মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   সারাদেশ
পেশাজীবি ও সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র দায়ের করা মামলা জটিলতায় ব্যাঘাতে অভিজুক্ত - অপরাধী - আসামীগন, পুলিশ প্রশাসন তদন্তেই ১০ বছরের ঘটে যাওয়া অপরাধ সমাপ্তি
  Date : 09-06-2026

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই মামলার সূত্র ধরে কোতোয়ালি থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব জিডিতে সাইবার অপরাধের বিভিন্ন আলামত, অনলাইন কার্যক্রমের তথ্য এবং প্রযুক্তিগত উপাদান সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়গুলো আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আনুষ্ঠানিক তদন্তের অনুমতি প্রদান করেন।​আদালতের নির্দেশনার পর সংশ্লিষ্ট থানা থেকে মামলার বিভিন্ন আলামত জব্দ করে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশকে সাইবার অপরাধ ও তথ্যপ্রযুক্তিগত অপরাধ দমনসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে জড়িত অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্তে অধিকতর তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে দ্রুততম সময়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (Final Report) দাখিলেরও নির্দেশনা রয়েছে।​আদালতে মামলাটি নন-এফআইআর (Non-FIR) ও নন-জিআর (Non-GR) প্রক্রিয়ায় অনুমোদন পাওয়ার পর, এর গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলার সঙ্গে জড়িত সাইবার অপরাধ, অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন সন্দেহভাজন কার্যক্রম এবং অন্যান্য অভিযোগসমূহ এখন সরকারের সিআইডি বিভাগের বিশেষ তত্ত্বাবধানে নিবিড়ভাবে তদন্তাধীন রয়েছে।​এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসন ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাল অপরাধ দমন এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধীদের নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় সকল আইনগত ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী খুব শীঘ্রই পরবর্তী দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।অপর দিকে মানবাধিকার সদস্যগন, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের ব্যক্তি বিশেষ মনে করেন, পেশাজীবি ও জাতীয় -অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র সাথে সাম্ভাব্য ধারনা তার সাথে যেটা হচ্ছে বা সেটা অন্যায় ও অবিচার। ন্যায় ও নীতির বহি:ভুত অপরাধ। এই অপরাধ এই বহু বছর মেয়াদী হতে পারে না। এই খানে সকলে ধারনা ও মতামত সমন্বয় বলা যায়, তার সাথে অপরাধের ঘটনা গুলো ঘটছে এতে তাকে হয় দু:ঘটনা ঘটনা ঘটিয়ে পুনরায় কোন একটা বড়ো ধরনের নাসকতা করবে এর পক্ষে কারা সেটা পুলিশ প্রশাসন তদন্ত এখতিয়ার৷ কারন আইনের আশ্রয় যদি একটি মানুষ তার আইনগত অধিকার প্রাপ্য না হয় বা কোথায় কোন ঘাটতি থাকে তাহলে বিচার করাটা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে।  তার সংগ্রাম প্রায় ১০ বছর, ১০ বছর অনেক গুলো ব্যাপার সুনিশ্চিত আমলজোগ্য অপরাধ ঘটেছে আর রহস্যময় ব্যাপার এই খানে অভিজুক্ত ব্যাক্তি না কি অপরাধী অপর দিক তার দায়ের করা মামলার পুলিশ তদন্ত প্রাপ্ত আসামীগন। ৩ টি বিষয় প্রশ্ন আসলে, সমাধান আলাদা আলাদা করেই নেওয়া পুলিশ প্রশাসন সহ আদালতের এখতিয়ার আওতায় এনে অভিজুক্ত ব্যাক্তিরা কারা? কোন উদ্দেশ্য?  কেন? কি কারনে উনার মতো এমন একজন ব্যাক্তির পিছনে বেপোরোয়া হয়ে লাগবে?  তার কারন টা কি? এখানে কি অভিজুক্ত ব্যাক্তি বিশেষদের খুজে  পাওয়া জাচ্ছে না কি খুজে পেয়েও উনারা আইনের কোন বেড়া জালে পার পেয়ে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রথমেই উচিৎ প্রতিটি অভিজুক্ত ব্যাক্তিদের খুজে বের করে তাদের কাছে উন্মুক্ত কথা বা ঘটনা জানতে চাওয়া যে কি কারনে তার বিরোধিতা তারা অভিজুক্ত গন করছেন? প্রধান কারন গুলো কি কি? আর উনারা  অভিজুক্ত ধরাছোঁয়ার বাহিরে কখনোই থাকবেন না কোথাও না কোথাও অবশ্যই তারা অভিজুক্ত গন সংগবদ্ধ ভাবে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করার জন্য পরিকল্পিত পরিকল্পনা করছেন?  এর জন্য অভিযোগ কারী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র`র নিকট অবশ্যই পরিস্কার ভাবে জানতে হবে- অভিজোগ পরিস্কার ভাবে কি যদি আইনের আওতায় সকল কিছুই অধীনস্থ আছে তারপর অভিযোগ কারীদের সনাক্ত করতে অভিযোগ / বাদী মওদুদ আবদুল্লাহ পিছু ধরে তার জবানবন্দি উপর কারা পিছিনে নিচ্ছে সেইটা অবশ্যই বের পুলিশ প্রশাসন পক্ষে খুব বেশি সময় লাগবে না।কারন সাম্ভাব্য তার বিগত দিনে তার ঘটে জাওয়া একাধিক সংঘটিত আমলজোগ্য অপরাধ সহ বিভিন্ন ঘটনাই বলে দেয় তার বিরুদ্ধে তার চেনা জানা পরিচিত অথবা অপরিচিতদের চেনা জানা লোক বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারন করে জাতে তাদের কে খুব কাছে থাকলেও চেনা না জায় এমন অভিজুক্ত রা অপরাধ সংঘটিত করছে না`তো? অপর দিক থেকে কয়েক জন আসামী পক্ষের পরোক্ষ একটি শক্তি পুলিশ প্রশাসন তদন্ত করে ১-২ জনকে গ্রেফতার করে অস্ত্র সহকারে পুলিশ সুত্রে জানা যায়, তারা পেশাদার অপরাধী এবং তাদের ২-১ জন মেয়াদে সমাজে আইন বিনস্টকারী বা আইন বিঘ্নিত কারী অপরাধ সরাসরি হাতেনাতে পাওয়া জায় বিধায় মেয়াদি সাজা দেন, তবে এই খানে অপরাধীদের কে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ যে তারা কি কারনে এই অপরাধ গুলো করেছে অন্যদিক থেকে থানার এফ আই আর বা জি আর মামলা মুল এজহার নামীয় আসামি সহ অজ্ঞাত যারা আসামি তারা কে? কারা? তারা অপরাধ গুলো কতো গভীরে ছিলো তারা কি তার সাথেই অপরাধ করেছে নাকি অতীতেও অপরাধ করেছে? সব কিছু তো অবশ্যই প্রমানিত তাদের উপর পুলিশ প্রশাসন আইনের আওতায় নিয়ে আসলে ও গ্রেফতার পরোয়ানা থাকলে গ্রেফতার অভিজান পরিচালনা করা হলে অত:পর পুনরায় পুলিশ আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অবশ্যই ব্যাপার গুলো পরিস্কার হয়ে যাবে। অপর দিক থেকে সকলের মতামত আইন গ্রহন করার অধিকার সকল নাগরিক আছে। তবে সেই মামলা ও আইন হবে সচ্ছ ও প্রকাশিত  নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যে,কারা অভিজুক্ত - কারা অপরাধী - কারা  আসামীগন তাদের সকলের বিবাদীদের অপরাধ বিবরনী সহ তাদের অতীতের কোন সমাজ ও আইনবিরোধী ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত করেছে বা করেই চলছে বা মামলাতে কোন এমন কোন নজীর আছে কি`না সেটাও দেখতে হবে। তখন আইন সু- শাসন প্রতিস্থা পাবে।নাগরিক পাবে নিরাপত্তা,  আইন হবে মানব কল্যানে সেবার জন্য।



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 11
  
  সর্বশেষ
বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাখালীতে নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট
বসুন্ধরা গ্রুপের ৫ গণমাধ্যমে প্রশাসক বসাতে সরকারের কাছে আবেদন
আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয়; ২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রম
নভেম্বরেই শেষ হচ্ছে এনআইডি’র স্মার্টকার্ড প্রকল্প: চিপ আছে, নেই রিডার!

Md Reaz Uddin Editor & Publisher
Editorial Office
Kabbokosh Bhabon, Level-5, Suite#18, Kawran Bazar, Dhaka-1215.
E-mail:manabadhikarkhabar11@gmail.com
Tel:+88-02-41010307
Mobile: +8801978882223 Fax: +88-02-41010308