেবামূলক যে কাজগুলো করছেন সেটা মানবাধিকারের ক্ষেত্র থেকে বাইরে। তার কারণ সেবামূলক কাজ মানবাধিকার গোষ্ঠীর বেশী প্রয়োজন আছে, তাদের জন্য করছেন। আপনারা আর্তের সেবা করছেন তাহলো আর্ত একজন গরীবও হতে পারে, ধনীও হতে পারে। মানবাধিকার প্রসঙ্গে সে একই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে, একথা বলা যায় না যে, শুধু দরিদ্রদের মানবাধিকার ক্ষুন্ন হয়, ধনী লোকেরও মানবাধিকার ক্ষুন্ন হয়, সুতরাং মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য কাজগুলোকে সেবামূলক কাজ গুলো থেকে আলাদা করে দেখতে হবে। মানবাধিকার হচ্ছে একটা দিক এবং সেবামূলক কাজ আরেকটা দিক দুটো দুদিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, কিন্তু মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে যাই কিছু করছেন এর চাইতে অনেক বেশী সুফল পাচ্ছেন মানব সেবামূলক কাজে আপনারা নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। আর ফলাফলটাও আপনারা সঙ্গে সঙ্গে পাচ্ছেন, একজন ক্ষুধার্তের মুখে যখন অন্ন যুগিয়ে দিচ্ছেন ফলাফলটা সাথে সাথে পাচ্ছেন। আার মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছেন এগুলো সুদৃঢ় প্রসারী পরিকল্পনা এগুলোর ফলাফল পেতে সময় লাগে। তাই আমি মানবাধিকার খবর এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি আশা করি ও প্রার্থনা করি।
অনুলিখন : রুবিনা শওকত উল্লাহ



  
  সর্বশেষ
কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা
কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল; নানান সংকটে বঞ্চিত চিকিৎসাসেবা
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থানা পুলিশের ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত
নেই অনুমোদিত ডিগ্রি, তবুও তিনি দাঁতের চিকিৎসক

Md Reaz Uddin Editor & Publisher
Editorial Office
Kabbokosh Bhabon, Level-5, Suite#18, Kawran Bazar, Dhaka-1215.
E-mail:manabadhikarkhabar11@gmail.com
Tel:+88-02-41010307
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-41010308